০৮:১৩ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খেওড়া মৌজায় অবলুপ্ত ‘পাইওনিয়ার ব্যাংক লিমিটেড’-এর নিলামে বিক্রি হওয়া ৩৭৩ শতাংশ ভূসম্পত্তির মধ্যে ২৬৮ শতাংশ জমি, যা মামলা জটিলতামুক্ত, ক্রেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কমিশনের মাধ্যমে ১১ জন সর্বোচ্চ বিডকারীর (ক্রেতা) নিকট জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়।
জমির দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর-১ ও ডেপুটি গভর্নর-২।
আরও পড়ুন: নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিকেএমইএ
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৭ সালের ২৬ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগের এক আদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পাইওনিয়ার ব্যাংকসহ মোট ১৭টি অবলুপ্ত ব্যাংকের ‘অফিশিয়াল লিকুইডেটর’ (সরকারি অবসায়নকারী) হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর ১৯৭৮ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের নির্দেশনার ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী জমি বিক্রয় এবং তহবিল ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পায় অফিশিয়াল লিকুইডেটর।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খেওড়া মৌজায় অবস্থিত পাইওনিয়ার ব্যাংকের ৩৭৩ শতাংশ জমি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োজিত একজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজের পরিচালনায় খোলা ডাকে নিলাম করা হয়।
তবে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কিছু অবৈধ দখলদার উক্ত জমির মধ্যে ১০৫ শতাংশের মালিকানা দাবি করে মামলা দায়ের করেন। এ পরিস্থিতিতে মামলাধীন ১০৫ শতাংশ জমি বাদ দিয়ে বাকি ২৬৮ শতাংশ জমি সর্বোচ্চ দরদাতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়ার অনুমতির জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ ২৬৮ শতাংশ জমির রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করার চূড়ান্ত নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালতের সেই নির্দেশ বাস্তবায়নেই আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রেতাদের হাতে জমি হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামোর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন