প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে একই পে স্কেল পেতে যাচ্ছেন।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে যে বৈষম্য বিদ্যমান ছিল, সেটি দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং সকলকে একই পে স্কেলের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শিগগিরই এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নতুন পে স্কেল লাভ করবেন।
তিনি আরও জানান, এই বছর সরকার সর্বাধিক বাজেট পেয়েছে এবং সবাই নতুন পে স্কেল পেতে যাচ্ছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দুর্বলতা দূর করে সকলের জন্য একই পে স্কেল নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
শিক্ষার ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থা একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। বর্তমান বিশ্ব একটি গ্লোবাল ভিলেজ হয়ে উঠেছে এবং প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ প্রযুক্তির অপব্যবহার করা যাবে না।
তিনি জানান, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশ থেকে ৩৪৭ জন স্থান পেয়েছেন। এসব বিজ্ঞানীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখেছেন, তাদের নিয়ে কাজ করতে চায় সরকার। তবে গবেষণার নামে কোনো ধরনের প্লেজিয়ারিজম বা অন্যের গবেষণা চুরি গ্রহণযোগ্য হবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, তিনি চান সকলেই গবেষণা করবেন। তিনি আশা করেন, শিক্ষকদের শিক্ষকতা করার পর সবাই গবেষণায় যুক্ত হবেন, অর্থাৎ পিএইচডি করবেন। এটি অত্যন্ত জরুরি। তবে এখনই নয়। লেকচারারশিপ শেষ করার পর, যখন প্রফেসর হবেন, তখনই ধারাবাহিকভাবে এই প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবেন। কারণ সকলেই শিক্ষক হবেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল হবে। তিনি খুশি হয়েছেন যে নাই থেকে এই আইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটাও বুঝতে হবে, এআইকে মিসইউজ করা যাবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন