ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

যশোরে ইঞ্জেকশন পুশ করে হত্যা, মরদেহ নদীতে ফেলা


যশোরে ইঞ্জেকশন পুশ করে হত্যা, মরদেহ নদীতে ফেলা

যশোরের কেশবপুরের ঘের ব্যবসায়ী রঞ্জন মন্ডল (৬০) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দুজনকে গ্রেফতার করেছে।

সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রঞ্জনকে হত্যার পর ইঞ্জেকশন পুশ করে তার মরদেহ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

তবে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালট বাক্সে, অফিসে নয়

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ভাদলিয়া সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতারকৃতদের আটক করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মহিদিয়া মধ্যপাড়ার বিষ্ণুপদ ধরের ছেলে মিঠুন ধর এবং সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাদলিয়া গ্রামের মৃত জব্বার গাজীর ছেলে মো. আব্দুল হান্নান গাজী।

তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন জানান, গত ৭ নভেম্বর মনিরামপুর উপজেলার হেলারঘাট এলাকায় মুক্তেশ্বরী নদী থেকে রঞ্জন মন্ডলের মরদেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি কেশবপুর উপজেলার কালিচরণপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন।

গত ৬ নভেম্বর রঞ্জন বাড়ি থেকে কাটাখালী বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা দেবাশীষ মন্ডল বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

এসআই দেলোয়ার হোসেন আরও জানান, নিহতের মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও স্থানীয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা যায়, ৬ নভেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রঞ্জন মন্ডল কাটাখালী বাজারে পল্লিচিকিৎসক মিঠুন ধরের চেম্বারে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে মিঠুনও নিখোঁজ ছিলেন।

তদন্তে জানা যায়, মিঠুন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ভাদলিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এই কাজে তাকে সহায়তা করছিলেন আব্দুল হান্নান গাজী। পরে অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মিঠুন জিজ্ঞাসাবাদে ইঞ্জেকশন পুশ করে রঞ্জনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন ও আংটি এবং মরদেহ বহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ইঞ্জেকশনের পটও উদ্ধার করা হয়েছে।

কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা জানার চেষ্টা চলছে বলে জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন: দুই দশকের বন্ধন, স্মৃতির টানে মিলনমেলা: চাঁদপুরে বি.এন.ডি. ফোরামের ২০ বছর পূর্তি উৎসব

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পারশার স্বামী আসাদ নূর কিনা, নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ পি.এম


পারশার স্বামী আসাদ নূর কিনা, নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা

সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবীন পূর্ণী বিয়ে করেছেন। তিনি স্বামীর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করেছেন, তবে স্বামীর মুখ ফুল দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। একাধিক ছবিতে এই কাজ করেছেন তিনি। এর ফলে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে বিশদ বিশ্লেষণ।

একদিন যেতে না যেতেই, নেটিজেনদের অনেকেই মন্তব্য করছেন যে, পারশা অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্লগার আসাদ নূরকে বিয়ে করেছেন। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে দুজনের বিভিন্ন পোস্ট, ছবি এবং সময়ের মিল খুঁজে বের করছেন নেটিজেনরা। যদিও গায়িকা এ বিষয়ে এখনও কিছু বলেননি। আসাদ নূরও চুপ রয়েছেন।

নেটিজেনরা ইনস্টাগ্রাম ঘেঁটে বলছেন, দুজনের পোস্টে এমন কিছু মিল পাওয়া যাচ্ছে যা কাকতালীয় হওয়া প্রায় অসম্ভব। আলোচনায় আসাদ নূরের পাঞ্জাবি পরা একটি ছবি উঠে এসেছে। সেই ছবিতে তার পাশে লাল শাড়ির আঁচল দেখা যাচ্ছে। নেটিজেনদের মতে, পারশার প্রকাশ করা বিয়ের ছবিতে তার পরনের শাড়ির আঁচলের সঙ্গে ছবির শাড়ির মিল রয়েছে।

শুধু শাড়ির আঁচল নয়, ছবিতে পুরুষের পোশাকেও মিল খুঁজে পেয়েছেন অনেকে। তাদের দাবি, আসাদ নূরের পরনে থাকা পাঞ্জাবির সঙ্গে পারশার স্বামীর পরনের পাঞ্জাবির সাদৃশ্য রয়েছে। আবার বিয়ে ও ছবি প্রকাশের দিন-তারিখেরও সামঞ্জস্য খুঁজছেন কেউ কেউ।

পারশার জন্মদিন ঘিরেও একটি বিষয় সামনে এনেছেন নেটিজেনরা। তাদের দাবি, জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসাদ নূর পারশার চোখের একটি ছবি প্রকাশ করেছিলেন। তিনি সম্বোধন করেছিলেন প্রিয় বলে। পারশা আগেই জানিয়েছেন, তারা দুজন দুজনকে ‘প্রিয়’ বলে ডাকেন। ফলে অনেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে একে অপরকে অনুসরণ করাও জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আলোচনায় রয়েছে পারশার শ্রীলঙ্কা ভ্রমণের ছবিও। সেপ্টেম্বরে প্রকাশ করা তার কিছু ছবির সঙ্গে আসাদ নূরের প্রকাশিত ছবির মিল খুঁজে পাচ্ছেন নেটিজেনরা। বর্তমানে দুজনেই কলকাতায় রয়েছেন বলেও দাবি অনেকের।

এদিকে, বরের পরিচয় নিয়ে যখন চলছে নানা অনুসন্ধান, তখন পারশা স্বামীর সঙ্গে নতুন আরেকটি ছবি প্রকাশ করেন। এবারও পদ্মফুল দিয়ে ঢেকে রাখেন বরের মুখ। ছবির ক্যাপশনে পুরুষকে ললিপপের সঙ্গে তুলনা করে লেখেন, "মোড়ক উন্মুক্ত থাকলে পিঁপড়ার আগমন অনিবার্য।" তার মতে, ভালো ঘরের পুরুষেরা নিজেদের রূপ-যৌবন প্রকাশ্যে তুলে ধরেন না। স্বামীর পর্দা রক্ষার মধ্যেই স্ত্রীর সম্মান জড়িয়ে রয়েছে।

ছবি, পোশাক এবং সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট- সব মিলিয়ে পারশার স্বামীকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। আসাদ নূরের সঙ্গে পারশা সত্যিকার অর্থেই ঘর বেঁধেছেন কিনা, তা এখনো অস্পষ্ট। এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি দুজনের কেউই। তবে নেটিজেনদের সব হিসাব কি কেবলই জল্পনা? উত্তর এখনো অজানা। পারশার স্বামীর পরিচয় নিয়ে রহস্যের জট কবে খুলবে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা মেডিকেলের রোগীদের জন্য নার্সরা দিলো ১০টি হুইল চেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


ঢাকা মেডিকেলের রোগীদের জন্য নার্সরা দিলো ১০টি হুইল চেয়ার

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের জন্য ট্রলি ও হুইল চেয়ার সংকট একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। এই অব্যবস্থাপনার কারণে জরুরি রোগীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নার্সরা এবার একটি অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে হাসপাতালের ২০১৮ সালের নার্সিং ব্যাচ-২ রোগীদের জন্য ১০টি হুইল চেয়ার উপহার দিয়েছেন এবং বৃক্ষরোপণ করেছেন। উপহারের হুইল চেয়ারগুলো হাসপাতালের পরিচালকের হাতে তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফারুক হোসাইন বলেন, "নার্সিং পেশার মর্যাদা, মানবিক সেবার গুরুত্ব এবং দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবায় নার্সিং কর্মকর্তাদের নিরলস অবদানকে সবার সামনে তুলে ধরাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। রোগীদের সেবায় হুইল চেয়ার উপহার ও বৃক্ষরোপণের মতো মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে এই উদযাপনকে আমরা আরও প্রাণবন্ত করার চেষ্টা করেছি মাত্র।"

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম ফরহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে বলেন, "সেবামূলক পেশায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মূল দায়িত্ব কেবল শারীরিক চিকিৎসা প্রদানই নয়। ভালো সেবা, মিষ্টি কথা, সুন্দর আচরণ এবং আন্তরিক হাসির মাধ্যমে রোগীদেরকে সুস্থ করে তোলা। স্বাস্থ্যসেবা একটি অনন্য দায়িত্ব, যা সবসময় পালন করার চেষ্টা করতে হয়। মানুষের সাথে সদ্ব্যবহার একটি অমূল্য মানবিক গুণ, যার কোনো বিকল্প নেই।"

অনুষ্ঠানে পরিচালক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম, ডেপুটি নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট অনিতা বাড়ই, নার্সিং ২০১৮ সালের ব্যাচ-২ এবং বিপুল সংখ্যক নার্সিং কর্মকর্তা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরব ৯ হাজার ৫৮৯ প্রবাসীকে দেশে ফেরত পাঠালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


সৌদি আরব ৯ হাজার ৫৮৯ প্রবাসীকে দেশে ফেরত পাঠালো

সৌদি আরবের আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের অভিযোগে গত এক সপ্তাহের মধ্যে ৯ হাজার ৫৮৯ জন প্রবাসীকে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে, দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইন লঙ্ঘনের ১১ হাজার ৫৮৭টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) উদ্ধৃতি দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নথিভুক্ত ১১ হাজার ৫৮৭টি অপরাধের মধ্যে ৬ হাজার ৪৩টি আবাসন আইন ভঙ্গের ঘটনা, ৩ হাজার ১৯১টি অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম বা নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং ২ হাজার ৩৫৩টি শ্রম আইন লঙ্ঘনের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ৬৭৮ জন এবং বেআইনি উপায়ে দেশ ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ১৮ জনকে সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেফতার করেছে। এছাড়া, আইন লঙ্ঘনকারী প্রবাসীদের যাতায়াতে পরিবহন সেবা দেওয়া, আশ্রয় প্রদান বা অবৈধভাবে কাজে নিয়োজিত রাখার অভিযোগে ২৯ জন সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে সৌদি আরবে ৩৮ হাজার ৮১৩ জন পুরুষ ও ২ হাজার ২৯৩ জন নারীসহ মোট ৪১ হাজার ১০৬ জন বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তাদের মধ্যে ২৩ হাজার ১৯৩ জনকে ট্রাভেল পারমিট বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের জন্য তাদের নিজ নিজ দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। একইসাথে, ৯ হাজার ১৩৯ জনকে দ্রুত সৌদি ত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং ৯ হাজার ৫৮৯ জনকে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিপোর্ট বা নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

কঠোর সতর্কবার্তা জারি করে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি সৌদি আরবে অবৈধ অনুপ্রবেশে সহায়তা করে, যাতায়াতে যানবাহন প্রদান করে বা থাকার জায়গা ও অন্যান্য সুবিধা দেয়, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে। একইসাথে, অবৈধ ব্যক্তিদের সহায়তায় ব্যবহৃত যানবাহন ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিধানও রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়ায় ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে খুদ্দামুল কুরআনের কুরআন বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


কুষ্টিয়ায় ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে খুদ্দামুল কুরআনের কুরআন বিতরণ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ৫০০ জন মক্তব শিক্ষার্থীর জন্য পবিত্র কুরআনের সবক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশু-কিশোরদের কুরআন শিক্ষায় উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদভিত্তিক মক্তবের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মক্তবে অধ্যয়নরত ৫০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানের সময় তাদের হাতে পবিত্র কুরআন তুলে দেওয়া হয়।

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আবরার জানান, "এখন আমি নিজেই কুরআন পড়তে পারি। প্রতিদিন ভোরে মক্তবে এসে কুরআন শিখতে আমার খুব ভালো লাগে। খুদ্দামুল কুরআনের উদ্যোগে নিয়মিত কুরআন শেখার সুযোগ পাচ্ছি। নিজের একটি কুরআন পেয়ে আমি অনেক খুশি।"

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ বলেন, "স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি কুরআন শিখতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। খুদ্দামুল কুরআন আমাদের মতো শিশুদের কুরআন শেখার সুন্দর সুযোগ করে দিয়েছে। আমি বড় হয়ে পুরো কুরআন শিখতে চাই এবং কুরআনের শিক্ষা অনুযায়ী জীবন গড়তে চাই।"

অভিভাবক এনামুল হাসান আরিফ মন্তব্য করেন, "সন্তানরা স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি মক্তবে কুরআন শিখছে, এটি আমাদের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। খুদ্দামুল কুরআন শিশুদের দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।"

খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি বখতিয়ার হোসাইন সরদার জানান, শিশুদের মধ্যে কুরআন শিক্ষার আগ্রহ বাড়ানো এবং কুরআনের শিক্ষা ও আদর্শের সঙ্গে পরিচিত করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। শৈশব থেকেই দ্বীনি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তারা কাজ করছেন।

বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সাল থেকে পরিচালিত ‘সুবাহী মক্তব’ বর্তমানে দেশের ৩৬টি জেলায় প্রায় ছয় হাজার কেন্দ্রে কার্যক্রম চালাচ্ছে। চলতি বছর এসব মক্তবে প্রায় দুই লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত নিয়মিত পরীক্ষায় আম্মাপারা বিভাগে অংশ নেয় ৪৫ হাজার শিক্ষার্থী। নভেম্বর মাসজুড়ে দেশব্যাপী কুরআন সবক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। কুষ্টিয়ার এই আয়োজন সেই কর্মসূচির অংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%