ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইন্টারপোল বায়োসিকিউরিটি সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্স গেলেন আইজিপি


ইন্টারপোল বায়োসিকিউরিটি সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্স গেলেন আইজিপি

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির আজ সকালে ঢাকা ত্যাগ করে ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, ২য় ইন্টারপোল গ্লোবাল বায়োসিকিউরিটি কনফারেন্স-এ যোগ দিতে।

পুলিশ সদরদপ্তরের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ইন্টারপোলের বায়োটেররিজম প্রিভেনশন ইউনিটের উদ্যোগে আগামী ৩-৫ নভেম্বর ফ্রান্সের লিয়ঁতে সংস্থাটির সদর দপ্তরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন শেষে আইজিপি আগামী ৭ নভেম্বর দেশে ফিরে আসবেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সহযোগী সংস্থা, জীবাণু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদগণ অংশগ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আমেরিকায় সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পোপ লিও

সম্মেলনে বর্তমান ও ভবিষ্যতে বায়োসিকিউরিটি হুমকির পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে এবং সম্ভ্যাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কার যুদ্ধবিধবা ও নিখোঁজদের সন্ধানে দীর্ঘ প্রতীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


শ্রীলঙ্কার যুদ্ধবিধবা ও নিখোঁজদের সন্ধানে দীর্ঘ প্রতীক্ষা

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : গির্জার বাইরের একটি স্থানে বসে সারধাদেবী থাদচানামূর্তি হাতে লেখা চার পৃষ্ঠার তালিকা থেকে একে একে নামগুলো পড়তে শুরু করেন। তালিকায় শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের সময় নিখোঁজ হওয়া ১২৪ জন স্বামী, বাবা ও ভাইয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শ্রীলঙ্কার বাট্টিকালোয়া থেকে এএফপি জানায়, ষাটের কোঠায় থাকা এই তামিল নারী পরে একটি প্ল্যাকার্ড হাতে তুলে নেন। তিনি আরও তিনজনের সঙ্গে যোগ দিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় ব্যস্ত শহর বাট্টিকালোয়ার সড়কে ‘ন্যায়বিচারের দাবিতে পদযাত্রা’ শুরু করেন। নিখোঁজ স্বজনদের পরিণতি জানতে তাদের এ ধারাবাহিক প্রতিবাদের রোববার ছিল টানা ১ হাজার ৬০৪তম দিন।

১৯৮৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের যুদ্ধ চলেছিল। তামিলরা দেশটির প্রধানত হিন্দু ধর্মাবলম্বী সংখ্যালঘু জনগণ।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এ যুদ্ধে এক লাখের বেশি মানুষ নিহত হন, যাঁদের মধ্যে বহু বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।

এছাড়া নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) হাতে কয়েক দশ হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন, অপহৃত হয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা নিহত হয়েছেন।

যুদ্ধ শেষ হওয়ার ১৫ বছরেরও বেশি সময় পার হলেও নিখোঁজদের অধিকাংশের পরিণতি এখনো অজানা।

অভিযোগ, আদালতে আবেদন, প্রতিবাদ, আন্তর্জাতিক চাপ এবং সরকারের বারবার দেওয়া প্রতিশ্রুতি, কোনোটিই এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে পারেনি।

‘তাকে আর কখনো দেখিনি’

থাদচানামূর্তির জীবনের ঘটনা যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং নিখোঁজ স্বজনদের বিষয়ে উত্তর খুঁজতে পরিবারগুলোর দীর্ঘ সংগ্রামেরই প্রতিচ্ছবি।

১৯৯২ সালের জুলাইয়ে তার ৩৪ বছর বয়সী স্বামী নাল্লাথাম্বির গুলিবিদ্ধ মরদেহ তাদের কৃষিজমিতে পাওয়া যায়। তার মাথায় গুলি করা হয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছিলেন, একজন সেনাসদস্য তাকে হত্যা করেছেন। স্বামীকে হত্যার অভিযোগ নিয়ে স্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের কাছে যান।

তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে বলেছিল, “আপনি যদি বলেন আপনার স্বামীকে একজন সেনাসদস্য হত্যা করেছে, তাহলে তারা আর কখনো তাঁকে আপনার কাছে ফিরিয়ে দেবে না।”'

তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি। স্বামীর মরদেহ উদ্ধার করি এবং ৫০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ পাই, যা বর্তমান বিনিময় হারে ১৫১ ডলার। এরপর তদন্ত বন্ধ হয়ে যায়।’

২০০০ সালের জানুয়ারিতে তার ১৯ বছর বয়সী ছেলে নাভানীথান নিখোঁজ হন। থাদচানামূর্তির বিশ্বাস, তামিল বিদ্রোহীরা নিজেদের দলে যোগ দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে তাঁকে অপহরণ করেছিল।

তিনি বলেন, ‘তাঁকে আমি আর কখনো দেখিনি। ২০১৬ সালে আমি কর্তৃপক্ষের কাছে তার বিষয়ে তথ্য চেয়ে আবেদন করি। জবাবে তারা জানায়, তার পরিণতি অজানা। আমাকে শুধু নিখোঁজ হওয়ার একটি সনদ দেওয়া হয়েছিল, সত্যটা নয়।’

লক্ষ্মী সিলভার অভিজ্ঞতাও খুব বেশি ভিন্ন নয়। ১৯৯০ সালের জুলাইয়ে কলম্বো যাওয়ার পথে বাসে থাকা অবস্থায় তার স্বামী নিখোঁজ হন। একটি চেকপোস্টে সশস্ত্র ব্যক্তিরা তাঁকে বাস থেকে নামিয়ে নিয়ে যায়।

লক্ষ্মী বলেন, ‘প্রত্যক্ষদর্শীরা আমাকে বলেছিলেন, তারা “টাইগার” ছিল।’ তিনি তামিল বিদ্রোহীদের বোঝাতে এ শব্দ ব্যবহার করেন।

পুলিশ ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কাছে তাঁর করা আবেদনগুলোর কোনো জবাব মেলেনি। যাঁদের কাছে তিনি গিয়েছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ তাঁকে ঝামেলা না বাড়ানোর পরামর্শ দেন।

১৯৯৪ সালে একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার স্বামীর মৃত্যু সনদ দেন। সেখানে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল ‘অজ্ঞাত’। এরপর আর কোনো অগ্রগতি হয়নি।

ষাটের কোঠায় থাকা লক্ষ্মী সিলভা স্বীকার করেন, ‘আমি এখন আর মনে করি না যে তিনি ফিরে আসবেন।’

তিনি বলেন, ‘এখন আমি শুধু সন্তানদের জন্য বেঁচে আছি।’

তবে অন্যরা এখনো নীরবতা মেনে নিতে রাজি নন।

৬১ বছর বয়সী রাজেশ্বরী চিত্রাভাদিভেল বলেন, ‘আমি সব সময় আশা ধরে রেখেছি।’

তার দেয়ালে কয়লা দিয়ে আঁকা গোঁফওয়ালা এক হাস্যোজ্জ্বল পুরুষের প্রতিকৃতি ঝুলছে। ছবিতে স্ত্রী ও মেয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে কেনাকাটা করতে গিয়ে মুখোশধারী ব্যক্তিদের হাতে অপহৃত হওয়ার পর থেকে রাজেশ্বরীর স্বামী নিখোঁজ।

১৯৯৮ সালে কর্তৃপক্ষ তাকে একটি মৃত্যু সনদ দেয়। এর দুই বছর পর রেড ক্রস তাকে শনাক্ত করার জন্য এক ব্যক্তির মরদেহ দেয়। সংস্থাটি জানায়, সেটি তার স্বামীর মরদেহ হতে পারে।

রাজেশ্বরী বলেন, ‘মরদেহটি চেনার উপায় ছিল না। তাই আমি এখনো বিশ্বাস করি।’

এ ধরনের ঘটনার বিচার ও সত্য উদ্ঘাটনের দাবিতেই নারীরা প্রতিদিন প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের এ আন্দোলনের সঙ্গে আর্জেন্টিনার ‘মাদার্স অব দ্য প্লাজা দে মায়ো’ আন্দোলনের মিল রয়েছে। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত দেশটির সামরিক স্বৈরশাসনের সময় নিখোঁজ হওয়া সন্তানদের পরিণতি জানতে ওই নারীরাও বছরের পর বছর বিক্ষোভ করেছিলেন।

‘এক গভীর নীরবতা’

নিয়মিত পদযাত্রায় অংশ নেওয়া আন্দোলনকর্মী সারালা ইমানুয়েল বলেন, ‘আমরা গোপনে আশা করেছিলাম, হাজার হাজার মানুষ আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। কিন্তু স্পষ্টতই তা ঘটেনি।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু কিছুই বদলায়নি, এখনো এক গভীর নীরবতা বিরাজ করছে।’

২০০৯ সালে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে শ্রীলঙ্কার নাগরিক সমাজ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এবং জাতিসংঘ ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধকালীন অপরাধ তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

২০২৪ সালে অনুরা কুমারা দিসানায়েকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন করে আশার সঞ্চার হয়।

দেশটির প্রথম বামপন্থী প্রেসিডেন্ট তার নির্বাচনী ইশতেহারে ‘রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, নিখোঁজ হওয়া এবং হামলার’ তদন্ত এবং একটি স্বাধীন জাতীয় কৌঁসুলি দপ্তর প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

দুই বছর পর গত সেপ্টেম্বরে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) জানায়, কিছু অগ্রগতি হয়েছে। তবে সরকার ‘দায়মুক্তির অবসান ঘটানোর জরুরি প্রয়োজন’ মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে।

প্রস্তাবিত স্বাধীন কৌঁসুলি দপ্তর সম্পর্কে এএফপির প্রশ্নের জবাব দেয়নি শ্রীলঙ্কার আইন মন্ত্রণালয়।

তামিল বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য রাসামানিক্কাম আর. শানাকিয়ান বলেন, ‘দুয়েকটি আলোচিত মামলায় কিছু তদন্ত হচ্ছে বলে মনে হয়। কিন্তু জোরপূর্বক নিখোঁজ হওয়া কিংবা নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে কোনো অগ্রগতিই নেই।’

তিনি বলেন, ‘পরপর আসা সরকারগুলো কোনো পদক্ষেপ নিতে ভয় পায়।’ তিনি উল্লেখ করেন, দেশটির অধিকাংশ মানুষ সিংহলি বৌদ্ধ এবং শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে অনিচ্ছুক।

তিনি বলেন, ‘তারা জানে, এর পরিণতি শেষ পর্যন্ত তাদের ওপরই ফিরে আসবে।’

‘জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন’

২০১৮ সালে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিণতি নির্ধারণের দায়িত্ব দিয়ে সরকার নিখোঁজ ব্যক্তিবিষয়ক দপ্তর (ওএমপি) প্রতিষ্ঠা করে।

দপ্তরটির হিসাবে, তাদের কাছে বর্তমানে ২২ হাজার নিখোঁজের মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, জাতিসংঘের হিসাবে এ সংখ্যা এক লাখ পর্যন্ত হতে পারে।

গত তিন বছরে দপ্তরটি মাত্র ২৪ জনের সন্ধান পেয়েছে।

দপ্তরটির সদস্য মিরাক রহিম স্বীকার করেন, ‘যেসব পরিবার দুই, কখনো কখনো তিন দশক ধরে অপেক্ষা করছে, তাদের জন্য এটা স্পষ্ট যে কাজ যথেষ্ট দ্রুত এগোচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যক্ষদর্শীদের খুঁজে পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। অনেক নথি হারিয়ে গেছে এবং মানুষ নিজেদের স্মৃতি থেকে ঘটনাগুলো পুনর্গঠন করেছে।’

ক্লান্ত হলেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাদচানামূর্তি পদযাত্রা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা টাকা চাই না, শুধু সত্য ও ন্যায়বিচার চাই। আমাদের দুর্ভোগের ভার পরবর্তী প্রজন্মের ওপর চাপিয়ে দিতে আমি রাজি নই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ৭২ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ৭২ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার

রাজশাহী, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের পরিচালিত অভিযানে ৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অভিযানের ফলে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৭২ জনকে গ্রেফতার করে এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে।

আজ রোববার বেলা ১১টায় রাজশাহী রেঞ্জ কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে ১টি খুনের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধের জন্য মোট ৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, খুন ছাড়া ডাকাতি, দস্যুতা, যৌতুকের জন্য হত্যা, সাইবার সুরক্ষা আইন, চুরি, নারী ও শিশু নির্যাতন কিংবা দ্রুত বিচার আইনে কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে অন্যান্য অপরাধের জন্য ১৮টি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং ৪টি অপমৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত ৪৫টি অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ জন পরোয়ানা মূলে, ১২ জন সাজাপ্রাপ্ত, ২৬ জন তদন্তাধীন মামলার আসামি এবং ১০ জন প্রতিরোধমূলক অন্যান্য আসামি রয়েছেন। এছাড়া, মাদকবিরোধী অভিযানে ৮ জন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে, ১৫০ গ্রাম হেরোইন, ৩৭১ পিস ইয়াবা এবং ১২৫ পিস ট্যাপেন্টাডল। তবে এই সময়ে কোনো চোরাচালান পণ্য উদ্ধার হয়নি। পুলিশি সেবার পরিধিও উল্লেখযোগ্য ছিল; গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জ এলাকায় মোট ৮৫৯ জন নাগরিক সেবা গ্রহণ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীতাতপনিয়ন্ত্রিত সিঙ্গাপুরে বিকল্প শীতলীকরণ প্রযুক্তির সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


শীতাতপনিয়ন্ত্রিত সিঙ্গাপুরে বিকল্প শীতলীকরণ প্রযুক্তির সন্ধান

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : সিঙ্গাপুর, যা ‘শীতাতপনিয়ন্ত্রিত দেশ’ হিসেবে পরিচিত, বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী শীতলীকরণ ব্যবস্থার বিকল্প খুঁজতে বিভিন্ন প্রযুক্তির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। এ পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে শীতলীকরণ কয়েলযুক্ত বিম, প্রাকৃতিক বায়ুপ্রবাহনির্ভর শীতলীকরণ এবং অন্যান্য প্রযুক্তি, যেগুলোর উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ-নিবিড় এয়ার কন্ডিশনারের ওপর নির্ভরতা কমানো।

এএফপির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুরে মাথাপিছু এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের হার সর্বাধিক। দেশটির প্রায় ৯৯ শতাংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন আবাসিক ভবনে শীতাতপনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা বিদ্যমান।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের মোট কার্বন নিঃসরণের এক-পঞ্চমাংশ স্থানীয় ভবন খাতের কারণে ঘটে। অন্যদিকে, একটি ভবনের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ শীতলীকরণে ব্যয় হয়।

শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ওপর দেশের নির্ভরতার চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে বিখ্যাত অর্চার্ড রোড ধরে হাঁটলে। দোকানের দরজা খুললেই ভেতরের শীতল বাতাস রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে, যা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে। সিঙ্গাপুরে সারা বছর দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে, ফলে এই শীতল বাতাস বিশেষ স্বস্তি দেয়।

তবে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ফলে তাপের সমস্যা আরও বাড়তে পারে। যন্ত্রের কম্প্রেসর থেকে নির্গত গরম বাতাস পরিবেশের তাপমাত্রা বাড়ায়। এছাড়া, এসব যন্ত্র চালাতে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ যদি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে উৎপাদিত হয়, তবে তা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিকল্প শীতলীকরণ প্রযুক্তি

সিঙ্গাপুরের কিছু ভবনে প্রচলিত এয়ার কন্ডিশনারের বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে একটি হলো ‘অ্যাকটিভ চিলড বিম’ (এসিবি)। এই প্রযুক্তিতে ছিদ্রযুক্ত প্যানেলের মধ্যে শীতলীকরণ কয়েল থাকে, যা ভবনের ছাদে স্থাপন করা হয়।

ভবনের উপরের তলায় অবস্থিত একটি শীতলীকরণ কেন্দ্রে পানি ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঠান্ডা করা হয়। এরপর পাম্পের মাধ্যমে সেই পানি কয়েলের মধ্যে প্রবাহিত করা হয়। একসাথে, বিমের ভেতরে থাকা ছোট ছোট নজলের মাধ্যমে বাতাস প্রবাহিত হয়।

এই বায়ুপ্রবাহের ফলে নিম্নচাপের একটি অঞ্চল তৈরি হয়, যা নিচের কক্ষের অপেক্ষাকৃত উষ্ণ বাতাসকে টেনে নেয়। বাতাসটি শীতলীকরণ কয়েলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ঠান্ডা হয় এবং পরে আবার কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে।

এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত আটতলা ‘পায়া লেবার গ্রিন’ ভবনের অফিসকক্ষের তাপমাত্রা আরামদায়ক ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা হয়। ভবনটিকে সিঙ্গাপুরের অন্যতম পরিবেশবান্ধব স্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এএফপির একটি প্রতিনিধি দল ভবনটি পরিদর্শনকালে ছাদের মসৃণ সাদা প্যানেলগুলো থেকে প্রবাহিত শীতল বাতাস অনুভব করে। প্রচলিত এয়ার কন্ডিশনারের মতো একটানা যান্ত্রিক শব্দও এ ব্যবস্থায় শোনা যায় না।

মানবসম্পদ পেশাজীবী রেনুগা শেখর গত বছরের নভেম্বরে পায়া লেবার গ্রিনের একটি অফিসে কাজ শুরু করেন। ৩০ বছর বয়সী রেনুগা ও তাঁর সহকর্মীরা প্রথমে ছাদের খোলা পাইপ ও প্যানেল দেখে ভেবেছিলেন, জায়গাটির সাজসজ্জা অনেকটা গুদামের মতো।

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে তেমন কিছু ভাবিনি। কেউ এ নিয়ে মন্তব্যও করেননি।’

কয়েক মাস পর তারা অফিসের অস্বাভাবিক নীরবতা লক্ষ করেন। রক্ষণাবেক্ষণের সময় প্রযুক্তিবিদদের মুখে ‘এসিবি’ শব্দটি শোনার পর তারা জানতে পারেন, অফিসটি অ্যাকটিভ চিলড বিম প্রযুক্তিতে ঠান্ডা রাখা হয়।

রেনুগা বলেন, ‘শীতলীকরণ ব্যবস্থাটি এতটাই স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন ছিল যে, এটি কতটা ভিন্ন, তা আমরা বুঝতেই পারিনি। তাপমাত্রাও অফিসের সবার জন্য আদর্শ।’

ভবনটির নকশাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি আর্কিটেক্টসের তথ্য অনুযায়ী, প্রচলিত এয়ার কন্ডিশনারের তুলনায় এই ব্যবস্থা ৩০ শতাংশের বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে।

সিঙ্গাপুরের পশ্চিমাঞ্চলের তুয়াস বন্দরে বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি রক্ষণাবেক্ষণ ভবনেও বিকল্প শীতলীকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে রয়েছে ‘প্যাসিভ ডিসপ্লেসমেন্ট কুলিং’ ব্যবস্থা, যা যান্ত্রিক পাখার ওপর নির্ভরতা কমাতে প্রাকৃতিক বায়ুপ্রবাহকে কাজে লাগায়।

এ ব্যবস্থায় ছাদের শীতলীকরণ কয়েল বাতাসকে ঠান্ডা করে। ঠান্ডা বাতাস নিচে নেমে আসে এবং উষ্ণ হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই আবার ওপরে উঠে কয়েলের কাছে পৌঁছায়।

এভাবে চলমান বায়ুপ্রবাহের চক্র তৈরি হয়, যা পাখার প্রয়োজন কমিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি শব্দদূষণও হ্রাস করে।

মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি

শীতলীকরণের আরেকটি বিকল্প হলো ‘রেডিয়েন্ট কুলিং’। এ ব্যবস্থায় ১৪ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঠান্ডা করা পানি পাইপ বা প্যানেলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর ফলে মানুষ ও বিভিন্ন বস্তু থেকে বিকিরিত তাপ শোষিত হয় এবং আশপাশের তাপমাত্রা কমে আসে।

শীতলীকরণের বিকল্প প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারের উদ্যোগে সরকারেরও সমর্থন রয়েছে।

২০২৪ সালে সরকারের এক গবেষণায় বিকল্প শীতলীকরণ প্রযুক্তিকে (এসিটি) গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় বলা হয়, এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে সিঙ্গাপুরে শীতলীকরণ খাতে বিদ্যুতের ব্যবহার সর্বোচ্চ ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

দেশটির ভবন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অন্তত ৩৩টি সরকারি ও ১৪টি বেসরকারি ভবনে বিকল্প শীতলীকরণ প্রযুক্তি গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে নিট-শূন্য কার্বন নিঃসরণ অর্জনের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য রয়েছে সিঙ্গাপুরের।

তবে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার এখনো তুলনামূলকভাবে সীমিত। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারে অভ্যস্ত মানুষের কাছে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য করে তোলা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

বিকল্প শীতলীকরণ প্রযুক্তির সমর্থকেরা স্বীকার করেন, প্রচলিত এয়ার কন্ডিশনারের তুলনায় এসব ব্যবস্থা স্থাপনে বেশি খরচ হয়। তবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কারণে পরিচালন ব্যয় অনেক কম হওয়ায় দীর্ঘ মেয়াদে প্রাথমিক বিনিয়োগের চেয়ে বেশি সাশ্রয় সম্ভব বলে তাঁরা মনে করেন।

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিকল্প হলো হাইব্রিড কুলিং। এতে এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ৫ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রেখে সঙ্গে পাখা ব্যবহার করা হয়।

ডিপি আর্কিটেক্টসের পরিচালক চুয়া জি জুন বলেন, ‘সবাই শীতাতপনিয়ন্ত্রিত অফিসে কাজ করতে বেশি অভ্যস্ত। তাই হঠাৎ করে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মেনে নেওয়ার মতো মানসিক পরিবর্তন এখনো সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্যতার পর্যায়ে পৌঁছায়নি।’

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বাড়তে থাকায় শীতলীকরণের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রচলিত এয়ার কন্ডিশনারে বাষ্প-সংকোচন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এতে রেফ্রিজারেন্টের সাহায্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তাপ সরিয়ে নেওয়া হয়।

বিকল্প শীতলীকরণ প্রযুক্তিও একই মৌলিক নীতির ওপর কাজ করে। তবে এসব প্রযুক্তিতে ঠান্ডা বাতাস সরাতে কম বিদ্যুৎ ব্যয় করা হয় অথবা কিছুটা বেশি তাপমাত্রার সঙ্গে মানুষের মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে যন্ত্র চালানোর সময় কমানো হয়।

নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির শীতলীকরণ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ওয়ান ম্যান পুন বলেন, ‘প্রযুক্তিগুলো সঠিক পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার প্রতিনিধিত্ব করে। ভবিষ্যতে এতে আরও উন্নত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা যুক্ত করা উচিত, যার মধ্যে পূর্বাভাসভিত্তিক ব্যবস্থাও থাকবে। কক্ষ অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা হওয়ার আগেই এসব ব্যবস্থা তাপমাত্রা সমন্বয় করতে পারবে।’

তবে তিনি বলেন, ‘বাষ্প-সংকোচন প্রযুক্তির তুলনায় বেশি কার্যক্ষমতা বা দক্ষতা রয়েছে—এমন কোনো বিকল্প শীতলীকরণ পদ্ধতি আমরা এখনো খুঁজে পাইনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৪ ঘণ্টায় ১,৮১০ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৪ ঘণ্টায় ১,৮১০ মামলা

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে গত ২৪ ঘণ্টায় ১,৮১০টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

শনিবার, রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলি করা হয়। ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৬৩টি, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৮১টি, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৪১৩টি এবং ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৬৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৯৫টি, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৮৪টি, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩০৪টি এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩০৩টি মামলা হয়েছে। অভিযান চলাকালীন ৪৯৮টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩৮১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%