০৪:০৭ পি.এম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি আবারও হামলা চালায়, তাহলে সংঘাতের শেষ কিভাবে এবং কখন হবে, তা তেহরানই নির্ধারণ করবে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক বিবৃতিতে খামেনি এ কথা জানান। খবরটি আনাদোলু’র।
বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি উল্লেখ করেন, ‘যদি শত্রুরা আবারও সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালায়, তাহলে সেগুলোর শেষের সময় ও শর্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী এবং ইরানি জনগণই নির্ধারণ করবে।’
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এই বিবৃতি দেন।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ আমেরিকায় সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পোপ লিও
এ সময় তিনি সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ দেন যে, সম্ভাব্য যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে ‘ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব’ দিতে হবে।
মোজতবা খামেনি আরও নির্দেশ দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সব সম্পদ এবং স্থাপনাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতের আওতায় আনতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করতে হবে।
এর আগে শনিবার, ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যদি ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এ অঞ্চলে আবার কোনো সামরিক অভিযান চালান, তাহলে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা চালায়।
আরও পড়ুন: ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেডের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া: কেসিএনএ
পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর, আনাদোলু এজেন্সি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন