ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সাগরে ফুঁসছে ‘মুরাসু’: নামের অর্থ কী, কোথায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি?


সাগরে ফুঁসছে ‘মুরাসু’: নামের অর্থ কী, কোথায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি?

বঙ্গোপসাগর থেকে আবারও একটি ঘূর্ণিঝড়ের আগমন ঘটছে। এই ঘূর্ণিঝড় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। বঙ্গোপসাগরের ওপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপ রোববার (১ নভেম্বর) ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়েছে। এটি সাগরে ফুঁসছে এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

‘মুরাসু’ শব্দের অর্থ কী?

ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’র প্রভাব কাটতে না কাটতেই ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে আরেকটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব অন্ধ্রের উপকূলে আঘাত হেনেছিল। এবার আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। ‘মুরাসু’ শব্দটির অর্থ সম্পর্কে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে।

আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আসছে, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত জারি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি একটি তামিল শব্দ, যার অর্থ হলো ড্রাম বা রণঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র। এই বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে দুর্যোগ বা অন্য কিছু ঘোষণা করার জন্য সবাইকে সচেতন করা হয়। অনেক সময় এটিকে যুদ্ধের বাদ্য হিসেবেও গণ্য করা হয়। সঙ্গম সাহিত্য ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, মুরাসু মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে।

এর মধ্যে একটি হলো বীরা মুরাসু, যা যুদ্ধের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত রণদামামা বা সামরিক ড্রাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয়টি হলো ত্যাগা মুরাসু, যা উপহার দেয়ার বা দরিদ্র মানুষের জন্য খাদ্য ও সামগ্রী বিতরণের আহ্বানে ব্যবহৃত হয়। তৃতীয়টি, ন্যায় মুরাসু, যা বিচারকার্য পরিচালনা এবং জনগণের অভিযোগ শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’র নামকরণ ভারত কর্তৃক করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির বিষয়ে যা জানা যাচ্ছে

আরও পড়ুন: রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) তাদের সর্বশেষ বুলেটিনে জানিয়েছে, ১ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার সময় ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ-পশ্চিম এবং সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর অবস্থান করছিল। আইএমডি জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ২ নভেম্বর সকালের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও তীব্র হয়ে একটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এরপর এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর রাত এবং ৩ নভেম্বর ভোরের মধ্যে নেল্লোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী স্থানে একটি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হিসেবে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ঝড়ের গতিবেগ উপকূলের দিকে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার হবে। পরবর্তীতে দমকা হাওয়ার বেগ ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারে। ঝড় মোকাবিলার জন্য ওড়িশায় প্রস্তুতি চলছে। সেখানে এনডিআরএফসহ বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশও এই ঝড় মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ২ নভেম্বর থেকে ওড়িশায় বৃষ্টি শুরু হবে এবং ৩ ও ৪ নভেম্বর বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আরও পড়ুন: লঘুচাপ নিম্নচাপে পরিণত, চার সমুদ্র বন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিকেএমইএ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিকেএমইএ

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে, যা পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এক বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কারখানার কার্যক্রম সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, পোশাক শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা যে চাপের মধ্যে রয়েছেন, তা বিকেএমইএ উপলব্ধি করছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মন্দা, জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যয়ের ক্রমাগত বৃদ্ধি এবং কারখানাগুলোতে রপ্তানি আদেশের হ্রাসের চ্যালেঞ্জগুলোও বাস্তব।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রমিকদের ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করা এবং কারখানার কার্যক্রম সচল রাখা- এই দুটি বিষয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, নতুন মজুরি বোর্ডে সরকার, মালিক এবং শ্রমিক- এই তিন পক্ষের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। পারস্পরিক আলোচনা ও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করা সম্ভব বলে বিকেএমইএ বিশ্বাস করে।

তিনি বলেন, এমন একটি মজুরি কাঠামো প্রয়োজন, যা শ্রমিকদের জীবনমান সুরক্ষিত করবে এবং শিল্পের সক্ষমতাও বজায় রাখবে।

বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রমিক ও শিল্প পরস্পরের পরিপূরক। উভয় পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত হলে দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাবে। তাই সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও টেকসই সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা উচিত।

বিকেএমইএর বার্তায় বলা হয়েছে, ‘শ্রমিক বাঁচলেই শিল্প বাঁচবে, শিল্প বাঁচলেই শ্রমিক বাঁচবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীতে বিএনপির প্রয়াত নেতা-কর্মীদের স্মরণে সভা ও দোয়া মাহফিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


নীলফামারীতে বিএনপির প্রয়াত নেতা-কর্মীদের স্মরণে সভা ও দোয়া মাহফিল

নীলফামারী, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : জেলায় বিএনপির এবং এর অঙ্গসংগঠনের প্রয়াত নেতা-কর্মীদের স্মরণে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে বিএনপির প্রয়াত নেতা-কর্মীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোওয়া মাহফিলও আয়োজন করা হয়।

সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। বক্তৃতা প্রদান করেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জহুরুল আলম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তফা হক প্রধান বাচ্চু, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রাহেদুল ইসলাম দোলন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. মোক্তার হোসেন, মো. আনিছুর রহমান কোকো, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লুৎফুল আলম চৌধুরী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মোর্শেদ আযম এবং সদস্য সচিব মো. শিহাবুজ্জামান চৌধুরী শিহাব প্রমুখ।

বক্তারা সদ্য প্রয়াত জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এস কে মালেকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের প্রয়াত নেতা-কর্মীদের রাজনৈতিক অবদান এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে তাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তারা বলেন, "দলের দুঃসময়ে এসব নেতা-কর্মীর ত্যাগ ও অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।"

তাদের আদর্শ ও অবদান আগামী দিনের নেতা-কর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। সভায় বিএনপির পাশাপাশি অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%