শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল এলাকায় প্রাইভেটকার ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দেওলাবাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মধুপুর থেকে একটি অটোরিকশা আনারস নিয়ে ঘাটাইলের দিকে যাচ্ছিল। দেওলাবাড়ি এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির প্রাইভেট কার সাইলেন্ট বাজিয়ে অটোরিকশাটির উপর উঠে যায়। মুহূর্তের মধ্যে অটোরিকশার চালক ও তিন যাত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে যান। ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যু ঘটে। গুরুতর আহত দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মধুপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকসেদুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতের মরদেহ থানার হেফাজতে রয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। প্রাইভেট কারটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান বিশ্বে 'জোর যার মুল্লুক তার' এই নীতিটি ক্রমাগত বাস্তবায়িত হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, পৃথিবীর দিকে নজর দিলেই এর প্রমাণ মেলে। শালীনতার কারণে নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও, মানবতা ও মানবাধিকারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আইন বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত 'সামসময়িক বিশ্বে সার্বভৌমত্ব, মানবতা ও আইন' শীর্ষক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে মানুষের জীবন সবচেয়ে সহজে বিসর্জন দেওয়া যায়। এই মতের প্রতি তিনি দৃঢ়ভাবে অটল রয়েছেন এবং এর অসংখ্য উদাহরণ বিদ্যমান।
তিনি জানান, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জগুলো নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। এমন একটি জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব, মানবতা ও আইনের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন করে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি মৌলিক নীতি হলেও, মানবিক মর্যাদা রক্ষা, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সম্মিলিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা প্রয়োজন, যোগ করেন প্রধান বিচারপতি।
এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে দেশ ও বিদেশের গবেষক, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের একজন প্রভাবশালী কট্টরপন্থি নেতার সঙ্গে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর উদ্যোগ নিয়েছেন। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে পুনরায় বোমা হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে, জেডি ভ্যান্স ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা ‘সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল’-এর সচিব মোহসেন রেজায়ির কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। উল্লেখ্য, মোহসেন রেজায়ি পূর্বে ইরানের ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর’-এর দীর্ঘকালীন দায়িত্ব পালনকারী কমান্ডার ছিলেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে মোহসেন রেজায়ির সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তাব দিয়েছেন জেডি ভ্যান্স। তবে, প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তির ঘোষণা এখনও করা হয়নি।
ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্যানুযায়ী, যুদ্ধ শেষ করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার রেজায়িকে তেহরানে যোগাযোগের প্রধান ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। তাদের মতে, তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের চুক্তির পক্ষে ঐকমত্য গড়ে তুলতে সক্ষম।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে কাতার দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। কাতারি প্রতিনিধিরা নিয়মিতভাবে রেজায়ি এবং ইরানের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আলোচনা আরও এগোলে তুরস্কের ইস্তাম্বুল বা কাতারের দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে বৈঠকের আয়োজন নিয়ে আলোচনা চলছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা বলছেন, তেহরান সম্মত হলে আগামী সপ্তাহেই কাতার বা তুরস্কে আলোচনা শুরু হতে পারে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনের শর্ত হলো তেহরানের পক্ষ থেকে এমন প্রতিনিধিদের পাঠাতে হবে, যারা পারমাণবিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে সক্ষম।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, মোহসেন রেজায়ির কাছে পাঠানো মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের চিঠি ইরান পেয়েছে। তবে, এখনও চিঠির কোনো জবাব দেয়া হয়নি।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার অগ্রগতি নির্ভর করছে তেহরানের সাতটি শর্ত পূরণের ওপর।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস মনে করে কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ সংকীর্ণ হয়ে আসছে এবং ইরান তাদের পারমাণবিক অবস্থানের ক্ষেত্রে নমনীয় হয়নি।
বৃহস্পতিবার সিএনএনকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত টম ব্যারাক বলেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে একটি প্রক্রিয়ায় ঐকমত্যে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরিতে আঞ্চলিক মিত্ররা সহায়তা করেছে।
তিনি বলেন, আসুন কিছুটা বিরতি নিই, উত্তেজনা কমিয়ে আনি। তিনি দাবি করেন, উভয় পক্ষই এই প্রাথমিক বোঝাপড়ায় পৌঁছানোর ‘খুব কাছাকাছি’ রয়েছে।
গত সপ্তাহে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে মোহসেন রেজায়ির কাছে একটি পাঠানো হয়েছে জেডি ভ্যান্সের চিঠি। চিঠিতে উভয় দেশের জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো উল্লেখ করে বলা হয়, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য।
সূত্র: গালফ নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিজ ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে মো. আয়াস (২২) নামের এক সদস্যকে হত্যা করেছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। নিহত আয়াস রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এর সদস্য ছিলেন। এই ঘটনায় অপর এক সদস্য ছৈয়দ মোহাম্মদ (২৪) আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে এই ঘটনা ঘটে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএনের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, দিবাগত রাত ১২ টার দিকে আরসা সদস্যরা আয়াস ও ছৈয়দ মোহাম্মদকে ধরে নিয়ে মারধর করে। মারধরের ফলে আয়াস ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ছৈয়দ মোহাম্মদ গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছেন। পরে তাকে ক্যাম্প সংলগ্ন এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আরসা সদস্য মো. সলিম, নজিম উল্লাহ, ফয়সাল, আকরাম, হানিফসহ কয়েকজন এই ঘটনায় জড়িত। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে পৃথক দুটি অভিযানে ভারতীয় বাজি, ফুচকা ও বাসমতি চালসহ ৯৮ লাখ ৪ হাজার ১৫০ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে সদর দক্ষিণ উপজেলার রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশনে চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনে এবং সীমান্তবর্তী পালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে আদশ সদর উপজেলার রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশনে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান পরিচালনা করে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স দল। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালমান ফার্সি এবং কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অ্যাডজুট্যান্টের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ৪০ লাখ ৪ হাজার ৪০০ টাকার ভারতীয় বাজি, ফুচকা ও বাসমতি চাল জব্দ হয়।
অপরদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় পালপাড়া এলাকায় ১০ বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল অভিযান চালায়। এ সময় ৫৭ লাখ ৯৯ হাজার ৭৫০ টাকার ভারতীয় বাজি জব্দ করা হয়।
দুটি অভিযানে মোট ৯৮ লাখ ৪ হাজার ১৫০ টাকার চোরাই পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, জব্দ করা মালামালের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানায়, দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসব অভিযান চালানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ