ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সকাল-সন্ধ্যায় যেসব জিকির ও দোয়া করবেন


সকাল-সন্ধ্যায় যেসব জিকির ও দোয়া করবেন

সারা দিনের ব্যস্ততা ও ক্লান্তির পর যখন সন্ধ্যা আসে, তখন শান্তির বার্তা নিয়ে আসে। ঠিক তেমনি, ভোরের আলো নতুন দিনের সোনালী সূচনা করে। মুমিনের জীবনে সকাল ও সন্ধ্যার নির্দিষ্ট কিছু জিকির ও দোয়া আত্মিক প্রশান্তি অর্জনের পাশাপাশি আল্লাহর বিশেষ রহমত ও সুরক্ষা প্রদান করে।

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সকাল ও সন্ধ্যায় কিছু বিশেষ জিকির ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা পাঠ করলে সারা দিনের নিরাপত্তা ও বরকত লাভ হয় এবং আখিরাতের কঠিন সময়েও মুক্তির মাধ্যম হবে। মাগরিবের নামাজের পর এবং ফজর পরবর্তী সময়ে বরকতময় এসব আমলের মাধ্যমে একজন মুমিন তার দুনিয়া ও আখিরাতের জীবন সুরক্ষিত করতে সক্ষম হন। সকাল সন্ধ্যার তেমন কিছু জিকির ও আমল নিচে উল্লেখ করা হলো—

১. সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দোয়া)

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে খুদ্দামুল কুরআনের কুরআন বিতরণ

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আন্তা রব্বি লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা, খালাকতানি ওয়া আনা আব্দুকা, ওয়া আনা আলা আহ্দিকা, ওয়া ওয়া’দিকা মাসতাতাতু, আউজুবিকা মিন শাররি মা সানাতু, আবুউ লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা, ওয়া আবুউ বিজাম্বি, ফাগফিরলি; ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আন্তা।

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি আমার প্রতিপালক। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনারই বান্দা। আমি আমার সাধ্যানুযায়ী আপনার সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর কায়েম আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আপনার যে নিয়ামত রয়েছে, তা আমি স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন। কেননা, আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।’

ফজিলত

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ সফরে আসছেন প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার মাওলানা মাহমুদ মাদানি

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সকালে বা সন্ধ্যায় এই সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠ করবে এবং ওই দিন বা রাতে তার ইন্তেকাল হয়, তবে সে জান্নাত লাভ করবে।’ (বুখারি ৬৩০৬)

২. সকল অনিষ্ট থেকে বাঁচার দোয়া

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস্সামাই ওয়া হুয়াসসামিউল আলিম।’

আরও পড়ুন: কোরআনে জাকাতকে ‘সাদাকাহ’ বলা হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা

অর্থ: ‘আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সবকিছু শোনেন ও জানেন।’

ফজিলত

সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়াটি পাঠ করলে আসমান ও জমিনের কোনো অনিষ্ট বা বিপদ তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (আবু দাউদ ৫০৭২)

৩. সর্বশ্রেষ্ঠ জিকির: তাসবিহ পাঠ

আরও পড়ুন: আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ নভেম্বর ২০২৬

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’

অর্থ: ‘আল্লাহ পবিত্র এবং সকল প্রশংসা কেবল তারই।’

ফজিলত

আরও পড়ুন: ফ্রিতে ওমরাহ পালনের সুযোগ, কুইজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আবেদন করুন

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি এই জিকির সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার পড়বে, কিয়ামতের দিন তার চেয়ে উত্তম আমল আর কেউ আনতে পারবে না।’ (মুসলিম ২৬৯২)

৪. আয়াতুল কুরসি পাঠ

اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ ما فِي السَّمَاوَاتِ وَما فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ ما بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَما خَلْفَهُمْ وَلا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম, লা তাখুযুহু সিনাতুউ ওয়ালা নাওম, লাহু মা ফিসসামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ, মান জাল্লাজি ইয়াশফাউ ইংদাহু ইল্লা বিইজনিহি, ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম, ওয়া লা ইউহিতুনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শাআ, ওয়াসিআ কুরসিইয়ুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা, ওয়া হুওয়াল আলিয়্যুল আজিম।’

আরও পড়ুন: নারীর নিরাপত্তায় পুরুষ বডিগার্ড: ইসলাম কী নির্দেশনা দেয়?

অর্থ: ‘আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব ও সবকিছুর ধারক। তাকে কোনো তন্দ্রা বা ঘুম স্পর্শ করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, সব তাঁরই মালিকানাধীন। তার অনুমতি ছাড়া তার কাছে সুপারিশ করার কেউ নেই। তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। আর তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন, ততটুকু ছাড়া তার জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না। তার কুরসি আসমান ও জমিনময় পরিব্যাপ্ত। সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ তাকে ক্লান্ত করে না। আর তিনি সুমহান ও সর্বশ্রেষ্ঠ।

ফজিলত

প্রতি ফরজ নামাজের পর এবং সকাল ও সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসি পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি পাঠকারীকে জান্নাতে যাওয়ার পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না এবং এটি শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে সুরক্ষা দেয়। (নাসাঈ ৯৯২৮, ইবনে হিব্বান ২০২৪)

৫. আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার বিশেষ দোয়া

رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا

উচ্চারণ: ‘রাদিতু বিল্লাহি রব্বাও ওয়া বিল ইসলামি দিনাও, ওয়া বি-মুহাম্মাদিন নাবিয়্যান।’

অর্থ: ‘আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ (সা.)-কে নবী হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট।’

ফজিলত

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা তিনবার এই দোয়া পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাকে সন্তুষ্ট করবেন।’ (তিরমিজি ৩৩৮৯, ইবনে মাজাহ ৩৮৭০)

৬. জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া

اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করুন।’

ফজিলত

হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ফজর ও মাগরিবের পর কারও সঙ্গে কথাবার্তা না বলে সাতবার এই দোয়াটি পাঠ করে এবং ওই দিনে বা রাতে তার মৃত্যু হয়, তবে সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে।’ (আবু দাউদ ৫০৭৯)

৭. সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ

সকাল ও সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস—প্রতিটি তিনবার করে পাঠ করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সকাল-সন্ধ্যা এই সুরাগুলো তিনবার পাঠ করলে সকল প্রকার অনিষ্টতা ও বিপদাপদ থেকে হেফাজতের জন্য তা যথেষ্ট হবে।’ (তিরমিজি ৩৫৭৫, আবু দাউদ ৫০৮২)

৮. সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত

هُوَ اللّٰهُ الَّذِیۡ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۚ اَلۡمَلِكُ الۡقُدُّوۡسُ السَّلٰمُ الۡمُؤۡمِنُ الۡمُهَیۡمِنُ الۡعَزِیۡزُ الۡجَبَّارُ الۡمُتَكَبِّرُ ؕ سُبۡحٰنَ اللّٰهِ عَمَّا یُشۡرِكُوۡنَ هُوَ اللّٰهُ الۡخَالِقُ الۡبَارِئُ الۡمُصَوِّرُ لَهُ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰی ؕ یُسَبِّحُ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ۚ وَ هُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَكِیۡمُ

উচ্চারণ: হুয়াল্লাহুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহ হুয়া। আল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আযিজুল ঝাব্বারুল মুতাকাব্বির, সুবহানাল্লাহি আম্মা ইউশরিকুনা হওয়াল্লাহুল কালিকুল বারিউল মুসাওয়িরু লাহুল আসমাউল হুসনা। ইউসাব্বিহু লাহু মা ফিস সামাওয়অতি ওয়াল আরদি ওয়া হুয়াল আযিজুল হাকিম।

অর্থ: ‘তিনিই আল্লাহ; যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনিই বাদশাহ, মহাপবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, নিরাপত্তাদানকারী, রক্ষক, মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রতাপশালী, অতীব মহিমান্বিত, তারা যা শরিক করে তা হতে পবিত্র মহান। তিনিই আল্লাহ, স্রষ্টা, উদ্ভাবনকর্তা, আকৃতিদানকারী; তার রয়েছে সুন্দর নামসমূহ; আসমান ও জমিনে যা আছে সবই তার মহিমা ঘোষণা করে। তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আমল: মাগরিবের পর ‘আউজুবিল্লাহিস সামিয়িল আলিমি মিনাশ শাইতানির রজিম’ তিনবার পড়ে সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত একবার পাঠ করা।

ফজিলত

হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি এই আমল করবে, আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিযুক্ত করবেন, যারা সকাল পর্যন্ত তার জন্য রহমতের দোয়া করতে থাকবে। সেদিন রাতে মারা গেলে শহীদের মৃত্যু নসিব হবে।’ (তিরমিজি ২৯২২)

সন্ধ্যা ও সকাল হলো ইবাদত ও আত্মিক প্রশান্তির এক অপূর্ব সময়। সারা দিনের ক্লান্তি পেরিয়ে এই বরকতময় সময়গুলোতে উপরোক্ত জিকির ও দোয়াগুলো নিয়মিত আমলে রাখার মাধ্যমে একজন মুমিন তার দুনিয়া ও আখিরাতের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই মাসনুন আমলগুলো নিয়মিত করার এবং এর বরকত হাসিল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে স্কেল নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


পে স্কেল নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন মন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে একই পে স্কেল পেতে যাচ্ছেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে যে বৈষম্য বিদ্যমান ছিল, সেটি দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং সকলকে একই পে স্কেলের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শিগগিরই এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নতুন পে স্কেল লাভ করবেন।

তিনি আরও জানান, এই বছর সরকার সর্বাধিক বাজেট পেয়েছে এবং সবাই নতুন পে স্কেল পেতে যাচ্ছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দুর্বলতা দূর করে সকলের জন্য একই পে স্কেল নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

শিক্ষার ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থা একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। বর্তমান বিশ্ব একটি গ্লোবাল ভিলেজ হয়ে উঠেছে এবং প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ প্রযুক্তির অপব্যবহার করা যাবে না।

তিনি জানান, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশ থেকে ৩৪৭ জন স্থান পেয়েছেন। এসব বিজ্ঞানীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

মন্ত্রী বলেন, গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখেছেন, তাদের নিয়ে কাজ করতে চায় সরকার। তবে গবেষণার নামে কোনো ধরনের প্লেজিয়ারিজম বা অন্যের গবেষণা চুরি গ্রহণযোগ্য হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, তিনি চান সকলেই গবেষণা করবেন। তিনি আশা করেন, শিক্ষকদের শিক্ষকতা করার পর সবাই গবেষণায় যুক্ত হবেন, অর্থাৎ পিএইচডি করবেন। এটি অত্যন্ত জরুরি। তবে এখনই নয়। লেকচারারশিপ শেষ করার পর, যখন প্রফেসর হবেন, তখনই ধারাবাহিকভাবে এই প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবেন। কারণ সকলেই শিক্ষক হবেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল হবে। তিনি খুশি হয়েছেন যে নাই থেকে এই আইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটাও বুঝতে হবে, এআইকে মিসইউজ করা যাবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে জামাত-শিবির ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে জামাত-শিবির ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অবস্থান নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জামায়াত-শিবির ১১ দলীয় জোটের নামে যে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে, তা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য একটি গুরুতর হুমকি। তাদের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য এখনই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

আজ রোববার বিকেলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাহসিকতার সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্ব ও অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যেভাবে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে নিরলসভাবে কাজ করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও একইভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তারেক রহমানের মধ্যে তাঁরা জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু তিনি অভিযোগ করেছেন যে, জামায়াত-শিবির সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে তৎপর রয়েছে।

তিনি বলেন, জামায়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শুধুমাত্র বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অবস্থান হওয়া উচিত। একাত্তরের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা হামিদুল ইসলাম হামিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান মিনি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস রহমান মিঠু, জেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সাবেক ছাত্রনেতা লুৎফুজ্জামান লেন্টুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। সমাবেশ শেষে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান ভেঙে ১২টি প্রদেশ হচ্ছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


পাকিস্তান ভেঙে ১২টি প্রদেশ হচ্ছে?

পাকিস্তানের বর্তমান চারটি প্রদেশ ভেঙে মোট ১২টি নতুন প্রদেশ গঠনের একটি বড় পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, যার উদ্দেশ্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রশাসনিক কাজকে সহজ করা। তবে, এই পরিবর্তনের আগে জনগণের মতামত যাচাইয়ের জন্য সরকার একটি দেশব্যাপী গণভোট আয়োজনের কথা ভাবছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে ২৮তম সংবিধান সংশোধনী সংসদে উত্থাপিত হতে পারে এই প্রস্তাবিত প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য। এর আগে ওই বছরের প্রথম প্রান্তিক থেকেই প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হতে পারে।

যদি নতুন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে দেশটির সবচেয়ে বড় প্রদেশ পাঞ্জাবকে ভেঙে ৪টি, খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানকে ৩টি করে এবং সিন্ধ প্রদেশকে ২টি প্রদেশে রূপান্তরিত করা হতে পারে।

তবে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং নতুন প্রদেশগুলোর সীমানা বা কাঠামো কেমন হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এই উদ্যোগটি কোনো নির্দিষ্ট প্রদেশ বা রাজনৈতিক দলকে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়নি। মূলত, দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ সামলানো, সব অঞ্চলে সুষম উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা সহজে পৌঁছে দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য।

পাকিস্তানে নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিভেদ রয়েছে। রাজনৈতিক দরকষাকষি বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সরাসরি জনগণের রায় নিতেই তাই সংসদীয় আলোচনার আগে গণভোটের পথ বেছে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

অবশ্য গণভোটে জনসাধারণের সবুজ সংকেত মিললেও, নতুন প্রদেশগুলোর সীমানা নির্ধারণ, সম্পদ বণ্টন এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা ভাগাভাগির মতো জটিল কাজগুলো সম্পন্ন করতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে ব্যাপক সমঝোতা ও দীর্ঘ সংসদীয় আলোচনার প্রয়োজন হবে।

সূত্র: জিও নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেফ হারবার সুবিধা বাতিলের কথা ভাবছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


ভারত সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেফ হারবার সুবিধা বাতিলের কথা ভাবছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে কোটি কোটি মানুষের কাছে তথ্য ও খবর পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। এসব প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম নির্ধারণ করে কোন পোস্টগুলো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং কোনগুলো কম দৃশ্যমান হবে। তাছাড়া, কনটেন্ট প্রকাশের ক্ষেত্রে তারা নিজেদের নীতিমালা প্রয়োগ করে থাকে, যা কোন ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ করা যাবে এবং কোনটি যাবে না, তা নির্ধারণ করে।

তবে, এসব প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা কনটেন্টের আইনি দায়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনেকটাই দায়মুক্তি প্রদান করা হয়। এই আইনি সুবিধার কারণে মেটা, গুগল ও এক্সের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বিশাল ব্যবসা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু ভারতে বর্তমানে এই সুবিধা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব ও এক্সের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা কনটেন্টের জন্য যে আইনি সুরক্ষা পায়, তা বজায় রাখা হবে কিনা, সে বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে। আলোচনাগুলো এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে, এর মাধ্যমে ভারতে ইন্টারনেট পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিধান নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে মূল আলোচনার বিষয় হলো ‘সেফ হারবার’ বা আইনি দায়মুক্তির নীতি। এই নীতির আওতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা বিপুল পরিমাণ পোস্ট, ভিডিও ও মন্তব্যের জন্য সরাসরি প্রকাশকের মতো দায়ী করা হয় না।

সরকারের একটি অংশের প্রশ্ন হলো, যেসব প্রতিষ্ঠান অ্যালগরিদম ব্যবহার করে কনটেন্টের দৃশ্যমানতা নির্ধারণ করে, তাদের কি তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে একই ধরনের আইনি সুরক্ষা দেওয়া উচিত? এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এমনকি প্রাথমিক আলোচনাগুলো আইনে পরিবর্তন আনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবে রূপ নেবে কিনা, তা-ও নিশ্চিত নয়।

গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভারতের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেফ হারবার সুবিধা প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারের ভাবনা সম্পর্কে সরাসরি হ্যাঁ বা না কোনো উত্তর দেননি। তবে, অনলাইনে ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এসব প্ল্যাটফর্মকে আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

বৈষ্ণব বলেন, শিশু ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ডিজিটাল অ্যারেস্টের মতো প্রতারণা এবং নাগরিকদের জন্য ক্ষতিকর অনলাইন কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে দায়িত্ব নিতে হবে। তার মতে, আগের মতো শুধু নিয়ম মেনে চলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না; সমাজকে নিরাপদ রাখতে এসব প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয়ভাবে উদ্যোগ নিতে হবে।

সেফ হারবার কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ৭৯ নম্বর ধারায় ইন্টারনেটভিত্তিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে (ইন্টারনেট ইন্টারমিডিয়ারি) শর্তসাপেক্ষে আইনি দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় পক্ষের প্রকাশ করা বা পাঠানো তথ্যের কারণে এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণত আইনি দায়ের মুখে পড়ে না।

তবে, এই সুবিধা পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত মানতে হয়। কোনো মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া নিজে শুরু করতে পারবে না, তথ্যের প্রাপক নির্ধারণ করতে পারবে না কিংবা আদান-প্রদান করা তথ্য নির্বাচন বা পরিবর্তন করতে পারবে না। পাশাপাশি, সরকার নির্ধারিত যথাযথ সতর্কতামূলক নিয়মও মেনে চলতে হবে।

তবে, এই দায়মুক্তি নিরঙ্কুশ নয়। কোনো প্রতিষ্ঠান বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কিংবা বেআইনি কনটেন্টের বিষয়ে আইনসম্মত নির্দেশনা পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে তারা এই সুরক্ষা হারাতে পারে।

২০১৫ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক শ্রেয়া সিংহল বনাম ভারত সরকার মামলার রায়ও বিষয়টি স্পষ্ট করে। আদালত জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৭৯(৩)(বি) ধারা অনুযায়ী বেআইনি কনটেন্ট সরানোর বাধ্যবাধকতা অবশ্যই আদালতের আদেশ অথবা যথাযথ সরকারি নির্দেশনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় রাখতে হবে।

আধুনিক ইন্টারনেট ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনি সুরক্ষা হলো এই সেফ হারবার নীতি। কারণ, এ সুবিধা না থাকলে ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা লাখ লাখ পোস্ট, ভিডিও ও মন্তব্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইনি মামলার মুখোমুখি হতে হতে পারে, এমনকি ওই কনটেন্ট নিজেদের তৈরি না করলেও।

মেটা ও গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক ভিত্তি গড়ে ওঠার পেছনেও এই আইনি সুরক্ষার বড় ভূমিকা রয়েছে। এর ফলে তারা বিপুল পরিমাণ ব্যবহারকারী তৈরি কনটেন্টের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে, অথচ প্রচলিত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের মতো প্রতিটি কনটেন্টের সম্পাদকীয় দায় নিতে হচ্ছে না।

ভারত সরকারের সাম্প্রতিক আলোচনা তাই শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইনি দায়বদ্ধতা নিয়েই নয়; বরং অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বের সীমা নিয়েও নতুন বিতর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%