ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শ্রমমন্ত্রী: শ্রমখাতে অস্থিতিশীলতার অপচেষ্টা চলছে


শ্রমমন্ত্রী: শ্রমখাতে অস্থিতিশীলতার অপচেষ্টা চলছে

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, যারা মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন, তারা প্রকৃত শ্রমিক নন।

তিনি শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর শ্রম ভবনে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এই কথা বলেন।

শ্রমমন্ত্রী জানান, আগামীকাল রোববার (১ নভেম্বর) মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের বিষয়টিতে সংশ্লিষ্ট দুই সংগঠন তাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে উদ্যোগ নেবে বলে আশ্বাস প্রদান করেছেন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লা বোর্ডের এইচএসসি পাশের হার ৪৮.০৪ শতাংশ

তিনি আরও বলেন, শ্রম খাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা চলছে। শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ যথাযথ উদ্যোগ নেবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ

মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানে যেতে ইচ্ছুক সাধারণ কর্মীদের জন্য মেডিকেল পরীক্ষার ফি জনপ্রতি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ৮ হাজার টাকার অতিরিক্ত কোনো টাকা গ্রহণ করা যাবে না। কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে, মেডিকেল পরীক্ষার ফি বাবদ কোনো অবস্থাতেই ৮ হাজার টাকার বেশি প্রদান না করার জন্য। একইসঙ্গে, দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের সাথে যোগাযোগ না করার জন্যও সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো মেডিকেল সেন্টার নির্দিষ্ট কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির অধীনে কাজ করবে না। মালয়েশিয়ার জন্য নির্বাচিত কর্মীরা অনুমোদিত যেকোনো মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যে এজেন্সি মেডিকেল স্লিপ প্রদান করেছে কিন্তু কর্মী অন্য এজেন্সির মাধ্যমে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলে, সেই আগের এজেন্সি দ্রুত মেডিকেল রিপোর্ট পাঠাবে। এই ক্ষেত্রে স্লিপ প্রদানকারীর কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো মেডিকেল সেন্টার নির্ধারিত ৮ হাজার টাকার বেশি দাবি করলে বা কোনো ধরনের হয়রানি বা তালবাহানা ঘটলে, সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে। অভিযোগ জানাতে [email protected] এই ইমেইল ব্যবহার করা যাবে। মাইগ্রামস স্লিপের জন্য কোনো ফি প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, মন্ত্রণালয় নিয়মিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম মনিটর করবে এবং কোনো অনিয়ম বা গরমিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি ও মেডিকেল সেন্টারগুলোকে এই নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য মন্ত্রণালয় অনুরোধ করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দিরা পেটে ইয়াবা নিয়ে ঢোকার চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দিরা পেটে ইয়াবা নিয়ে ঢোকার চেষ্টা

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিরা পেটের ভেতরে ইয়াবা বহন করে ঢোকার চেষ্টা করছে। গত কয়েক মাসে অন্তত ৩০ জনকে এইভাবে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। একজন বন্দির পেট থেকে সর্বনিম্ন ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই পরিস্থিতিতে, পেটের ভেতরে ক্যাপসুল ফেটে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকায় কর্তৃপক্ষ বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে এবং তিন স্তরের তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে।

কারাগারের প্রবেশপথে বন্দিদের জন্য কঠোর দেহ তল্লাশি চলছে। মুখের ভেতর থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন অংশ পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিটি বন্দিকে ভেতরে ও বাইরে কয়েক দফায় তল্লাশি করা হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আদালত থেকে কারাগারে আসা বন্দিদের এইভাবে পরীক্ষা করা হয়। মূলত, কারাগারের ভেতরে মাদকের প্রবেশ ঠেকাতে এই কড়াকড়ি করা হচ্ছে। তবে পেটের ভেতরে ইয়াবা বহন করে কারাগারে ঢোকার চেষ্টা নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন, আসামিরা ইয়াবা খেয়ে পেটের ভেতরে নিয়ে আসে। এ ছাড়া মলদ্বারসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে লুকিয়ে মাদক প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। তারা যেকোনোভাবে মাদক কারাগারের ভেতরে নিয়ে গিয়ে সেবনের সুযোগ নিতে চায়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের তথ্য অনুযায়ী, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে তল্লাশি করায় বন্দিদের পেটের ভেতরে থাকা ইয়াবার চালান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও, গত কয়েক মাসে অন্তত ৩০ জনের কাছ থেকে কয়েক হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

কালো টেপে মোড়ানো প্রতিটি ক্যাপসুলে ৫০ পিস ইয়াবা থাকে। একজন বন্দি এক থেকে সর্বোচ্চ ১৫টি ক্যাপসুল পেটের ভেতরে নিয়ে কারাগারে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে এসব ক্যাপসুল পেটের ভেতরে ফেটে গেলে বন্দির প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এ ধরনের মাদক শনাক্ত করা কিছুটা কঠিন। তারপরও, কারাগারের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে তিন স্তরের তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পেটের ভেতরে থাকা একটি ইয়াবার ক্যাপসুলও ফেটে গেলে সংশ্লিষ্ট বন্দির মৃত্যু নিশ্চিত।

বড় চালান জব্দের ঘটনায় থানায় মামলা করা হচ্ছে। তবে ছোট চালানের ক্ষেত্রে কারাবিধি অনুযায়ী বন্দিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২০০ জন হলেও বর্তমানে সেখানে বন্দির সংখ্যা ৭ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার আসামি অন্তত সাড়ে ৩ হাজার। কারা কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এই কারণে কারাগারের ভেতরে মাদক পাচারের চেষ্টা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাদক মামলার আসামিদের জন্য পৃথক কারাগার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদক আইনের মামলার আসামিদের জন্য আলাদা কারাগার প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। কারা অধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগের ডিআইজি মো. ছগির মিয়া জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে দ্রুত একটি নারকোটিক কারাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে। সাধারণ বন্দিদের কাছ থেকে মাদকাসক্ত ও মাদক মামলার বন্দিদের আলাদা রাখা গেলে তাদের পুনর্বাসন কার্যক্রম সহজ হবে।

সাধারণ বন্দিদের কারাগারে আনার দিনই রাতে ওয়ার্ড বা সেলে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তবে পেটের ভেতরে ইয়াবা থাকার সন্দেহ হলে সংশ্লিষ্ট বন্দিদের অন্তত দুই দিন আলাদা করে রাখা হয়। কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় সফলতাও পাওয়া যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাহসিফের বাবার দাবি, 'আমার ছেলের মৃত্যুর কারণ জানতে চাই'

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


তাহসিফের বাবার দাবি,

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম বলেছেন, "আমি আমার ছেলের মৃত্যুর কারণ জানতে চাই।"

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর উত্তরায় তাহসিফের বাসভবনে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সংগঠন রাওয়ার সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

এনায়েতুল করিম বলেন, "গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় আমার ছেলে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। ওর মাকে জানায়, তার এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে আসবে। এরপর আমার ছেলে আর ফিরে আসেনি। পরদিন সন্ধ্যার আগে নৌ পুলিশ আমাকে ফোন করে জানায়, তার মরদেহ পাওয়া গেছে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকায়। বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।"

তিনি জানান, "গত শুক্রবার রাতে উত্তরখান থানায় হত্যা মামলার অভিযোগ করেছি। ছেলের মৃত্যুর কারণ উদ্‌ঘাটন, সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আমি আবেদন জানিয়েছি।"

তাহসিফের বাবার মতে, "মানুষের বিপদে তাহসিফ ছুটে যেতেন। সে অত্যন্ত মেধাবী একজন পাইলট, একজন কমিশন্ড অফিসার ছিল। সে অত্যন্ত বিনয়ী, ভদ্র ছিল। সবার সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্কও ছিল। আমরা সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। আমার ছেলেও ছিল অনুরূপ। যে কারও সমস্যা শুনলে ছুটে যেত। যেকোনো মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকত। আমার সেই ছেলের সঙ্গে এমন ঘটনা একেবারেই মেনে নিতে পারছি না।"

তিনি আরও বলেন, "দীপের সঙ্গে আমার ছেলের বেশ কিছুদিন ধরে সম্পর্ক। বাসায় আসা-যাওয়া এবং খাওয়া-দাওয়া করত। সেদিন ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর আমার ছেলে আর ফেরেনি। পুলিশের তদন্তের সামান্য কিছু দেখেছি। সেখানে টঙ্গীতে যাওয়ার বিষয়টি দীপ স্বীকার করেছে। কিন্তু দীপ আমাকে বলেছিল, আমার ছেলেকে আমাদের ভবনে রেখে গিয়েছিল। এসব বিষয় আসলে প্রশ্নবিদ্ধ। আমি জানি না, এ ঘটনার সঙ্গে কে জড়িত বা কে কী করেছে।"

এনায়েতুল করিম বলেন, "আমরা চাই, রাষ্ট্র তার বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে প্রকৃত তদন্ত করুক এবং কেউ জড়িত থাকলে তাকে সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আনুক। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেই প্রত্যাশা করি।"

এ সময় রাওয়ার যুগ্ম সম্পাদক আবু নওরোজ খুরশিদ আলম বলেন, "এ ধরনের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। আর যেন এর পুনরাবৃত্তি না হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। তাহসিফের পরিবারের পাশে আছে রাওয়া।"

এর আগে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শুক্রবার রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে উত্তরখান থানায় মামলা করেন তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম।

গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে উত্তরখানের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

এদিকে ঘটনার দিন মধ্যরাত পর্যন্ত তাহসিফের সঙ্গে থাকার আলোচনায় আসার পর দীপকে গত বৃহস্পতিবার রাতে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই)। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তাকে নিয়ে টঙ্গীর তুরাগ নদসংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকায় যায় পিবিআই। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকা থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি কালো রঙের সুজুকি জিক্সার ১৫০ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। যা তাহসিফের বলে নিশ্চিত করেন দীপ। পরে তুরাগ নদেও অভিযান চালায় পিবিআই।

পিবিআই দীপের বক্তব্যের বিভিন্ন অসংগতি যাচাই করে এবং ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে দীপকেও নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করলে তাহসিফের বাবার করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ইউটিউব দেখে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা, যুবক গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ইউটিউব দেখে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা, যুবক গ্রেফতার

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় একটি আবাসিক বাড়িতে ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পায় পুলিশ। এই ঘটনায় ৩২ বছর বয়সী যুবক নাজমুল ইসলাম বাপ্পিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে টঙ্গীর পাগার আলেক টেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েক দিন ধরে নাজমুলের বাড়ির ওপর নজরদারি চলছিল। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে বাড়িতে গড়ে তোলা ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। এ সময় ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও রাসায়নিক উপাদান জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া নাজমুল ইসলাম বাপ্পি দাবি করেছেন, প্রেমের বিরহে নিঃস্ব হয়ে পড়ার পর তিনি ইয়াবা তৈরির কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেন। এরপর ইন্টারনেট, ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে তথ্য সংগ্রহ করে নিজেই ইয়াবা তৈরি শুরু করেন।

স্থানীয়দের মতে, নাজমুল ওই এলাকার বাসিন্দা তাইজুল ইসলামের বড় ছেলে। কয়েক বছর আগে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%