ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খালি পেটে গরম পানি খেলে শরীরে কি উপকারিতা ও সীমাবদ্ধতা?


খালি পেটে গরম পানি খেলে শরীরে কি উপকারিতা ও সীমাবদ্ধতা?

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানি পান করার অভ্যাস অনেকের মধ্যে প্রচলিত। কিছু মানুষ মনে করেন, এতে পেট পরিষ্কার থাকে, আবার অন্যরা বিশ্বাস করেন, গরম পানি শরীরের মেদ কমাতে সহায়ক। তবে খালি পেটে গরম পানি পান করলে শরীরে আসলে কী ঘটে? এর উপকারিতা কতটুকু এবং কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে কুসুম গরম পানি পান করা শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে। তবে, শুধুমাত্র গরম পানি পান করলেই শরীরের সব সমস্যার সমাধান হবে, এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

১. শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে

আরও পড়ুন: ঘর অগোছালো থাকলে মনের ওপরও পড়ে নেতিবাচক প্রভাব, গবেষণা বলছে

রাতে দীর্ঘ সময় ঘুমানোর ফলে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পান করলে শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়তা হয়। পানি শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখা, রক্ত সঞ্চালন এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পানি গরম বা ঠান্ডা—এর চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে

যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা উপকারী। শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে মল শক্ত হয়ে যেতে পারে। নিয়মিত পানি পান, আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা মলত্যাগ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: ৩০ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনার তালিকা

সকালে কুসুম গরম পানি পান করলে কারও কারও মলত্যাগে স্বস্তি অনুভব হতে পারে। তবে, শুধুমাত্র গরম পানি পান করলেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

৩. হজমে স্বস্তি দিতে পারে

সকালে পানি পান করলে পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা হয়। কিছু মানুষের জন্য কুসুম গরম পানি পান করলে পেটের অস্বস্তি কম অনুভূত হতে পারে।

তবে গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় হজমশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়—এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। হজম ভালো রাখতে সুষম খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: রাত ১২টার পর ভাত খেলে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে

৪. ওজন কমাতে কি সাহায্য করে?

অনেকের ধারণা, সকালে খালি পেটে গরম পানি পান করলে পেটের মেদ গলে যায়। বাস্তবে এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

তবে পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় থাকে। খাবারের আগে পানি পান করলে কিছু মানুষের সাময়িকভাবে পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে, যা অতিরিক্ত খাওয়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ওজন কমানোর জন্য প্রয়োজন সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালরি গ্রহণ।

আরও পড়ুন: রাতে ঘুম না এলে কী কাজ করা উচিত নয়

৫. গলা ও নাকের অস্বস্তিতে সাময়িক আরাম দিতে পারে

সর্দি-কাশি বা গলাব্যথার সময় কুসুম গরম পানি পান করলে গলায় আরাম অনুভব হতে পারে। উষ্ণ তরল গলার শুষ্কতা কমাতে এবং সাময়িক স্বস্তি দিতে সহায়তা করে।

তবে গরম পানি ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সারিয়ে তোলে না। উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৬. শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়?

আরও পড়ুন: মুড়ির মোয়া তৈরির সহজ রেসিপি: আখের গুড় ও ঘি ব্যবহার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দাবি করা হয়, সকালে গরম পানি পান করলে শরীরের সব বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায়। কিন্তু এই দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণে যকৃৎ ও কিডনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত পানি পান কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে, কিন্তু গরম পানি আলাদাভাবে শরীরকে বিষমুক্ত করে—এমন প্রমাণ নেই।

কীভাবে পান করবেন?

সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন।

আরও পড়ুন: ২০২৮ সালে ১৫ দিনের ব্যবধানে দু’বার অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গাপূজা

পানি যেন অতিরিক্ত গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। খুব গরম পানি মুখ, জিহ্বা ও খাদ্যনালিতে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

শুধু সকালে নয়, সারা দিন শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন।

পানি পানের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ইয়ান বিশপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ এম


নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ইয়ান বিশপ

নাহিদ রানা সোনার ডিম পাড়া হাঁস। বাংলাদেশের পরবর্তী সুপারস্টার হিসেবে তার প্রতি বিসিবির আরও বেশি সতর্ক হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ।

বাংলাদেশের বোলিং ডিপার্টমেন্টে এক সময় স্পিন নির্ভরতা ছিল। মিরপুরের উইকেটেও তাদের সুবিধা অনুযায়ী তৈরি হত। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সেই চিত্র বদলেছে। বর্তমানে টাইগার পেসারদের দাপট নিয়ে আলোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে।

অভিষেকের পর থেকেই নাহিদ রানা মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন। তার প্রশংসায় বিভোর হয়ে রয়েছেন বিশ্বের কিংবদন্তিরা। ইয়ান বিশপ তাদের মধ্যে একজন। তিনি প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাহিদ রানার বিষয়ে পোস্ট করেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তার বোলিং দেখতে না পেয়ে তিনি হতাশ হয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ধারাভাষ্যকার হিসেবে আসা বিশপ নাহিদকে মিস করছেন। জিম্বাবুয়ে সিরিজে ইনজুরিতে পড়া নাহিদ এখনও ফিট হয়ে উঠতে পারেননি। এই কিংবদন্তির পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বিশপ বলেন, ‘নাহিদ বিশ্ব ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সুপারস্টারদের একজন। সে ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে। বিশ্বের প্রতিটি দলই একজন নাহিদ রানাকে খুঁজছে। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে তাকে বল করতে দেখার জন্য আমি মুখিয়ে ছিলাম, তাই সে না থাকায় কিছুটা হতাশ হয়েছি। তবে তার সুস্থতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ফাস্ট বোলিং খুবই কঠিন কাজ এবং অন্যদের তুলনায় বেশি ইনজুরিপ্রণ। তাই আমি বলব তাৎক্ষণিক সাফল্যের লোভে পড়ে ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে মেরে ফেলবেন না’।’

নাহিদ রানা সবার আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেও বিশপের মতে বাংলাদেশের পেস বিপ্লবের কারিগর হলেন তাসকিন আহমেদ। হাসান মাহমুদেও মুগ্ধ এই কিংবদন্তি। তিনি বলেন, ‘পেস বোলিংয়ের বিপ্লব নাহিদ রানাকে দিয়ে শুরু হয়নি। আমি ১০ বছর ধরে তাসকিনকে চিনি। এরপর এবাদত, শরিফুল ও হাসানের হাত ধরে এই আক্রমণ গড়ে উঠেছে। সব কন্ডিশনে জেতার মতো পেস ইউনিট তৈরির কৃতিত্ব বিসিবির। হাসান বিশ্বের অন্যতম সেরা লাইন বোলার। কেন্ট তাকে নিয়েছে, কারণ সে আগে থেকেই দুর্দান্ত। তাসকিন, হাসান ও নাহিদকে আবার একসঙ্গে বোলিং করতে দেখার অপেক্ষায় আছি।’

ওয়ানডেতে বাজে সময় কাটালেও শান্তর অধীনে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দারুণ ছন্দ রয়েছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলে তারা চার নম্বরে অবস্থান করছে। তৈরি হয়েছে ফাইনাল খেলার সম্ভাবনাও। টাইগারদের কাছ থেকে বড় একটি চমক দেখতে চান বিশপ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিভিতে আজকের খেলা: মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ এম


টিভিতে আজকের খেলা: মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন

আজ মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন চলছে। কেপটাউন টেস্টের খেলা বর্তমানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ক্রিকেট

মিরপুর টেস্ট: ৩য় দিন

বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সকাল ৯–৩০ মি., টি স্পোর্টস

হংকং সিক্সেস

বাংলাদেশ–স্কটল্যান্ড

সকাল ৭–৪০ মি., সনি স্পোর্টস ২

বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা

বেলা ১১–২০ মি., সনি স্পোর্টস ২

৪র্থ টি–টোয়েন্টি

নিউজিল্যান্ড–ভারত

বেলা ১টা, সনি স্পোর্টস ১

কেপটাউন টেস্ট: ৪র্থ দিন

দক্ষিণ আফ্রিকা–অস্ট্রেলিয়া

বেলা ২–৩০ মি., ট্যাপম্যাড

হকি

এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া

বেলা ৩টা, স্টার স্পোর্টস ২

দক্ষিণ কোরিয়া–চীন

বিকেল ৫–১৫ মি., স্টার স্পোর্টস ২

ভারত–জাপান

সন্ধ্যা ৭–৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ২

ফুটবল

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান

লে আভর–পিএসজি

রাত ১২টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

লা লিগা

ভিয়ারিয়াল–এসপানিওল

রাত ২টা, টি স্পোর্টস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, নভেম্বরেও পরিস্থিতির উন্নতি আশা কম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ এম


অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, নভেম্বরেও পরিস্থিতির উন্নতি আশা কম

অক্টোবর মাসে ডেঙ্গু রোগের কারণে চলতি মৌসুমের সর্বাধিক মৃত্যু ও সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে দেশে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে চলতি মাসে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি, যা চলতি বছরের মোট মৃত্যু ও সংক্রমণের প্রায় অর্ধেক। বিশেষজ্ঞরা নভেম্বর মাসে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা দেখছেন না। তারা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও হটস্পট ব্যবস্থাপনা জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন।

ডেঙ্গু বর্তমানে জনস্বাস্থ্য সংকটের রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি মৌসুমের ১০ মাসেই আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে গত দুই যুগের মধ্যে ২০২৬ সাল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। তিন বছর আগে দেশে ডেঙ্গুতে সর্বাধিক মৃত্যু ও সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল।

অক্টোবরের প্রথম ভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। সেই প্রবণতা মাসের শেষ ভাগ পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এক দিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৯ দিনে মোট ৪১৫ জন মারা গেছেন। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। চলতি মৌসুমে মোট মৃত্যু ও সংক্রমণের প্রায় অর্ধেকই ঘটেছে অক্টোবরে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।

কীটতত্ত্ববিদদের আশঙ্কা, নভেম্বর মাসেও পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই। দেশে এডিস মশার ঘনত্বের ইনডেক্স ২০-এর বেশি, যা ডেঙ্গু বিস্তারের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, হটস্পট ব্যবস্থাপনা এবং এসব কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা গেলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার মন্তব্য করেন, "নভেম্বরেও খুব দ্রুত ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।" তিনি বলেন, যেসব এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর হটস্পট বা ক্লাস্টার রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্র করে সমন্বিত ভেক্টর ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। তবে কেন পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়ে উঠল- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, পূর্বাভাস অনুযায়ীই ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। তিনি জানান, আগের তুলনায় ডেঙ্গুর চিকিৎসাসেবারও উন্নতি হয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, "পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশার লার্ভা ধ্বংসের কাজ চলছে।" তিনি জানান, এই কার্যক্রমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি, ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য দুই মাস আগেই বিস্তারিত পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের দুই হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেন, এর ফলে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় আগের তুলনায় আরও ভালোভাবে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া মশা নিধনে নতুন কিছু প্রযুক্তি এসেছে। জাপানের একটি প্রতিষ্ঠান এ নিয়ে কাজ করছে। দেশীয় কয়েকজন প্রযুক্তিবিদও তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এসব প্রযুক্তি কাজে লাগানো গেলে মশার সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতার ওপরও গুরুত্ব দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অক্টোবরের চার সপ্তাহে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স ২৬৬ কোটি ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ এম


অক্টোবরের চার সপ্তাহে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স ২৬৬ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৯ কোটি ৪৮ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ১২৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৯২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে দেশে ২৭৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। তার পূর্বে গত আগস্ট ও জুলাই মাসে যথাক্রমে ২৯৬ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার ও ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার দেশে এসেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%