ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জেকে লাইফস্টাইলে তিন নতুন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নিয়োগ


জেকে লাইফস্টাইলে তিন নতুন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নিয়োগ

জেকে লাইফস্টাইল নতুন তিনজন জ্যেষ্ঠ পেশাজীবীকে নিয়োগ দিয়েছে, যার উদ্দেশ্য ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন মো. আব্দুল জলিল খান, আসাদুজ্জামান নূর এবং মো. শাহা রিয়ার রহমান সাগীর।

প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুসারে, মো. আব্দুল জলিল খান গ্রুপ চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিচালন ব্যবস্থাপনায় তাঁর ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর আগে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশনস অ্যান্ড হসপিটালিটি) এবং ইউনাইটেড হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশনস) হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি প্রাভা হেলথ, স্কয়ার হাসপাতাল এবং আজগর আলী হাসপাতালেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

আসাদুজ্জামান নূর নিয়োগ পেয়েছেন আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং করপোরেট গভর্ন্যান্সের দায়িত্বে। এই খাতে তাঁর অভিজ্ঞতা ১৮ বছরেরও বেশি। তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ থেকে ফাইন্যান্সে বিবিএ এবং এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর আগে তিনি বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স, লায়লা গ্রুপ এবং সিনড্রেলা ফ্যাশনসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।

আরও পড়ুন: গভীর রাতে ঘুম ভেঙে গেলে এই ৩ কাজ মোটেও করবেন না

অন্যদিকে, প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বে নিয়োগ পেয়েছেন মো. শাহা রিয়ার রহমান সাগীর। প্রযুক্তি খাতে তাঁর ১২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ক্লাউড অবকাঠামো এবং ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনায় তাঁর দক্ষতা রয়েছে।

নতুন নিয়োগ সম্পর্কে জেকে লাইফস্টাইলের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির মন্তব্য করেছেন, "অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমন্বয় প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শৈশবের বন্ধু ওয়ার্নারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই ‘সত্য’ ফাঁস করেছেন খাজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


শৈশবের বন্ধু ওয়ার্নারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই ‘সত্য’ ফাঁস করেছেন খাজা

২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ঘটে যাওয়া ‘স্যান্ডপেপার কেলেঙ্কারি’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন উসমান খাজা। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। খাজার নতুন দাবি অনুযায়ী, বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি সম্পর্কে তিনি যে তথ্য প্রকাশ করেছেন, তার পেছনে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে তার শৈশবের বন্ধু ও দীর্ঘদিনের ওপেনিং পার্টনার ডেভিড ওয়ার্নারকে দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি। তিনি জানান, এর আগে দুবার তিনি প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চেয়েছিলেন। তবে প্রথমবার স্টিভ স্মিথ তাকে নিরস্ত করেছিলেন। পরে ২০২১ সালে বোলারদের দেওয়া যৌথ বিবৃতির পর তিনি আর কিছু বলার সুযোগ পাননি বলে মনে করেন।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) প্রকাশিত হতে যাওয়া নিজের আত্মজীবনী ‘সবর’ নিয়ে প্রকাশনার আগে নাইন নিউজপেপার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের পর এবং নিউজ কর্পের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বইটির আরও কিছু অংশ প্রকাশিত হওয়ার পর রোববার (৮ নভেম্বর) ইনস্টাগ্রামে দুটি ভিডিও পোস্ট করেন খাজা। সেখানে তিনি নিজের লেখার পক্ষে অবস্থান নেন এবং আবারও বলেন, ২০১৮ সালের ঘটনার দায় শুধু ওয়ার্নার, স্মিথ ও ক্যামেরন ব্যানক্রফটের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বরং এই দায় সবার মধ্যে ভাগ করে নেওয়া উচিত।

খাজা বলেন, ‘আমি কাউকে বিপদে ফেলিনি। বর্তমানে যারা দলে আছেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যারা ছিলেন, আমিসহ তাদের অন্য কেউই ভুক্তভোগী নই। এই তিনজন আমাদের সবার দোষ নিজেদের কাঁধে নিয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে তারাই ভুক্তভোগী। মানুষ তাদের প্রতারক বলেছে, দর্শকদের কাছ থেকে তীব্র সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে, প্রকাশ্যে অপমানিত হতে হয়েছে।’

খাজা আরও বলেন, ‘আমি আমার শৈশবের বন্ধু ডেভিড ওয়ার্নারকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে আমি সত্যটা বলব, যাতে সে নিজের গল্পটা বলতে পারে। এ ব্যাপারে আমি শতভাগ অনড়, কোনো অনুশোচনা নেই। অতীতেও ক্রিকেটারদের অধিকার আদায়ে আমি এসিএর (অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন) মাধ্যমে লড়াই করেছি এবং যেটাকে সঠিক মনে করেছি, তার পক্ষে দাঁড়িয়েছি। এবারও বিষয়টি তার ব্যতিক্রম নয়।’

‘এই তিনজন ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য। আমি কারও দিকে আঙুল তুলিনি। এত বছর ধরে আমি যে বিষয়টির সন্ধান করে আসছি, এখনো সেটিই খুঁজছি। আমরা যেন সবাই, আমিসহ, একটি দল হিসেবে সম্মিলিতভাবে দায় স্বীকার করতে পারি এবং শেষ পর্যন্ত বিষয়টি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে পারি। জানেন কী? আবারও এমন পরিস্থিতি হলে আমি এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না,’–খাজা যোগ করেন।

রোববার প্রকাশিত প্রথম ভিডিওর শুরুতে খাজা ব্যাখ্যা করেন, তার ‘এটা আমাদের সবার কাজ ছিল’ মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পুরো দলের দায়িত্বের কথা বুঝিয়েছেন। তবে তিনি এ কথাও যোগ করেন যে, সবাই বিষয়টি জানত, এ কথা তিনি অস্বীকার করবেন না।

তিনি বলেন, ‘আমি আমার বইয়ে কখনো অন্য কারও হয়ে কথা বলি না।’

খাজা জানান, ২০১৮ সালে কেপটাউন টেস্টের পর স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তিনি সংবাদমাধ্যমে এসে পুরো ঘটনা স্বীকার করতে চেয়েছিলেন।

খাজা বলেন, ‘স্মাজ (স্টিভ স্মিথ) তখন একজন প্রকৃত নেতা ও দায়িত্বশীল অধিনায়কের মতো আমাকে এ কাজ থেকে বিরত করেছিল। সে পুরো দায় নিজের কাঁধে নিতে চেয়েছিল। আমি তার সঙ্গে তর্কও করেছিলাম, কিন্তু সে কোনোভাবেই রাজি হয়নি। এটাই ছিল প্রথমবার, যখন আমি প্রকাশ্যে সবকিছু বলতে চেয়েছিলাম।’

খাজা আরও জানান, ২০২১ সালে দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যানক্রফট বলেছিলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় কী ঘটেছিল, তা থেকে বোলাররা বিষয়টি জানতেন, এটা ‘সহজেই অনুমেয়’। ওই সাক্ষাৎকারের পরও তিনি দলের সম্মিলিত দায় স্বীকারের বিষয়টি সামনে আনার আরেকটি চেষ্টা করেছিলেন।

কিন্তু বোলাররা যৌথ বিবৃতি দেওয়ার পর তার মনে হয়েছিল, প্রকাশ্যে কিছু বলা আর সম্ভব নয়।

নিউজ কর্পে প্রকাশিত বইয়ের একটি অংশে খাজা লিখেছেন, ‘সেদিন বিষয়টি আমাকে ভীষণ ক্ষুব্ধ করেছিল। তবে ডেভির (ডেভিড ওয়ার্নার) রাগের তুলনায় আমার রাগ কিছুই ছিল না। সেদিন রাতে আমি বেশ কয়েকটি উত্তপ্ত বার্তা পেয়েছিলাম। স্মাজ (স্মিথ) কী ভাবছিল, তা নিশ্চিত নই, তবে আমার ধারণা, সেও খুব একটা খুশি ছিল না।’

ইনস্টাগ্রামে তিনি আরও বলেন, ‘আমি তখন ওই খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিরোধে জড়াতে চাইনি। সত্যি বলতে, আমি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছিলাম না। তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে, খেলা চালিয়ে যাওয়ার ওই চার বছরে আমি কেন কিছু বলিনি? জানেন কী, আমি কখনোই এ বিষয়ে প্রথম মুখ খুলতে চাইনি। আমাকে ভীরু বলুন, যা খুশি বলুন। কিন্তু কীভাবে বিষয়টি সামনে আনব, তা বুঝতে পারছিলাম না। কারণ তখনো আমি দলের একজন খেলোয়াড় ছিলাম। যখন জানতাম, আমার কয়েকজন সতীর্থ এ বিষয়ে কথা বলতে চান না, তখন কীভাবে আমি বিষয়টি সামনে আনতাম?’

‘আমি সব সময় সচেতন ছিলাম যে, আমার প্রতিটি কাজ বা বক্তব্য দলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সব সময় দলের স্বার্থকে সবার আগে রেখেছি। কিন্তু এখন আর আমি সেই দলের অংশ নই। এখন আমার বক্তব্য আর তাদের প্রতিফলিত করে না। আমি এখন শুধু নিজের হয়ে কথা বলছি,’–খাজা যোগ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে ১ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবাসহ তরুণী আফসানা মরিয়ম গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


রংপুরে ১ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবাসহ তরুণী আফসানা মরিয়ম গ্রেফতার

রংপুরে ১ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আফসানা মরিয়ম (১৮) নামের এক তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৭ নভেম্বর) গভীর রাতে নগরীর লালবাগ রেলবস্তির বালাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া আফসানা মরিয়ম আব্দুল কাইয়ুমের মেয়ে, যিনি হারাগাছ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ১১টার দিকে পুলিশের একটি দল আফসানা মরিয়মের বাড়িতে অভিযান চালায়। তল্লাশির সময় ১২টি প্যাকেটে মোট ১ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় আফসানাকে গ্রেফতার করা হয়।

তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধার করা ইয়াবার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা জানতে আফসানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘দার-ই-নাজাত’ নাটকের নারী চরিত্র ও দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ পি.এম


‘দার-ই-নাজাত’ নাটকের নারী চরিত্র ও দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক

পাকিস্তানি নাটক ‘দার-ই-নাজাত’ সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। নাটকটির কাহিনী এবং চরিত্রের উপস্থাপন নিয়ে দর্শকদের একটি অংশ প্রশ্ন তুলছে। সম্প্রতি এই সমালোচনায় যোগ দিয়েছেন ফাহাম আব্দুস সালাম। তিনি নাটকের চরিত্রগুলোর আচরণ বাস্তবতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

নাটকটি নিয়ে আলোচনা করার অন্যতম কারণ হচ্ছে এর নারী চরিত্রের উপস্থাপন। গল্পে দেখা যায়, বিয়ের আগে ওই নারী প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন এবং লিভ-ইন সম্পর্কেও জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি একজন ভালো মানুষকে বিয়ে করেন। স্ত্রীর অতীত সম্পর্কে জানার পরও স্বামী তাকে অপমান করেন না, অতীত নিয়ে খোঁটা দেন না এবং দাম্পত্য জীবনে অশান্তি সৃষ্টি করেন না।

নাটকে শুধু স্বামীই নয়, শাশুড়ির চরিত্রটিও প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। পুত্রবধূর অতীত সম্পর্কে জানার পরও তিনি তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন না বা অতীত নিয়ে কটাক্ষ করেন না। বরং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতোই স্বাভাবিক এবং আন্তরিক সম্পর্ক বজায় রাখেন।

এই ধরনের উপস্থাপন অনেকের কাছে অবাস্তব মনে হচ্ছে। বাস্তবে দেখা যায়, বিয়ের পর নারীর অতীত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় এবং শাশুড়ির সঙ্গে পুত্রবধূর সম্পর্কেও নানা জটিলতা তৈরি হয়। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অতীতকে কেন্দ্র করে ঝগড়া, অপমান এবং মানসিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটে। সেই প্রচলিত চিত্রের বাইরে গিয়ে একটি সহনশীল পরিবারের গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যা নাটকটির বিতর্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, প্রচলিত অনেক সিনেমা ও ধারাবাহিকে পুরুষ চরিত্রের একাধিক প্রেম, বিয়ের আগে বিভিন্ন সম্পর্কে জড়ানো এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনকে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। সেখানে নারীদের প্রায়ই নিষ্কলুষ এবং আদর্শ হিসেবে দেখানো হয়। ‘দার-ই-নাজাত’-এ সেই প্রচলিত চিত্রের বিপরীত উপস্থাপন দেখা যাওয়ায় নাটকটি নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

সব মিলিয়ে, ‘দার-ই-নাজাত’ নিয়ে বিতর্ক কেবল একটি নাটকের গল্পের বাস্তবতা নিয়ে নয়, বরং নারী-পুরুষের অতীত, দাম্পত্য সম্পর্কে পারস্পরিক গ্রহণযোগ্যতা এবং পারিবারিক সম্পর্কের প্রচলিত ধারণা নিয়েও নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘উল্লাস ২০২৬’ ক্রীড়া উৎসবে চ্যাম্পিয়ন গুলশান ইয়ুথ ক্লাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


‘উল্লাস ২০২৬’ ক্রীড়া উৎসবে চ্যাম্পিয়ন গুলশান ইয়ুথ ক্লাব

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আন্তক্লাব ক্রীড়া উৎসব ‘উল্লাস ২০২৬’-এর দ্বিতীয় আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আয়োজক গুলশান ইয়ুথ ক্লাব। ১৩টি ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নিয়ে ক্লাবটি ৮টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৬টি পদক জিতে সামগ্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উৎসবের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল পার্ক অ্যান্ড স্পোর্টস কমপ্লেক্সের গুলশান ইয়ুথ ক্লাব বাস্কেটবল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের (সুমন)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল খান।

অনুষ্ঠানে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তামাল), সাধারণ সম্পাদক ও উল্লাস আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান, ইফফাত আমবারিন জয়া ও এম আমির আলী মোস্তফা, কোষাধ্যক্ষ রেশাদ হোসাইন খান এবং গণমাধ্যম ও বিপণন সমন্বয়ক অজয় কুমার কুন্ডুসহ ক্লাবের কার্যনির্বাহী ও আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ক্লাবের সভাপতি ও প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। উপস্থিত ছিলেন উল্লাসের স্বর্ণপৃষ্ঠপোষক ও ওরিয়ন ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জারিন করিম, রৌপ্যপৃষ্ঠপোষক মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং প্রাইম ব্যাংকের ব্র্যান্ড ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান নাবিলা খালিদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও উল্লাস ২০২৬ আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, "খেলাধুলা তরুণদের নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, দলগত কাজ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" এ ধরনের আয়োজন তরুণদের সুস্থ প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার সুযোগ তৈরি করে।

তিনি উৎসব সফল করতে অংশগ্রহণকারী ক্লাব, খেলোয়াড়, পৃষ্ঠপোষক, সহযোগী প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যমকর্মী ও আয়োজক কমিটির সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পরে উল্লাস ২০২৬-এর উল্লেখযোগ্য আয়োজন ও সাফল্য নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা তুলে ধরেন তিনি।

গত ৩০ অক্টোবর শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী এ উৎসব শেষ হয় ৭ নভেম্বর। এতে দেশের ২৪টি ক্লাবের ১ হাজার ২০০-এর বেশি ক্রীড়াবিদ ও অংশগ্রহণকারী যুক্ত হন। ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, দাবা, ফুটবল, গলফ, পুল, প্যাডেল বল, সাঁতার, টেবিল টেনিস, টেনিস, কুইজ ও আর্ম রেসলিংসহ মোট ১৩টি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলোর সভাপতি এবং পৃষ্ঠপোষক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সম্মাননা জানানো হয়।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লাস ২০২৬ ও গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি তরুণদের জন্য ইতিবাচক সুযোগ তৈরি এবং সামাজিক উন্নয়নে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। দেশের সামাজিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখে এমন উদ্যোগে ব্যাংকটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান।

প্রাইম ব্যাংকের ব্র্যান্ড ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান নাবিলা খালিদ খেলাধুলার চর্চা, তরুণদের অংশগ্রহণ এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে এ আয়োজনের ভূমিকার প্রশংসা করেন। অন্যদিকে ওরিয়ন ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জারিন করিম বলেন, "ক্রীড়াঙ্গনকে একত্র করা এবং তরুণ প্রতিভা বিকাশে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।" ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।

বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, "ক্লাবভিত্তিক ক্রীড়া আয়োজন নতুন প্রতিভা বিকাশ, দলগত কাজের মানসিকতা তৈরি এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে।" তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য আরও সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন ক্লাব ও ক্রীড়া সংগঠনের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তামাল) অতিথি, অংশগ্রহণকারী ক্লাব, খেলোয়াড়, পৃষ্ঠপোষক, সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি বলেন, "খেলাধুলার প্রসার, তরুণদের অংশগ্রহণ এবং সামাজিক ক্লাবগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতি জোরদারে কাজ করে যাবে গুলশান ইয়ুথ ক্লাব।"

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের (সুমন) খেলাধুলা ও সামাজিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "দেশের বিভিন্ন স্থানে সব বয়সী মানুষের জন্য সহজলভ্য ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন খেলার মাঠ গড়ে তোলা প্রয়োজন।" বহুমুখী ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি করা গেলে খেলাধুলার মান উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাও নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্লাবের গণমাধ্যম, প্রচার ও বিপণন সমন্বয়ক অজয় কুমার কুন্ডু। তিনি বলেন, "উল্লাস কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; এটি বন্ধুত্ব, ঐক্য, সম্প্রীতি ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের উৎসব।" ২৪টি ক্লাবের ১ হাজার ২০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারীর উপস্থিতিতে এ আয়োজন ক্লাবগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ তৈরি করেছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল চ্যাম্পিয়ন ট্রফি প্রদান। ১৩টি ক্রীড়া বিভাগে সর্বোচ্চ আটটি স্বর্ণপদকসহ মোট ১৬টি পদক জিতে গুলশান ইয়ুথ ক্লাব সামগ্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়। প্রধান অতিথি জাকারিয়া তাহের (সুমন) বিশেষ অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে ক্লাবের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তামাল) এর হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন।

এ সময় ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইফতেখার রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ রেশাদ হোসাইন খান, যুগ্ম সম্পাদক আমির আলী মোস্তফা ও মো. শরিফুল ইসলাম ভরসা, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইফফাত আমবারিন জয়া এবং ক্লাবের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক শারমিন লাকির সঞ্চালনায় এতে সংগীত পরিবেশন করেন কিংবদন্তি গীতিকার ও সুরকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মেয়ে সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার। পরে নৈশভোজ ও সংগীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সপ্তাহব্যাপী এ ক্রীড়া উৎসব।

এবারের আসরে অংশ নেওয়া ২৪টি ক্লাব হলো— অল কমিউনিটি ক্লাব, বনানী ক্লাব, বাংলাদেশ চায়না ক্লাব, বারিধারা কসমোপলিটন ক্লাব, বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ ক্লাব, ক্যাডেট কলেজ ক্লাব, ক্লাব নটরডেমিয়ানস বাংলাদেশ, ক্লাব শাহীন, করপোরেট এক্সিকিউটিভ ক্লাব, ঢাকা বোট ক্লাব, ঢাকা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, গুলশান নর্থ ক্লাব, আইবিএ অ্যালামনাই ক্লাব, ইন্টারন্যাশনাল রিক্রিয়েশন ক্লাব, কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব, নারায়ণগঞ্জ ক্লাব, নেদারল্যান্ডস রিক্রিয়েশন সেন্টার (ডাচ ক্লাব), নর্ডিক ক্লাব, সেইন্টস ক্লাব, সিলেট ক্লাব, ব্রিটিশ এইড গেস্ট হাউস অ্যাসোসিয়েশন ক্লাব, উত্তরা ক্লাব এবং আয়োজক গুলশান ইয়ুথ ক্লাব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%