০৮:১৪ পি.এম
কওমি মাদ্রাসার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং অপপ্রচার প্রতিরোধের লক্ষ্যে আলেম-উলামারা ছয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ইসলামি আইন সংরক্ষণ পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মুফতি বশিরুল্লাহ, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "ঈমান-আকিদা সংরক্ষণ ও ইসলামি আদর্শ প্রচারের পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষায় শিশু নির্যাতনসহ সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।"
আরও পড়ুন: সুরা নাবার ফজিলত: কিয়ামত ও পরকালের শিক্ষা
সভায় সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম কাসেমী একটি ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, "বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো কওমি শিক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপিয়ে দেয়া অন্যায়।" তবে শিশু নির্যাতন ও প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ধামাচাপা দেয়ার সুযোগ নেই বলেও সতর্ক করা হয়।
প্রস্তাবিত ছয় দফার মধ্যে রয়েছে-- স্বাধীন তদন্ত সেল গঠন, ভুক্তভোগীদের জন্য ২৪ ঘণ্টার হটলাইন চালু, শিশু সুরক্ষা নীতিমালা ও সিসিটিভি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা যাচাই, বালিকা মাদ্রাসায় নিরাপত্তা জোরদার এবং মাদ্রাসাগুলোর নিবন্ধন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
সভাপতির বক্তব্যে মুফতি বশিরুল্লাহ বলেন, "দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।"
সভা থেকে গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং সরকারকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া আলেম-উলামাদের অহেতুক হয়রানি বন্ধের দাবিও জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট আলেম-উলামারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সৌদি আরব বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা ফেরত দিলো
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন