ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আসছে, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত জারি


ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আসছে, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত জারি

বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’তে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এবং এর কেন্দ্রের কাছে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রোববার (১ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি তে (ক্রমিক-৪) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’তে পরিণত হয়েছে এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।

আরও পড়ুন: সাগরে ফুঁসছে ‘মুরাসু’: নামের অর্থ কী, কোথায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি?

রোববার দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। পরবর্তীতে এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে সোমবার (২ নভেম্বর) ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙা আঙুল নিয়ে বিশ্বকাপে খেলা মার্তিনেজ হাত মুঠো করতে পারছেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


ভাঙা আঙুল নিয়ে বিশ্বকাপে খেলা মার্তিনেজ হাত মুঠো করতে পারছেন না

আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ জানিয়েছেন, তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ ভাঙা আঙুল নিয়ে খেলেছেন। আঙুলের চোটের কারণে চেলসি গোলরক্ষক বর্তমানে বিপদে রয়েছেন, কারণ তিনি হাত মুঠো করতে পারছেন না।

বিশ্বকাপের আগে মার্তিনেজ আঙুলে চোট পেয়েছিলেন, যখন তিনি অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলছিলেন। তার ডান হাতের অনামিকা আঙুলটি স্থানচ্যুত হয়ে যায়। তবে, অস্ত্রোপচার করে বিশ্বকাপ মিস করার ইচ্ছা তার ছিল না। তাই তিনি চোট নিয়েই খেলার সিদ্ধান্ত নেন। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ খেলার পর আঙুলের অবস্থা কিছুটা ভালো মনে হলেও বর্তমানে তিনি হাত মুঠো করতে পারছেন না।

আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজ বলেন, অস্ত্রোপচার না করার সিদ্ধান্তটি ছিল তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, চোট নিয়েই বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত তার ক্যারিয়ারের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

মার্তিনেজ বলেন, “যদি অস্ত্রোপচার করতাম এবং ছয় সপ্তাহ সুস্থ হওয়ার জন্য সময় পেতাম, তাহলে আঙুলটি আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে যেত, অন্য আঙুলগুলোর মতো। কিন্তু এখন এটি সারাজীবন এমনই থাকবে। আমি আর পুরোপুরি হাত মুঠো করতে পারব না।”

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ইতালির সিরি আর একটি ক্লাবে মার্তিনেজের যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু আঙুলের চোটের কারণে সেই দলবদল শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়। মার্তিনেজ বলেন, “বিশ্বকাপ শেষ হলো। আমি ছুটিতে গেলাম। কিন্তু আমার আঙুলে ব্যথা হচ্ছিল। বিশ্বকাপ শেষ করার সময় আঙুলটি ঠিক জায়গাতেই ছিল। অ্যাস্টন ভিলার চিকিৎসক আমাকে এক্স-রে করাতে বলেছিলেন। পরীক্ষা করার পর দেখা গেল, আঙুলটি আবার মাঝখান থেকে দুই ভাগ হয়ে ভেঙে গেছে। আর তখনই অন্য একটি ক্লাবে যাওয়ার দলবদলটি ভেস্তে যায়।” পরে মার্তিনেজ চেলসিতে যোগ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে নতুন রূপে হান্টার ৩৫০ ও ক্লাসিক ৩৫০ আনল রয়্যাল এনফিল্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


দেশের বাজারে নতুন রূপে হান্টার ৩৫০ ও ক্লাসিক ৩৫০ আনল রয়্যাল এনফিল্ড

বাংলাদেশের মোটরসাইকেলের বাজারে নতুন মাত্রা যোগ করতে হান্টার ৩৫০-এর আটটি আকর্ষণীয় মডেল এবং ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর তিনটি নতুন মডেল নিয়ে এসেছে রয়্যাল এনফিল্ড বাংলাদেশ।

প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিশ্বব্যাপী মাঝারি ইঞ্জিন ক্ষমতাসম্পন্ন (২৫০–৭৫০ সিসি) মোটরসাইকেল খাতে শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত রয়্যাল এনফিল্ড বাংলাদেশে হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর নতুন মডেল উন্মোচন করেছে। এই নতুন মডেলগুলোর মাধ্যমে দেশের বাজারে ব্র্যান্ডটির মোটরসাইকেল মডেলের পরিসর আরও বিস্তৃত হয়েছে। নতুন হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০ বাংলাদেশের বাজারে রয়্যাল এনফিল্ডের টাইপ-২ ম্যানুফ্যাকচারার ইফাদ মোটরস লিমিটেডের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

রয়্যাল এনফিল্ডের জনপ্রিয় এই দুটি মোটরসাইকেল মডেলে যুক্ত হয়েছে নতুন ও আকর্ষণীয় রঙের সমাহার। এর ফলে গ্রাহকেরা নিজেদের পছন্দ ও ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী মোটরসাইকেল বেছে নেওয়ার আরও বেশি সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, ঐতিহ্যবাহী ডিজাইন এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় রাইডিং অভিজ্ঞতা অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।

নতুন হান্টার ৩৫০ পাওয়া যাবে আটটি আকর্ষণীয় মডেল ও রঙে—রেবেল ব্লু (Rebel Blue), ড্যাপার গ্রে (Dapper Grey), লন্ডন রেড (London Red), টোকিও ব্ল্যাক (Tokyo Black), রিও হোয়াইট (Rio White), গ্রাফাইট গ্রে (Graphite Grey), মুনশট হোয়াইট (Moonshot White) এবং মুম্বাই ইয়েলো (Mumbai Yellow)।

নতুন হান্টার ৩৫০-এ যুক্ত হয়েছে অ্যাসিস্ট অ্যান্ড স্লিপার ক্লাচ, এলইডি হেডলাইট এবং টাইপ-সি ইউএসবি ফাস্ট চার্জিংয়ের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। উন্নত সাসপেনশন ও আরামদায়ক সিট মোটরসাইকেলটির ব্যবহারিক সুবিধা আরও বাড়িয়েছে। রয়্যাল এনফিল্ডের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে আধুনিক ডিজাইন, সহজ নিয়ন্ত্রণ ও গতিশীল পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে হান্টার ৩৫০ শহরের ব্যস্ত সড়কে চলাচলের জন্য একটি আদর্শ মোটরসাইকেল।

অন্যদিকে, ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর নতুন মডেলগুলো পাওয়া যাবে তিনটি আকর্ষণীয় রঙ ও সিরিজে—ডার্ক সিরিজের গান গ্রে (Gun Grey), হেরিটেজ প্রিমিয়াম সিরিজের মেডালিয়ন ব্রোঞ্জ (Medallion Bronze) এবং ক্রোম সিরিজের এমারেল্ড গ্রিন (Emerald Green)।

রয়্যাল এনফিল্ডের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর অনন্য নকশা ও চিরায়ত আবেদন নতুন মডেলগুলোতেও অক্ষুণ্ণ রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত ফিচারের সমন্বয়ে মোটরসাইকেলটি আরও ব্যবহারবান্ধব হয়ে উঠেছে। অ্যাসিস্ট অ্যান্ড স্লিপার ক্লাচ এবং টাইপ-সি ইউএসবি ফাস্ট চার্জিংয়ের মতো সুবিধা দৈনন্দিন যাত্রাকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে।

নতুন মোটরসাইকেল উন্মোচনের উপলক্ষে ইফাদ মোটরস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তাসকিন আহমেদ মন্তব্য করেন, “বাংলাদেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য রয়্যাল এনফিল্ড হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর নতুন মডেলগুলো নিয়ে আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। দুটি মোটরসাইকেলেরই রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বতন্ত্র আবেদন, যা ভিন্ন ভিন্ন ধরনের রাইডারদের পছন্দ ও রুচির প্রতিফলন ঘটায়। নতুন রঙের সংযোজনের ফলে গ্রাহকেরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব ও পছন্দ অনুযায়ী মোটরসাইকেল বেছে নেওয়ার আরও বেশি সুযোগ পাবেন। আমরা বিশ্বাস করি, নতুন এই মডেলগুলো বাংলাদেশের রাইডারদের মধ্যে রয়্যাল এনফিল্ডের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে।”

হান্টার ৩৫০ রয়্যাল এনফিল্ডের একটি আধুনিক রোডস্টার মোটরসাইকেল, যা মূলত কমপ্যাক্ট ডিজাইন, সহজ নিয়ন্ত্রণ এবং নিজস্ব স্টাইল পছন্দ করেন এমন রাইডারদের জন্য তৈরি। এর স্বতন্ত্র নকশা, আরামদায়ক রাইডিং পজিশন এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা শহরের ব্যস্ত সড়কে চলাচলকে আরও সহজ ও উপভোগ্য করে তোলে। মোটরসাইকেলটিতে রয়্যাল এনফিল্ডের নিজস্ব পরিচিতি ও বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।

নতুন হান্টার ৩৫০-এর আটটি মডেল—রেবেল ব্লু, ড্যাপার গ্রে, লন্ডন রেড, টোকিও ব্ল্যাক, রিও হোয়াইট, গ্রাফাইট গ্রে, মুনশট হোয়াইট এবং মুম্বাই ইয়েলো। মার্জিত ও অভিজাত রঙ থেকে শুরু করে উজ্জ্বল ও সাহসী রঙের এই বৈচিত্র্য রাইডারদের নিজস্ব রুচি ও ব্যক্তিত্ব প্রকাশের সুযোগ করে দেবে।

ক্ল্যাসিক ৩৫০: Stay True. Stay Classic

রয়্যাল এনফিল্ডের ঐতিহ্যবাহী রেট্রো ডিজাইনের সঙ্গে আধুনিক প্রকৌশল ও রাইডারদের সুবিধার্থে সংযোজিত ফিচারের সমন্বয়ে তৈরি ক্ল্যাসিক ৩৫০। এর অশ্রুবিন্দু আকৃতির (Teardrop-shaped) ফুয়েল ট্যাংক, স্বতন্ত্র হেডল্যাম্প, নান্দনিক মাডগার্ড এবং আইকনিক রূপ ক্ল্যাসিক ৩৫০-কে সড়কে সহজেই আলাদা করে চেনার সুযোগ করে দেয়।

ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর নতুন তিনটি মডেল—গান গ্রে, মেডালিয়ন ব্রোঞ্জ এবং এমারেল্ড গ্রিন। এই নতুন রঙগুলো মোটরসাইকেলটির চিরায়ত বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রেখে এর নকশায় আধুনিকতার নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

নতুন এই মডেলগুলো উন্মোচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাইডারদের জন্য মাঝারি ইঞ্জিন ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের বৈচিত্র্যময় সম্ভার নিশ্চিত করার প্রতি রয়্যাল এনফিল্ডের অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় হলো। প্রতিটি মোটরসাইকেল নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটির দীর্ঘদিনের দর্শন ‘পিওর মোটরসাইক্লিং’ বা মোটরসাইকেল চালানোর বিশুদ্ধ আনন্দকে তুলে ধরে।

নতুন হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০ এখন সারা দেশে রয়্যাল এনফিল্ডের অনুমোদিত ডিলারশিপগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।

বিস্তারিত তথ্য জানতে আগ্রহী গ্রাহকেরা তাদের নিকটস্থ রয়্যাল এনফিল্ডের অনুমোদিত শোরুমে যোগাযোগ করতে পারবেন।

রয়্যাল এনফিল্ড সম্পর্কে

রয়্যাল এনফিল্ড বিশ্বের প্রাচীনতম মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড, যার উৎপাদন কার্যক্রম নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রয়েছে। ১৯০১ সাল থেকে ব্র্যান্ডটি আকর্ষণীয় নকশা ও উন্নত কারিগরি দক্ষতার সমন্বয়ে মোটরসাইকেল তৈরি করে আসছে। যুক্তরাজ্যে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৫ সালে ভারতের মাদ্রাজে একটি উৎপাদন কারখানা স্থাপন করে। এর মাধ্যমে ভারতের মাঝারি ইঞ্জিন ক্ষমতাসম্পন্ন দুই চাকার যানবাহনের বাজারের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রয়্যাল এনফিল্ড।

রয়্যাল এনফিল্ডের মোটরসাইকেলগুলো সহজে ব্যবহারযোগ্য, আকর্ষণীয় এবং চালানোর জন্য আনন্দদায়ক। এগুলো রাইডারদের নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন ও নিজস্ব ব্যক্তিত্ব প্রকাশের সুযোগ করে দেয়। ব্র্যান্ডটি এই দর্শনকে ‘পিওর মোটরসাইক্লিং’ নামে অভিহিত করে।

রয়্যাল এনফিল্ডের প্রিমিয়াম মোটরসাইকেলের সম্ভারে রয়েছে বিয়ার ৬৫০, ক্ল্যাসিক ৬৫০, বুলেট ৬৫০, গেরিলা ৪৫০, হান্টার ৩৫০, মিটিওর ৩৫০, সুপার মিটিওর ৬৫০, ইন্টারসেপ্টর ৬৫০, কন্টিনেন্টাল জিটি ৬৫০, শটগান ৬৫০, হিমালয়ান ৪৫০, স্ক্র্যাম ৪৪০, বুলেট ৩৫০, ক্ল্যাসিক ৩৫০ এবং গোয়ান ক্ল্যাসিক ৩৫০।

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি শহুরে চলাচলের জন্য নতুন বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড ‘ফ্লাইং ফ্লি’ উন্মোচন করেছে। এই ব্র্যান্ডে ঐতিহ্যবাহী নকশার সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।

রয়্যাল এনফিল্ড স্থানীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে রাইডারদের একটি শক্তিশালী ও উৎসাহী কমিউনিটি গড়ে তুলেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ভারতের গোয়ায় আয়োজিত বার্ষিক মোটরসাইকেল উৎসব ‘মোটোভার্স’ (পূর্বনাম রাইডার ম্যানিয়া), যেখানে হাজার হাজার রয়্যাল এনফিল্ডপ্রেমী অংশ নেন। এ ছাড়া ‘হিমালয়ান ওডিসি’ নামে বার্ষিক রাইড আয়োজনের মাধ্যমে রাইডাররা দুর্গম পাহাড়ি পথ ও বিশ্বের উচ্চতম গিরিপথগুলোর কিছু অংশ অতিক্রম করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে প্রায় ১,২১২টি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি আইশার মোটরস লিমিটেডের একটি বিভাগ হিসেবে পরিচালিত রয়্যাল এনফিল্ডের ভারতে প্রধান শহর ও নগরগুলোতে ২,০৭৪টির বেশি বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দুটি বিশ্বমানের কারিগরি উন্নয়নকেন্দ্র রয়েছে যুক্তরাজ্যের ব্রান্টিংথর্প এবং ভারতের চেন্নাইয়ে। চেন্নাইয়ের কাছে তিরুভোত্তিয়ুর, চেইয়ার, ওরাগাদাম ও ভাল্লাম ভাদাগালে রয়েছে অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানা।

বিশ্বজুড়ে রয়্যাল এনফিল্ডের সাতটি আধুনিক সিকেডি (CKD) সংযোজন কারখানা রয়েছে। এগুলো বাংলাদেশ, নেপাল, ব্রাজিল (দুটি), থাইল্যান্ড, আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ায় অবস্থিত।

আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ: [email protected] ও [email protected]

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় ২৪ কেজি গাঁজা ও চোরাই ভ্যানসহ ৬ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৫১৭ মোবাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


নওগাঁয় ২৪ কেজি গাঁজা ও চোরাই ভ্যানসহ ৬ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৫১৭ মোবাইল

নওগাঁয় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ২৪ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক কারবারিকে এবং ভ্যান চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ এ সময় ৫১৭টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে নওগাঁর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মান্দা থানা এলাকায় মাদকের একটি বড় চালান মজুদ রয়েছে— এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রঘুনাথপুর এলাকার আরিফ হোসেনের (৩০) বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় তার ঘরের স্টিলের ট্রাংক থেকে ২০ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

এরপর আরিফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নওগাঁ সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মোশাররফকে (৩৩) গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। মোশারফের তথ্যের ভিত্তিতে বদলগাছী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে শিলং (২৩) ও আরাফাত (২৩) নামে আরও দুই সহযোগীকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে আরও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এই অভিযানে মোট ২৪ কেজি গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে, গত ২৬ নভেম্বর বাহাদুর নামে এক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করেন যে, মধু বিক্রির কথা বলে প্রতারকচক্র নওগাঁ শহরের গোস্তহাটি থেকে তার একমাত্র আয়ের উৎস ভ্যানটি ভাড়ায় নেয়। পরে চালককে কৌশলে সরিয়ে তারা ভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় মামলা হওয়ার পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল প্রযুক্তিগত তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে নাটোর জেলায় অভিযান চালিয়ে চোরাই ভ্যানসহ চোর চক্রের মূলহোতা মো. সালাম (৪৮) এবং তার ছেলে মো. নয়নকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও জানান, গত এক মাসে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময় হারিয়ে যাওয়া বা মিসিং হওয়া মোট ৫১৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে তা প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের মাদক ও অপরাধ দমনে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসিবুল্লাহ হাবিবসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাইওনিয়ার ব্যাংকের নিলামে বিক্রি হওয়া ২৬৮ শতাংশ জমি হস্তান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


পাইওনিয়ার ব্যাংকের নিলামে বিক্রি হওয়া ২৬৮ শতাংশ জমি হস্তান্তর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খেওড়া মৌজায় অবলুপ্ত ‘পাইওনিয়ার ব্যাংক লিমিটেড’-এর নিলামে বিক্রি হওয়া ৩৭৩ শতাংশ ভূসম্পত্তির মধ্যে ২৬৮ শতাংশ জমি, যা মামলা জটিলতামুক্ত, ক্রেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কমিশনের মাধ্যমে ১১ জন সর্বোচ্চ বিডকারীর (ক্রেতা) নিকট জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়।

জমির দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর-১ ও ডেপুটি গভর্নর-২।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৭ সালের ২৬ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগের এক আদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পাইওনিয়ার ব্যাংকসহ মোট ১৭টি অবলুপ্ত ব্যাংকের ‘অফিশিয়াল লিকুইডেটর’ (সরকারি অবসায়নকারী) হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর ১৯৭৮ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের নির্দেশনার ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী জমি বিক্রয় এবং তহবিল ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পায় অফিশিয়াল লিকুইডেটর।

এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খেওড়া মৌজায় অবস্থিত পাইওনিয়ার ব্যাংকের ৩৭৩ শতাংশ জমি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োজিত একজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজের পরিচালনায় খোলা ডাকে নিলাম করা হয়।

তবে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কিছু অবৈধ দখলদার উক্ত জমির মধ্যে ১০৫ শতাংশের মালিকানা দাবি করে মামলা দায়ের করেন। এ পরিস্থিতিতে মামলাধীন ১০৫ শতাংশ জমি বাদ দিয়ে বাকি ২৬৮ শতাংশ জমি সর্বোচ্চ দরদাতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়ার অনুমতির জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ ২৬৮ শতাংশ জমির রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করার চূড়ান্ত নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালতের সেই নির্দেশ বাস্তবায়নেই আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রেতাদের হাতে জমি হস্তান্তর করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%