ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

পাকিস্তান ভেঙে ১২টি প্রদেশ হচ্ছে?


পাকিস্তান ভেঙে ১২টি প্রদেশ হচ্ছে?

পাকিস্তানের বর্তমান চারটি প্রদেশ ভেঙে মোট ১২টি নতুন প্রদেশ গঠনের একটি বড় পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, যার উদ্দেশ্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রশাসনিক কাজকে সহজ করা। তবে, এই পরিবর্তনের আগে জনগণের মতামত যাচাইয়ের জন্য সরকার একটি দেশব্যাপী গণভোট আয়োজনের কথা ভাবছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে ২৮তম সংবিধান সংশোধনী সংসদে উত্থাপিত হতে পারে এই প্রস্তাবিত প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য। এর আগে ওই বছরের প্রথম প্রান্তিক থেকেই প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হতে পারে।

যদি নতুন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে দেশটির সবচেয়ে বড় প্রদেশ পাঞ্জাবকে ভেঙে ৪টি, খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানকে ৩টি করে এবং সিন্ধ প্রদেশকে ২টি প্রদেশে রূপান্তরিত করা হতে পারে।

আরও পড়ুন: ভারত সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেফ হারবার সুবিধা বাতিলের কথা ভাবছে

তবে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং নতুন প্রদেশগুলোর সীমানা বা কাঠামো কেমন হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এই উদ্যোগটি কোনো নির্দিষ্ট প্রদেশ বা রাজনৈতিক দলকে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়নি। মূলত, দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ সামলানো, সব অঞ্চলে সুষম উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা সহজে পৌঁছে দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য।

পাকিস্তানে নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিভেদ রয়েছে। রাজনৈতিক দরকষাকষি বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সরাসরি জনগণের রায় নিতেই তাই সংসদীয় আলোচনার আগে গণভোটের পথ বেছে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

অবশ্য গণভোটে জনসাধারণের সবুজ সংকেত মিললেও, নতুন প্রদেশগুলোর সীমানা নির্ধারণ, সম্পদ বণ্টন এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা ভাগাভাগির মতো জটিল কাজগুলো সম্পন্ন করতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে ব্যাপক সমঝোতা ও দীর্ঘ সংসদীয় আলোচনার প্রয়োজন হবে।

সূত্র: জিও নিউজ

আরও পড়ুন: নির্বাচনের ফল বানচালের চেষ্টা করছে নেতানিয়াহুর দল

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেফ হারবার সুবিধা বাতিলের কথা ভাবছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


ভারত সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেফ হারবার সুবিধা বাতিলের কথা ভাবছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে কোটি কোটি মানুষের কাছে তথ্য ও খবর পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। এসব প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম নির্ধারণ করে কোন পোস্টগুলো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং কোনগুলো কম দৃশ্যমান হবে। তাছাড়া, কনটেন্ট প্রকাশের ক্ষেত্রে তারা নিজেদের নীতিমালা প্রয়োগ করে থাকে, যা কোন ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ করা যাবে এবং কোনটি যাবে না, তা নির্ধারণ করে।

তবে, এসব প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা কনটেন্টের আইনি দায়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনেকটাই দায়মুক্তি প্রদান করা হয়। এই আইনি সুবিধার কারণে মেটা, গুগল ও এক্সের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বিশাল ব্যবসা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু ভারতে বর্তমানে এই সুবিধা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব ও এক্সের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা কনটেন্টের জন্য যে আইনি সুরক্ষা পায়, তা বজায় রাখা হবে কিনা, সে বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে। আলোচনাগুলো এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে, এর মাধ্যমে ভারতে ইন্টারনেট পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিধান নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে মূল আলোচনার বিষয় হলো ‘সেফ হারবার’ বা আইনি দায়মুক্তির নীতি। এই নীতির আওতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা বিপুল পরিমাণ পোস্ট, ভিডিও ও মন্তব্যের জন্য সরাসরি প্রকাশকের মতো দায়ী করা হয় না।

সরকারের একটি অংশের প্রশ্ন হলো, যেসব প্রতিষ্ঠান অ্যালগরিদম ব্যবহার করে কনটেন্টের দৃশ্যমানতা নির্ধারণ করে, তাদের কি তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে একই ধরনের আইনি সুরক্ষা দেওয়া উচিত? এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এমনকি প্রাথমিক আলোচনাগুলো আইনে পরিবর্তন আনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবে রূপ নেবে কিনা, তা-ও নিশ্চিত নয়।

গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভারতের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেফ হারবার সুবিধা প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারের ভাবনা সম্পর্কে সরাসরি হ্যাঁ বা না কোনো উত্তর দেননি। তবে, অনলাইনে ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এসব প্ল্যাটফর্মকে আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

বৈষ্ণব বলেন, শিশু ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ডিজিটাল অ্যারেস্টের মতো প্রতারণা এবং নাগরিকদের জন্য ক্ষতিকর অনলাইন কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে দায়িত্ব নিতে হবে। তার মতে, আগের মতো শুধু নিয়ম মেনে চলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না; সমাজকে নিরাপদ রাখতে এসব প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয়ভাবে উদ্যোগ নিতে হবে।

সেফ হারবার কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ৭৯ নম্বর ধারায় ইন্টারনেটভিত্তিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে (ইন্টারনেট ইন্টারমিডিয়ারি) শর্তসাপেক্ষে আইনি দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় পক্ষের প্রকাশ করা বা পাঠানো তথ্যের কারণে এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণত আইনি দায়ের মুখে পড়ে না।

তবে, এই সুবিধা পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত মানতে হয়। কোনো মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া নিজে শুরু করতে পারবে না, তথ্যের প্রাপক নির্ধারণ করতে পারবে না কিংবা আদান-প্রদান করা তথ্য নির্বাচন বা পরিবর্তন করতে পারবে না। পাশাপাশি, সরকার নির্ধারিত যথাযথ সতর্কতামূলক নিয়মও মেনে চলতে হবে।

তবে, এই দায়মুক্তি নিরঙ্কুশ নয়। কোনো প্রতিষ্ঠান বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কিংবা বেআইনি কনটেন্টের বিষয়ে আইনসম্মত নির্দেশনা পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে তারা এই সুরক্ষা হারাতে পারে।

২০১৫ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক শ্রেয়া সিংহল বনাম ভারত সরকার মামলার রায়ও বিষয়টি স্পষ্ট করে। আদালত জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৭৯(৩)(বি) ধারা অনুযায়ী বেআইনি কনটেন্ট সরানোর বাধ্যবাধকতা অবশ্যই আদালতের আদেশ অথবা যথাযথ সরকারি নির্দেশনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় রাখতে হবে।

আধুনিক ইন্টারনেট ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনি সুরক্ষা হলো এই সেফ হারবার নীতি। কারণ, এ সুবিধা না থাকলে ব্যবহারকারীদের প্রকাশ করা লাখ লাখ পোস্ট, ভিডিও ও মন্তব্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইনি মামলার মুখোমুখি হতে হতে পারে, এমনকি ওই কনটেন্ট নিজেদের তৈরি না করলেও।

মেটা ও গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক ভিত্তি গড়ে ওঠার পেছনেও এই আইনি সুরক্ষার বড় ভূমিকা রয়েছে। এর ফলে তারা বিপুল পরিমাণ ব্যবহারকারী তৈরি কনটেন্টের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে, অথচ প্রচলিত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের মতো প্রতিটি কনটেন্টের সম্পাদকীয় দায় নিতে হচ্ছে না।

ভারত সরকারের সাম্প্রতিক আলোচনা তাই শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইনি দায়বদ্ধতা নিয়েই নয়; বরং অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বের সীমা নিয়েও নতুন বিতর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমবায়ের মাধ্যমে দেশ গড়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে: হুইপ রকিবুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


সমবায়ের মাধ্যমে দেশ গড়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে: হুইপ রকিবুল

খুলনায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে। রবিবারের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে ছিল পতাকা উত্তোলন, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সমবায় পণ্য মেলা এবং শ্রেষ্ঠ সমবায়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম।

দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষ্যে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘করবো সমবায়, গড়বো দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ বলে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম। তিনি বক্তব্যে বলেন, দেশের সামগ্রিক পরিবর্তন সম্ভব যদি সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। সমবায়ের মাধ্যমে দেশ গড়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সমবায়ের মূলনীতি হলো সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যাওয়া, যাতে কাউকে পিছিয়ে না রাখা হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সমবায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। তরুণ-তরুণীদের চাকরির আশায় বসে না থেকে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে সমবায়ের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা থাকবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ, পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক, ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন।

প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক মো. নূরুন্নবী। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। আলোচনা সভায় জানানো হয়, খুলনা জেলায় বর্তমানে নিবন্ধিত সমবায় সমিতির সংখ্যা ২ হাজার ১৯টি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জেলার সাতটি শ্রেষ্ঠ সমবায় সমিতিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এর আগে শহিদ হাদিস পার্ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সমবায় বিভাগ ও জেলা সমবায় ইউনিয়ন যৌথভাবে দিবসটির আয়োজন করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এসেছে: টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এসেছে: টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান সকলকে শেখাচ্ছেন কীভাবে জনগণের জন্য কাজ করতে হয় এবং জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করার দায়িত্ব নিতে হয়। "জনগণ আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা নিয়মের মধ্যে থেকে যথাযথভাবে পালন করতে হবে।"

রোববার (০৮ নভেম্বর) বিকেলে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে টাঙ্গাইল শহীদ মিনারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, স্বাধীনতার পর মানুষ আশা করেছিল দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে এবং বাক্‌স্বাধীনতা ফিরে পাবে। কিন্তু শেখ মুজিব মানুষের বাক্‌স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। এসব অনাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিপাহী-জনতার বিপ্লব ঘটিয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সেই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, ডিসেম্বরে একটি দলের নেত্রী আসবেন বলে শোনা যাচ্ছে। স্বাধীনতার পর অনেক গণআন্দোলন হয়েছে। তবে এই প্রথম কোনো আন্দোলনে তাদের নেতাকর্মীরা যে অবস্থায় ছিলেন, সেভাবেই ওপারে পালিয়ে গেছেন। "এপারে আসতে হলে তাদের ফিটফাট হয়ে আসতে হবে। বিষয়টি এত সহজ নয়।" গ্রামের ভাষায় যাকে ফাঁকা আওয়াজ বলে, তারা এমন আওয়াজ দিচ্ছে। এদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনো ষড়যন্ত্র করতে না পারে। "আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো অপশক্তিই ষড়যন্ত্রে সফল হতে পারবে না।"

দলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে পর্যায়ক্রমে মূল্যায়ন করা হবে। "কেউ মূল্যায়নের বাইরে থাকবেন না। তবে প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পালন করতে হবে।" কারও কর্মকাণ্ডের কারণে দল যেন বদনামের শিকার না হয়, জনগণ যেন কোনো দুর্ভোগে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। "জনগণ যেন বলতে না পারে, বিএনপির নেতাকর্মীদের কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন।"

তিনি বলেন, জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে তাদের সেবা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য। "জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।" নির্বাচনের আগেও বলেছি, টাঙ্গাইলে সর্বোচ্চ উন্নয়ন করব, ইনশাআল্লাহ। "কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যে-ই এসব অপরাধে জড়িত থাকুক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব। এসময় ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলাসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যাটকোর বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


অ্যাটকোর বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) বার্ষিক সাধারণ সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অঞ্জন চৌধুরী। এতে সংগঠনের সদস্য, কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সংগঠনের পূর্ববর্তী কার্যক্রম, সাংগঠনিক অগ্রগতি, আর্থিক প্রতিবেদন এবং দেশের টেলিভিশন সম্প্রচার খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়াও, সদস্যদের মতামত ও প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং টেলিভিশন শিল্পের উন্নয়নে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যাটকোর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অঞ্জন চৌধুরী, সহ-সভাপতি কাজী জাহেদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম এবং কোষাধ্যক্ষ জহিরুদ্দিন মাহমুদ মামুন।

কমিটির পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোস্তফা কামাল, আলহাজ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী, মো. জসিম উদ্দিন, মো. লিয়াকত আলী খান মুকুল, টিপু আলম মিলন, মো. হাসান, নাভিদুল হক, শামীম ইসলাম এবং সৈয়দ সামাদুল হক।

নবনির্বাচিত কমিটির নেতারা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার, সদস্য টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বার্থ ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষা করার এবং দেশের সম্প্রচার শিল্পের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সভায় উপস্থিত সদস্যরা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও সমন্বয় বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%