ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল ও এক কিশোর আটক


সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল ও এক কিশোর আটক

সাতক্ষীরা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : জেলার সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) -এর বিশেষ অভিযান চলাকালীন ভারতীয় শাড়ি, বোরকা, ওষুধ, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ এবং মাদক জব্দ করা হয়েছে।

রোববার, সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার ভোমরা, কাঁকডাঙ্গা এবং মাদরা বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির বিশেষ অভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষীদাড়ি শ্মশানঘাট এলাকা থেকে ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করে। একইভাবে, কাঁকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ অভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি এলাকা থেকে ভারতীয় বোরকা এবং মাদরা বিওপির বিশেষ অভিযানিক দল একই উপজেলার ভাদিয়ালি এলাকা থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামোর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার

এছাড়া, কাঁকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ অভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার আয়সার মোড় এলাকা থেকে ১০ পিস ভারতীয় ইয়াবাসহ সাব্বির নামের এক কিশোরকে আটক করে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত ভারতীয় মালামালের মোট বাজার মূল্য আনুমানিক দুই লাখ ৪২ হাজার টাকা।

আটককৃত কিশোর সাব্বির কলারোয়া উপজেলার পশ্চিমবাকসা গ্রামের মো. মাবুবারের ছেলে।

বিজিবি’র সাতক্ষীরা ব্যাটেলিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরি করে বিজিবি ষ্টোরে জমা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দেওয়া বিপ্লব ১২ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্মল বায়ু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক নীতি জরুরি: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


নির্মল বায়ু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক নীতি জরুরি: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, নির্মল বায়ু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক নীতি ও সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, ব্ল্যাক কার্বন এবং অন্যান্য দূষণ কমানোর জন্য গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যকে নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সাথে যুক্ত করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য।

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষক’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করেছে। ক্লিন এয়ার ফান্ড এই আয়োজনে সহায়তা প্রদান করে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণা, নীতি এবং বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সংযোগকে সুদৃঢ় করতে হবে। নির্মল বায়ু এবং জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ এবং টেকসই সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে নির্মল, স্বাস্থ্যকর ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি জোর দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আবদুল আউয়াল এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম সংলাপে সভাপতিত্ব করেন। এতে স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওরিয়ান গুস্তাফসনও অংশগ্রহণ করেন।

বায়ুদূষণ, জনস্বাস্থ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষকের নিঃসরণ হ্রাসের মাধ্যমে বায়ুর মান উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমনের বিষয়টি আলোচিত হয়।

আলোচনায় গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন এবং কার্যক্রম গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

সংলাপে নির্মল বায়ু নিশ্চিত করার উদ্যোগকে জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ু সুরক্ষার বৃহত্তর লক্ষ্যের সঙ্গে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জ্ঞান, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নীতিগত ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতাকে কার্যকরভাবে যুক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

সংলাপে নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, গবেষক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে বিএনপির কোনো প্রভু নেই, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


বিদেশে বিএনপির কোনো প্রভু নেই, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন, বিদেশে বিএনপির জন্য কোনো প্রভু নেই, যে কারণে তারা দেশ ত্যাগ করে পালিয়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের জনগণের সমর্থনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার কাজ করা হবে।

রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর কোর্ট হাউজ স্ট্রিটের ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের এক আলোচনা সভায় তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে রিজভী বলেন, ‘একদিকে পরাজিত শক্তি, অন্যদিকে আরেকটি পক্ষ পরাজিতদের সঙ্গে একত্রিত হয়েছে। তবে আমরা দেশের জনগণের সঙ্গে নিয়ে চলব। আমরা পালাতে পারব না। আমাদের বিদেশে কোনো প্রভু নেই, যারা আমাদের আশ্রয় দেবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব।’

বিগত সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার অন্ধকারাচ্ছন্ন শাসনে আমরা আইন প্রাঙ্গণে কিছুটা আশ্রয় পেয়েছি। ১৭ বছরে আদালতপাড়ার আইনজীবীদের সম্মিলিত প্রতিবাদই ছিল আমাদের সহায়। তবে ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারকরা শেখ হাসিনার চেয়েও বড় আওয়ামী লীগ ছিলেন। পিপি কাজল ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) সামনে বেয়াদবের মতো বসে থাকতেন।’

সমমনা দলগুলোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘আজ যারা বিরোধী দলের রাজনীতি করছেন, তাদের ভূমিকা বিস্ময়কর মনে হয়। তারা নানা উসকানি দিয়ে কথা বলছেন। সংস্কারের কথা বলে তারা কী বোঝাতে চাচ্ছেন, আমরা তার হদিস পাচ্ছি না। জামায়াতের আমির বলছেন আরেকটি বিপ্লব নাকি দরজায় টোকা মারছে। আপনারা বিপ্লবের কথা বলছেন, অথচ আপনাদের রাজনীতি হচ্ছে আত্মসমর্পণ আর স্বৈরশক্তির কাছে নতজানু হওয়ার ইতিহাস।’

দাবি আদায়ের কর্মসূচি সম্পর্কে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘সাত দফা না মেনে নিলে এক দফার ভয় কাকে দেখাচ্ছেন? রাজপথ কি কারও মৌরশি পাট্টা (পৈতৃক সম্পত্তি) করে দেয়া হয়েছে? ১৭ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম করেছে বিএনপি, এখন কি হাত গুটিয়ে বসে থাকবে? জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় মানতে বিএনপির কোনো অস্বীকৃতি নেই। তবে নোট অব ডিসেন্ট ইস্যুগুলোর সমাধান সংসদীয় আলোচনার মাধ্যমেই হতে হবে, লংমার্চ দিয়ে নয়।’

দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নানা চক্রান্ত আর ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে সরকার পরিচালিত হচ্ছে। তারেক রহমান দেশকে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। অথচ এসব অগ্রাহ্য করে গার্মেন্টস আন্দোলনের নামে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ দেশকে অস্থিতিশীল করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে আ. লীগ ও বিরোধী দল ভাঙচুর-লুটপাট করেছে: মুজিবুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে আ. লীগ ও বিরোধী দল ভাঙচুর-লুটপাট করেছে: মুজিবুর

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলের সদস্যরা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি দাবি করেন, দেশের অর্থনীতিকে স্থবির করতে একটি পক্ষ এই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছে।

এছাড়া, শ্রমিকদের আগামীকাল (সোমবার) থেকেই কাজে ফিরে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য।

রোববার (১ অক্টোবর) বিকেলে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোরে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মুজিবুর রহমান বলেন, একটি পক্ষ দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। শ্রমিক নেতাদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আশা করছি শ্রমিকরা আগামীকাল থেকেই কাজে ফিরবেন। যদি কেউ কাজে যোগ না দিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচনা সভা শেষে শ্রমিক নেতারা তাদের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা শ্রমিকদের গুজবে কান না দিয়ে সরকারের গঠিত মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম বলেন, মজুরি বোর্ড আগেই গঠন করা উচিত ছিল। তবে এখন যেহেতু বোর্ড গঠন করা হয়েছে, তাই আজ হোক কিংবা কাল, বেতন বাড়বে।

তিনি শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তে শ্রমিকরা সন্তুষ্ট না হন, তাহলে পরবর্তীতে আবার আলোচনা করা যাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, শ্রমিকরা বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে আগামীকাল থেকে কাজে যোগ দেবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীবরদীতে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার পর নারীর হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


শ্রীবরদীতে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার পর নারীর হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন

শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্লাস্টিকের ড্রামে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া নারীর মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে সংস্থাটি।

পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের কারণে ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে।

এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার দিঘলগ্রামের আঃ রশিদের ছেলে নূর ইসলাম ওরফে বাবু (৪৪), জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার বাঘমারা শিশুয়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে সজল (৪৪), শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা এলাকার আইবালীর ছেলে নূর মোহাম্মদ গোসা ওরফে বুশা (৪৪) এবং কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার কুশিয়ারা এলাকার নায়েব আলী ভূঁইয়ার মেয়ে মাহাবুবা আক্তার ওরফে ফাতেমা (৪৪)।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা শহরের পুরাতন গরুহাটি এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।

পিবিআই জানায়, গত ২২ অক্টোবর সকালে শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনিয়া এলাকায় একটি সেতুর নিচে খালে বড় নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রাম ভাসতে দেখা যায় স্থানীয়দের। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় ড্রামটি খুলে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত নারীর শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতসহ ক্ষতচিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পিবিআই। তদন্তের একপর্যায়ে নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত হয়।

নিহত নারীর নাম ঝিনুক আক্তার। তিনি গাজীপুরের টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকার শাকিল মিয়ার মেয়ে।

ঘটনার পরদিন ২৩ অক্টোবর নিহতের ফুফু শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে ঝিনুকের স্বামী সাইফুল ইসলাম মুন্নাসহ অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনকে আসামি করে শ্রীবরদী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই।

তদন্তের তথ্য, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিভিন্ন আলামত বিশ্লেষণ করে প্রথমে ২৯ অক্টোবর পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার দিঘলগ্রাম থেকে নূর ইসলাম ওরফে বাবুকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ অক্টোবর ঢাকার উত্তরখান এলাকা থেকে সজলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ১ নভেম্বর একই এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদ ওরফে গোসা ওরফে বুশা এবং মাহাবুবা আক্তার ওরফে ফাতেমাকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঝিনুক টঙ্গীর একটি পার্লারে কাজ করতেন। গত ২১ অক্টোবর দুপুরে সজল ও নূর ইসলাম ওরফে বাবুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের পর তিনি ঢাকার উত্তরখানের কবিরশাহ মাজার এলাকায় যান। সেখান থেকে মাহাবুবা আক্তার ওরফে ফাতেমা এবং নূর মোহাম্মদ ওরফে বুশা তাকে দক্ষিণখানের মৌশাইর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।

পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে, ওই বাসায় আরও কয়েকজনের সঙ্গে ঝিনুককে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করা হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার সময় তাকে ১ হাজার ২০০ টাকা দেওয়া হয়। তবে তিনি আরও টাকা দাবি করলে ফাতেমার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ফাতেমা ঘরে থাকা বটি দিয়ে ঝিনুককে এলোপাতাড়ি কোপান। অন্যরা তার হাত-পা চেপে ধরেন এবং গলায় গামছা পেঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন বলে দাবি পিবিআইয়ের।

পরে মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে অজ্ঞাত একটি গাড়িতে করে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে শেরপুরের শ্রীবরদীর ওই খালে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর তারা সেখান থেকে পালিয়ে যান।

সংস্থাটি আরও জানায়, গ্রেফতার নূর ইসলাম ওরফে বাবু আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পিবিআই শেরপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, এটি ছিল একটি ক্লুলেস হত্যা মামলা। ঘটনার পর থেকে পিবিআইয়ের সদস্যরা সমন্বিতভাবে তদন্ত চালিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং চারজনকে গ্রেফতার করেছেন। তদন্তে উঠে এসেছে, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%