ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইতিহাস গড়ে তাওহিদ হৃদয় বললেন, দলের জন্য সেরাটা দেওয়ার গুরুত্ব


ইতিহাস গড়ে তাওহিদ হৃদয় বললেন, দলের জন্য সেরাটা দেওয়ার গুরুত্ব

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিলেট টেস্টে রেকর্ড গড়া ইনিংস উপহার দিয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। প্রথম ইনিংসে তিনি অপরাজিত অবস্থায় ২৪২ রান সংগ্রহ করেন। এটি বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের জন্য টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি ডাবল সেঞ্চুরি করার ক্ষেত্রে চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার।

এমন একটি ইনিংসের পর সাধারণত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়া প্রত্যাশিত। তবে, সম্ভবত পুরো দিন ব্যাটিংয়ের চাপের কারণে, গত সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে হাজির হননি হৃদয়। আজ তিনি ক্যামেরার সামনে এসেছেন। সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা আমার স্বপ্ন ছিল। স্বপ্নটা পূরণ হওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। হয়তো আমার প্রত্যাশার চেয়েও একটু আগে পূরণ হয়েছে। সবকিছুর জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’

আরও পড়ুন: রোনালদোর অবসরের ঘোষণায় মরিনিয়োর মন্তব্য: ‘এখনো অনেক লক্ষ্য বাকি’

দল ২২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তিনি ক্রিজে আসেন। এরপর বাংলাদেশ ১৮৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে। সেখান থেকে হৃদয় তার শেষ ২ সঙ্গীকে নিয়ে স্কোরবোর্ডে আরও ২০২ রান যোগ করেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ বিশাল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় ছিল, কিন্তু হৃদয়ের এই ইনিংস দলকে ৩০ রানের লিড এনে দেয়।

হৃদয়ের বার্তা এই ইনিংস নিয়ে পরিষ্কার। তিনি বলেন, ‘আপনি যখন টেস্ট ক্রিকেট খেলবেন, তখন দলের জন্য নিজের সেরাটা দিতে হবে। যখনই কোনো সুযোগ আসবে, সেটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।’

ইনিংসের কৃতিত্বের একটি অংশ তিনি দুই সতীর্থকেও দিয়েছেন। হৃদয় বলেন, ‘তাইজুল ও তাসকিন খুব ভালো খেলেছে। ওরা যেভাবে আমাকে সমর্থন দিয়েছে, তাতে আমি অনেক আত্মবিশ্বাস পেয়েছি।’

সিলেটে হৃদয় তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট খেলছেন। সামনে তার দীর্ঘ পথ রয়েছে। কতদূর যেতে চান, এ বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য উল্লেখ করেননি। তার জবাব ছিল, ‘আপাতত আমার কোনো লক্ষ্য নেই। শুধু দলের যা প্রয়োজন, সেটাই করতে চাই। আগেও বলেছি, যখনই সুযোগ পাই, দলের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করি। ম্যাচের পরিস্থিতি যেমনই হোক, দলের যা প্রয়োজন হবে, আমি সেভাবেই খেলার চেষ্টা করব।’

আরও পড়ুন: গোড়ালির চোটে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ছিটকে গেলেন সাদমান

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনবিআর দুই ভাগ হলে রাজস্ব আদায়ের দক্ষতা বাড়বে কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


এনবিআর দুই ভাগ হলে রাজস্ব আদায়ের দক্ষতা বাড়বে কি?

আগামী সংসদ অধিবেশনেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দুই ভাগ করার বিল উত্থাপন করা হচ্ছে। উচ্চপর্যায়ের কমিটি ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া ও পর্যালোচনা শেষে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বিলটি পাস হলে সংস্কার বাস্তবায়নের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হবে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এ সংস্কার কার্যকর হলে কর প্রশাসনে দীর্ঘমেয়াদে গতিশীলতা ফিরবে এবং সুশাসন নিশ্চিত হবে। তবে এনবিআরের দক্ষতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি ও কর আদায়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে এনবিআরকে দুই ভাগ করার দাবি জানিয়ে আসছেন বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরা। এ সংস্কারের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পক্ষ থেকেও চাপ রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার এ উদ্যোগ নিলেও আয়কর ও শুল্ক ক্যাডার কর্মকর্তাদের আন্দোলনের কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। পরে ক্ষমতায় এসে বিএনপি সরকার রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে নতুনভাবে উত্থাপনের জন্য ‘সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করে।

কমিটির প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি নীতি বিভাগ গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। বাস্তবায়ন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয়ার জন্য অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।

কে এ ডিজাইন ওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আক্তার হোসেন মন্তব্য করেন, "কর নির্ধারণের দায়িত্ব একটি বিভাগের হাতে এবং তা আদায়ের দায়িত্ব অন্য বিভাগের হাতে থাকলে স্বচ্ছতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "সরকার একসঙ্গে পাঁচ বছরের কর ও ভ্যাট আদায় করতে চাইলেও ব্যবসায়ীরা তা সঠিকভাবে দিতে রাজি আছেন। তবে আমাদের প্রত্যাশা, কোনো ধরনের বাধা বা হয়রানি ছাড়াই নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারব। এতে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন হবে।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য পাওনা পাবেন এবং দেশের উন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে। এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিও পুরোপুরি নেয়া সম্ভব হবে।" বর্তমানে রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়ায় যে বাধাগুলো রয়েছে, সেগুলো দূর করা গেলে এ লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিবিএ) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাইফুর রহমান ফরহাদ বলেন, "করদাতারা সময়মতো কর দিয়ে ব্যবসা করতে চান। তবে কিছু ব্যবসায়ী অনিয়ম করলেও তার দায় সবার ওপর চাপানো ঠিক নয়।" তিনি আরও বলেন, "কিছু অনিয়মের কারণে পুরো ব্যবসায়ী সমাজকে নেতিবাচকভাবে দেখা বা কর ব্যবস্থায় জটিলতা তৈরি করা উচিত নয়। ব্যবসায়ীরা কর দিতে চান। তবে আইনের অপপ্রয়োগে কোনো ব্যবসা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।"

কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আগামী ৯ নভেম্বর বসতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনেই বিলটি প্রস্তাব আকারে উত্থাপন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সংস্কার বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘমেয়াদে কর প্রশাসনে গতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত হবে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, "কর প্রশাসন ও করনীতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়োগ এবং পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কর প্রশাসন ও নীতি বিভাগ গঠন করতে হবে। নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হলে যারা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সুযোগ পাচ্ছেন না, তারাও নতুন কাঠামো মেনে নেবেন। কারণ, তারা বুঝতে পারবেন, তাদের চেয়ে যোগ্য ব্যক্তিরাই দায়িত্ব পেয়েছেন।"

সংসদে বিলটি পাস হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে আরও সময় লাগতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ পি.এম


২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলামে একটি শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, দেশের বিভিন্ন স্থানে মিড-ডে মিল কর্মসূচি সম্প্রসারণ, ক্লাসরুমে প্রযুক্তির ব্যবহারসহ প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়ন ও সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তিনি বিস্তারিত জানান।

২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম ও শিখনপদ্ধতি

প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি পরিমার্জিত ও উন্নত কারিকুলাম প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-কে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। নতুন কারিকুলামে বিদ্যালয়ভেদে শিখন ঘণ্টার বৈষম্য দূর করা, প্রতিটি বিষয়ের পাঠদান ও শিখন উপকরণকে আরও বিজ্ঞানসম্মত, সহজবোধ্য ও বয়সোপযোগী করে আকর্ষণীয় করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন শ্রেণিকক্ষে খেলতে খেলতে পড়াশোনা করতে পারে, সে ধরনের আনন্দময় পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি খেলাধুলার উপযোগী বিভিন্ন শিক্ষণীয় খেলনার মাধ্যমে শিক্ষকদের দিয়ে আরও সহজ উপায়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা সম্ভব হবে।

এছাড়া বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ব্যবহারিক শিখন কার্যক্রমে বিশেষ জোর দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৭ সালে সারা দেশে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি

শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি ধরে রাখা এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় এই কর্মসূচি সফলভাবে চালু রয়েছে। বাকি উপজেলাগুলোতে এর আওতা বাড়ানোর জন্য একটি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরির কাজ চলছে। আগামী ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিশুর জন্য দুপুরের পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

খাবারের মান ও বিতরণের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, মায়েদের সমন্বয়ে গঠিত ‘মাদার্স কমিটি’র মাধ্যমে খাবার গ্রহণ ও বিতরণ কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে। এছাড়া জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের উদ্যোগ

শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ এবং ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ উদ্যোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি কেবল একটি ডিভাইস বিতরণের প্রকল্প নয়। গুগলসহ বৈশ্বিক বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় আমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি। যার মূল কানেক্টর হিসেবে শিক্ষকদের হাতে ট্যাব পৌঁছানো হবে।

তিনি বলেন, এটি একটি সুসংহত কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কোনো শ্রেণিকক্ষে সিলেবাস শেষ হতে সমস্যা হচ্ছে কি না কিংবা শিক্ষার্থীরা কোথায় বুঝতে পারছে না, তা তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরিং করা সম্ভব হবে।

এছাড়া দেশের যেসব দুর্গম অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, সেখানে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যৌথ সমঝোতার ভিত্তিতে সোলার প্যানেল স্থাপন ও ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে জোর

শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কেবল বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে এসে প্রকৃত অর্থে শিখছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। নির্দিষ্ট একটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটিয়ে অন্য ক্ষেত্রগুলোকে উপেক্ষা করলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। তাই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো শুধু ভবননির্ভর হলে চলবে না; শ্রেণিকক্ষ, আসবাবপত্র, শৌচাগার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা শিশুদের উপযোগী করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও শিশুবান্ধব শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীভাঙনপ্রবণ ও পাহাড়ি অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো জেলা ইজতেমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো জেলা ইজতেমা

ঠাকুরগাঁওয়ে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমার সমাপ্তি ঘটেছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জেলা সদরের বিসিক শিল্পনগরি এলাকায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে এই ইজতেমার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমা। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। ইজতেমায় আলেম-ওলামা ও তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিরা ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর বয়ান প্রদান করেন।

ইজতেমা চলাকালীন মুসল্লিরা জামাতে নামাজ আদায়, ধর্মীয় আলোচনা ও ইবাদত-বন্দেগিতে সময় কাটান। শেষ দিনে আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করা হয়।

ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিরা বলেন, "মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি সবার জন্য। সবাইকে আল্লাহ যেন হেদায়েত দান করেন। আল্লাহর রাস্তায় ফিরতে সহযোগিতা করেন। সবাই যেন ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারে। মানুষ মানুষের সাথে যেন মিলে মিশে থাকতে পারে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বছরে ৩০০ পরিবার নিশ্চিহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ পি.এম


সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বছরে ৩০০ পরিবার নিশ্চিহ্ন

সড়কে প্রাণহানির চিত্র অত্যন্ত ভয়াবহ! ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনার ফলে প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সংস্থাটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী এবং ১৫৯টি ঘটনায় বাবা-সন্তান নিহত হয়েছেন। এছাড়া, অটোরিকশার ৫২৫টি দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১ হাজার ৭২৮ জন, মাইক্রোবাসের ১৮৬টি দুর্ঘটনায় ৭০৮ জন, প্রাইভেটকারের ১০৮টি দুর্ঘটনায় ৩৫২ জন, অ্যাম্বুলেন্সের ৪৫টি দুর্ঘটনায় ১৬২ জন এবং বাসের ৩২টি দুর্ঘটনায় ৮৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। পিকআপ ভ্যান উল্টে একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

সংস্থাটি পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে যাতায়াত, মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, চালকদের অদক্ষতা এবং বিশ্রামহীনভাবে গাড়ি চালানোকে এসব দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। প্রতিবেদনে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

দুর্ঘটনা কমানোর জন্য মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, মহাসড়কে রোড ডিভাইডার ও সার্ভিস রোড নির্মাণ, নিরাপদ সড়ক নকশা এবং যানবাহন চলাচলে নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%