ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাংলাদেশ সফরে আসছেন প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার মাওলানা মাহমুদ মাদানি


বাংলাদেশ সফরে আসছেন প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার মাওলানা মাহমুদ মাদানি

ভারতের প্রভাবশালী আলেম ও আওলাদে রসুল (সা.) মাওলানা সাইয়্যেদ মাহমুদ মাদানী বাংলাদেশ সফরে আসছেন। তিনি আগামী ১৩ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত আট দিনের সফরে দেশের বিভিন্ন জেলা, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকার আফতাবনগর মাদ্রাসার মুহতামিম এবং মাওলানা মাহমুদ মাদানীর খলিফা মুফতি মোহাম্মদ আলী।

সফরসূচি অনুযায়ী, ১৩ নভেম্বর শুক্রবার নরসিংদীর জামিয়া ইসলামিয়া হানাফিয়া বাঘীবাড়ী মাদ্রাসায় তিন দিনব্যাপী ইসলামী ইজতেমার প্রথম দিনে বাদ মাগরিব বয়ান করবেন মাওলানা মাহমুদ মাদানী। পরবর্তী দিন ১৪ নভেম্বর শনিবার সিলেটের মাদানী খানকাহ এবং ১৫ নভেম্বর রোববার সিলেটের গোলাপবাগে ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে খুদ্দামুল কুরআনের কুরআন বিতরণ

১৬ নভেম্বর সোমবার নরসিংদীর জামিয়া ইসলামিয়া নূরুল উলুম পাড়শাইল মাদ্রাসায় সফর করবেন এই আলেম। পরদিন ১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার মাদারীপুরের বাহাদুরপুর পীর সাহেবের খানকাহ এবং খুলনার জামিয়া ইসলামিয়া আসাদুল উলুম মাদানীনগর মাদ্রাসায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

১৮ নভেম্বর বুধবার সকালে ঢাকার দারুল উলুম বনশ্রী মাদ্রাসায় যাবেন মাওলানা মাহমুদ মাদানী। একই দিন সকাল ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

সফরের পরদিন ১৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের ইদারাতুল উলুম আফতাবনগর মাদ্রাসায় সফর করবেন মাওলানা মাহমুদ মাদানী। একই দিন ঢাকায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ইসলামী ইজতেমার প্রথম দিনে বাদ মাগরিব বয়ান করার কথা রয়েছে তার।

সফরের শেষ দিন ২০ নভেম্বর শুক্রবার হবিগঞ্জের উমেদনগর মাদ্রাসায় ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাঁর নির্ধারিত সফরসূচি শেষ হবে।

আরও পড়ুন: সকাল-সন্ধ্যায় যেসব জিকির ও দোয়া করবেন

মাওলানা মাহমুদ মাদানির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা, খানকাহ ও আয়োজকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, তাঁর বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেশের আলেম-উলামা, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণ হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইজেনকটের সামনে ৫ পথ, নেতানিয়াহুর ভুলের অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


আইজেনকটের সামনে ৫ পথ, নেতানিয়াহুর ভুলের অপেক্ষা

ইসরাইলের নির্বাচনে কোনো পক্ষই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সরানোর পথ সহজ নয়। এই পরিস্থিতিতে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট নতুন সরকার গঠনের প্রথম সুযোগ পেয়েছেন।

শনিবার (৮ নভেম্বর) দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের একজন মুখপাত্র আইজেনকটকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকার কারণে আইজেনকটের জন্য সরকার গঠন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বিভিন্ন সম্ভাব্য পথ তুলে ধরা হয়েছে।

সংখ্যালঘু সরকার গঠন

আইজেনকট তার ইয়াশার পার্টির স্বাভাবিক মিত্র—টুগেদার, দ্য ডেমোক্র্যাটস ও ইসরাইল আওয়ার হোমকে নিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে তিনি ইসরাইলের দুই আরব দল রা'আম ও জয়েন্ট লিস্টের সমর্থন নিতে পারেন। তবে, উক্ত দল দুটি সরকারে সরাসরি যোগ না দিয়েও বাইরে থেকে সমর্থন দিতে পারে।

আইজেনকটের মূল জোটের আসনসংখ্যা হবে ৪৮। অন্যদিকে, দুই আরব দলের আসন সংখ্যা ১৯। সব মিলিয়ে ১২০ আসনের পার্লামেন্টে তাদের সমর্থন ৬৭ আসনে পৌঁছাবে। এতে অনাস্থা ভোটে সরকার টিকে থাকার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে নির্বাচনি প্রচারে আইজেনকট আরব দলগুলোকে সরকারে না রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তাদের সমর্থন নেওয়া তার জন্য রাজনৈতিকভাবে কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলের আরব সংখ্যালঘু জনগণের প্রতি অনেক ইসরাইলির মনোভাব আরও কঠোর হয়েছে।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় ফেরা ঠেকাতে দুই আরব দলই আইজেনকটকে সরকার গঠনের জন্য সমর্থন দিয়েছে। তারা বৃহত্তর বিরোধী জোটের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেছে।

২০২১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের সরকারে যোগ দিয়েছিল রা'আম। বর্তমানে বেনেট আইজেনকটের অন্যতম রাজনৈতিক মিত্র এবং টুগেদার পার্টির নেতৃত্বে রয়েছেন। তবে অধিকৃত পশ্চিম তীর নিয়ে মতবিরোধসহ বিভিন্ন কারণে ১৮ মাসের মাথায় সেই সরকারের পতন ঘটে।

অতি-গোঁড়া ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোট

আইজেনকট ও তার মিত্ররা চাইলে ইসরাইলের দুই অতি-গোঁড়া ইহুদি দলকেও জোটে টানার চেষ্টা করতে পারেন। দল দুটির সম্মিলিত আসনসংখ্যা ১৩। তাদের সঙ্গে সমঝোতা হলে আইজেনকটের জোটের আসন ৬১-তে পৌঁছাবে। অর্থাৎ, পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত হবে।

তবে, সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক সেবা থেকে অতি-গোঁড়া ইহুদি শিক্ষার্থীদের অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে বড় বাধা হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পেয়ে আসছেন। কিন্তু সাধারণ ইসরাইলিদের একটি বড় অংশ মনে করেন, সামরিক সেবার বোঝা অন্যদের ওপর অন্যায্যভাবে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ঐক্য সরকার গঠন

আরেকটি সম্ভাবনা হলো নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির সঙ্গে আইজেনকটের ইয়াশার, মধ্য-ডানপন্থী টুগেদার এবং ডানপন্থী ইসরাইল আওয়ার হোমের সমন্বয়ে ঐক্য সরকার গঠন।

এই চার দলের আসনসংখ্যা হবে ৬৭। ফলে ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সহজেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে তারা। তবে আপাতত এই সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ।

আইজেনকট ব্যর্থ হলে সুযোগ পাবেন নেতানিয়াহু।

সরকার গঠনের জন্য আইজেনকট সর্বোচ্চ ৪২ দিন সময় পাবেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সম্ভবত নেতানিয়াহুকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন।

নির্বাচনের পর নেতানিয়াহুর ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদী জোটের আসনসংখ্যা আগের ৬৪ থেকে কমে ৫৩-তে নেমেছে। তবে বিরোধী জোটের দলগুলো থেকে কয়েকজন সংসদ সদস্যকে নিজের পক্ষে টেনে এনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের চেষ্টা করতে পারেন তিনি।

অতীতেও এমন কৌশল কাজে লাগিয়েছেন নেতানিয়াহু। ২০২২ সালের নির্বাচনের আগে বিরোধী দলে থাকার সময় প্রতিপক্ষের জোটে ভাঙন ধরাতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। তবে তখন তার প্রতিপক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল তুলনামূলক দুর্বল। ফলে অল্প কয়েকজন সংসদ সদস্যকে নিজেদের দলে টানলেই জোটটি অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছিল।

শেষ পর্যন্ত হতে পারে নতুন নির্বাচন

আইজেনকট ও নেতানিয়াহু—দুজনই সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে পার্লামেন্ট অন্য কোনো প্রার্থীকে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবে। এ প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য প্রায় ১০০ দিনের সময়সীমা রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কেউ সরকার গঠন করতে না পারলে আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তবে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট হারজগ নতুন নির্বাচন এড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি বলেছেন, আরেকটি নির্বাচন ঠেকাতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করতে হবে। এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি খোলা মন নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজুরি বোর্ডের সুপারিশে শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


মজুরি বোর্ডের সুপারিশে শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল

গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ, সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটার পর স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে এসেছে। মালিক ও শ্রমিকের সম্মতির ফলে ঘোষিত মজুরি বোর্ডের বেতন বৃদ্ধির সুপারিশের পর শ্রমিকরা আন্দোলন থেকে সরে এসে কাজে ফিরেছেন। তাদের ফিরে আসার ফলে কলকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। শ্রমিকদের উপস্থিতি, কারখানার কর্মচাঞ্চল্য এবং মহাসড়কে যান চলাচলের স্বাভাবিকতা শিল্পাঞ্চলে স্বস্তি এনেছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় নির্ধারিত সময়ে শ্রমিকরা কাজে যোগদান করেছেন। কোনাবাড়ী, শফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ, চন্দ্রা, বাসন সড়ক, টঙ্গী, সালনা, বাংলাবাজারসহ শ্রীপুর উপজেলার শিল্পকারখানাগুলোতে সকাল থেকে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা শ্রমিক বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সরকার গঠিত মজুরি বোর্ডের বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ এবং তা বাস্তবায়নের আশ্বাসে শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন। নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে এবং জানুয়ারি থেকে শ্রমিকরা বর্ধিত বেতন পাবেন। এই ঘোষণার পর শ্রমিকদের কাজে ফেরার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। মালিক ও শ্রমিকের সম্মতির ফলে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কাটিয়ে শিল্পকারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক হওয়ার পথ তৈরি হয়েছে।

গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সকাল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শ্রমিকরা যথারীতি কাজে যোগ দিয়েছেন। শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিল্প পুলিশের সদস্যরা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম) মো. সোহেল রানা জানান, সকাল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শ্রমিকরা স্বাভাবিকভাবে কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসারসহ মোট ২১ প্লাটুন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। শিল্প পুলিশ, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে, ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রমিক ও পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকগুলো কারখানায় ছুটি ঘোষণা এবং অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বাংলাবাজার এলাকায় বিক্ষোভের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনাও শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ায়।

তবে, মজুরি বৃদ্ধির সুপারিশে মালিক-শ্রমিকের সম্মতি এবং নতুন বেতন কার্যকরের সময়সূচি ঘোষণার পর পরিস্থিতির দৃশ্যপট বদলেছে। শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে আসার ফলে উৎপাদন কার্যক্রম সচল হয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের পাশাপাশি মালিক-শ্রমিকের পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশুলিয়ায় ২০ পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি, ৪টিতে চলছে কর্মবিরতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


আশুলিয়ায় ২০ পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি, ৪টিতে চলছে কর্মবিরতি

আশুলিয়ায় ২০টি তৈরি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ, শ্রমিকদের ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চলা বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে। পাশাপাশি, আরও ৪টি কারখানায় শ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করছেন। রোববার (৮ নভেম্বর) শ্রমিকদের দাবির কারণে শিল্পাঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার সকালে আশুলিয়ার বিভিন্ন শিল্পকারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিলে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, ৪টি কারখানার শ্রমিকেরা কাজে যোগ না দিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন।

শ্রমিকদের দাবি, বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাঁদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। তাঁরা মনে করছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে বর্তমান বেতন যথেষ্ট নয়।

এদিকে, শিল্পাঞ্চলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শ্রমিক অসন্তোষের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩২ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩২ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর কর্তৃক ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নিষিদ্ধ ক্রিম, ৯০ পিস ই-সিগারেট বা ভেপ, স্বর্ণালংকার এবং অন্যান্য সামগ্রী।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৬ ও ৭ নভেম্বর পৃথক অভিযানের মাধ্যমে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।

জব্দ করা পণ্যের তালিকায় ১৬৬ কার্টন সিগারেট, ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম, ৯০ পিস ভেপ এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রোববার (৮ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গত ৬ নভেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের (ফ্লাইট বিজি-৩৮৭) একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন সুলতানা রাজিয়া নামে এক যাত্রী। বিমানবন্দরে তার ব্যাগেজ স্ক্যানিং ও তল্লাশি করার সময় ৯০ পিস ই-সিগারেট বা ভেপ, ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ওই যাত্রীর পাসপোর্টে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনার জন্য এন্ট্রি ছিল। তবে, ব্যাগেজ নিয়ম অনুযায়ী একই বছরে দ্বিতীয়বার স্বর্ণালংকার নিয়ে আসার কারণে তা জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে, ৭ নভেম্বর কাতার থেকে আসা কাতার এয়ারওয়েজের (ফ্লাইট কিউআর-৬৪০) ব্যাগেজ বেল্ট এলাকা থেকে ১৬৬ কার্টন সিগারেট পরিত্যক্ত অবস্থায় জব্দ করে কাস্টমস গোয়েন্দারা।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং দেশীয় আইনে নিষিদ্ধ পণ্যের অবৈধ প্রবেশ রোধে বিমানবন্দরে কড়া নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%