শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২৫ এম
অক্টোবর মাসে ডেঙ্গু রোগের কারণে চলতি মৌসুমের সর্বাধিক মৃত্যু ও সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে দেশে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে চলতি মাসে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি, যা চলতি বছরের মোট মৃত্যু ও সংক্রমণের প্রায় অর্ধেক। বিশেষজ্ঞরা নভেম্বর মাসে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা দেখছেন না। তারা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও হটস্পট ব্যবস্থাপনা জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন।
ডেঙ্গু বর্তমানে জনস্বাস্থ্য সংকটের রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি মৌসুমের ১০ মাসেই আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে গত দুই যুগের মধ্যে ২০২৬ সাল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। তিন বছর আগে দেশে ডেঙ্গুতে সর্বাধিক মৃত্যু ও সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল।
অক্টোবরের প্রথম ভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। সেই প্রবণতা মাসের শেষ ভাগ পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এক দিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৯ দিনে মোট ৪১৫ জন মারা গেছেন। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। চলতি মৌসুমে মোট মৃত্যু ও সংক্রমণের প্রায় অর্ধেকই ঘটেছে অক্টোবরে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।
কীটতত্ত্ববিদদের আশঙ্কা, নভেম্বর মাসেও পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই। দেশে এডিস মশার ঘনত্বের ইনডেক্স ২০-এর বেশি, যা ডেঙ্গু বিস্তারের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, হটস্পট ব্যবস্থাপনা এবং এসব কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা গেলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার মন্তব্য করেন, "নভেম্বরেও খুব দ্রুত ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।" তিনি বলেন, যেসব এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর হটস্পট বা ক্লাস্টার রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্র করে সমন্বিত ভেক্টর ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। তবে কেন পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়ে উঠল- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, পূর্বাভাস অনুযায়ীই ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। তিনি জানান, আগের তুলনায় ডেঙ্গুর চিকিৎসাসেবারও উন্নতি হয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, "পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশার লার্ভা ধ্বংসের কাজ চলছে।" তিনি জানান, এই কার্যক্রমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি, ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য দুই মাস আগেই বিস্তারিত পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের দুই হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও যোগ করেন, এর ফলে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় আগের তুলনায় আরও ভালোভাবে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া মশা নিধনে নতুন কিছু প্রযুক্তি এসেছে। জাপানের একটি প্রতিষ্ঠান এ নিয়ে কাজ করছে। দেশীয় কয়েকজন প্রযুক্তিবিদও তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এসব প্রযুক্তি কাজে লাগানো গেলে মশার সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতার ওপরও গুরুত্ব দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৯ কোটি ৪৮ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ১২৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৯২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে দেশে ২৭৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। তার পূর্বে গত আগস্ট ও জুলাই মাসে যথাক্রমে ২৯৬ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার ও ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার দেশে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের জন্য আরও তিন বছরের সময় পেয়েছে। এই বাড়তি সময়ের মধ্যে অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা, রফতানি সুবিধাগুলো কাজে লাগানো, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাণিজ্যিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চীন ও উরুগুয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে প্রস্তাব উত্থাপন করা হলে তা অনুমোদন করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
জাতিসংঘ সদর দফতরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের এক সভায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশের সময় বাড়ানোর এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ওই সভায় সভাপতির আসনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
বিভিন্ন দেশের সমর্থনে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। এর ফলে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের জন্য ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছে। জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন নিয়ে কাজ করছেন এবং বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান মন্তব্য করেন, "এ সিদ্ধান্তের পুরো কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিতে চাই।" তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি যখন বিরোধী দলের রাজনীতি করছিল, তখন তারেক রহমান প্রথম উপলব্ধি করেন যে, যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া এবং দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর আগে এলডিসি থেকে উত্তরণ দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনের পূর্বে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পিছিয়ে দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয় বিএনপি। সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার।
এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, "বিএনপি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে।" তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশের জাতিসংঘ মিশনের কর্মকর্তারাও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন। এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সবারই ভালো ভূমিকা ছিল।
জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সক্ষমতা জোরদার, রফতানি প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি এলডিসিভুক্ত দেশ হিসেবে পাওয়া আন্তর্জাতিক সহায়তা ও বাণিজ্যিক সুবিধাগুলো কাজে লাগানোর জন্য বাড়তি সময় পাবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এমন সময়ে বাড়তি সময় পেয়েছে, যখন অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি। এ সুযোগ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে আরও গতি আসতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইপিএলের আগামী আসরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কোচিং স্টাফে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে চলেছে। তিন কোচকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে। বোলিং কোচ লাসিথ মালিঙ্গা, পারাস মাহামব্রে এবং ফিল্ডিং কোচ কার্ল হপকিনসন আর মুম্বাইয়ের সঙ্গে থাকছেন না। এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
তবে, এই তিন কোচের স্থলাভিষিক্ত কারা হবেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য জানায়নি মুম্বাই। এর আগে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রধান কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তার পরিবর্তে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে কাইরন পোলার্ডকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
মালিঙ্গা খেলোয়াড় হিসেবে মুম্বাইয়ের হয়ে চারটি আইপিএল শিরোপা জয় করেছেন। তিনি ২০২৩ সালের অক্টোবরে কোচিং স্টাফে যোগদান করেন। অন্যদিকে, ২০২৫ আসরের আগে বোলিং কোচ হিসেবে মাহামব্রে এবং ফিল্ডিং কোচ হিসেবে হপকিনসনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
মাহামব্রের মুম্বাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘকালীন। তিনি ২০১০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কোচিং স্টাফে কাজ করেছেন এবং গত আসরের আগে দ্বিতীয়বারের মতো দলে ফিরেছিলেন।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স আইপিএলের প্রথম দল হিসেবে পাঁচবার শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তারা সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছে না। গত ছয় আসরে তারা একবারও ফাইনালে উঠতে পারেনি। ২০২৩ ও ২০২৫ সালে প্লে-অফে জায়গা করে নিলেও, ২০২৪ সালে দশম এবং সর্বশেষ আসরে নবম স্থানে থেকে প্রতিযোগিতা শেষ করেছে তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি বাতিল, সংঘাতের অবসান এবং বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে আগামীকাল ৩১ অক্টোবর মনিপুরের রাজধানী ইম্ফলে একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করেছে একাধিক সংগঠন।
মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে কোঅর্ডিনেটিং কমিটি অন মণিপুর ইন্টেগ্রিটি (কোকোমি), জয়েন্ট ট্রাইব কাউন্সিল, নাগা হিউম্যানিটারিয়ান এড কমিটি, ফুটহিলস্ নাগা কোঅর্ডিনেশন কমিটি এবং নাগা পিপলস ইউনিয়ন। ইউনাইটেড নাগা কাউন্সিলও এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়ে আসাম রাইফেলসের পরিবর্তে অন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছে।
অন্যদিকে, কাংপোকপির সিংদাই এলাকার শতাধিক বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি এবং কুকি-জো নারীরা গ্রেফতার হওয়া তিন কুকির নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেন। খোংবাল ঘটনায় তিন মেইতেই কাঠুরিয়ার মৃত্যুর পর ওই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে কুকি-জো কাউন্সিল পৃথক প্রশাসনের দাবি আরও জোরালো করেছে। সংগঠনটির দাবি, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে আড়াইশোর বেশি কুকি-জো নিহত এবং ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তারা সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে জানিয়েছে, কুকিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও রাজনৈতিক সংলাপে অগ্রগতি না হলে কুকি-জো বিধায়কদের সরকার থেকে সরে আসতে বলা হতে পারে।
রাজনৈতিক বিতর্ক নাগা উপ-মুখ্যমন্ত্রী লোসি দিখোর মন্তব্যের মাধ্যমে আরও তীব্র হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, সহ-উপ-মুখ্যমন্ত্রী নেমচা কিপগেনের স্বামীর নেতৃত্বাধীন কুকি ন্যাশনাল ফ্রন্ট ছয় নাগা ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। দিখো জানান, আটজন নাগা বিধায়ক ইতোমধ্যেই নেমচা কিপগেনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ এবং কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে থাকা সংঘর্ষবিরতি চুক্তি বাতিলের দাবি তুলেছেন।
তিনি আরও বলেন, এমন হিংসা অব্যাহত থাকলে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজন কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
এদিকে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ইম্ফল সফর করেন সিআরপিএফের ডিজি জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিংহ। তিনি বরিষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেন। পরে তার সঙ্গে বৈঠক করেন আসাম রাইফেলসের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিকাশ লাখেরা। দুই বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। তেংনৌপাল জেলার মোরে ও চংজাং এলাকা পরিদর্শন করে ভারত-মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন লাখেরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ