ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

গাজায় ভারী বৃষ্টিতে প্লাবিত ফিলিস্তিনিদের তাঁবু, শীতে কাঁপছে শিশুরা


গাজায় ভারী বৃষ্টিতে প্লাবিত ফিলিস্তিনিদের তাঁবু, শীতে কাঁপছে শিশুরা

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় শীতের আগমনের পূর্বে ভারী বৃষ্টি এবং ঝোড়ো বাতাসের কারণে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও শহরের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। হাজার হাজার অস্থায়ী তাঁবু পানিতে তলিয়ে গেছে। বিছানা, কম্বল এবং পরনের কাপড় ভিজে গেছে। নারী ও শিশুরা তীব্র ঠান্ডা ও বাতাসে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে।

হামাস পরিচালিত গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় অন্তত ৭০ হাজার তাঁবু বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে, উত্তর গাজায় ইসরাইলি গোলাবর্ষণে আগে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবনের দেয়াল ধসে দুই ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত বাসিন্দাদের কাছ থেকে তারা ১ হাজার ৫০০টি জরুরি সহায়তার ফোন পেয়েছে। এ ছাড়া পরিত্যক্ত তিনটি বাড়ি ধসে পড়েছে, তবে এতে কেউ আহত হননি।

আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি, মোদি সরকারকে সোনিয়ার তোপ

গাজা শহরের একটি তাঁবু শিবিরে কেউ তাঁবু মেরামতের চেষ্টা করছেন, কেউ বালু দিয়ে তাঁবুর চারপাশ শক্ত করে পানি প্রবেশ ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। আবার কেউ বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া তাঁবু থেকে সন্তানদের বের করে আনছেন।

গাজার বাসিন্দা ওলফাত মাগদুব নিজের তাঁবু থেকে পানি সরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টির প্রথম দিনেই আমাদের তাঁবু পানিতে ডুবে গেছে। পরদিন আবার বৃষ্টি হলে কী হবে? মাত্র প্রথম দিনেই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই সপ্তাহ আগে যখন বৃষ্টি হয়েছিল, আল্লাহর কসম, চার দিন মেঝেতে কম্বল পেতে ঘুমিয়েছি। কারণ বৃষ্টির পানিতে বিছানাপত্র ভিজে গিয়েছিল। এবারও একই অবস্থা। তোশক ভিজে যাওয়ায় মেঝেতেই ঘুমাতে হচ্ছে।’

পৌরসভা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকট ও সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতির কারণে ঝড়ের পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছেন না তারা।

আরও পড়ুন: প্রথম বিদেশি নভোচারী হিসেবে চীনের মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন পাকিস্তানের নাগরিক

তাদের ভাষ্য, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইল শত শত যানবাহন ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে বুলডোজার এবং পানি নিষ্কাশনে ব্যবহৃত যানবাহনও রয়েছে। যুদ্ধে গাজার ২০ লাখের বেশি বাসিন্দার অধিকাংশই বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং ভূখণ্ডটির বড় একটি অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ তাঁবুর শিবিরে বসবাস করছেন।

গাজায় আশ্রয়কেন্দ্র ও নির্মাণসামগ্রী প্রবেশ করতে না দেওয়ার জন্য ইসরাইলকে দায়ী করেছে হামাস। তবে হামাসের অভিযোগের বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ত্রাণ সমন্বয়কারী সংস্থা কোগাট তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসের পর আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে গাজাজুড়ে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উন্নয়নে তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে।

পানিতে তলিয়ে গেছে আল-মিনা শিবির

আরও পড়ুন: আরব উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় এক নাবিক নিহত

গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে গাজার বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও শহর প্লাবিত হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইল গাজায় যুদ্ধ শুরু করার পর নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে পালানো বহু ফিলিস্তিনি এবার চতুর্থ শীতও কাটাচ্ছেন অস্থায়ী আশ্রয়ে।

শনিবারের বৃষ্টিতে গাজার কয়েকটি শরণার্থী শিবিরে পানির উচ্চতা ৩০ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার কাছে শত শত ফোন এসেছে।

আল-মিনা শিবিরে প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি পরিবারের বসবাস। বৃষ্টির পানিতে সেখানকার অসংখ্য তাঁবু ডুবে গেছে। পুরো শিবিরের মাটি কাদামিশ্রিত পানিতে পরিণত হয়েছে।

৪০ বছর বয়সি রায়েদ আবু আমশা জানান, ঝড়ের সময় তার পরিবারের ওপর তাঁবুটি ভেঙে পড়ে। তার দায়িত্বে থাকা নয় শিশুর সবার কাপড় ও কম্বল ভিজে গেছে। এদের মধ্যে চারজন তার প্রয়াত ভাইয়ের সন্তান।

আরও পড়ুন: নোয়াখালী-চট্টগ্রাম-সিলেট দখলের উসকানি বিজেপি এমপির

তিনি বলেন, ‘নিজের সন্তানদের পাশাপাশি এতিম শিশুদেরও দায়িত্ব আমার ওপর। কিন্তু তাদের প্রয়োজন মেটানোর সামর্থ্য আমার নেই। মাত্র দুই ঘণ্টার ঝড়ে আমাদের এই অবস্থা হয়েছে। আমাদের তাঁবু, ত্রিপল এবং সন্তানদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু দরকার। আর কত দিন এভাবে থাকতে হবে?’

ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনেও বাড়ছে ঝুঁকি।

মধ্য গাজার কয়েক দশক পুরোনো নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরেও বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। সেখানে স্থায়ী ভবন থাকলেও ইসরাইলি বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরগুলো এখন বৃষ্টির পানিতে আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

৫৪ বছর বয়সি নাসের আল-হাজ্জ থাকেন একটি বহুতল ভবনে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরাইলি হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওপরের তলাগুলো থেকে ধ্বংসাবশেষ তার ঘরের ওপর পড়ে ছাদে বড় একটি গর্ত তৈরি করেছে। বৃষ্টি হলেই সেই গর্ত দিয়ে ঘরে পানি ঢোকে।

আরও পড়ুন: পারমাণবিক আলোচনায় বসার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ৭ কড়া শর্ত

ছাদটি সাপোর্ট বিম দিয়ে মেরামত করা হলেও একজন প্রকৌশলী নাসেরকে সতর্ক করেছেন, ভবনটি এখনো বিপজ্জনক। গাজায় আরও খারাপ আবহাওয়া দেখা দিলে ভবনটির ধ্বংসাবশেষ ভেঙে পড়তে পারে।

সর্বশেষ ঝড়ের সময় সন্তানদের নিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেন নাসের। ছাদ থেকে ধ্বংসাবশেষ পড়া বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সেখানে অপেক্ষা করেন। তার দুই সন্তান অটিজমে আক্রান্ত। তারা ক্ষতিগ্রস্ত অংশ থেকে দূরে ভবনটির নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে ঘুমায়।

আলজাজিরাকে নাসের বলেন, ‘আমি এমন একটি জায়গায় থাকতে বাধ্য হচ্ছি, যেটি যেকোনো মুহূর্তে আমাদের মাথার ওপর ধসে পড়তে পারে। কিন্তু আমি কোথায় যাব? বাড়িভাড়া অনেক বেশি, আবার তাঁবুও নিরাপদ নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি জায়গাটি কতটা বিপজ্জনক। কিন্তু আমার আর কোনো বিকল্প নেই।’

বন্যার ঝুঁকিতে ৯ লাখ ৫০ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ।

আরও পড়ুন: মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ও ইরান সংকটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বড় পতন

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয়বিষয়ক দপ্তর (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, গাজায় প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে থাকা এলাকায় বসবাস করছেন। নিচু এলাকা ও উপকূলসংলগ্ন স্থানগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে ৪ লাখের বেশি মানুষ এমন এলাকায় রয়েছেন, যেগুলোকে বন্যার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রায় ৪৪ হাজার ফিলিস্তিনি কাঠামোগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে বসবাস করছেন। ইসরাইলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গাজার ৪ হাজারের বেশি ভবন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ভেঙে ফেলা প্রয়োজন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শীতের আগে প্রায় ২ লাখ ৯৪ হাজার ২৫০টি পরিবারের আশ্রয় সহায়তা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে যে পরিমাণ সরঞ্জাম রয়েছে, তা দিয়ে তাদের চাহিদার মাত্র ১৮ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব।

বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও অকার্যকর।

ঝড় ও বৃষ্টির পানি মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে গাজা পৌরসভাও। পৌর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ কিলোমিটার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন লাইন এবং ২১২ কিলোমিটার পয়োনিষ্কাশন নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আটটি পাম্পিং স্টেশন ও বৃষ্টির পানি সংগ্রহের তিনটি প্রধান জলাধারও অচল হয়ে পড়েছে।

পৌরসভার মুখপাত্র হোসনি মুহান্না জানান, সবচেয়ে ভালো পরিস্থিতিতেও অবশিষ্ট নিষ্কাশন ব্যবস্থা দিয়ে মোট বৃষ্টির পানির মাত্র ২০ শতাংশ সামাল দেওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমের প্রস্তুতি হিসেবে আমরা নিষ্কাশন ব্যবস্থাগুলো পরিষ্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’

সেই লক্ষ্যে পৌরসভার কর্মীরা নালা ও ম্যানহোল পরিষ্কার, আবর্জনা অপসারণ, পানিপ্রবাহের পথ সচল রাখা, ক্ষতিগ্রস্ত নিষ্কাশন লাইন মেরামত এবং পানির পাম্প চালু রাখার কাজ করছেন।

তবে জ্বালানি, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও খুচরা যন্ত্রাংশের সংকটের কারণে এসব উদ্যোগে নিষ্কাশন ব্যবস্থার আগের সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে সতর্ক করেছেন মুহান্না।

তিনি আরও জানান, শুধু গাজা শহরেই ২ হাজারের বেশি ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। শহরটিতে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপের পরিমাণ ২ কোটি ৫০ লাখ টন ছাড়িয়েছে।

তাঁবু ও ত্রিপলের সংকট

শরণার্থী শিবিরগুলোতে জরুরি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনাকারী কমিটিগুলোও আশ্রয় উপকরণের সংকটে পড়েছে।

নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের জরুরি কমিটির কর্মকর্তা আদলি আওয়াদ জানান, বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে তাঁবু ও ত্রিপল বিতরণের চেষ্টা করছেন তারা। তবে সহায়তার প্রয়োজন এমন মানুষের সংখ্যা মজুত সরঞ্জামের তুলনায় অনেক বেশি।

তিনি বলেন, ‘আমরা যত বেশি সম্ভব তাঁবু ও ত্রিপল সরবরাহের চেষ্টা করছি। পাশাপাশি তাঁবু থেকে বৃষ্টির পানি সরিয়ে নিতে এবং জলাবদ্ধতা কমাতে পরিবারগুলোকে পানি নিষ্কাশনের নালা খননেও সহায়তা করছি।’

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, আনাদোলু ও আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিলনের পর মূত্রনালীর সংক্রমণ: এড়াতে হবে যেসব কাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


মিলনের পর মূত্রনালীর সংক্রমণ: এড়াতে হবে যেসব কাজ

শারীরিক সম্পর্কের পর অনেকেরই প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা তলপেটে অস্বস্তি অনুভূত হয়। নারীরা এই সমস্যায় সবচেয়ে বেশি ভোগেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) বা মূত্রনালীর সংক্রমণ বলা হয়। মূত্রনালী, মূত্রথলি, অথবা কিডনি— মূত্রতন্ত্রের যেকোনো অংশ ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনে অন্তত একবার ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ নারী মূলনালীর সংক্রমণে ভোগেন। বিশেষ করে ৬৫ বছরের পর বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই ঝুঁকি দ্বিগুণ হয়ে যায়। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি কিছুটা কম থাকে।

মিলনের পর কেন বাড়ে সংক্রমণ

শারীরিক মিলনের সময় ঘর্ষণের ফলে যৌনাঙ্গের চারপাশের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সহজেই মূত্রনালীতে প্রবেশ করে এবং মূত্রথলিতে পৌঁছে যায়। নারীদের শারীরিক গঠনগত কারণে এই ঝুঁকি বেশি হয়।

ছোট মূত্রনালী: নারীদের মূত্রনালী পুরুষদের তুলনায় ছোট হওয়ায় ব্যাকটেরিয়া সহজেই মূত্রথলিতে পৌঁছে সংক্রামিত করে।

পায়ুপথের নৈকট্য: নারীদের মূত্রনালী ও পায়ুপথের দূরত্ব কম হওয়ায় ‘ই. কোলাই’র মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সহজেই মূত্রনালীতে ছড়াতে পারে।

ওরাল সেক্স: ওরাল সেক্সের মাধ্যমে মুখে থাকা ব্যাকটেরিয়া মূত্রনালীতে প্রবেশ করতে পারে।

প্রতিরোধে করণীয়

মূলনালীর সংক্রমণ থেকে ১০০ শতাংশ নিরাপদ থাকার কোনো উপায় নেই, তবে কিছু অভ্যাস মেনে চললে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

মিলনের পর প্রস্রাব করা: সহবাসের পরেই প্রস্রাব করা অত্যন্ত জরুরি। এতে মূত্রথলিতে প্রবেশ করা ব্যাকটেরিয়া প্রস্রাবের সঙ্গে ধুয়ে বেরিয়ে যায়। মিলনের আগেও একবার প্রস্রাব করে নেওয়া ভালো।

গরম পানি ব্যবহার: সহবাসের আগে গরম পানি দিয়ে যৌনাঙ্গ হালকাভাবে ধুয়ে নিলে ব্যাকটেরিয়ার প্রবেশ আটকানো সম্ভব।

গর্ভনিরোধক পরিবর্তনে নজর: ডায়াফ্রাম বা স্পার্মিসাইড জাতীয় গর্ভনিরোধক মূলনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বারবার সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে পদ্ধতি বদলানো উচিত।

অ্যান্টিবায়োটিকের একক ডোজ: যাদের ঘন ঘন ইউটিআই হয়, চিকিৎসকরা তাদের মিলনের পরপরই খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট একটি অ্যান্টিবায়োটিক ডোজের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

কারা বেশি ঝুঁকিতে

১. মেনোপজ বা রজোনিবৃত্তির পর যেসব নারীর যোনিপথের টিস্যু শুষ্ক হয়ে যায়।

২. ঘন ঘন ও তীব্র শারীরিক মিলন বা নতুন সঙ্গীর সঙ্গে সহবাস।

৩. স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি।

৪. গর্ভাবস্থা বা মূত্রনালীতে গঠনগত কোনো সমস্যা থাকলে।

৫. পরিবারে ঘন ঘন সংক্রমণের ইতিহাস থাকলে।

এছাড়া ক্যাথেটার ব্যবহার, পাথর হলে ঠিকমতো প্রস্রাব না হওয়া এবং অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলেও মূত্রনালীর স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে সংক্রমণ হতে পারে।

যেসব লক্ষণ দেখা দেয়

১. বারবার প্রস্রাবের বেগ কিন্তু অল্প প্রস্রাব হওয়া।

২. প্রস্রাব করার সময় তীব্র জ্বালাপোড়া বা যন্ত্রণা।

৩. তলপেট বা পেলভিক অঞ্চলে অস্বস্তি ও চাপ অনুভব।

৪. ঘোলাটে, দুর্গন্ধযুক্ত বা রক্তমিশ্রিত প্রস্রাব।

৫. সংক্রমণ কিডনিতে ছড়ালে পিঠের ওপরের দিকে ব্যথা, জ্বর, কাঁপুনি, বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্লুটুথে নতুন ফিচার, ডেটা আদান-প্রদানের গতি বাড়ছে চার গুণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


ব্লুটুথে নতুন ফিচার, ডেটা আদান-প্রদানের গতি বাড়ছে চার গুণ

ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জগতে ব্লুটুথ নতুন একটি সংযোজন নিয়ে আসছে। ব্লুটুথ স্পেশাল ইন্টারেস্ট গ্রুপ (এসআইজি) ব্লুটুথ হাই ডেটা থ্রুপুট (এইচডিটি) নামে নতুন একটি ফিচার অনুমোদন করেছে, যা ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানের সুবিধা প্রদান করবে।

এই প্রযুক্তিটি ব্লুটুথ কোর ৭.০-এর একটি ঐচ্ছিক ফিচার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ব্লুটুথ লো এনার্জি (বিএলই) ডিভাইসের জন্য এই নতুন ফিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ডেটা স্থানান্তর গতি প্রতি সেকেন্ডে ২ মেগাবিট থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ৫ মেগাবিটে পৌঁছাবে। এর ফলে আগের তুলনায় প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ গুণ বেশি গতিতে তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হবে।

প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এই সুবিধা ওয়্যারলেস অডিও প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে উন্নতমানের অডিও, মাল্টি-চ্যানেল সাউন্ড এবং স্পেশাল অডিও অভিজ্ঞতা তৈরিতে বাড়তি ডেটা আদান-প্রদানের সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

শুধু অডিও নয়, দৈনন্দিন ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নতুন প্রযুক্তির প্রভাব পড়বে। স্মার্টওয়াচের ফার্মওয়্যার আপডেট, ফিটনেস ডেটা সিঙ্ক এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে বড় ফাইল আদান-প্রদানের মতো কাজগুলো আগের চেয়ে দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

এছাড়া, বাড়তি ব্যান্ডউইথের কারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন এবং স্পেশাল কম্পিউটিং ডিভাইসের সঙ্গে ব্লুটুথের সমন্বয় আরও কার্যকর হতে পারে। এতে ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানে সময় কম লাগবে এবং সামগ্রিক ব্যবহার অভিজ্ঞতা উন্নত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

নতুন প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি ব্লুটুথ লো এনার্জি ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে কাজ করবে। ফলে তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচের সুবিধা বজায় রেখেই বাড়তি ডেটা স্থানান্তরের সক্ষমতা পাওয়া যাবে।

প্রযুক্তিটির সমর্থন নিয়ে প্রথম দিকের ডিভাইসগুলো ২০২৭ সালের শুরুর দিকে বাজারে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য কনজিউমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস) কিংবা এর আগেই নতুন প্রযুক্তির সমর্থনযুক্ত ডিভাইসের ঘোষণা আসতে পারে।

সব মিলিয়ে, ব্লুটুথ এইচডিটি ওয়্যারলেস সংযোগের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের স্মার্ট ডিভাইস, অডিও প্রযুক্তি ও এআইনির্ভর ব্যবস্থার জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, নির্মাতারা কত দ্রুত এই প্রযুক্তি নিজেদের ডিভাইসে যুক্ত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুমিয়ে ১৩ লাখ টাকা জিতলেন জিনিয়া চ্যাটার্জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


ঘুমিয়ে ১৩ লাখ টাকা জিতলেন জিনিয়া চ্যাটার্জি

ঘুমের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করা সম্ভব! যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, ভারতের মুম্বাইয়ের জিনিয়া চ্যাটার্জি একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৯ লাখ ৬০ হাজার রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা) জিতেছেন। এই দুই মাসের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে তিনি অর্থ পুরস্কারের পাশাপাশি একটি স্পনসর করা ছুটির ভ্রমণের সুযোগও লাভ করেছেন।

ওয়েকফিটের (Wakefit) আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘স্লিপ ইন্টার্নশিপ’ প্রতিযোগিতায় ভারতের স্লিপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জিনিয়া। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেশজুড়ে দুই লাখের বেশি আবেদনকারী আবেদন করেছিলেন।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি মেনে চলা, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা এবং প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন সৃজনশীল চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে হয়েছে।

দুই লাখের বেশি আবেদনকারীর মধ্যে কয়েক ধাপের বাছাই ও ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে মাত্র ১০ জনকে নির্বাচিত করা হয়। প্রায় ৬০ দিন ধরে চলা এই প্রতিযোগিতায় প্রত্যেকের ঘুমের মান ও সময় পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। প্রতিদিনের স্কোরের ভিত্তিতে একটি তালিকা তৈরি করা হতো।

তবে, এই প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র বেশি সময় ঘুমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীলতা পরীক্ষা করার জন্য নানা মজার কাজও করতে হয়েছে।

যেসব চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে হয়েছে

প্রতিটি সপ্তাহে প্রতিযোগীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন চ্যালেঞ্জ ছিল। এর মধ্যে ‘স্লিপ সিনেমা’তে ঘুমের বিষয়টি যুক্ত করে বিখ্যাত সিনেমার দৃশ্য অভিনয়ের মাধ্যমে পুনর্নির্মাণ করতে হয়েছে। ‘স্লিপ বিঙ্গো’ চ্যালেঞ্জে এক সপ্তাহের ঘুমের অভ্যাস মূল্যায়ন করতে হয়েছে।

সবচেয়ে মজার চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটি ছিল ‘আন্ডারকভার স্লিপ মিশন’। এতে কথোপকথনের মধ্যে ‘কম্বল’ অথবা ‘বালিশ’ শব্দ দুটি ১০ বার ব্যবহার করতে হতো, তবে অন্যদের বুঝতে দেওয়া যেত না যে এটি একটি প্রতিযোগিতার অংশ।

প্রতি সপ্তাহে সেরা পারফরমারকে ‘প্রো স্লিপার অব দ্য উইক’ খেতাব দেওয়া হতো।

দুই মাসের প্রতিযোগিতা শেষে শীর্ষ তিনে স্থান করে নেন জিনিয়া চ্যাটার্জি, রত্নগিরি মানিকান্দান ও মেহেক খোট। তবে প্রতি সপ্তাহের সৃজনশীল চ্যালেঞ্জে সবচেয়ে বেশি জয় পাওয়া হায়দরাবাদের করিম খান ওয়াইল্ডকার্ড হিসেবে ফিরে আসেন। ফলে চূড়ান্ত পর্বে প্রতিযোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় চারজনে।

যেভাবে জিতলেন জিনিয়া

‘বিগ বেড’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে। এতে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। প্রথমটির নাম ‘মেমোরি ফোম চ্যালেঞ্জ’। এতে নমুনা ছবি দেখে একটি শোবার ঘরের সাজসজ্জা হুবহু তৈরি করতে হয়। এই চ্যালেঞ্জে প্রতিযোগীদের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি ও দলগত কাজের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জটির নাম ছিল ‘স্লিপ অকশন’। এতে বালিশ, কম্বল, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, আলো ও শব্দের মতো ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ বেছে নিতে প্রতিযোগীদের নিলামে অংশ নিতে হয়।

এরপর নিজেদের পছন্দমতো সাজানো পরিবেশে শেষ রাতের ঘুম সম্পন্ন করেন প্রতিযোগীরা। তাদের ঘুমের স্কোরের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয় বিজয়ী। অবশেষে জিনিয়া চ্যাটার্জি ৯ লাখ ৬০ হাজার রুপি এবং ওয়েকফিটের পক্ষ থেকে স্পনসর করা একটি ছুটির ভ্রমণ জিতে নেন।

২০১৯ সালে শুরু হওয়া ওয়েকফিটের এই ‘স্লিপ ইন্টার্নশিপ’-এর প্রথম চার মৌসুমে মোট ১০ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এসব মৌসুমে ৬৫ জন ইন্টার্ন প্রত্যেকে এক লাখ রুপি করে সম্মানী পেয়েছেন।

এদিকে, প্রতিযোগিতাটির ষষ্ঠ মৌসুমে অংশ নিতে আগ্রহীদের জন্য ওয়েকফিটের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে আগাম নিবন্ধন শুরু হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরগঞ্জে ৬ চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


বীরগঞ্জে ৬ চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর আটক

দিনাজপুর, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় পুলিশ একটি অভিযান পরিচালনা করে ৬টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে এবং আন্তঃজেলা চোর চক্রের একজন সদস্যকে আটক করেছে।

আজ শনিবার বিকেল ৪টায় বীরগঞ্জ থানায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বীরগঞ্জ সার্কেল) শাওন কুমার সরকার এ তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, আটককৃত মোশারফ হোসেন ওরফে মশিউর (৩৮) আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। তিনি উপজেলার বাছারামপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, গতকাল ৬ নভেম্বর সকাল ১০টায় বীরগঞ্জ উপজেলার জয়ন্তিয়া ঘাটপাড় এলাকার একটি চায়ের দোকানে পুরোনো মোটরসাইকেল কেনা-বেচার আড়ালে চোরাই মোটরসাইকেল বেচাকেনা হচ্ছিল।

এ সংবাদের ভিত্তিতে বীরগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মোশারফ হোসেন ওরফে মশিউরকে আটক করে।

এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২ থেকে ৩ জন পালিয়ে যায়। আটক মোশারফ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চুরি ও ছিনতাই করে নিয়ে আসা ৬টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশারফ স্বীকার করেন যে, কাহারোল উপজেলার শাহপাড়া গ্রামের নেফাউল হকের ছেলে গোলাপ হোসেন (৪৫) এবং আরও ২ থেকে ৩ জন তার সহযোগী মিলে আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে মোটরসাইকেলগুলো চুরি ও ছিনতাই করে বিক্রির জন্য নিজেদের হেফাজতে রেখেছেন। তিনি জানান, চক্রটি কৌশলে মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই করে কম দামে বিক্রি করতো।

এ ঘটনায় পুলিশ আজ শনিবার সকালে বীরগঞ্জ থানায় আটক মশিউরসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। মোশারফ হোসেনকে বিকেলে দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%