ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

গণতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি, মোদি সরকারকে সোনিয়ার তোপ


গণতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি, মোদি সরকারকে সোনিয়ার তোপ

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের শাসনের গত ১২ বছরে দেশের গণতন্ত্র, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের জনগণ এখন এই ক্ষতির বিষয়টি উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন এবং তাদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৭৯ বছর বয়সি সোনিয়া গান্ধী সম্প্রতি দ্য হিন্দু ইন্টারভিউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। তিনি জানান, আগামী ১০ নভেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তার স্মৃতিকথা বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ।

সাক্ষাৎকারে ভারতের রাজনীতিতে কংগ্রেসের একসময়কার একচ্ছত্র আধিপত্য কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি জানান যে তিনি এ নিয়ে খুব বেশি হতাশ নন।

আরও পড়ুন: গাজায় ভারী বৃষ্টিতে প্লাবিত ফিলিস্তিনিদের তাঁবু, শীতে কাঁপছে শিশুরা

সোনিয়া বলেন, ‘গত ১২ বছরে আমাদের দেশ, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পরও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলোরও বড় ধরনের প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘মানুষ এখন অসন্তুষ্ট হতে শুরু করেছে এবং ক্ষতির বিষয়টি বুঝতে পারছে। তবে আমি আশাবাদী। আমার বিশ্বাস, দেশের মানুষ আবারও সুশাসন ফিরে আসাকে স্বাগত জানাবে।’

২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতাচ্যুত হলে ভারতের রাজনীতি আবার নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনাভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফিরবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) এবং নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে কংগ্রেস। দলটির অভিযোগ, নির্বাচনে ভোট চুরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে তারা।

আরও পড়ুন: প্রথম বিদেশি নভোচারী হিসেবে চীনের মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন পাকিস্তানের নাগরিক

এ ছাড়া জুলাই মাসে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

সোনিয়ার বক্তব্যের জবাব বিজেপির

সোনিয়া গান্ধীর গণতন্ত্র নিয়ে মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। তিনি কংগ্রেস নেত্রীকে ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

মেঘওয়াল বলেন, ‘সাক্ষাৎকারে গণতন্ত্র নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন সোনিয়াজি। আমি তাকে প্রশ্ন করতে চাই, ১৯৭৫ সালের কথা কি তার মনে নেই? তখন গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাজারো জ্যেষ্ঠ নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সাংবাদিকদের কণ্ঠও রোধ করা হয়েছিল। সেই সময়ের কথাও তার মনে রাখা উচিত।’

আরও পড়ুন: আরব উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় এক নাবিক নিহত

তিনি আরও বলেন, গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করেছেন। তার নেতৃত্বেই ভারত বিশ্বজুড়ে ‘গণতন্ত্রের জননী’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বলে দাবি করেন এই মন্ত্রী।

কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিংও সোনিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ভারতের নয়টি রাজ্যে গত ৪০ বছর ধরে কংগ্রেস ক্ষমতায় নেই। তার দাবি, এই সেই কংগ্রেস, যারা একসময় জরুরি অবস্থা জারি করে জনগণের কণ্ঠ রোধ করেছিল।

জরুরি অবস্থা নিয়ে যা বললেন সোনিয়া

সাক্ষাৎকারে ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার পটভূমি নিয়েও কথা বলেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দ্রুত অবনতিশীল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

আরও পড়ুন: নোয়াখালী-চট্টগ্রাম-সিলেট দখলের উসকানি বিজেপি এমপির

সোনিয়ার ভাষায়, সে সময় বিভিন্ন স্থানে সহিংস বিক্ষোভ চলছিল। সরকারি কার্যালয় ও গণপরিবহনে আগুন দেওয়া হচ্ছিল। ব্যাপক বিশৃঙ্খলার পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল।

তবে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই না গেয়ে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এ পরিস্থিতির সমাধান হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘পেছন ফিরে তাকালে আমরা বিষয়গুলো আরও ভালোভাবে বুঝতে পারি। ভুলে গেলে চলবে না, ইন্দিরা গান্ধী নিজেই পরিস্থিতি উপলব্ধি করেছিলেন এবং ১৯৭৭ সালের মার্চে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে জরুরি অবস্থার সময় অতিরিক্ত কঠোরতার জন্য তিনি প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চেয়েছিলেন।’

সোনিয়া স্বীকার করেন, রাজনীতিতে কখনো কখনো সমঝোতা করতে হয়। তবে বিজেপি ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে তার দল কখনো কোনো সমঝোতা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: পারমাণবিক আলোচনায় বসার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ৭ কড়া শর্ত

নির্বাচনে সমান সুযোগ পাচ্ছে না বিরোধীরা: সোনিয়া

২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪ সালের পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর কংগ্রেস এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। দলটির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের ভেতরেও এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অধীনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি ১০ মাসে ১৪ বার আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন।

এই প্রতিবেদনকে সামনে রেখে কংগ্রেসের দাবি, দেশে অনেক নির্বাচনেই কারচুপি হয়েছে। এ কারণে দলটি আবার ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে।

আরও পড়ুন: মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ও ইরান সংকটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বড় পতন

সোনিয়া গান্ধীর অভিযোগ, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে সমান সুযোগ পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘আমি খুব বেশি হতাশ নই। কারণ, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো সমান সুযোগ পায়নি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, মূলধারার গণমাধ্যম, বিপুল অর্থের ব্যবহার এবং ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগানোর মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে।’

তবে এত প্রতিকূলতার মধ্যেও কংগ্রেস লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

সোনিয়া বলেন, ‘এত চাপের মধ্যেও টিকে থাকার সক্ষমতা দেখিয়েছে একমাত্র কংগ্রেস। আমাদের নেতা-কর্মীরা অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। নানা ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েও দেশের প্রতিটি গ্রাম ও জেলায় কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা সংবিধানে উল্লেখিত মূল্যবোধ রক্ষায় লড়াই করছেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক নির্বাচনে কারচুপির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে এবং মানুষ এখন এ বিষয়ে আগের চেয়ে বেশি সচেতন।

সোনিয়া জানান, কংগ্রেস একই মনোভাবাপন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কাজ করছে এবং দিন দিন দলটির নির্বাচনী সম্ভাবনা বাড়ছে।

মোদির রাজনৈতিক উত্থান নিয়েও মন্তব্য

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক উত্থান নিয়েও কথা বলেন সোনিয়া গান্ধী।

মোদির চা বিক্রেতা থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গল্প তার প্রচার দল কিছুটা বাড়িয়ে প্রচার করেছে কিনা, এমন প্রশ্নে সোনিয়া বলেন, আরএসএসের ভেতরে একজন সুবিধাবঞ্চিত পরিবার থেকে উঠে এসে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছানোর জন্য মোদিকে অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এটা সত্য যে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি আদর্শিক পরিবেশ থেকে উঠে এসেছেন। তবে রাজনীতিতে সফল হওয়ার অনেক পথ রয়েছে। কংগ্রেসের মধ্যেও এমন উদাহরণ আছে। যেমন—ড. মনমোহন সিং ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। আরএসএসের কাছ থেকে আমাদের শেখার মতো তেমন কিছু আছে বলে আমি মনে করি না।’

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে নৌকাবাইচে বাজনার তালে ছুটছেন নারী মাঝিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


নড়াইলে নৌকাবাইচে বাজনার তালে ছুটছেন নারী মাঝিরা

ঢাকঢোলের বাদ্য বাজছে। সেই বাদ্যের তালে তালে বৈঠা চালাচ্ছেন একদল নারী। সবার পরনে হলুদ শাড়ি। নৌকার এক প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে অষ্টক গান, অন্য প্রান্তে নারী মাঝিদের উচ্ছ্বাস। বৈঠার ছন্দে কাজলা নদীর বুক চিরে এগিয়ে চলেছে নৌকাগুলো। এই ব্যতিক্রমী নৌকাবাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেছেন হাজারো মানুষ।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের এগারোখান এলাকায় কাজলা নদীতে এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নদীর দুই পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে।

যশোর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় প্রতিবেশী জেলা থেকেও অনেকে আসেন নৌকাবাইচ দেখতে। দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে নদীর দুই পাড় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নারীদের এই ব্যতিক্রম নৌকা বাইচ দেখতে যশোর থেকে এসেছেন সুমি ভৌমিক। তিনি বলেন, ‘ইতোপূর্বে অনেক নৌকা বাইচ দেখেছি। এক সময় সুলতান মেলায় চিত্রা নদীতে নৌকা বাইচ দেখতে যেতাম। বাড়ির কাছাকাছি নৌকা বাইচ হওয়ায় পরিবার সঙ্গে নিয়ে এসেছি। বেশ ভালোই লাগছে। নারীদের অংশগ্রহণে এমন নৌকা বাইচ আগে কখনও দেখিনি। প্রতিবছর এ কাজলা নদীতে বাইচ অনুষ্ঠিত হোক আয়োজকদের কাছে এটাই দাবি।’

নৌকাবাইচ ঘিরে নদীর পাড়ে বসেছে হরেক রকমের দোকান। ঢাকঢোলের শব্দ, গান আর দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হচ্ছে।

বাঁশ ও বেতের চালুনি, ঝুড়ি ও থামা নিয়ে নদীর কূলে পসরা সাজিয়ে বসেছেন ষাটোর্ধ নারী রুমি রানি। তিনি বলেন, ‘থামা, কুলা ও ডালা বিক্রি করি। অনেকেই কিনে নিচ্ছেন।

শনিবার বিকেল চারটায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের আয়োজনে এবং অলকাপুরী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী ‘জাতীয় নারী নৌকাবাইচ, সাংস্কৃতিক উৎসব ও ফ্রি হেলথ ক্যাম্প-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ১৬টি মতুয়া নারী দলের অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের (শুক্রবার) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লিংকন বিশ্বাস, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক মো. গনী উল আজম, নড়াইলের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রশিদ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানের আয়োজক, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক মো. গনী উল আজম বলেন, নড়াইলের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। পাশাপাশি লোকজ সংস্কৃতি সংরক্ষণ, নারীদের অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন বাড়ানো এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও উৎসবের লক্ষ্য।

তিনি আরো বলেন, নারীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের নৌকাবাইচ নড়াইলের লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যটন বিকাশ ও গ্রামীণ সংস্কৃতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংহতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুদৃঢ়ের আহ্বান ডিসি ফরিদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


জাতীয় সংহতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুদৃঢ়ের আহ্বান ডিসি ফরিদার

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন, জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করার মাধ্যমে একটি মানবিক, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে।

তিনি উল্লেখ করেন, "মত ও আদর্শের ভিন্নতা গণতান্ত্রিক সমাজের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।" তবে জাতীয় স্বার্থ, সামাজিক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার প্রশ্নে সকলকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, "বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়।" ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে গভীর রাজনৈতিক সংকট ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর সামরিক অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সময়ে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।

তিনি আরও বলেন, "ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনারই নিজস্ব প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে।" ইতিহাসের যথাযথ মূল্যায়নের জন্য তথ্যনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি, উদার মানসিকতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা জরুরি। অতীতকে অনুধাবন করে বর্তমানকে সমৃদ্ধ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, "মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।" লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আমাদের জাতীয় জীবনের অমূল্য সম্পদ। তিনি উল্লেখ করেন, "স্বাধীনতার মর্যাদা সমুন্নত রাখা, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা আমাদের সবার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব।"

তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রা ও স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং আইনের শাসন। গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও আদর্শের ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক। তবে মতপার্থক্য যেন কখনো জাতীয় স্বার্থ, সামাজিক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পারস্পরিক সহাবস্থান ও সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

জনপ্রশাসনের দায়িত্বের কথা তুলে ধরে ফরিদা খানম বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা, সরকারি সেবার মানোন্নয়ন এবং জনবান্ধব প্রশাসন প্রতিষ্ঠা জনপ্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে জনগণের কল্যাণ। তিনি বলেন, "স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা ধারণ করে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।"

নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের সঠিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় অর্জন যথাযথভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবিকতা, নৈতিকতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। কারণ আজকের তরুণরাই আগামী দিনের রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকবৃন্দ, লালবাগ জোনের উপকমিশনার মো. মোশতাক সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শামসুল আলম এবং জেলা কমান্ড্যান্ট মো. মাইনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সুধীজন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভা শেষে জেলা শিশু একাডেমি আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরস্কার হিসেবে বই বিতরণ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন বরের মুখ ঢেকে রাখলেন পারশা, পরিচয় নিয়ে কৌতুহল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


কেন বরের মুখ ঢেকে রাখলেন পারশা, পরিচয় নিয়ে কৌতুহল

সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার পারশা মাহজাবিন সামাজিক মাধ্যমে তাদের বিয়ের খবর প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি এখনই তার নতুন জীবনের সঙ্গীর পরিচয় প্রকাশ করতে চান না। শুধু পরিচয় গোপন রাখাই নয়, বিয়ের ছবিতে বরের মুখও ফুল দিয়ে ঢেকে রেখেছেন এই শিল্পী। ফলে তার বিয়ের খবরের পাশাপাশি বরের পরিচয় নিয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

পারশা জানিয়েছেন, গত ২৬ অক্টোবর দেশের বাইরে তাদের আক্‌দ সম্পন্ন হয়েছে। ভিসা জটিলতার কারণে তার পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে বরের পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আগামী ছয় মাসের মধ্যে দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে বিয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

বরের পরিচয় আপাতত গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পারশা। তার ভাষ্য, নাম প্রকাশ করলে অনেকেই তাকে চিনে ফেলবেন। তাই তিনি এখনই পরিচয় সামনে আনতে চান না। মজার ছলে আগ্রহীদের উদ্দেশে তিনি অনুরোধ করেছেন, বরের পরিচয় জানতে চেয়ে যেন তাকে কিংবা তার পরিবারকে বিব্রত না করা হয়। দুজন দুজনকে প্রিয় বলে সম্বোধন করেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বরের মুখে ফুল, প্রচলিত ধারণায় প্রশ্ন

বরের মুখ ফুল দিয়ে ঢেকে রাখার বিষয়টি নিছক ছবি প্রকাশের কৌশল নয়, এর পেছনে রয়েছে পারশার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। তার মতে, বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতিতে কনের মুখ ঘোমটা বা পর্দায় ঢেকে রাখার প্রচলন দীর্ঘদিনের। কিন্তু পুরুষের মুখ আড়াল করা হলে তা নিয়ে মানুষের কৌতূহল অনেক বেশি দেখা যায়।

পারশার প্রশ্ন, নারীর মুখ ঢাকা যদি ঐতিহ্যের অংশ হতে পারে, তাহলে পুরুষের মুখ ঢাকা নিয়ে এত আলোচনা কেন? তার মতে, বিয়েটি দুজনেরই। তাই ছবিতে কার মুখ দেখা গেল আর কার মুখ আড়ালে থাকল, তাতে সম্পর্কের কোনো পরিবর্তন হয় না।

তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন, কেউ নিজের ইচ্ছায় পর্দা করলে তাতে তার আপত্তি নেই। আপত্তি হলো, যখন ব্যক্তির নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা অন্য কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। নারীর পোশাক, সৌন্দর্য কিংবা উপস্থিতিকে পুরুষের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার প্রচলিত মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এক দিনের জন্য পরিচিত দৃশ্যটি উল্টে দিয়ে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভাবার সুযোগ তৈরি করতে চেয়েছেন এই শিল্পী।

পরিচয় থেকে বিয়ে, এক বছরের সম্পর্ক

পারশার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে তাদের পরিচয় হয়। দেশের বাইরে ভ্রমণে গিয়ে পরিচয়ের পর দুজনের মধ্যে যোগাযোগ ও কথাবার্তা শুরু হয়। পরে নিজের পছন্দের কথা পরিবারকে জানান তিনি। তার সিদ্ধান্তে পরিবারেরও সম্মতি ছিল।

হঠাৎ বিয়ের সিদ্ধান্তের পেছনে জীবনসঙ্গী সম্পর্কে নিজের প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন পারশা। ছোটবেলা থেকেই বাবার ভালোবাসা, যত্ন ও নিরাপত্তার মধ্যে বড় হয়েছেন তিনি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া নির্ভরতা তার কাছে জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অন্যতম মানদণ্ড হয়ে উঠেছে।

পারশার প্রত্যাশা ছিল, এমন একজন মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া, যার কাছে বাবার মতোই নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত থাকা যাবে। পাশাপাশি মানুষ, পশুপাখি ও প্রকৃতির প্রতি সংবেদনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং জ্ঞানচর্চার আগ্রহকেও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। দর্শন, বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য কিংবা জীবনের জটিল বিষয় নিয়ে যার সঙ্গে মন খুলে আলোচনা ও তর্ক করা যায়, এমন একজনকেই চেয়েছেন।

নিজের স্বাধীনতা ও স্বকীয়তার বিষয়টিও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। পারশার কথায়, তিনি এমন কাউকে খুঁজেছেন, যিনি তাকে নতুন করে রাজমুকুট পরিয়ে দেওয়ার চেয়ে তার মাথায় থাকা মুকুটটি কখনো খুলে রাখতে বলবেন না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জে গভীর রাতে শ্রমিক পরিবহনের বাসে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


মানিকগঞ্জে গভীর রাতে শ্রমিক পরিবহনের বাসে আগুন

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় গভীর রাতে পার্কিং অবস্থায় থাকা একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের জান্না-উত্তরপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ‘পল্লীসেবা’ নামের বাসটি (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-১৬৫১) ধামরাই উপজেলার গ্রাফিক্স টেক্সটাইলের কর্মরত সাটুরিয়া উপজেলার পোশাক শ্রমিকদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হত। বাসটির চালক তারা মিয়া (৪৫) রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশে পাকা রাস্তার পাশে বাসটি পার্কিং করে বাড়ি চলে যান। কিছুক্ষণ পর খবর পান যে বাসে আগুন লেগেছে। দ্রুত লোকজন নিয়ে বাসের আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান এবং সাটুরিয়া ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে সাটুরিয়া ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাসটির মালিক তারা মিয়া জানান, প্রতিদিনই এভাবে বাস পার্কিং করে বাড়ি যাই। আমার কোনো শত্রু নেই, কে বা কারা, কিভাবে আগুন লাগল আমি জানি না।

সাটুরিয়া ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মজিবুর রহমান জানান, ফেলে দেওয়া কোনো বিড়ি বা সিগারেটের জ্বলন্ত অংশ থেকে বাসে আগুন লাগার সূত্রপাত হতে পারে।

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%