শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৯ এম
জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বায়ুদূষণের মাত্রা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। বাংলাদেশও এই প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। দীর্ঘ সময় ধরে বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মেগাসিটি ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ৯ম অবস্থানে রয়েছে। শহরটির বায়ুমানের স্কোর ১৪২, যা শিশু, প্রবীণ, গর্ভবতী নারী এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদ্রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অস্বাস্থ্যকর। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান স্কোর ওঠানামা করতে পারে।
তালিকার শীর্ষে থাকা সৌদি আরবের রিয়াদের বাতাসে দূষণের মাত্রা আবারো ভয়াবহ হয়ে উঠছে। শহরটির বায়ুমানের স্কোর ২১৭, যা রিয়াদবাসীর জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’।
এদিকে, বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর তালিকায় পাঁচটি দেশ রয়েছে। এই দেশগুলো হলো- পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের মুম্বাই, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, চীনের সাংহাই ও ইরাকের বাগদাদ।
বাংলাদেশ ছাড়াও আরও ১১ দেশের বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। এই দেশগুলো হলো- কাজাখস্তানের আলমাতি, পাকিস্তানের করাচি, উজবেকিস্তানের তাসকান্ত, কঙ্গোর কিনসাসা, চীনের গুয়াংজু ও হাংজু, ভিয়েতনামের হেনোয় ও হো চি মিন সিটি, নেদারল্যান্ডসের রোটারদাম, কাতারের দোহা এবং কুয়েতের কুয়েত সিটি।
একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তাৎক্ষণিকভাবে সেই তথ্য জানায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। এই প্রতিষ্ঠানটি বায়ুমান সূচক বা একিউআইয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন শহরের বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করে থাকে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসের মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা মাঝারি বা সহনীয়। সূচক ১০১ থেকে ১৫০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ হলে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। এছাড়া ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর বেশি হলে বাতাসের মানকে বিপজ্জনক বা দুর্যোগপূর্ণ পর্যায়ে ধরা হয়।
বায়ুদূষণ বাড়লে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকেন শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা। এই অবস্থায় দূষিত বাতাসে দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান না করার পরামর্শ দেয়া হয়। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলার পাশাপাশি বাইরে গেলে উপযুক্ত মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোট সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। চূড়ান্ত ভোট গণনার ফলাফলে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী জোট ৪৮টি আসন লাভ করেছে। এ অবস্থায় ১২০ সদস্যের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য ৬১ আসনের প্রয়োজনীয়তা পূরণে ১৯টি আসন পাওয়া আরব দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২৭টি আসন নিয়ে নেসেটের বৃহত্তম দল হিসেবে অবস্থান করছে। তবে বৃহত্তম দল হওয়ার পরও জোটের আসনসংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যথেষ্ট নয়। অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরও আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে আরব নেতৃত্বাধীন যৌথ তালিকা ও রা’আম দলের সমর্থন সরকার গঠনের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিরোধী জোট যদি আরব দলগুলোর সমর্থন পায়, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। তবে এসব দলের সঙ্গে সরকার গঠনে সহযোগিতা নিয়ে বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।
নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট আরব দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি। যৌথ তালিকার নেতা আহমেদ তিবিও বিরোধী শিবিরের সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নেসেটের স্পিকার নির্বাচনে বিরোধীদের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে যোগাযোগ হয়েছে। স্পিকার নির্বাচন ও সংসদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এই সমর্থন বিরোধী শিবিরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
আরব দলগুলো সরাসরি সরকারে যোগ না দিলেও সংসদে বিরোধীদের সমর্থন দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেতে পারে। তবে সরকার গঠনের সমীকরণ শেষ পর্যন্ত দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা এবং জোটের শর্ত নিয়ে আলোচনা নির্ভর করবে।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি বিদেশি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে আরব দলগুলো নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে প্রকাশ্যে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনের অখণ্ডতা বজায় ছিল। বিদেশি অর্থায়ন ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপের সন্দেহ নিয়ে তদন্তের খবরও প্রকাশিত হয়েছে, যদিও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই তদন্তের কারণে ঘোষিত ফলাফল পরিবর্তিত হবে না।
নেতানিয়াহুর বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন, আরব দলগুলোর নির্বাচনী সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তাদের রাজনৈতিক বৈধতা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে। এবারের নির্বাচনে আরব দলগুলোর সম্মিলিত ১৯টি আসন তাদের সংসদীয় প্রভাবের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করছে।
নেতানিয়াহু ক্ষমতা হারালে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন প্রশ্ন উঠতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতির মামলাগুলো এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার আগে ও পরে ইসরায়েলের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে জবাবদিহির দাবি তাঁর ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে পারে। তবে ক্ষমতা হারালেই এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিণতি নিশ্চিত হবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
যদি দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হয়, তবে ইসরায়েলকে আবারও নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হতে পারে। আপাতত সরকার গঠনের আলোচনা, আরব দলগুলোর অবস্থান এবং বিরোধী জোটের ঐক্যই নির্ধারণ করবে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকতে পারবেন কি না। তথ্যসূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট, এপি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার গায়ের রং ও শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে প্রবীণ অভিনেতা আন্নু কাপুরের মন্তব্যের কারণে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে। অনেকেই আন্নু কাপুরের মন্তব্যকে আপত্তিকর ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। এতদিন পর, তামান্না ভাটিয়া সেই বিতর্ক নিয়ে কথা বলেছেন। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে বেশি সময় ব্যয় করতে চান না। বর্তমানে তাঁর মনোযোগ নিজের কাজ এবং অভিনয়জীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নিবদ্ধ রয়েছে।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তামান্না মন্তব্য করেন, একজন সৃষ্টিশীল মানুষের জন্য অন্যের কথা শোনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, কোন কথাকে গুরুত্ব দিতে হবে এবং কোনটি এড়িয়ে যেতে হবে, সেই বোধও থাকা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তামান্নার মতে, ‘একজন সৃষ্টিশীল মানুষ হিসেবে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো শোনা। কিন্তু কী শুনছি, তার মধ্যে কোনটা গ্রহণ করব আর কোনটায় কান দেব না, সেটা বোঝাও জরুরি।’
এ ধরনের বিতর্কে মনোযোগ দেওয়ার পরিণতি সম্পর্কেও নিজের মতামত প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এই ধরনের বিষয়কে গুরুত্ব দিতে শুরু করি, তাহলে হয়তো জীবনে এগিয়ে যাওয়াই কঠিন হয়ে পড়বে।’
আন্নু কাপুরের মন্তব্য তাঁকে কতটা প্রভাবিত করেছে, সে বিষয়ে তামান্না স্পষ্ট করে জানান, তিনি এসব নিয়ে ভাবতে চান না। বরং, নিজের কাজের দিকেই মনোযোগী থাকতে পছন্দ করেন।
অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি এসব বিষয় দেখিই না। আমি আমার কাজের দিকে মন দিই। কী তৈরি করতে চাই, কীভাবে আমার অভিনয়জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, সেদিকেই নজর রাখি।’
শুধু অভিনয় নয়, তামান্না তাঁর কাজকে মানুষের প্রতি এক ধরনের সেবা হিসেবেও দেখেন। তিনি বিশ্বাস করেন, কাজের পেছনে সৎ উদ্দেশ্য থাকলে তা মানুষের কাছে পৌঁছায়।
যে মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক
গত বছর, তামান্নার ‘আজ কি রাত’ গানের দৃশ্য নিয়ে আলোচনার সময় আন্নু কাপুর তাঁর গায়ের রং ও শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিনেত্রীর সৌন্দর্যের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মাশাআল্লাহ! কী দুধের মতো ফর্সা শরীর!’
তবে, প্রশংসার পাশাপাশি প্রবীণ এই অভিনেতা তামান্নাকে উদ্দেশ করে আরও কিছু মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মন্তব্যগুলোকে আপত্তিকর ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বলে সমালোচনা করেন।
সেই বিতর্কের প্রেক্ষিতে এবার নিজের অবস্থান জানালেন তামান্না। তবে, অন্যের মন্তব্য নিয়ে পড়ে না থেকে নিজের কাজেই মনোযোগী থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হ্যারি কেইন প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের আনন্দটি সতীর্থদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চান। এই সাফল্যে বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়দের অবদান স্বীকার করে, তাদের জন্য বিশেষ উপহার কেনার পরিকল্পনা করছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। উপহারের তালিকায় বিলাসবহুল ঘড়ি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ক্লাব এবং জাতীয় দলের হয়ে অসাধারণ মৌসুম কাটিয়ে, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালকে পেছনে ফেলে, কেইন প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অর অর্জন করেছেন। নিজের জন্মশহরে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে পুরস্কার গ্রহণের পর, তিনি আবেগঘন বক্তব্যও প্রদান করেন। পরে, সোহোর একটি নাইটক্লাবে বিশেষ পার্টিতে অংশ নিয়ে উদযাপন করেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।
তবে, ব্যক্তিগত এই অর্জনের পেছনে সতীর্থদের অবদান ভুলে যাননি ৩৩ বছর বয়সী কেইন। জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘বিল্ড’-কে তিনি জানান, “দলের কয়েকজন সতীর্থ ঘড়ি কিংবা এ ধরনের কিছু উপহার চেয়েছে। তাই বায়ার্ন ও ইংল্যান্ড—দুই দলের খেলোয়াড়দের জন্যই ভালো কিছু উপহারের ব্যবস্থা করতে হবে আমাকে। বিষয়টি নিয়ে ভাবছি। নিশ্চিত করতে চাই, সবাই যেন সুন্দর একটি উপহার পায়।”
ব্যালন ডি’অর জয়ের মাধ্যমে, কেইন ইংল্যান্ডের ষষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কার অর্জন করেছেন। এর আগে, ইংল্যান্ডের হয়ে এই সম্মান পেয়েছেন স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউস, স্যার ববি চার্লটন, কেভিন কিগান এবং মাইকেল ওয়েনসহ দেশের কিংবদন্তি ফুটবলাররা।
কেইনের জন্য সামনে অপেক্ষা করছে আরও একটি বিশেষ মুহূর্ত। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচের আগে ওয়েম্বলিতে দর্শকদের সামনে ব্যালন ডি’অর ট্রফি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার দেশের যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ ও স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, যুব উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১৪ জনকে ‘জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হবে, যার মধ্যে ৪ সংগঠক এবং ১০ সফল আত্মকর্মী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আমিনুল হক বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
আগামী ১ নভেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজধানীসহ সারাদেশে দিবসটি উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে। এবারের জাতীয় যুব দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১ নভেম্বর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় যুব দিবসের মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
তিনি আরও জানান, যুব দিবসের অংশ হিসেবে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সারাদেশে ১২ হাজার রিনিউয়েবল ও পরিবেশবান্ধব টেকসই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।
এছাড়া, যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আগামী ১ নভেম্বর ৫৫টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে একটি বিশাল ‘জব ফেয়ার’ বা চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার জনের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ৩১ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য যুব র্যালি বের হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের যুববান্ধব বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, যুব ঋণ ও প্রকল্পগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুবসমাজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
এছাড়া, দেশব্যাপী সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ‘জাতীয় যুব দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হবে।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী যেসব কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, খাল খনন কর্মসূচি, রক্তদান কর্মসূচি, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যুব ঋণ বিতরণসহ নানা কার্যক্রম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ