শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৪২ এম
নাহিদ রানা সোনার ডিম পাড়া হাঁস। বাংলাদেশের পরবর্তী সুপারস্টার হিসেবে তার প্রতি বিসিবির আরও বেশি সতর্ক হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ।
বাংলাদেশের বোলিং ডিপার্টমেন্টে এক সময় স্পিন নির্ভরতা ছিল। মিরপুরের উইকেটেও তাদের সুবিধা অনুযায়ী তৈরি হত। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সেই চিত্র বদলেছে। বর্তমানে টাইগার পেসারদের দাপট নিয়ে আলোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে।
অভিষেকের পর থেকেই নাহিদ রানা মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন। তার প্রশংসায় বিভোর হয়ে রয়েছেন বিশ্বের কিংবদন্তিরা। ইয়ান বিশপ তাদের মধ্যে একজন। তিনি প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাহিদ রানার বিষয়ে পোস্ট করেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তার বোলিং দেখতে না পেয়ে তিনি হতাশ হয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ধারাভাষ্যকার হিসেবে আসা বিশপ নাহিদকে মিস করছেন। জিম্বাবুয়ে সিরিজে ইনজুরিতে পড়া নাহিদ এখনও ফিট হয়ে উঠতে পারেননি। এই কিংবদন্তির পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বিশপ বলেন, ‘নাহিদ বিশ্ব ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সুপারস্টারদের একজন। সে ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে। বিশ্বের প্রতিটি দলই একজন নাহিদ রানাকে খুঁজছে। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে তাকে বল করতে দেখার জন্য আমি মুখিয়ে ছিলাম, তাই সে না থাকায় কিছুটা হতাশ হয়েছি। তবে তার সুস্থতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ফাস্ট বোলিং খুবই কঠিন কাজ এবং অন্যদের তুলনায় বেশি ইনজুরিপ্রণ। তাই আমি বলব তাৎক্ষণিক সাফল্যের লোভে পড়ে ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে মেরে ফেলবেন না’।’
নাহিদ রানা সবার আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেও বিশপের মতে বাংলাদেশের পেস বিপ্লবের কারিগর হলেন তাসকিন আহমেদ। হাসান মাহমুদেও মুগ্ধ এই কিংবদন্তি। তিনি বলেন, ‘পেস বোলিংয়ের বিপ্লব নাহিদ রানাকে দিয়ে শুরু হয়নি। আমি ১০ বছর ধরে তাসকিনকে চিনি। এরপর এবাদত, শরিফুল ও হাসানের হাত ধরে এই আক্রমণ গড়ে উঠেছে। সব কন্ডিশনে জেতার মতো পেস ইউনিট তৈরির কৃতিত্ব বিসিবির। হাসান বিশ্বের অন্যতম সেরা লাইন বোলার। কেন্ট তাকে নিয়েছে, কারণ সে আগে থেকেই দুর্দান্ত। তাসকিন, হাসান ও নাহিদকে আবার একসঙ্গে বোলিং করতে দেখার অপেক্ষায় আছি।’
ওয়ানডেতে বাজে সময় কাটালেও শান্তর অধীনে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দারুণ ছন্দ রয়েছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলে তারা চার নম্বরে অবস্থান করছে। তৈরি হয়েছে ফাইনাল খেলার সম্ভাবনাও। টাইগারদের কাছ থেকে বড় একটি চমক দেখতে চান বিশপ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আজ মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন চলছে। কেপটাউন টেস্টের খেলা বর্তমানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ক্রিকেট
মিরপুর টেস্ট: ৩য় দিন
বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সকাল ৯–৩০ মি., টি স্পোর্টস
হংকং সিক্সেস
বাংলাদেশ–স্কটল্যান্ড
সকাল ৭–৪০ মি., সনি স্পোর্টস ২
বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা
বেলা ১১–২০ মি., সনি স্পোর্টস ২
৪র্থ টি–টোয়েন্টি
নিউজিল্যান্ড–ভারত
বেলা ১টা, সনি স্পোর্টস ১
কেপটাউন টেস্ট: ৪র্থ দিন
দক্ষিণ আফ্রিকা–অস্ট্রেলিয়া
বেলা ২–৩০ মি., ট্যাপম্যাড
হকি
এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া
বেলা ৩টা, স্টার স্পোর্টস ২
দক্ষিণ কোরিয়া–চীন
বিকেল ৫–১৫ মি., স্টার স্পোর্টস ২
ভারত–জাপান
সন্ধ্যা ৭–৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ২
ফুটবল
ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান
লে আভর–পিএসজি
রাত ১২টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২
লা লিগা
ভিয়ারিয়াল–এসপানিওল
রাত ২টা, টি স্পোর্টস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অক্টোবর মাসে ডেঙ্গু রোগের কারণে চলতি মৌসুমের সর্বাধিক মৃত্যু ও সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে দেশে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে চলতি মাসে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি, যা চলতি বছরের মোট মৃত্যু ও সংক্রমণের প্রায় অর্ধেক। বিশেষজ্ঞরা নভেম্বর মাসে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা দেখছেন না। তারা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও হটস্পট ব্যবস্থাপনা জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন।
ডেঙ্গু বর্তমানে জনস্বাস্থ্য সংকটের রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি মৌসুমের ১০ মাসেই আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে গত দুই যুগের মধ্যে ২০২৬ সাল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। তিন বছর আগে দেশে ডেঙ্গুতে সর্বাধিক মৃত্যু ও সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল।
অক্টোবরের প্রথম ভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। সেই প্রবণতা মাসের শেষ ভাগ পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এক দিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৯ দিনে মোট ৪১৫ জন মারা গেছেন। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। চলতি মৌসুমে মোট মৃত্যু ও সংক্রমণের প্রায় অর্ধেকই ঘটেছে অক্টোবরে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।
কীটতত্ত্ববিদদের আশঙ্কা, নভেম্বর মাসেও পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই। দেশে এডিস মশার ঘনত্বের ইনডেক্স ২০-এর বেশি, যা ডেঙ্গু বিস্তারের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, হটস্পট ব্যবস্থাপনা এবং এসব কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা গেলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার মন্তব্য করেন, "নভেম্বরেও খুব দ্রুত ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।" তিনি বলেন, যেসব এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর হটস্পট বা ক্লাস্টার রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্র করে সমন্বিত ভেক্টর ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। তবে কেন পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়ে উঠল- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, পূর্বাভাস অনুযায়ীই ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। তিনি জানান, আগের তুলনায় ডেঙ্গুর চিকিৎসাসেবারও উন্নতি হয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, "পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশার লার্ভা ধ্বংসের কাজ চলছে।" তিনি জানান, এই কার্যক্রমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি, ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য দুই মাস আগেই বিস্তারিত পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের দুই হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও যোগ করেন, এর ফলে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় আগের তুলনায় আরও ভালোভাবে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া মশা নিধনে নতুন কিছু প্রযুক্তি এসেছে। জাপানের একটি প্রতিষ্ঠান এ নিয়ে কাজ করছে। দেশীয় কয়েকজন প্রযুক্তিবিদও তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এসব প্রযুক্তি কাজে লাগানো গেলে মশার সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতার ওপরও গুরুত্ব দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৯ কোটি ৪৮ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ১২৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৯২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে দেশে ২৭৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। তার পূর্বে গত আগস্ট ও জুলাই মাসে যথাক্রমে ২৯৬ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার ও ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার দেশে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের জন্য আরও তিন বছরের সময় পেয়েছে। এই বাড়তি সময়ের মধ্যে অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা, রফতানি সুবিধাগুলো কাজে লাগানো, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাণিজ্যিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চীন ও উরুগুয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে প্রস্তাব উত্থাপন করা হলে তা অনুমোদন করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
জাতিসংঘ সদর দফতরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের এক সভায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশের সময় বাড়ানোর এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ওই সভায় সভাপতির আসনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
বিভিন্ন দেশের সমর্থনে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। এর ফলে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের জন্য ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছে। জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন নিয়ে কাজ করছেন এবং বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান মন্তব্য করেন, "এ সিদ্ধান্তের পুরো কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিতে চাই।" তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি যখন বিরোধী দলের রাজনীতি করছিল, তখন তারেক রহমান প্রথম উপলব্ধি করেন যে, যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া এবং দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর আগে এলডিসি থেকে উত্তরণ দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনের পূর্বে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পিছিয়ে দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয় বিএনপি। সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার।
এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, "বিএনপি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে।" তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশের জাতিসংঘ মিশনের কর্মকর্তারাও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন। এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সবারই ভালো ভূমিকা ছিল।
জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সক্ষমতা জোরদার, রফতানি প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি এলডিসিভুক্ত দেশ হিসেবে পাওয়া আন্তর্জাতিক সহায়তা ও বাণিজ্যিক সুবিধাগুলো কাজে লাগানোর জন্য বাড়তি সময় পাবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এমন সময়ে বাড়তি সময় পেয়েছে, যখন অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি। এ সুযোগ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে আরও গতি আসতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ