ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ডিআইইউতে নীতিনির্ধারণী সংলাপে আসছেন প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন টুকু


ডিআইইউতে নীতিনির্ধারণী সংলাপে আসছেন প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন টুকু

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি নীতিনির্ধারণী সংলাপ, যার উদ্দেশ্য হলো মাদকমুক্ত ঢাকা গড়ে তোলা এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার করণীয় নির্ধারণ করা। এই সংলাপে অংশগ্রহণ করবেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমের ব্যক্তিত্বরা।

সংলাপটি আগামী ৩ নভেম্বর (মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (এসটিসি) অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি এই সংলাপের আয়োজন করছে, যার শিরোনাম হলো ‘মাদকমুক্ত ঢাকা গড়তে টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা’।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, এমপি, সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) ও রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

আরও পড়ুন: শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দেওয়া বিপ্লব ১২ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার

অনুষ্ঠানে আরও অতিথি হিসেবে ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম, ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল এবং ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ, গুলশানের সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড বিহেভিয়ারাল সায়েন্স বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ড. এম এস কবির জুয়েল উপস্থিত থাকবেন।

সংলাপের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘Policy Dialogue on Sustainable Urban Management for a Drug-free Dhaka’। এই আলোচনায় টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাদকমুক্ত ঢাকা গড়ে তোলার লক্ষ্যে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এ আয়োজনে সাপোর্ট পার্টনার হিসেবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় রয়েছে।

আরও পড়ুন: সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানালেন বাসসের প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের ওপর হামলা ও ওসিকে হত্যার হুমকির ঘটনায় প্রিন্সসহ ৭ জন কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


পুলিশের ওপর হামলা ও ওসিকে হত্যার হুমকির ঘটনায় প্রিন্সসহ ৭ জন কারাগারে

পুলিশের ওপর হামলা (অ্যাসল্ট) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হত্যার হুমকির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স এবং তার পরিবার ও বন্ধুদেরসহ মোট ৭ জনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে, প্রিন্সের বোনের বয়স কম হওয়ায় আদালত তাকে সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

কারাগারে প্রেরিত ব্যক্তির তালিকায় রয়েছে- দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স, তার মা শামী আক্তার পলি (৩৮), বাবা দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী (৪৫), প্রিন্সের বন্ধু ছাতক উপজেলার জালালপুর গ্রামের কাওছার আহমদ সোহাগ (২১), দিরাই উপজেলার চন্ডীপুর গ্রামের ইফাত আলম রাবিদ (২১), ধর্মপাশা উপজেলার সাদিপুর গ্রামের শাহরিয়ার সাদি (১৯) এবং সিলেটের ভাদেরশ্বর গ্রামের তাকরিব রহমান তানহির (২০)।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার (৩১ অক্টোবর) মধ্যরাতে সিলেট মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতাল এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে প্রিন্সের ছোট বোন ছাড়া বাকী ৭ জনকে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতের বিচারক মো. জসিম উদ্দিন তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক অজয় চন্দ্র দেব নিশ্চিত করে জানান, সুনামগঞ্জ সদর থানার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ৭ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছিল। বিচারক তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং বিকেলে তাদেরকে জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে, প্রিন্সের বোনের বয়স কম থাকায় তাকে শিশু আদালতে পাঠানো হয়েছে। শিশু আদালতের বিচারক মাসুদুর রহমান স্কুল ছাত্রীর জামিন না মঞ্জুর করে সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রিন্সের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ছায়াদুর রহমান তালুকদার।

পুলিশ জানায়, ২৯ অক্টোবর গভীর রাতে নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে ছাত্রলীগ নেতা দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় তার মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা মব সৃষ্টি করে পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করে এবং আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। পরে তাকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু তার পরিবার এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর পুলিশ সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে।

পুলিশের মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রলীগ নেতা দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে ৩০ অক্টোবর হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি খিঁচুনির ভান করতে থাকেন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু নেতাকর্মী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের রুমে প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করে। প্রিন্সের বাবা শাহরুখ রাজা চৌধুরী ও তার মা, বোন গুজব ছড়িয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর মারমুখী আচরণ করতে থাকেন। পরে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রিন্সকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। প্রিন্সের বাবা শাহরুখ রাজা চৌধুরী কান্নাকাটি করতে থাকেন এবং দাবি করেন যে তার ছেলে পুলিশি নির্যাতনে মারা গেছে।

এরপর প্রিন্সের ছোট ভাই ফাহিম রাজা চৌধুরীসহ অন্যান্য আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সদর মডেল থানার ওসিসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি প্রদান করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সিলেট থেকে প্রিন্সসহ সকলকে গ্রেপ্তার করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের প্রতিযোগিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


চাঁদের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের প্রতিযোগিতা

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়েছে। তবে, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন এই প্রকল্পের জন্য প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

গত জানুয়ারিতে, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) ২০৩০ সালের শেষ নাগাদ চাঁদে একটি পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের পরিকল্পনা প্রকাশ করে। অন্যদিকে, রাশিয়া চীনের সঙ্গে যৌথভাবে ২০৩৬ সালের মধ্যে একই ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চাঁদের গহ্বরের গভীরে জমাট বাঁধা পানি উত্তোলনের জন্য এই চুল্লিগুলোর প্রয়োজন হবে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই পানি থেকে ভবিষ্যতে চাঁদে ঘাঁটিগুলোর জন্য খাবার পানি, বাতাস এবং রকেটের জ্বালানি পাওয়া যাবে। এছাড়া, চাঁদের ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্যও এই চুল্লিগুলো ব্যবহৃত হবে।

কোন দেশ কী পরিকল্পনা করছে?

যুক্তরাষ্ট্র জানায় যে, নাসার ‘লুনার রিঅ্যাক্টর ১’ ২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, যা কোনো রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই পাঁচ বছর পর্যন্ত চলতে সক্ষম হবে। চুল্লিটি আকারে ছোট এবং বহনযোগ্য হবে, যার ওজন ৬ হাজার কেজির কম। ৩.৭ মিটার লম্বা এবং ৫.৫ মিটার প্রশস্ত রকেটের একটি নির্দিষ্ট অংশে এটি বহন করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে, রাশিয়া ‘সেলেনা’ নামের একটি পারমাণবিক চুল্লি তৈরি করছে। এটি ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম এবং প্রায় ১০ বছর ধরে কোনো রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই চলতে পারবে। ২০৩৬ সালের দিকে এটি চীনের নেতৃত্বাধীন চন্দ্রঘাঁটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সেলেনা চুল্লির ওজন আনুমানিক ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ কেজি হবে। নাসার চুল্লির তুলনায় এটি অনেক হালকা হওয়ায়, চাঁদের পৃষ্ঠে তুলনামূলকভাবে সহজ ও নিরাপদে অবতরণ করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মহাকাশে পারমাণবিক চুল্লি পাঠানোর ঘটনা নতুন নয়। স্নায়ুযুদ্ধের সময় ১৯৬০-এর দশকের শেষ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন পৃথিবীর কক্ষপথে ৩০টিরও বেশি পারমাণবিক ‘ফিশন চুল্লি’ পাঠিয়েছিল। গুপ্তচর উপগ্রহে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এসব চুল্লি ব্যবহৃত হত।

প্রায় ১ হাজার কেজি ওজনের এসব চুল্লি ইউরেনিয়াম পরমাণু বিভাজনের মাধ্যমে উৎপন্ন তাপ ব্যবহার করে ৩ থেকে ৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করত। যদিও বর্তমানে সেগুলো আর কার্যকর নেই।

গত ৭০ বছরে মহাকাশে পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। তবে ১৯৬৫ সালে একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ ছাড়া এখন পর্যন্ত সফলভাবে কোনো পারমাণবিক চুল্লি মহাকাশে পাঠাতে পারেনি দেশটি।

ওই পরীক্ষায় পারমাণবিক শক্তি দিয়ে উপগ্রহ পরিচালনার সম্ভাবনা যাচাই করা হয়েছিল। শুরুতে পরীক্ষা সফল হলেও, উপগ্রহের একটি অ-পারমাণবিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মাত্র ৪৩ দিনের মাথায় সেটি বন্ধ হয়ে যায়। উপগ্রহটির ধ্বংসাবশেষ এখনো মহাকাশে ভাসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আগের কয়েকটি মহাকাশ পারমাণবিক প্রকল্প বাজেটের অগ্রাধিকার পরিবর্তনের কারণে থমকে গিয়েছিল।

কীভাবে চাঁদে নেওয়া হবে পারমাণবিক চুল্লি?

প্রথমে বিজ্ঞানীদের পৃথিবীতে একটি চুল্লি (রিঅ্যাক্টর) তৈরি করতে হবে, যা পরবর্তীতে একটি রোবোটিক মহাকাশযানের মাধ্যমে চাঁদে নিয়ে যাওয়া হবে। এই মহাকাশযানটি রকেট ইঞ্জিন ব্যবহার করে অত্যন্ত ধীরগতিতে ও সাবধানে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া জানিয়েছে, তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি কমাতে চুল্লিগুলো চাঁদে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে। চাঁদের পৃষ্ঠে যথাযথভাবে স্থাপন করার পরই সেগুলো চালু করা হবে।

একবার স্থাপন করা হলে চুল্লিগুলো বছরের পর বছর রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই চলার উপযোগী করে তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে চাঁদে খনিজ উত্তোলন, গবেষণা ও বসবাসের জন্য নির্মিত ঘাঁটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

চাঁদে কেন পারমাণবিক চুল্লি প্রয়োজন?

যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় ঘাঁটি নির্মাণ করতে চায়। ওই অঞ্চলে পানির বরফের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। চাঁদের এমন কিছু গহ্বর আছে, যেখানে লাখ লাখ বছর ধরে সূর্যের আলো পৌঁছায়নি। এসব স্থানে জমে থাকা বরফকে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

চাঁদের ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি, এই চুল্লিগুলো খনির কাজের জন্যও পর্যাপ্ত শক্তি জোগাবে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন চাঁদে জমে থাকা পানি আহরণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই পানি থেকে মুক্ত হওয়া উপাদানগুলো চাঁদের সেই ঘাঁটিগুলোতে জীবনধারণের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে মানুষ বসবাস করতে ও গবেষণা চালাতে পারবে।

প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কও চাঁদ থেকে অ্যালুমিনিয়াম, টাইটানিয়াম ও সিলিকনের মতো খনিজ উত্তোলনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যা স্যাটেলাইট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়।

তবে চাঁদে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সীমিত হবে। কারণ চাঁদের কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রায় অর্ধেক সময় সূর্যের আলো থাকে না। ফলে প্রতি মাসে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সোলার প্যানেলগুলো অকার্যকর অবস্থায় থাকবে।

ব্যাঙ্গর ইউনিভার্সিটির ‘নিউক্লিয়ার ফিউচারস ইনস্টিটিউট’ (এনএফআই)-এর পরিচালক সাইমন মিডলবার্গ আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, চাঁদে কোনো ঘাঁটি স্থাপনের জন্য যে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজন, তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে সৌরশক্তি অত্যন্ত সীমিত। অন্যদিকে, ব্যাটারি বা ডিজেল ব্যবহার করাও অত্যন্ত ব্যয়বহুল, কারণ এসবের প্রতিটি জিনিসই পৃথিবী থেকে মহাকাশে পাঠাতে হবে। তার মতে, এ ক্ষেত্রে পারমাণবিক শক্তিই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বিকল্প। তবে এটি দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হবে।

মিডলবার্গের ধারণা, চাঁদের বরফ উত্তোলন এবং ঘাঁটির বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে একসঙ্গে তিন থেকে চারটি পারমাণবিক চুল্লির প্রয়োজন হতে পারে।

কেন এত তাড়াহুড়া?

চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের এই প্রতিযোগিতার পেছনে রয়েছে ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জারি করা এক নির্বাহী আদেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ২০৩০ সালের মধ্যে উৎক্ষেপণের উপযোগী চন্দ্র পারমাণবিক চুল্লি তৈরির নির্দেশ দেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও একই ধরনের পরিকল্পনার কথা জানান।

চলতি বছরের আগস্টে মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি বলেন, চাঁদে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মিডলবার্গের মতে, ২০৩০ সালের সময়সীমা মূলত চুল্লি তৈরির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হবে সেটিকে নিরাপদে চাঁদে অবতরণ করানো এবং সেখানে কার্যকরভাবে স্থাপন করা। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পারমাণবিক প্রযুক্তি নয়, বরং উৎক্ষেপণের অনুমোদন, উপযুক্ত উৎক্ষেপণযানের প্রাপ্যতা এবং চাঁদের পৃষ্ঠে নিরাপদে অবতরণ ও চুল্লি স্থাপন নিশ্চিত করা।’

পৃথিবীর বাইরে ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রতিযোগিতার মধ্যে চাঁদেও এই প্রতিযোগিতা চলছে। গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশে ‘অস্ত্র’ মোতায়েনের ঘোষণা দেয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অস্ত্র মহাকাশে থাকা মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহৃত হবে।

অস্ত্রগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত জানানো না হলেও, বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এগুলো সরাসরি হামলা চালানোর অস্ত্রের পরিবর্তে মহাকাশভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত করার প্রযুক্তি হতে পারে।

এ ঘোষণার পর মহাকাশকে সামরিক কাজে ব্যবহার এবং জিপিএস, যোগাযোগ ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহকারী উপগ্রহকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয় নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কী ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে?

মিডলবার্গ আল জাজিরাকে বলেন, চুল্লিগুলো চালু করার সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তা শুনতে যতটা ভীতিজনক মনে হয়, বাস্তবে ততটা নাও হতে পারে। কারণ চুল্লিতে ব্যবহারের আগে ইউরেনিয়াম নিজে খুব একটা তেজস্ক্রিয় থাকে না। তবে চুল্লি চালু হয়ে গেলে পরিস্থিতি বদলে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, চালু অবস্থায় কোনো পারমাণবিক চুল্লি পৃথিবীতে আছড়ে পড়লে ঝুঁকি অনেক বেশি হতে পারে।

১৯৭৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘কসমস-৯৫৪’ নামের একটি পারমাণবিক চুল্লিবাহী স্যাটেলাইট পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। এতে কানাডার উত্তরাঞ্চলের প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তেজস্ক্রিয় পদার্থ।

এ ঘটনায় অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় ধ্বংসাবশেষ ও অতি ক্ষুদ্র কণা অপসারণে ব্যয়বহুল সামরিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হয়েছিল।

মিডলবার্গের মতে, চাঁদে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে তেজস্ক্রিয় দূষণ তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্ট ও সীমিত এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চাঁদের ‘মালিকানা’ কার?

আইনগতভাবে কোনো দেশই চাঁদের মালিক নয়। ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটি অনুযায়ী, কোনো রাষ্ট্র চাঁদ বা এর কোনো অংশের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারবে না। তবে কোনো দেশ মহাকাশে যে যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জাম পাঠাবে, সেগুলোর মালিকানা সেই দেশেরই থাকবে। এই চুক্তিতে মহাকাশে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই।

লুনার পলিসি প্ল্যাটফর্মের পরিচালক আন্তোনিনো সালমেরি আল জাজিরাকে বলেন, চুক্তির মূলনীতি মেনে চললে চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন আইনসম্মত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয় দূষণ এড়িয়ে চলা।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনাভিত্তিক প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী নরবার্ট শর্গহোফার বলেন, চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো ‘শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে খনিজ উত্তোলনের অধিকার রাখে’।

তবে যে দেশ প্রথমে চাঁদের গুরুত্বপূর্ণ পানির বরফের উৎসের কাছে পৌঁছাবে, তারা সেখানে একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভূখণ্ডের মালিকানা দাবি না করলেও কার্যত অন্য দেশগুলোর প্রবেশ সীমিত করতে পারে।

সালমেরির মতে, কোনো নিরাপত্তা অঞ্চল ঘোষণা করলেই সংশ্লিষ্ট দেশের ভূখণ্ডগত অধিকার তৈরি হয় না। কিন্তু সেখানে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন করা হলে অন্য দেশগুলো তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকির কারণে ওই এলাকায় প্রবেশে অনীহা দেখাতে পারে।

গত মাসে প্রকাশিত লুনার পলিসি প্ল্যাটফর্মের এক প্রতিবেদনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তা হলো - চাঁদে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দায়ভার কে নেবে?

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অন্য কোনো মহাজাগতিক বস্তুতে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিদ্যমান আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা ও আইনগত কাঠামো যথেষ্ট নয়। ফলে চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের আগে নিরাপত্তার পাশাপাশি আইনি দায়বদ্ধতার বিষয়টিও স্পষ্ট করা জরুরি।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আসছে, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আসছে, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত জারি

বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’তে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এবং এর কেন্দ্রের কাছে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রোববার (১ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি তে (ক্রমিক-৪) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’তে পরিণত হয়েছে এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।

রোববার দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। পরবর্তীতে এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে সোমবার (২ নভেম্বর) ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙা আঙুল নিয়ে বিশ্বকাপে খেলা মার্তিনেজ হাত মুঠো করতে পারছেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


ভাঙা আঙুল নিয়ে বিশ্বকাপে খেলা মার্তিনেজ হাত মুঠো করতে পারছেন না

আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ জানিয়েছেন, তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ ভাঙা আঙুল নিয়ে খেলেছেন। আঙুলের চোটের কারণে চেলসি গোলরক্ষক বর্তমানে বিপদে রয়েছেন, কারণ তিনি হাত মুঠো করতে পারছেন না।

বিশ্বকাপের আগে মার্তিনেজ আঙুলে চোট পেয়েছিলেন, যখন তিনি অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলছিলেন। তার ডান হাতের অনামিকা আঙুলটি স্থানচ্যুত হয়ে যায়। তবে, অস্ত্রোপচার করে বিশ্বকাপ মিস করার ইচ্ছা তার ছিল না। তাই তিনি চোট নিয়েই খেলার সিদ্ধান্ত নেন। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ খেলার পর আঙুলের অবস্থা কিছুটা ভালো মনে হলেও বর্তমানে তিনি হাত মুঠো করতে পারছেন না।

আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজ বলেন, অস্ত্রোপচার না করার সিদ্ধান্তটি ছিল তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, চোট নিয়েই বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত তার ক্যারিয়ারের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

মার্তিনেজ বলেন, “যদি অস্ত্রোপচার করতাম এবং ছয় সপ্তাহ সুস্থ হওয়ার জন্য সময় পেতাম, তাহলে আঙুলটি আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে যেত, অন্য আঙুলগুলোর মতো। কিন্তু এখন এটি সারাজীবন এমনই থাকবে। আমি আর পুরোপুরি হাত মুঠো করতে পারব না।”

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ইতালির সিরি আর একটি ক্লাবে মার্তিনেজের যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু আঙুলের চোটের কারণে সেই দলবদল শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়। মার্তিনেজ বলেন, “বিশ্বকাপ শেষ হলো। আমি ছুটিতে গেলাম। কিন্তু আমার আঙুলে ব্যথা হচ্ছিল। বিশ্বকাপ শেষ করার সময় আঙুলটি ঠিক জায়গাতেই ছিল। অ্যাস্টন ভিলার চিকিৎসক আমাকে এক্স-রে করাতে বলেছিলেন। পরীক্ষা করার পর দেখা গেল, আঙুলটি আবার মাঝখান থেকে দুই ভাগ হয়ে ভেঙে গেছে। আর তখনই অন্য একটি ক্লাবে যাওয়ার দলবদলটি ভেস্তে যায়।” পরে মার্তিনেজ চেলসিতে যোগ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%