০৮:৪২ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন (Midterm Elections) শেষ হওয়ার পর নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে। বাজার বিশ্লেষকরা কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনার বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করছেন। এই দুই টানাপোড়েনের মাঝে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে।
শুক্রবার লেনদেনের শুরুতে তেলের দাম কিছুটা বাড়লেও, পরবর্তীতে তা নিম্নমুখী হয়ে সপ্তাহের সবচেয়ে বড় দরপতনের দিকে এগোচ্ছে।
বাজারের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের (Brent Crude) ফিউচার দর ১.৩৮ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯৬.৯৩ ডলারে নেমে এসেছে। দিনের শুরুর দিকে এর দাম লাফিয়ে প্রায় ১০০ ডলার স্পর্শ করেছিল। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের ফিউচার দর ১.৪৯ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৯.১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। চলতি সপ্তাহের সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলার এবং ডব্লিউটিআই তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সপ্তাহের ব্যবধানে দুই বেঞ্চমার্কেই এখন উল্লেখযোগ্য পতন দেখা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: অমাবস্যার অন্ধকারে ইরানে হামলার পরিকল্পনা ট্রাম্পের
বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন পার হওয়ার পর ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপে যেতে পারে। এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটার ঝুঁকি রয়েছে।
জ্বালানি বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান 'র্যাপিডান এনার্জি গ্রুপ'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বব ম্যাকন্যালি সিএনবিসি-কে (CNBC) দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় সামরিক সংঘর্ষ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৮০ শতাংশ। আর এমনটি ঘটলে তেলের উভয় বেঞ্চমার্কের দাম আবারও প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। সূত্র: সিএনবিসি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন