প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মহান আল্লাহ কোরআনকে মানুষের হেদায়েতের জন্য নাজিল করেছেন। কোরআনের মাধ্যমে সঠিক পথ প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে এটি অবতীর্ণ হয়েছে। সুরা নাবা পবিত্র কোরআনের ৭৮তম সুরা, যা মক্কায় নাজিল হয়েছে এবং এতে রয়েছে দুই রুকু ও ৪০ আয়াত।
মক্কার কাফেররা নবীজির সঙ্গে পুনরুত্থান সম্পর্কিত বিতর্কে লিপ্ত ছিল, এই প্রেক্ষাপটে সুরা নাবা অবতীর্ণ হয়। এই সুরায় কিয়ামতের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা পরস্পরকে কী জিজ্ঞাসা করছে? সেই মহাসংবাদ সম্পর্কে, যে বিষয়ে তারা একমত হতে পারে না? তারা তা শিগগিরই জানতে পারবে; অবশ্যই তারা জানতে পারবে। আমি কি পৃথিবীকে বিস্তৃত করিনি আর পর্বতকে করিনি কীলকস্বরূপ? আমি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি।
আমি বিশ্রামের জন্য তোমাদেরকে নিদ্রা দিয়েছি, রাতকে করেছি আবরণস্বরূপ এবং দিবসকে করেছি জীবিকা আহরণের সময়। আমি তোমাদের ওপরে সুস্থিত সপ্ত (আকাশ) নির্মাণ করেছি এবং প্রোজ্জ্বল দ্বীপ সৃষ্টি করেছি। আমি মেঘমালা হতে মুষলধারে বৃষ্টিপাত করি, তা দিয়ে উৎপন্ন করি শস্য, উদ্ভিদ ও ঘনসন্নিবিষ্ট উদ্যান। বিচারের দিন নির্ধারিত আছে। সেদিন শিঙায় ফুঁ দেয়া হবে ও তোমরা দলে দলে জমায়েত হবে। আকাশ ফেটে গিয়ে সেখানে বহু ফাটল দেখা দেবে। আর পাহাড়-পর্বত উন্মুলিত হয়ে মরীচিকার মতো দেখাবে।’ (আয়াত: ১-২০)
এ সুরার প্রথম অংশে আখিরাতের প্রতি অবিশ্বাসীদের বিদ্রূপের জবাব দিয়েছেন মহান আল্লাহ। দ্বিতীয় অংশে মানুষের চোখের সামনে আল্লাহর সৃষ্টির মহানত্ব বর্ণনা করে মানুষের সৃষ্টির সঙ্গে আল্লাহর সৃষ্টির তুলনা করা হয়েছে। তৃতীয় অংশে মহান আল্লাহর শাস্তির ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। চতুর্থ অংশে পরকালে বিশ্বাসী এবং বিশ্বাসীদের পরিণতি বর্ণিত হয়েছে।
সুরা নাবার ফজিলত সম্পর্কে একটি দুর্বল হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, ‘যে ব্যক্তি সুরা নাবা পাঠ করবে মহান আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন ঠান্ডা পানীয় দ্বারা তৃপ্ত করবেন।’ (তাফসিরে কাশশাফ : ৬/৩০৩)
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন