ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পাইওনিয়ার ব্যাংকের নিলামে বিক্রি হওয়া ২৬৮ শতাংশ জমি হস্তান্তর


পাইওনিয়ার ব্যাংকের নিলামে বিক্রি হওয়া ২৬৮ শতাংশ জমি হস্তান্তর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খেওড়া মৌজায় অবলুপ্ত ‘পাইওনিয়ার ব্যাংক লিমিটেড’-এর নিলামে বিক্রি হওয়া ৩৭৩ শতাংশ ভূসম্পত্তির মধ্যে ২৬৮ শতাংশ জমি, যা মামলা জটিলতামুক্ত, ক্রেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কমিশনের মাধ্যমে ১১ জন সর্বোচ্চ বিডকারীর (ক্রেতা) নিকট জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়।

জমির দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর-১ ও ডেপুটি গভর্নর-২।

আরও পড়ুন: নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিকেএমইএ

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৭ সালের ২৬ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগের এক আদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পাইওনিয়ার ব্যাংকসহ মোট ১৭টি অবলুপ্ত ব্যাংকের ‘অফিশিয়াল লিকুইডেটর’ (সরকারি অবসায়নকারী) হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর ১৯৭৮ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের নির্দেশনার ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী জমি বিক্রয় এবং তহবিল ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পায় অফিশিয়াল লিকুইডেটর।

এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খেওড়া মৌজায় অবস্থিত পাইওনিয়ার ব্যাংকের ৩৭৩ শতাংশ জমি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োজিত একজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজের পরিচালনায় খোলা ডাকে নিলাম করা হয়।

তবে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কিছু অবৈধ দখলদার উক্ত জমির মধ্যে ১০৫ শতাংশের মালিকানা দাবি করে মামলা দায়ের করেন। এ পরিস্থিতিতে মামলাধীন ১০৫ শতাংশ জমি বাদ দিয়ে বাকি ২৬৮ শতাংশ জমি সর্বোচ্চ দরদাতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়ার অনুমতির জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ ২৬৮ শতাংশ জমির রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করার চূড়ান্ত নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালতের সেই নির্দেশ বাস্তবায়নেই আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রেতাদের হাতে জমি হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামোর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তীর্ণ সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৫ লাখ আসন, উচ্চশিক্ষায় সংকট নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


উত্তীর্ণ সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৫ লাখ আসন, উচ্চশিক্ষায় সংকট নেই

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : সদ্য প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষায় স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো আসন সংকট দেখা দেবে না।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজসমূহের সম্মিলিত ভর্তির সুযোগ প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে, যা এইচএসসিতে উত্তীর্ণ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হালনাগাদ তথ্যে প্রকাশিত হয়েছে যে, এই বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, এর মধ্যে ৪০ হাজার ৮৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে মোট আসনের সংখ্যা ১৪ লাখ ৯২ হাজার ২৮৮টি।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বাসস’কে জানিয়েছেন, এ বছর মোট পাস করা শিক্ষার্থীর তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য পর্যাপ্ত আসন রয়েছে। তিনি বলেন, "উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৫ লাখ আসন রয়েছে, যেখানে এ বছর পাস করেছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব মানদণ্ড ও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।"

তিনি আরও যোগ করেন, "উচ্চশিক্ষার জন্য আসন সংকট থাকবে না। শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের ক্ষেত্রে যোগ্যতা অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ পাবে।"

ইউজিসি জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের ৬১টি সরকারি (পাবলিক) বিশ্ববিদ্যালয় ও তাদের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৪ লাখ ৯২ হাজার ২৮৮টি আসনের মধ্যে ৬১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং এগুলোর অধিভুক্ত কলেজ ও ইনস্টিটিউটে মোট আসন রয়েছে ১০ লাখ ৮২ হাজার ২৮৮টি।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল ক্যাম্পাসে সরাসরি আসনের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬৫৬টি। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬,১২৫টি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩,৯৫৬টি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪,০৩৩টি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১,৮৪৮টি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২,৫১৫টি এবং অন্যান্য সাধারণ ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য আসন রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ১,৩০৯টি, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ৯৩১টি, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১,২৩৫টি, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ১,১০৫টি এবং ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) ৭৮০টি আসন রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১,০৩৪টি এবং শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৫টি আসনও রয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠানে সিংহভাগ আসন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজসমূহে রয়েছে, যেখানে আসনের সংখ্যা ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫টি। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪২ হাজার ৪৩৪টি এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদ্রাসাগুলোতে ১১ হাজার ৫৫টি আসন রয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মোট আসন রয়েছে ১১ হাজার ২৯০টি।

ইউজিসি জানিয়েছে, দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৫,১০০টি, ৭২টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৬,০০১টি, ৯টি সরকারি ডেন্টাল কলেজে ৫৪৫টি, ২৮টি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে ১,৪৯০টি এবং আর্মড ফোর্সেস মেডিকেলে মোট ৩৭৫টি আসন রয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সার্বিকভাবে দেশে বিপুল পরিমাণ আসন উদ্বৃত্ত থাকলেও শিক্ষার্থীদের তুমুল প্রতিযোগিতা হবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের ৬৩ হাজার ৬৫৬টি আসন এবং সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর জন্য। এ বছর মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় তারা মূলত প্রথম সারির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির অগ্রাধিকার লড়াইয়ের জন্য নামবে।

তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুটা শিক্ষার্থী সংকট দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ভর্তিচ্ছু সব শিক্ষার্থীই তাদের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হতে পারবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানালেন বাসসের প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানালেন বাসসের প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : সততা ও সত্যকে সমুন্নত রেখে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী।

তিনি মন্তব্য করেন, সাংবাদিকতায় প্রতিযোগিতা বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গতি বা তাড়াহুড়ার চেয়ে সত্যকে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর তিনি জোর দেন।

রোববার বাসস কার্যালয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার জেলা প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাদের গনি চৌধুরী এসব কথা বলেন।

কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে সাংবাদিকরা অনেক সময় অন্যের আগে সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে ভুল করে ফেলেন, যা সাংবাদিকতা এবং দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

তিনি যে কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তথ্য যাচাইয়ের (ফ্যাক্ট-চেকিং) গুরুত্ব তুলে ধরে বিশিষ্ট এই সাংবাদিক বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে প্রচুর ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সাধারণ পাঠক বা দর্শকরা যাতে সহজেই বিশ্বাস করেন- এমনভাবে বিভ্রান্তিকর কন্টেন্ট তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছে।

তবে একজন সাংবাদিককে অবশ্যই তথ্যের উৎস যাচাই এবং সত্য অনুসন্ধান করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এটিই মূল পার্থক্য।

খবর সবার আগে প্রচারের তাড়াহুড়ায় অনেক গণমাধ্যম বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে বলেও অভিযোগ করেন কাদের গনি চৌধুরী।

এ প্রসঙ্গে উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, কিংবদন্তি সাংবাদিক আতাউস সামাদ জীবিত থাকা অবস্থাতেই কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল তার মৃত্যুর খবর প্রচার করেছিল। এ ধরনের ঘটনা সাংবাদিকতার পেশার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।

কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকতাকে সত্যের সাধনা হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, মিথ্যার সঙ্গে কখনও আপস না করাই সাংবাদিকতার মূল নীতি।

বাসসের জেলা প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, একসময় মানুষ বাসস সাংবাদিকদের অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখত। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে সেই হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাসস এখন অনেক তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশ করছে, যা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম নিয়মিত প্রকাশ করছে।

জেলা প্রতিনিধিদের নিজ এলাকা থেকে আরও তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি এবং সংবাদের মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্য তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

জেলা প্রতিনিধিদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, তারা অত্যন্ত স্বল্প বেতনে কাজ করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে বঞ্চিত হয়ে আসছেন।

তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন জানিয়ে বলেন, বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

সভাটি সঞ্চালনা করেন বাসসের প্রধান প্রতিবেদক (ইংরেজি) জি এম রাজিব হোসেন। এ ছাড়া সভায় বাসসের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. ফজলুল হক, প্রধান বার্তা সম্পাদক (ইংরেজি) মো. মানিকুল আজাদ, প্রধান বার্তা সম্পাদক (বাংলা) মুরসালিন নোমানী এবং অডিও-ভিজুয়াল ইনচার্জ তাহমিনা নুপুর জেলা প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাসসের সিটি এডিটর হারুন আল নাসিফ, ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ শারমিন জাহান অজান্তা এবং প্রধান প্রতিবেদক (বাংলা) দিদারুল আলম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কওমি মাদ্রাসার সুরক্ষায় আলেম-উলামাদের ছয় দফা প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


কওমি মাদ্রাসার সুরক্ষায় আলেম-উলামাদের ছয় দফা প্রস্তাব

কওমি মাদ্রাসার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং অপপ্রচার প্রতিরোধের লক্ষ্যে আলেম-উলামারা ছয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন।

রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ইসলামি আইন সংরক্ষণ পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মুফতি বশিরুল্লাহ, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "ঈমান-আকিদা সংরক্ষণ ও ইসলামি আদর্শ প্রচারের পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষায় শিশু নির্যাতনসহ সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।"

সভায় সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম কাসেমী একটি ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, "বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো কওমি শিক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপিয়ে দেয়া অন্যায়।" তবে শিশু নির্যাতন ও প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ধামাচাপা দেয়ার সুযোগ নেই বলেও সতর্ক করা হয়।

প্রস্তাবিত ছয় দফার মধ্যে রয়েছে-- স্বাধীন তদন্ত সেল গঠন, ভুক্তভোগীদের জন্য ২৪ ঘণ্টার হটলাইন চালু, শিশু সুরক্ষা নীতিমালা ও সিসিটিভি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা যাচাই, বালিকা মাদ্রাসায় নিরাপত্তা জোরদার এবং মাদ্রাসাগুলোর নিবন্ধন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

সভাপতির বক্তব্যে মুফতি বশিরুল্লাহ বলেন, "দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।"

সভা থেকে গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং সরকারকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া আলেম-উলামাদের অহেতুক হয়রানি বন্ধের দাবিও জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট আলেম-উলামারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দেওয়া বিপ্লব ১২ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দেওয়া বিপ্লব ১২ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের সাড়ে ছয় বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত মো. বিপ্লব (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে শহরের কলেজপাড়া পার্ক বাজার মোড়ের গৌর ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া বিপ্লব টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পূর্বআদালতপাড়া (চৌধুরী বাজার) এলাকার বাসিন্দা।

টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছিলেন। রোববার বেলা ১২টার দিকে পুলিশের সোর্স প্রথমে আসামিকে শনাক্ত করে আটক করেন। এ সময় বিপ্লব হাত কামড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, মামলার পর পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তাকে সদর থানায় আনা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর থেকেই শিশুটির চিকিৎসা ও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর রাখছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে ঢাকা থেকে সরাসরি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে দেখেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় শিশুটির মা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার খোঁজখবর নেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী শিশুটির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব নেন। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি এলাকার একটি ভবনে শিশুটির ওপর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, এ সময় শিশুটি বাধা দিলে অভিযুক্ত ইট দিয়ে তার মুখ ও নাকে আঘাত করেন। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয়। পরে এক রিকশাচালক তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত বিপ্লবের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখমের অভিযোগে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৪)(খ) ধারাসহ দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫ ও ৩০৭ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৬৬।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%