ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি


পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই ক্ষমতার অপব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

এছাড়া, তিনি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও বিচক্ষণতা প্রদর্শনের জন্য নবীন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আজ দুপুরে সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ৪৫তম বিসিএস (পুলিশ) ও বিসিএস (আনসার) ক্যাডারে নতুন যোগদানকৃত কর্মকর্তাদের ব্রিফিং ও পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: পিএসসির নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক শামীমা সুলতানা

মন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের ছাত্রজীবনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে, তবে তা যেন কর্মজীবনে কোনোভাবেই প্রতিফলিত না হয়।

নবীন কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সুপিরিয়র সার্ভিসে আপনাদের প্রধানতম দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সমুন্নত রাখা এবং এর মাধ্যমে দেশের সকল কার্যক্রম সুচারুরূপে সম্পন্ন করার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা। প্রশাসন, উন্নয়ন ও সমাজের সামগ্রিক নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বস্তি অনেকাংশে আপনাদের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে।’

তিনি কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, ‘সার্ভিস লাইফে সর্বদা শৃঙ্খলা ও সার্ভিস রুলস মেনে চলতে হবে এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের আইনানুগ নির্দেশ পালন করতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, অন্যান্য ক্যাডার সার্ভিসের তুলনায় পুলিশ ও আনসার সম্পূর্ণ আলাদা এবং অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এখানে মুহূর্তের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যেখানে বুদ্ধিমত্তা, পেশাদারিত্ব ও প্রেজেন্স অব মাইন্ড অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইজিপি (ইনচার্জ) ও অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

উল্লেখ্য, আজ ১ নভেম্বর পূর্বাহ্নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে ৬৫ জন এবং বিসিএস (আনসার) ক্যাডারে ১৯ জন কর্মকর্তা যোগদান করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানী সংকট মোকাবিলায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


জ্বালানী সংকট মোকাবিলায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মাহদী আমিন

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন যে, সরকার জ্বালানী সংকট মোকাবিলায় পুনর্ব্যবহাযোগ্য জ্বালানীতে গুরুত্ব প্রদান করছে।

আজ রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সাইন্স পলিসি ডায়লগ অন ব্ল্যাক কার্বন অ্যান্ড আদার শর্ট লাইভড ক্লাইমেট পল্যুটেন্টস’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, অতীতের নীতির ফলে আমাদের জ্বালানি খাতে ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে সরকার জ্বালানির উৎসকে বহুমুখী করতে চায়। পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে সরকারের গুরুত্ব রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুৎকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্পও চালু রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার বৃদ্ধি করা। নতুন প্রকল্পগুলোতে বৈদ্যুতিক যানবাহনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি এবং বেগম খালেদা জিয়ার সিএনজির মতো পরিবেশবান্ধব যানবাহন চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বিএনপির সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। এছাড়া, প্লাস্টিক ও পলিথিন নিষিদ্ধকরণ এবং পাটজাত ও পরিবেশবান্ধব পণ্যের প্রসারে বিএনপি সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল।

বিগত বিএনপি সরকারের সময় দেশব্যাপী সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা সেই সংস্কৃতিকে আবার নতুন করে ফিরিয়ে আনতে ও আরও বিকশিত করতে চাই।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে উন্নয়নের নামে প্রকৃতি ধ্বংস করা হবে না; বরং প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করা হবে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আমরা এমন প্রকল্প ও উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নিতে চাই, যেখানে পরিবেশ সংরক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কারণ, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমরা একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশুদ্ধ ও নির্মল বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারবে। এজন্য আমাদেরকে বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা ব্যারেজের মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা জলাধার তৈরি করতে চাই। এর ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ধরে রাখা ও পানিসম্পদের ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আব্দুস সালাম এবং স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ওরজান গুসটাফসোনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এ এস এম আব্দুল আওয়াল এবং সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজ উদ্যোগে খেলার মাঠ তৈরি, বাবুপুর গ্রাম হতে পারে রোলমডেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


নিজ উদ্যোগে খেলার মাঠ তৈরি, বাবুপুর গ্রাম হতে পারে রোলমডেল

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : ‘দশে মিলি করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ’- এই প্রবাদবাক্যটি জীবনের পথে চলতে অনেকের জন্য সফলতার চাবিকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাবুপুর গ্রামের বাসিন্দারা এমন একটি উজ্জ্বল উদাহরণ স্থাপন করেছেন। তারা নিজেদের উদ্যোগে অর্থ সংগ্রহ করে গ্রামের তরুণদের জন্য একটি খেলার মাঠ নির্মাণের অনন্য নজির তৈরি করেছেন। এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সারা দেশের জন্য একটি রোলমডেল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে, এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাবুপুর গ্রামের বাসিন্দাদের প্রশংসা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন বিষয়টি জানলেন, তখন তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হককে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ পাঠান। এর ফলস্বরূপ, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেলদুয়ার উপজেলায় সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে যোগাযোগ করে মাঠের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেন। তিনি দেলদুয়ারের এই মহৎ উদ্যোগের জন্য উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে তাদের পুরস্কৃত করার কথাও জানান। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোহরা সুলতানা যুথী এবং বাবুপুর গ্রামের মাঠ তৈরির উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মহৎ উদ্যোগের সফলতার জন্য সবাই একত্রিত হলে তা সম্ভব হয়। এই চিন্তা মাথায় রেখে গ্রামের ছেলে-মেয়েদের খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বাবুপুরের কিছু গ্রামবাসী খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে বাবুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে একটি সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবাই অংশগ্রহণ করেন।

মাঠ তৈরির অন্যতম উদ্যোক্তা মো. খোরশেদ আলম এ বিষয়ে বলেন, ‘এই গ্রামে বাচ্চাদের খেলার সুযোগ-সুবিধা ছিল না। খাস জমিতে ফসল কাটার পর যে ১৫ দিন জমিটি খালি থাকত, সে সময় সেখানে সবাই খেলাধুলায় মেতে উঠত। কিন্তু পরে আবারও সেই একই চিত্র দেখা যেত। ফলে তরুণরা খেলাধুলার সুযোগ না পেয়ে মাদকাসক্ত ও অন্যান্য অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পড়ত।’

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে আমরা অনেকে মিলে তরুণদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিই। আয়োজিত সভায় সকলের অংশগ্রহণ তাদের উৎসাহিত করে তোলে। ২০০, ৪০০, ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে সকলেই চাঁদা দিতে থাকলে ঐ সভায় প্রায় ৮ লাখ টাকা তহবিলে জমা হয়। এমনকি একজন চা বিক্রেতাও ২০০ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। এভাবে প্রায় দেড় মাসের মধ্যে ৩২ লাখ টাকা সংগৃহীত হয়, যেখানে প্রবাসীসহ আশপাশের গ্রামবাসীও অবদান রেখেছেন।

সেই টাকা দিয়ে ইকবাল হোসেন সুজনের ৫৯ শতাংশ জমি ক্রয় করে মাঠের জন্য জায়গা নেয়া হয়। গত ২৯ অক্টোবর সকলে মিলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ও জাতীয় সংগীত বাজিয়ে জমিটিকে স্থায়ীভাবে খেলার মাঠের জন্য নির্ধারণ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোহরা সুলতানা জুথী বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিতভাবে বাসসের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানান, ‘শিশু ও কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য স্থায়ী খেলার মাঠের অভাব পূরণের জন্য বাবুপুর গ্রামের সাধারণ জনগণ বাবুপুর মৌজার ১৮১৬ নং দাগের ৫৯ শতাংশ জমি ক্রয়ের জন্য স্থানীয়দের উদ্যোগে ৩২ লাখ ১৬ হাজার টাকা উত্তোলন করে। যদিও খেলার মাঠের জন্য জমি দলিল করে দেওয়া হয়নি। ২৯ অক্টোবর জমিটি খেলার মাঠের জন্য উদ্বোধন করা হয়েছে।’

সরকারের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির যে উদ্যোগ রয়েছে, তার ধারাবাহিকতায় পূর্ণাঙ্গ খেলার মাঠ তৈরিতে বাবুপুরে ৫৯ শতাংশের সাথে আরও ১৮০ শতক জায়গা প্রয়োজন।

জোহরা সুলতানা জুথী বলেন, ‘পাকা রাস্তা থেকে জমিটি ২৫০ ফুট পূর্বদিকে অবস্থিত ১৮১৬ নং দাগটি বর্তমানে ফসলি জমি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে ধান রয়েছে। এটি তিন ফসলি আবাদি জমি। ১৮১৬ দাগের আশেপাশে কোনো সরকারি খাস জমি নেই। দাগের আশপাশে ‘খ’ তফসিলভুক্ত জমি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি রয়েছে, যার শ্রেণি নামা ও কান্দা। ২০২৫-২৬ সালে বাবুপুর মৌজার কান্দা শ্রেণির প্রতি শতকের বাজার মূল্য ৬৩ হাজার ২১২ টাকা ও নামা শ্রেণির মূল্য ৩১ হাজার ৮৭৫ টাকা।

ঐ দাগের আশেপাশে ১৩০৩ নং দাগের ২২ শতক জমি, ১৮১৭ নং দাগের ৩২ শতক জমি, ১৮১৮ নং দাগের ৩১ শতক জমি, ১৮১৩ নং দাগের ২০ শতক জমি, ১৮২১ নং দাগের ৩১ শতক জমিসহ মোট ১৮০ শতক জমি রয়েছে। ২৩৯ শতক জমি নিয়ে মাঠ তৈরি করা হলে বাকি ১৮০ শতক জমি অধিগ্রহণ করে খেলার মাঠ বানাতে হবে। এজন্য ১৮০ শতক কান্দা শ্রেণির জমির মূল্য তিনগুণ হিসেবে ৩ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮০ টাকা।

এছাড়া ১৩০২ নং দাগের জমিতে একটি বাড়ি রয়েছে। সে হিসেবে অবকাঠামো, গাছপালার মূল্য হিসেবে আরও প্রায় ৬০ লাখ টাকার প্রয়োজন। সব মিলিয়ে ৪ কোটি ৪১ লাখ ৪৭ হাজার ৯২৮ টাকা প্রয়োজন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পুরো বিষয়টি জেনে অচিরেই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এ ধরনের একটি মহৎ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে সরকারের পক্ষ থেকে উপজেলার সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অন্যদেরও তা অনুকরণের আহ্বান জানিয়েছেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, ‘এভাবেও এগিয়ে আসা যায়, বিষয়টি আমাকে সত্যিই অবাক করেছে। খেলার মাঠের জন্য বাবুপুর গ্রামের মানুষের এমন স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ আমাদের ক্রীড়াঙ্গনে এক ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সরকার ও মন্ত্রণালয় সবসময় এমন ইতিবাচক কাজকে উৎসাহ দিতে চায়। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা যদি এই গ্রামবাসীর পাশে থাকতে পারি, তা হবে বিশেষ কিছু। একইসাথে বাবুপুর গ্রাম পুরো দেশের জন্য একটি রোল মডেল হয়ে থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ রোববার স্পিকারের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, নরওয়ে ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে এই সম্পর্কের বিস্তার ঘটে। নরওয়ে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশসমূহের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে নরওয়ে সবসময় সহযোগিতা করে আসছে।

স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের ফলে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রহসনের নির্বাচনে সংসদীয় গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। স্বৈরাচারী সরকার গুম, খুন, সন্ত্রাস ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ তৎকালীন বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘২৪ জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা শুরু হয়।

স্পিকার বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। রোহিঙ্গা জনগণের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সমর্থন প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, নরওয়ে ও ইউরোপের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগণের প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে পারে।

নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন বলেন, দীর্ঘকাল ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে আসছে।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণের মাধ্যমে সারাবিশ্বের শান্তিরক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, নরওয়ে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তার ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সবসময় সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, সংসদীয় প্রতিনিধিদের সফর বিনিময় এবং বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া চলমান সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রম ও জুলাই সনদ সম্পর্কে তারা মতবিনিময় করেন।

এ সময় স্পিকার ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের জন্য নরওয়ের কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে নরওয়ের দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিএসসির নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক শামীমা সুলতানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


পিএসসির নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক শামীমা সুলতানা

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : পিএসসি বা বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা।

আজ সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৫ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আল-বশিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানাকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে জনস্বার্থে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন।

এছাড়া, এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ থেকে ৫ বছর বা ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই সময়কাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য পদে বহাল থাকবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%