ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

হৃদয়কে সুযোগ দিয়ে বিপাকে পড়ার কথা স্বীকার করলেন জোমেল ওয়ারিকান


হৃদয়কে সুযোগ দিয়ে বিপাকে পড়ার কথা স্বীকার করলেন জোমেল ওয়ারিকান

সিলেট, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে তাওহিদ হৃদয়ের অবিশ্বাস্য ডাবল সেঞ্চুরির কারণে বাংলাদেশ ম্যাচে ফিরে এসেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান স্বীকার করেছেন যে, তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ম্যাচের পরিস্থিতি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ওয়ারিকান জানান, ১৮৪ রানে ৭ উইকেট দখল করে তারা স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছিল। তবে হৃদয়ের অপরাজিত ২৪২ রানের ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে প্রথম ইনিংসে ৩০ রানের লিড পায়।

বাংলাদেশকে এমন কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়ার জন্য হতাশা প্রকাশ করেছেন ওয়ারিকান। তিনি বলেন, হৃদয়কে ইনিংসটি বড় করতে দেওয়াটা তাদের একটি ভুল ছিল।

আরও পড়ুন: হৃদয়ের সবকিছুই ছিল অসাধারণ: সিমন্সের প্রশংসা

দিনের খেলা শেষে ওয়্যারিকান মন্তব্য করেন, “স্বাভাবিকভাবেই আমরা হতাশ। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে ছিল এবং সবকিছু আমাদের পক্ষে যাচ্ছিল। কিন্তু হৃদয় দারুণ ব্যাটিং করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “কোন কোন জায়গায় আমরা আরও ভালো করতে পারতাম, তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। দল হিসেবে আমাদের মনোবল ধরে রাখতে হবে, কারণ এখনো কাজ বাকি আছে। আগামীকাল আমাদের ভালোভাবে ফিরে আসতে হবে।”

ওয়ারিকান জানান, উন্নতির জায়গাগুলো নিয়ে আলোচনা করার আগে দল তাদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করবে।

মাঠে কথার লড়াইয়ের মাধ্যমে হৃদয়কে অস্বস্তিতে ফেলার ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রচেষ্টা উল্টো ফল দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বরং বাংলাদেশের এই ব্যাটারের কৃতিত্ব স্বীকার করার ওপর তিনি জোর দেন।

আরও পড়ুন: রোনালদোর অবসরে নিজের দায় দেখছেন না পর্তুগাল কোচ

ওয়ারিকান বলেন, “আমার মনে হয় না এতে উল্টো ফল হয়েছে। আমার মনে হয়, সে অসাধারণ ব্যাটিং করেছে এবং তাকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। সে দারুণ একটি ইনিংস খেলেছে এবং বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে নিয়ে গেছে।”

নিচের সারির ব্যাটারদের সঙ্গে ব্যাটিং করার সময় হৃদয়ের অসাধারণ পারফরম্যান্স ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের বিস্মিত করেছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। কারণ, তারা প্রথম ইনিংসে আরও বড় লিড পাওয়ার প্রত্যাশা করেছিলেন। “এতে সবাই অবাক হয়েছে। আমরা ভাবছিলাম কত রানের লিড নিতে পারব কিংবা লিডটা কত বড় হতে পারে। কিন্তু সে যেভাবে ব্যাটিং করেছে, তাতে সব হিসেব পাল্টে যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, জাতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশকে একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা ঘটে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়।

আজ নরসিংদীর বেলাব উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অসচ্ছল ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং ঢেউটিন, পাশাপাশি কর্মজীবী নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ না করলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অন্যের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তিনি কেবল স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি, বরং মহান মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়ে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে দেশের সংকটময় মুহূর্তে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৯০ জন অসচ্ছল ও দুস্থ ব্যক্তিকে প্রত্যেকে ১০ হাজার টাকা করে মানবিক সহায়তা প্রদান করেন।

এছাড়া, ৫৬ জনকে দুই বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণ সহায়তা হিসেবে প্রত্যেকে ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মন্ত্রী ২০০ জন কর্মজীবী নারীর মধ্যে সেলাই মেশিনও বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এবং বেলাব উপজেলা বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক দিন: দুলু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


৭ নভেম্বর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক দিন: দুলু

লালমনিরহাট, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মন্তব্য করেছেন যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে বিবেচিত।

মন্ত্রী আরও বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বিএনপি ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারা আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আজ শনিবার, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে লালমনিরহাট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি মানেই গণতন্ত্র, বিএনপি মানেই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব।’

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

পরে মন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালির উদ্বোধন করেন।

র‌্যালিতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীতে সুস্থ থাকতে খাবারের মেনুতে রাখুন ৬ উপাদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


শীতে সুস্থ থাকতে খাবারের মেনুতে রাখুন ৬ উপাদান

আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে সর্দি, কাশি, নাক বন্ধ, গলা ব্যথা এবং ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে সকালে এবং রাতে ঠান্ডা আবহাওয়া এবং দিনের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

এই সময় ধুলাবালি এবং শুষ্ক বাতাস শ্বাসতন্ত্রের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শীতের শুরুতে সুস্থ থাকার জন্য পোশাকের পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখা, প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি পূরণ এবং পানিশূন্যতা এড়াতে সুষম খাবার অপরিহার্য।

এজন্য বিশেষ বা দামি খাবার খাওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং পরিচিত খাবারের মধ্যে কিছু পরিবর্তন আনতে পারেন। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ভিটামিন, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান অন্তর্ভুক্ত থাকলে শরীর সুস্থ রাখতে তা সহায়ক হবে। শীতের আগমনে প্রতিদিনের খাবারে যে ছয় ধরনের উপাদান রাখা উচিত, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখুন

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে ভিটামিন সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল এবং সবজি রাখতে হবে। পেয়ারা, আমলকী, কমলালেবু, লেবু এবং টমেটো এই ক্ষেত্রে ভালো উৎস। মৌসুমি ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, কারণ এতে শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন পাবে। তবে ফলের রসের পরিবর্তে আস্ত ফল খাওয়া অধিক কার্যকর, কারণ এতে আঁশও পাওয়া যায়।

প্রোটিনযুক্ত খাবার খান

শরীরের কোষ গঠন এবং মেরামত, পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য প্রোটিনের প্রয়োজন রয়েছে। এ সময় প্রতিদিনের খাবারে ডিম, মাছ, মুরগির মাংস, ডাল এবং দুধ অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত খাবার খান না, তাদের জন্য প্রতিটি প্রধান খাবারে প্রোটিনের কোনো না কোনো উৎস রাখা জরুরি। এতে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে এবং কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

আদা, হলুদ ও রসুনের ব্যবহার বাড়ান

শীতের সময় রান্নায় আদা, হলুদ এবং রসুন ব্যবহার করা যেতে পারে। আদা এবং হলুদে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যা প্রদাহ কমাতে সহায়ক। অন্যদিকে, রসুনেও রয়েছে বিভিন্ন উপকারী যৌগ। গলা খুসখুস করলে আদা দিয়ে হালকা গরম চা পান করা যেতে পারে। আবার রাতে এক কাপ গরম দুধে সামান্য হলুদ মিশিয়েও খাওয়া যায়।

শরীরের শক্তি এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য স্বাস্থ্যকর চর্বি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাঠবাদাম, আখরোট, চিনাবাদাম এবং বিভিন্ন বীজে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। এগুলো পরিমিত পরিমাণে প্রতিদিনের নাশতায় রাখা যেতে পারে।

অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য খাবার নির্বাচন করুন। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সম্পর্ক রয়েছে। তাই খাবারের তালিকায় টক দইয়ের মতো গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি খাবার রাখা উচিত। পাশাপাশি ডাল, শাকসবজি, ফল এবং গোটা শস্যে থাকা আঁশ অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য উপকারী।

পর্যাপ্ত পানি এবং উষ্ণ তরল খাবার গ্রহণ করা আবশ্যক। শীতকালে তৃষ্ণা কম অনুভূত হলেও শরীরের পানির প্রয়োজন কমে না। তাই তৃষ্ণা না পেলেও নিয়মিত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি সবজির স্যুপ, মুরগির ঝোল, ডাল এবং হালকা গরম পানীয় খাওয়া যেতে পারে। গলা শুকিয়ে গেলে বা অস্বস্তি হলে কুসুম গরম পানি পান করলে আরাম পাওয়া যায়। চাইলে হালকা গরম পানিতে মধু এবং লেবু মিশিয়েও পান করা যেতে পারে।

শীতে সুস্থ থাকতে আরও কিছু অভ্যাস

খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ধুলাবালি এবং ধোঁয়া থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে। বাইরে থেকে ফিরে হাত-মুখ পরিষ্কার করতে হবে এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। ঠান্ডা লাগা, গলা ব্যথা বা কাশি যদি দীর্ঘদিন থাকে অথবা জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মীর হেলাল: ৭ নভেম্বরের চেতনা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল প্রেরণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১০ পি.এম


মীর হেলাল: ৭ নভেম্বরের চেতনা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল প্রেরণা

চট্টগ্রাম, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মন্তব্য করেছেন যে, ৭ নভেম্বরের চেতনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা। সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত। ঐ বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, অর্থনৈতিক মুক্তি, সাম্য, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর ষোলশহর ২ নম্বর গেইট বিপ্লব উদ্যানে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১৯৭৫ সালের সংকটময় মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতিকে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেছিলেন। শহীদ জিয়ার গণতান্ত্রিক দর্শন এবং রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্নকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন। জনগণের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করা তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম লক্ষ্য।

সকালে নগরীর নসিমন ভবনস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়।

পরে সকাল ১১টায় নগরীর বিপ্লব উদ্যানে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতার বিপ্লবে আত্মত্যাগকারী বীরদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরপর রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে একটি গভীর রাজনৈতিক সংকটের অবসান ঘটে। সেদিন বিপ্লবী সিপাহি-জনতা ষড়যন্ত্রের নাগপাশ ছিন্ন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করেন। পরবর্তীতে তাঁর নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, শাহ আলম, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহামেদুল আলম চৌধুরী রাসেল ও শিহাব উদ্দিন মুবিনসহ নগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%