প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিলেট টেস্টে রেকর্ড গড়া ইনিংস উপহার দিয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। প্রথম ইনিংসে তিনি অপরাজিত অবস্থায় ২৪২ রান সংগ্রহ করেন। এটি বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের জন্য টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি ডাবল সেঞ্চুরি করার ক্ষেত্রে চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার।
এমন একটি ইনিংসের পর সাধারণত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়া প্রত্যাশিত। তবে, সম্ভবত পুরো দিন ব্যাটিংয়ের চাপের কারণে, গত সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে হাজির হননি হৃদয়। আজ তিনি ক্যামেরার সামনে এসেছেন। সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা আমার স্বপ্ন ছিল। স্বপ্নটা পূরণ হওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। হয়তো আমার প্রত্যাশার চেয়েও একটু আগে পূরণ হয়েছে। সবকিছুর জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’
দল ২২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তিনি ক্রিজে আসেন। এরপর বাংলাদেশ ১৮৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে। সেখান থেকে হৃদয় তার শেষ ২ সঙ্গীকে নিয়ে স্কোরবোর্ডে আরও ২০২ রান যোগ করেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ বিশাল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় ছিল, কিন্তু হৃদয়ের এই ইনিংস দলকে ৩০ রানের লিড এনে দেয়।
হৃদয়ের বার্তা এই ইনিংস নিয়ে পরিষ্কার। তিনি বলেন, ‘আপনি যখন টেস্ট ক্রিকেট খেলবেন, তখন দলের জন্য নিজের সেরাটা দিতে হবে। যখনই কোনো সুযোগ আসবে, সেটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।’
ইনিংসের কৃতিত্বের একটি অংশ তিনি দুই সতীর্থকেও দিয়েছেন। হৃদয় বলেন, ‘তাইজুল ও তাসকিন খুব ভালো খেলেছে। ওরা যেভাবে আমাকে সমর্থন দিয়েছে, তাতে আমি অনেক আত্মবিশ্বাস পেয়েছি।’
সিলেটে হৃদয় তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট খেলছেন। সামনে তার দীর্ঘ পথ রয়েছে। কতদূর যেতে চান, এ বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য উল্লেখ করেননি। তার জবাব ছিল, ‘আপাতত আমার কোনো লক্ষ্য নেই। শুধু দলের যা প্রয়োজন, সেটাই করতে চাই। আগেও বলেছি, যখনই সুযোগ পাই, দলের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করি। ম্যাচের পরিস্থিতি যেমনই হোক, দলের যা প্রয়োজন হবে, আমি সেভাবেই খেলার চেষ্টা করব।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন