ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জাবিতে প্রথমবার দেখা মিলল উত্তুরে হনুমান, বিপন্ন প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত


জাবিতে প্রথমবার দেখা মিলল উত্তুরে হনুমান, বিপন্ন প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো দেখা গেছে বিপন্ন প্রজাতির নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুর বা উত্তুরে হনুমানের। বাংলাদেশে এটি ‘যশোরের হনুমান’ নামেও পরিচিত।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার (ডব্লিউআরসি) সংলগ্ন এলাকায় প্রাণীটিকে দেখতে পান বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী।

রসায়ন বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন সুমন, কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার এলাকার পাশ দিয়ে ক্যাম্পাসের মনপুরা এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তারা প্রাণীটিকে দেখতে পান এবং এর ভিডিও ধারণ করেন।

আরও পড়ুন: দুই দশকের বন্ধন, স্মৃতির টানে মিলনমেলা: চাঁদপুরে বি.এন.ডি. ফোরামের ২০ বছর পূর্তি উৎসব

শাহাদাত হোসেন সুমন বলেন, ‘আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে মনপুরার দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারের কাছাকাছি প্রাণীটিকে দেখতে পাই। পরে আমরা এর ভিডিও ধারণ করি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান জানান, জাবিতে আগে কখনো হনুমান দেখা যাওয়ার রেকর্ড নেই। মাঝে মাঝে ক্যাম্পাসে বানর দেখা গেলেও এ ধরনের হনুমান এর আগে দেখা যায়নি।

তিনি জানান, জাবিতে দেখা প্রাণীটি নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুর বা যশোরের হনুমান নামে পরিচিত। এ প্রজাতির মূল উৎস বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলায় রয়েছে।

মনিরুল এইচ খান বলেন, বাংলাদেশে তিন প্রজাতির হনুমান রয়েছে। এটি একটি আরবান হনুমান। বন্যপ্রাণী হলেও এটি সাধারণত বনে থাকে না, বরং বসতিপূর্ণ এলাকায় থাকে।

আরও পড়ুন: যশোরে ইঞ্জেকশন পুশ করে হত্যা, মরদেহ নদীতে ফেলা

মানুষের খাবার এবং মানুষের লাগানো গাছপালার ফল ও ফসল খাওয়ার কারণে এরা প্রায়ই লোকালয়ে বিচরণ করে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, খাবার বা ফল পরিবহনকারী ট্রাকে উঠে এ প্রাণীগুলো অনেক সময় দূর-দূরান্তে চলে যেতে পারে। ট্রাক গন্তব্যে পৌঁছানোর পর সুযোগ বুঝে নেমে নতুন এলাকায় অবস্থান করতে পারে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখা যাওয়াটিও এভাবেই হয়ে থাকতে পারে।

সম্প্রতি বাগেরহাটের মোংলাতেও এ প্রজাতির একটি হনুমান দেখা গেছে, যেখানে এর আগে প্রাণীটির উপস্থিতির কোনো রেকর্ড ছিল না বলে জানান মনিরুল।

প্রাণীবিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুরের বৈজ্ঞানিক নাম সেমনোপিথেকাস এন্টেল্লাস। বাংলাদেশে এ প্রজাতির হনুমান মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেখা যায়। বিশেষ করে যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলায় এদের উল্লেখযোগ্য আবাসস্থল রয়েছে। এরা সাধারণত মানুষের বসতবাড়ির আশপাশের গাছপালা, বাগান ও ফলের বাগানে বিচরণ করে।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ফের বিক্ষোভের চেষ্টা, পুলিশ সতর্ক

বাংলাদেশের জাতীয় লাল তালিকায় নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুরকে বিপন্ন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। আবাসস্থল সংকট, খাদ্যের অভাব এবং মানুষের সঙ্গে সংঘাত এ প্রজাতির অস্তিত্বের জন্য উল্লেখযোগ্য হুমকি।

জাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আওতাধীন ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান বলেন, প্রাণীটি বন্যপ্রাণী হওয়ায় এটিকে উদ্ধার করে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, আমি আমার টিমকে যথাসম্ভব চেষ্টা করতে বলব, যাতে নির্দিষ্ট এলাকায় খোঁজ করে এটিকে উদ্ধার করা যায়।

আরও পড়ুন: সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে জামাত-শিবির ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খান

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় ১১ গুণ বেশি: গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


নারীদের রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় ১১ গুণ বেশি: গবেষণা

দেশের গ্রামীণ নারীদের মধ্যে রক্তস্বল্পতার উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে এক গবেষণায়। স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা নারীদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশ রক্তস্বল্পতায় আক্রান্ত রয়েছে। অন্যদিকে, পুরুষদের মধ্যে এ হার ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশ। এর মানে হলো, নারীদের রক্তস্বল্পতায় আক্রান্ত হওয়ার হার পুরুষদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষ করে, মাঝারি মাত্রার রক্তস্বল্পতায় নারীদের ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় ১১ দশমিক ৫৩ গুণ বেশি।

গবেষণাটি চট্টগ্রাম বিভাগের চারটি গ্রামীণ ইউনিয়নে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা প্রাপ্তবয়স্কদের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরিচালিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘হেলথ সায়েন্স রিপোর্টস’-এ গত ১০ অক্টোবর প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, হিমোগ্লোবিন পরীক্ষার তথ্য পাওয়া ৪৫৯ জনের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন।

গবেষণায় নারীদের মধ্যে রক্তস্বল্পতায় আক্রান্তের হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। পুরুষদের ক্ষেত্রে তা ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে ২৭ শতাংশ মৃদু, ২৯ দশমিক ৬ শতাংশ মাঝারি এবং ২ দশমিক ৬ শতাংশ তীব্র রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নারীদের মৃদু রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় ২ দশমিক ৫১ গুণ এবং মাঝারি রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি ১১ দশমিক ৫৩ গুণ বেশি। এছাড়া, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের তুলনায় কম ওজনের ব্যক্তিদের মাঝারি মাত্রার রক্তস্বল্পতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩ দশমিক ৪২ গুণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের রক্তস্বল্পতার অন্যতম কারণ পুষ্টিহীনতা, মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, কম বয়সে বিয়ে ও মাতৃত্ব। গর্ভাবস্থা এবং সন্তান জন্মদানের সময় শরীরে পুষ্টির চাহিদা বেড়ে গেলেও অনেক নারী প্রয়োজনীয় আয়রন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার পান না। ফলে রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি বাড়ে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আফসানা হাবিব শিউলী গণমাধ্যমকে বলেন, "নারীদের পুষ্টির চাহিদা অনুযায়ী খাবার নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য পুষ্টিবিষয়ক শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়াতে হবে।"

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব রক্তস্বল্পতার কারণ আয়রনের অভাব নয়। ফলেট ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, সংক্রমণ এবং বংশগত রক্তরোগের কারণেও এ সমস্যা হতে পারে। তাই রক্তস্বল্পতা শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে কারণ নির্ণয় করা জরুরি।

গবেষণার সহগবেষক ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, "গ্রামীণ নারীদের নিয়মিত রক্তের হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে কিশোরী, সন্তান ধারণের বয়সী নারী ও গর্ভবতীদের। পাশাপাশি আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের বড়ি গ্রহণ এবং চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, "খাবারের তালিকায় মাছ, মাংস, ডিম, ডাল ও শাকসবজি রাখতে হবে। আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে ভিটামিন সি-যুক্ত ফল খেলে শরীরে আয়রন শোষণে সহায়তা হয়। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নিরাপদ মাতৃত্ব এবং সন্তান জন্মদানের মধ্যে যথেষ্ট বিরতি নিশ্চিত করাও জরুরি।"

অন্যদিকে, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. সালাহউদ্দিন শাহ গণমাধ্যমকে জানান, "চট্টগ্রাম অঞ্চলে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তের হার বেশি। তাই রক্তস্বল্পতার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।"

তবে গবেষণাটির ফলাফল দেশের সব নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ, তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল প্রায় এক দশক আগে এবং হিমোগ্লোবিন পরীক্ষার তথ্য পাওয়া ৪৫৯ জনকে চূড়ান্ত বিশ্লেষণে রাখা হয়েছিল। গবেষণায় রক্তস্বল্পতার সব সম্ভাব্য কারণও আলাদাভাবে নির্ণয় করা হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রণবীর-সাই পল্লবীর সিনেমার আয় ৩ দিনে ৩৭৫ কোটি রুপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


রণবীর-সাই পল্লবীর সিনেমার আয় ৩ দিনে ৩৭৫ কোটি রুপি

রণবীর কাপুর এবং সাই পল্লবী অভিনীত পৌরাণিক সিনেমা ‘রামায়ণ: পার্ট ওয়ান’ বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মুক্তির দ্বিতীয় দিনে আয় কিছুটা কমলেও, তৃতীয় দিনে সিনেমাটি দুর্দান্তভাবে ফিরে এসেছে। শুধু তাই নয়, তৃতীয় দিনের আয় অনুযায়ী, প্রভাস অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘আদিপুরুষ’কে পিছনে ফেলেছে এটি।

স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (তৃতীয় দিন) ভারতের বাজারে সিনেমাটির নেট আয় হয়েছে ৬৯ কোটি ৮০ লাখ রুপি। এর ফলে ভারতে মুক্তির প্রথম তিন দিনে ছবিটির মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে ১৮২ কোটি ৭০ লাখ রুপি। দেশটিতে সিনেমাটির মোট গ্রস আয় ২১৮ কোটি ২৫ লাখ রুপি।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারেও ‘রামায়ণ’ ভালো ব্যবসা করছে। তৃতীয় দিনে বিদেশের বাজার থেকে ছবিটি আয় করেছে ৬০ কোটি রুপি। ফলে বিদেশে মোট গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১৫৭ কোটি ২৫ লাখ রুপি। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট গ্রস আয় ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

ভাষাভিত্তিক আয়ের হিসাবেও হিন্দি সংস্করণ এগিয়ে রয়েছে। তৃতীয় দিনে ১৯ হাজার ৯২৭টি প্রদর্শনী থেকে হিন্দি সংস্করণ আয় করেছে ৫৩ কোটি রুপি। এছাড়া, ৯০৭টি প্রদর্শনী থেকে কন্নড় সংস্করণে ৬ কোটি ৩০ লাখ, ১ হাজার ৫৮৬টি প্রদর্শনী থেকে তেলুগু সংস্করণে ৬ কোটি এবং ৫৯৩টি প্রদর্শনী থেকে মালয়ালাম সংস্করণে আয় হয়েছে ২ কোটি রুপি।

মুক্তির প্রথম দিনে ভারতের বাজারে সিনেমাটি ৬৪ কোটি ৮৫ লাখ রুপি আয় করেছিল। তবে দ্বিতীয় দিনে সেই আয় কমে ৪৮ কোটি ৫ লাখ রুপি হয়েছে। উৎসবকেন্দ্রিক ব্যস্ততার কারণে দ্বিতীয় দিনের আয়ে প্রভাব পড়েছিল বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য বিশ্লেষক তরণ আদর্শ। তিনি শনিবার ইনস্টাগ্রামে জানান, দীপাবলির আগের ব্যস্ততা দর্শক উপস্থিতিতে প্রভাব ফেললেও সন্ধ্যার প্রদর্শনীগুলোতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো সাড়া পাওয়া যায়।

তৃতীয় দিনের আয় নিয়ে ‘রামায়ণ’কে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া প্রভাস অভিনীত ‘আদিপুরুষ’ মুক্তির তৃতীয় দিনে ভারতের বাজারে ৬৯ কোটি ১০ লাখ রুপি আয় করেছিল। বিপরীতে একই দিনে ‘রামায়ণ’ আয় করেছে ৬৯ কোটি ৮০ লাখ রুপি। অর্থাৎ তৃতীয় দিনের আয়ের হিসাবে ৭০ লাখ রুপি ব্যবধানে ‘আদিপুরুষ’কে ছাড়িয়ে গেছে নতুন সিনেমাটি।

প্রায় ৪ হাজার কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত ‘রামায়ণ’কে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম উচ্চাভিলাষী আয়োজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। মুক্তির আগে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। গত ২৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত সিনেমাটিতে রামের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর, সীতার ভূমিকায় সাই পল্লবী এবং রাবণের চরিত্রে রয়েছেন যশ। এছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানি দেওল, রবি দুবে, লারা দত্তসহ অনেকে।

মুক্তির প্রথম তিন দিনের আয় বলছে, ‘রামায়ণ’কে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ বেশ জোরালো। এখন দেখার বিষয়, পরবর্তী দিনগুলোতেও বক্স অফিসে এই সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে পারে কি না সিনেমাটি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেমন্তের ভোরে উত্তরের জেলায় শীতের আগমন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


হেমন্তের ভোরে উত্তরের জেলায় শীতের আগমন

কার্তিক মাসের শেষ সপ্তাহের শুরুতে রয়েছে। ভোরের প্রকৃতি মিহিন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে। শিশিরের বিন্দু ঘাসের ঢগায় মুক্তার মতো জ্বলজ্বল করছে। পূবের আকাশে লাল সূর্য উঁকি দিলে, তার মিষ্টি রোদ শিশির বিন্দুতে পড়লে সৌন্দর্য প্রকৃতিজুড়ে আলোড়ন তোলে।

এমন প্রকৃতি বর্তমানে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বিরাজমান। ঋতুর পালাবদলের প্রক্রিয়ায় এখানে শীত পড়তে শুরু করেছে। দিনের বেলায় কড়া রোদ থাকলেও সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত বেশ ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। শীত আসলে সাধারণত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এ জেলায় থাকে।

আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) সকালে জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের সর্বনিম্ন। এর আগে গত ২৭ অক্টোবর এ জেলায় তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। গতকাল শনিবার তাপমাত্রা ছিল ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, নভেম্বরের মাঝামাঝি শীতের তীব্রতা আরো বাড়বে।

স্থানীয়দের মতে, গত কয়েক দিন ধরে দিনের বেলায় কড়া রোদ বিরাজমান। সন্ধ্যার পর থেকে তাপমাত্রা কমে আসে, ফলে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। রাতে কাঁথা-কম্বল জড়িয়ে ঘুমাতে হচ্ছে। সকালে কখনো হালকা, কখনো মাঝারি কুয়াশায় ঢাকা থাকে ফসলের মাঠসহ পুরো এলাকা।

এদিকে, প্রান্তিক জনপদটির বাসিন্দারা শীতবরণের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন এবং গরম কাপড় বের করতে শুরু করেছেন। শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার পর্যন্ত লেপ-তোশকের দোকানে ভিড় বেড়েছে।

জেলা শহরের বাসিন্দা হারুন অর রশিদ জানান, এখন রাত ও সকালে বেশ ঠাণ্ডা পড়ছে। দিনে আবার ভীষণ গরম। রাতে কাঁথা-কম্বল ছাড়া ঘুমানো সম্ভব নয়।

শহরের ভ্যানচালক রমিজ উদ্দিন বলেন, এখন সকালে বের হলে মোটা কাপড় পরতে হচ্ছে। সামনে শীত আরো বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। তখন আমাদের কষ্টকর পরিস্থিতিতে পড়তে হবে।

শহরের একটি লেপ-তোশকের দোকানের কর্মী মাহফুজ বলেন, শীত বাড়লে লেপ-তোশকের চাহিদা বাড়ে। বর্তমানে কাজের চাপ একটু বেশি। দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় জানান, আবারও তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে অবস্থান করলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

নভেম্বরের মধ্যভাগে শীতের তীব্রতা কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে নতুন ফিচার, ছবি ও ভিডিও পাঠানো যাবে আরও সহজে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


হোয়াটসঅ্যাপে আসছে নতুন ফিচার, ছবি ও ভিডিও পাঠানো যাবে আরও সহজে

হোয়াটসঅ্যাপে ছবি বা ভিডিও পাঠানোর জন্য সাধারণত ফোনের গ্যালারিতে প্রবেশ করে সেটি খুঁজে বের করতে হয়। তবে, এই সমস্যাকে কমানোর জন্য নতুন একটি ফিচার নিয়ে আসছে হোয়াটসঅ্যাপ।

এই ফিচারের মাধ্যমে চ্যাট করার সময় ব্যবহারকারীরা ফোনে সম্প্রতি তোলা বা সংরক্ষিত ছবি ও ভিডিও দেখতে পাবেন।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট গ্যাজেটস ৩৬০-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘রিসেন্ট মিডিয়া সাজেশনস’ (Recent Media Suggestions) নামক এই ফিচারটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।

নতুন ফিচারটি চালু হলে, চ্যাট করার সময় লেখার ঘরের আশপাশে ফোনে সর্বশেষ যুক্ত হওয়া ছবি বা ভিডিও দেখা যাবে। ফলে, ব্যবহারকারীদের বারবার ফোনের গ্যালারিতে ঢুকে খোঁজাখুঁজি করতে হবে না। পছন্দের ছবিতে চাপ দিলেই সেটি পাঠানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

হোয়াটসঅ্যাপ ফিচারটিতে ছবি দেখানোর জন্য দুটি পদ্ধতি পরীক্ষা করছে। কিছু ব্যবহারকারীর চ্যাট লেখার ঘরের ওপরে সাম্প্রতিক ছবির ছোট নমুনা দেখা যেতে পারে, আবার অন্যদের ক্ষেত্রে ক্যামেরার জায়গায় সর্বশেষ ছবির নমুনা প্রদর্শিত হতে পারে।

ছবি পাঠানোর আগে সেটি এডিট করার বা সম্পাদনার সুযোগও থাকবে। ব্যবহারকারীরা ছবিতে কিছু লিখতে পারবেন, স্টিকার যোগ করতে পারবেন কিংবা ক্যাপশন দিতে পারবেন। এরপর তারা নিজের ইচ্ছায় ছবিটি পাঠাতে পারবেন।

শুধু ক্যামেরায় তোলা ছবি নয়, ফোনে সংরক্ষিত স্ক্রিনশট, ডাউনলোড করা ছবি এবং অন্যান্য অ্যাপ থেকে পাওয়া ছবিও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তবে, ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া কোনো ছবি বা ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠানো হবে না।

যারা চ্যাটের মধ্যে এভাবে ছবি দেখাতে আগ্রহী নন, তাদের জন্য ফিচারটি বন্ধ রাখার ব্যবস্থা থাকবে। এজন্য হোয়াটসঅ্যাপের Settings থেকে Chats অপশনে গিয়ে Recent media suggestions নির্বাচন করে সেটি বন্ধ করতে হবে। বন্ধ করার পর চ্যাটে আর এ ধরনের পরামর্শ প্রদর্শিত হবে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে নির্বাচিত কিছু অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন ব্যবহারকারীর জন্য ফিচারটি চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এটি অন্যান্য ব্যবহারকারীদের কাছেও পৌঁছাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%