ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

আলিবাবায় যুক্ত হলো স্টেপের জুতা, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য নতুন সুযোগ


আলিবাবায় যুক্ত হলো স্টেপের জুতা, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য নতুন সুযোগ

বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড স্টেপ ফুটওয়্যার আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিশ্বখ্যাত বিটুবি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম আলিবাবা ডট কমে ভেরিফায়েড সাপ্লায়ার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির পণ্য, ব্র্যান্ড পরিচিতি ও উৎপাদন সক্ষমতা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

গত ১ নভেম্বর ঢাকার উত্তরায় স্টেপ ফুটওয়্যারের প্রধান কার্যালয়ে আলিবাবা ডট কমের বাংলাদেশি অফিসিয়াল চ্যানেল পার্টনার ম্যাক্সিমো ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিতে স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির এবং ম্যাক্সিমো ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা নাঈম হোসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলি গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান, পরিচালক আয়মান জামান এবং ম্যাক্সিমো ইন্টারন্যাশনালের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট লিড মুস্তাক-উল আলমসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল হারলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আসবে

আলিবাবা ডট কমে ভেরিফাইড সাপ্লায়ার হিসেবে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে স্টেপ ফুটওয়্যার আন্তর্জাতিক ডিজিটাল বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মে নিজেদের পণ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা তুলে ধরার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আমদানিকারক, পাইকারি ক্রেতা ও সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং নতুন বাজার অনুসন্ধানের সুযোগ তৈরি হবে।

স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, ‘আলিবাবা ডট কমের মতো আন্তর্জাতিক বিটুবি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়া স্টেপ ফুটওয়্যারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে আমাদের পণ্য ও ব্র্যান্ড পরিচিতি তুলে ধরার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশাবাদী, এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবসায়িক পরিসর আরও সম্প্রসারিত হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল হারলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আসবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল হারলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আসবে

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ৩ নভেম্বর। এই নির্বাচনের ফলাফল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নির্ধারণ করবে এবং প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরকে প্রভাবিত করবে।

ডেমোক্র্যাটদের চারটি আসন বাড়াতে হবে রিপাবলিকানদের বর্তমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা উল্টে দিতে। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের আসন সংখ্যা ২১৮-২১৪ এবং সিনেটে ৫৩-৪৭। জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি, কিন্তু সিনেটের প্রতিযোগিতা এখনও কঠিন।

ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার জনপ্রিয়তা বর্তমানে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ফলে এবারের নির্বাচন ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তবে, যদি ডেমোক্র্যাটরা এক বা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণও পায়, তবুও ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা এবং ব্যাপক নির্বাহী কর্তৃত্ব বজায় থাকবে। এর ফলে বড় ধরনের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতা সীমিত থাকবে।

বিশ্লেষক, রাজনৈতিক কৌশলবিদ এবং অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, ২০২৭ সালে ঋণসীমা বাড়ানো এবং সরকারি অর্থায়ন নিয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিরোধ দেখা দিতে পারে।

নিচে সম্ভাব্য প্রধান পরিস্থিতি এবং সেগুলো ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি, কংগ্রেস ও অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা তুলে ধরা হলো।

ডেমোক্র্যাটরা সিনেট নয়, প্রতিনিধি পরিষদে জিতলে

প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ৫ থেকে ২০ আসন

ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের কমিটিগুলোর নিয়ন্ত্রণ, সমন জারির ক্ষমতা এবং ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনার সুযোগ পাবে।

কংগ্রেসের সমনের মুখে পড়া ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা তা অমান্য করতে পারেন। কারণ, ট্রাম্পের নিয়োগ দেওয়া কর্মকর্তাদের নেতৃত্বাধীন বিচার বিভাগ (জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট) এসব সমন কার্যকর করার উদ্যোগ নেবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

শুল্কনীতি, অভিবাসন ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা এবং ব্যাপক নির্বাহী কর্তৃত্ব বজায় থাকবে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গত ২০ অক্টোবর বলেন, ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রতিনিধি পরিষদ ট্রাম্পের কর্মসূচি আটকে দেয়ার ক্ষেত্রে ‘তেমন কিছু’ করতে পারবে না।

সিনেটে রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের অধিকাংশ অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ আটকে দেবে।

স্বাস্থ্যসেবা, গর্ভপাতের অধিকার, আবাসন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ডেটা সেন্টার নিয়ে ডেমোক্র্যাটরা প্রতীকী বা জনমত তৈরির উদ্দেশ্যে কিছু বিল পাস করতে পারবে। তবে সেগুলোর কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

২০২৭ সালে ঋণসীমা, বাজেট এবং সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ দেখা দিতে পারে।

প্রভাব: শুনানি ও সমন জারির মাধ্যমে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে। তবে নীতিনির্ধারণে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। বিশ্লেষকদের ধারণা, গ্রীষ্মের মধ্যেই ঋণসীমা নিয়ে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে, যা আর্থিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলতে পারে। গত দুই বছরে কংগ্রেসকে অনেকাংশে পাশ কাটিয়ে যেভাবে ট্রাম্প তার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন, আগামী দিনেও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সেই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ২১ থেকে ৪০ আসন

নেতৃত্বের হাতে দলীয় ভিন্নমত সামাল দিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ বাড়বে।

নতুন নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যা বাড়বে। তাদের মধ্যে প্রগতিশীল রাজনীতির সমর্থকরা বেশি থাকলে ট্রাম্পকে অভিশংসনের দাবিও জোরালো হতে পারে।

শুল্কনীতি ও ইরান যুদ্ধের মতো ইস্যুতে কিছু রিপাবলিকান ট্রাম্পের অবস্থান থেকে সরে আসতে পারেন। জনমত জরিপে এসব বিষয়ে ট্রাম্পের নীতির প্রতি অসন্তোষ দেখা গেছে।

ডেমোক্র্যাটদের বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাজেট ও ঋণসীমা নিয়ে আলোচনায় তাদের অবস্থান শক্তিশালী করবে। ফলে রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছাড় আদায় সহজ হতে পারে।

স্বাস্থ্যসেবা, গর্ভপাতের অধিকার এবং জীবনযাত্রার ব্যয়সংক্রান্ত বিল পাসের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের ভোট বাড়বে এবং সিনেটের রিপাবলিকানদের কঠিন অবস্থানের মুখে পড়তে হবে।

প্রভাব: মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা, ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করা এবং ডেটা সেন্টারবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে ডেমোক্র্যাটরা বিভিন্ন বিল পাস করতে পারে। তবে সিনেটে রিপাবলিকানদের বাধা এবং ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতার কারণে বড় ধরনের আইনগত পরিবর্তন আনা কঠিন হবে।

ট্রাম্প নির্বাহী পদক্ষেপের মাধ্যমে তার কর্মসূচি বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখতে পারবেন। পাশাপাশি ঋণসীমা নিয়ে বিরোধের আশঙ্কাও থাকবে।

ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে জয় এবং সিনেটে সমান ৫০-৫০ আসন পেলে

সিনেটে রিপাবলিকানরাই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখবে। কারণ, সমান ভোট হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সিদ্ধান্তমূলক ভোট দিতে পারবেন।

পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান এবং কয়েকজন মধ্যপন্থি রিপাবলিকানের মতো নিজ দলের অবস্থানের বাইরে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, এমন কয়েকজন সিনেটর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠতে পারেন।

ঋণসীমা ও বাজেট নিয়ে বিরোধ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠবে। কারণ, কোনো দলই নিজ দলের সদস্যদের ভোট হারানোর ঝুঁকি নিতে চাইবে। ফলে অল্প কয়েকজন সিনেটরের হাতেই সমঝোতা চূড়ান্ত করা বা বিলম্বিত করার ক্ষমতা চলে যেতে পারে।

প্রভাব: ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। অর্থনৈতিক, বিচার বিভাগীয় ও রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে অল্প কয়েকজন সুইং সিনেটরের ভোটই চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করতে পারে। ভ্যান্সের সিদ্ধান্তমূলক ভোটের কারণে ট্রাম্প তার মনোনীত ব্যক্তিদের সিনেটে অনুমোদন করিয়ে নিতে পারবেন। একই সঙ্গে শুল্কনীতি, অভিবাসন ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্তগুলো অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণহীন থাকবে।

ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষে জিতলে

শুধু প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার তুলনায় সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার প্রভাব আরও বেশি হতে পারে। কারণ, বিচারপতি নিয়োগ, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ এবং রাষ্ট্রদূত মনোনয়নের অনুমোদন সিনেটের হাতে থাকে।

সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ২ আসন

ডেমোক্র্যাটরা সিনেটের কমিটি এবং অধিবেশনের কার্যসূচির নিয়ন্ত্রণ পাবে।

তারা ট্রাম্পের মনোনীত অনেক বিচারপতির নিয়োগ আটকে দিতে পারে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে কোনো পদ শূন্য হলে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যন্ত সেই পদ পূরণের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা করতে পারে।

জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরুর আগে রিপাবলিকানরা দ্রুততার সঙ্গে নিজেদের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ অনুমোদন করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা ও নির্বাহী কর্তৃত্ব বজায় থাকবে। ‘ফিলিবাস্টার’ নামে সিনেটের একটি নিয়মের কারণে অধিকাংশ বিল পাস করতে ৬০টি ভোট প্রয়োজন হয়। এই নিয়মের মাধ্যমে সংখ্যালঘু দল কোনো বিল আটকে দিতে বা বিলম্বিত করতে পারে। ফলে বড় ধরনের আইন পাস করা কঠিনই থাকবে।

উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের ঋণসীমা ও বাজেট নিয়ে আলোচনায় দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়াবে। তবে আর্থিক অচলাবস্থার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

প্রভাব: ট্রাম্পের নিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ওপর ডেমোক্র্যাটরা উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। তবে সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা, ফিলিবাস্টার নিয়ম এবং ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতার কারণে বড় ধরনের আইনগত সাফল্য সীমিত থাকবে।

সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ৪ থেকে ৬ আসন

দলীয় নেতৃত্ব আর একক কোনো সিনেটরের ওপর অতটা নির্ভরশীল থাকবে না। কয়েকজন সদস্য ভিন্নমত দিলেও ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।

শুল্কনীতি, ডেটা সেন্টার, স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার বিষয়ে ডেমোক্র্যাটরা বিল পাসের চেষ্টা করতে পারবে। এসব বিল ট্রাম্পের সামনে পাঠানো হলে তাকে ভেটো দিতে হতে পারে।

এ ধরনের ভেটো-সংক্রান্ত রাজনৈতিক লড়াই ২০২৮ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ডেমোক্র্যাটদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়া অনেকাংশে থমকে যেতে পারে।

প্রভাব: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় এবং ডেটা সেন্টার নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগ মোকাবিলায় ডেমোক্র্যাটদের বিল পাসের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে রিপাবলিকানদের ওপর চাপও বাড়বে।

তবে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ আইন আটকে দেওয়ার ক্ষমতা ট্রাম্পের হাতে থাকবে। বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ভোটাররা শুধু ট্রাম্পের বিরোধিতা নয়, বরং অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানেও ডেমোক্র্যাটদের কাছ থেকে কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করবে।

অন্যদিকে, ট্রাম্পও রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের সামনে দাঁড় করানোর সুযোগ পাবেন। ওয়াশিংটনের ব্যর্থতার দায় ডেমোক্র্যাটদের ঘাড়ে দিতে পারবেন এবং অর্থনৈতিক সমস্যা ও উচ্চমূল্যের জন্য তাদের দায়ী করতে পারেন।

সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ৮ বা তার বেশি আসন

ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে স্পষ্ট জনসমর্থন পাওয়ার দাবি করতে পারবে। তারা বলতে পারে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দুই বছরের শাসনব্যবস্থার প্রতি ভোটাররা অনাস্থা প্রকাশ করেছেন।

সরকারি অর্থায়ন ও ঋণসীমা নিয়ে রিপাবলিকান এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে আলোচনায় ডেমোক্র্যাটরা সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট বিল পাসের জন্য তাদের হাতে পর্যাপ্ত ভোট থাকবে।

তবে ‘ফিলিবাস্টার’ অতিক্রম, প্রেসিডেন্টের ভেটো বাতিল কিংবা প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে অভিশংসন করলে সিনেটে তাকে দোষী সাব্যস্ত করার মতো পর্যাপ্ত ভোট ডেমোক্র্যাটদের থাকবে না।

প্রভাব: ডেমোক্র্যাটদের দর-কষাকষির ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তবে ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা, ফিলিবাস্টার এবং অর্থনীতির জন্য যৌথ রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার কারণে শাসন পরিচালনায় তাদের ক্ষমতা সীমিত থাকবে।

রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলে

প্রতিনিধি পরিষদে অনেক রিপাবলিকান সদস্যের আসন ঝুঁকির মুখে থাকায় এই পরিস্থিতি তুলনামূলক কম সম্ভাব্য বলে মনে করা হচ্ছে। তবে একেবারে অসম্ভব নয়।

প্রভাব: ট্রাম্প ও রিপাবলিকানরা তার প্রেসিডেন্সির শেষ দুই বছরের জন্য নতুন করে জনসমর্থন পাওয়ার দাবি করতে পারবেন।

ওয়াশিংটনের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকায় ট্রাম্প আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তার বিভিন্ন কর্মসূচি এগিয়ে নিতে পারবেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তার ওপর বাধা আসবে খুব কম। বিচারপতি মনোনয়নসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের প্রক্রিয়াও তিনি অব্যাহত রাখতে পারবেন।

এ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের বাজেটসংক্রান্ত বিরোধ, সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি এবং ঋণসীমা নিয়ে সংঘাতের আশঙ্কা কমে আসবে।

সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে ঘরের মেঝেতে দুটি ‘কবর’ সদৃশ ঢিবি, সৃষ্টি চাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


বরিশালে ঘরের মেঝেতে দুটি ‘কবর’ সদৃশ ঢিবি, সৃষ্টি চাঞ্চল্য

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একটি বসতঘরের মেঝেতে দুটি ‘কবর’ সদৃশ ঢিবি জেগে ওঠার দাবি করেছেন বাড়ির সদস্যরা। এ ঘটনার কারণে এলাকায় কৌতূহল ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কথিত কবর দুটি দেখার জন্য উৎসুক মানুষ বাড়িতে ভিড় করছেন। কিছু মানুষ সেখানে ঝাড়ফুঁক ও তোলপড়া নিতে আসছেন বলেও জানা গেছে। তবে ঘরের মেঝেতে কিভাবে এই দুটি উঁচু জায়গা তৈরি হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনাটি উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কদমবাড়ি গ্রামে ঘটেছে। বাড়িটির বাসিন্দা সজীব বেপারী। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একটি বসতঘরের পাকা মেঝের ওপর পাশাপাশি দুটি লম্বাটে উঁচু ঢিবির মতো রয়েছে। সেগুলো গামছা দিয়ে ঢাকা। উপরের অংশে ফুলের মালা ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে। পরিবারটির দাবি, এগুলো কবর। এর মধ্যে একটি প্রায় দুই হাত এবং অন্যটি তিন হাত লম্বা।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত ২৬ অক্টোবর সোমবার সকাল ১০টার দিকে ঘরের মেঝেতে প্রথম কবরটি জেগে ওঠে। একই দিন রাত ১২টার দিকে এর পাশে আরেকটি কবর দেখা যায়। তাদের বিশ্বাস, কথিত কবর দুটি দুজন পীরের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সজীব বেপারী প্রায় ছয় মাস ধরে বাড়িতে ‘ভাড়ে’ বা ধ্যানে বসে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তার কাছে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন নারী-পুরুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতি সোমবার রোগীর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। কথিত কবর দুটি জেগে ওঠার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে মানুষের আনাগোনা বেড়েছে।

সজীবের মা শিউলী বেগম বলেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ হননি। ছয় মাস আগে স্বপ্ন দেখার পর নিজ বাড়িতে আসন স্থাপন করে ধ্যানে বসেন। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মানুষকে চিকিৎসা দিতে শুরু করেন।

তবে সজীব কী ধরনের রোগে ভুগছিলেন তা জানা যায়নি। তিনি ধ্যানের মাধ্যমে সেই রোগ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন কিনা, তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সজীব বেপারীও দাবি করেন, ২৬ অক্টোবর সকালে ঘরের মেঝেতে প্রথম কবরটি এবং একই দিন রাতে দ্বিতীয় কবরটি জেগে ওঠে। সজীব দাবি করেন, কবর দুটি দুজন পীরের। তাদের একজন মারা যান ১১৬৬ সালে বাগদাদে, অপরজন ভারতের আজমিরে ১২৩৬ সালে মারা যান।

তবে সজীব এবং তার পরিবারের এই দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘরের পাকা মেঝের ওপর কাপড় দিয়ে ঢাকা দুটি উঁচু আকৃতি দেখা গেলেও সেগুলো কিভাবে তৈরি হয়েছে, তা ছবিতে বা সরেজমিন পর্যবেক্ষণে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মেঝের নিচ থেকে স্বাভাবিকভাবে মাটি উঠে এসে এমন আকৃতি তৈরি হয়েছে, এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

তবে পরিবারের এই দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তাদের মতে, ঘরের মেঝেতে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা দুটি উঁচু আকৃতির স্থাপনাকে অলৌকিকভাবে জেগে ওঠা কবর বলে প্রচার করা হচ্ছে। বিষয়টিকে ভুয়া ও ভিত্তিহীন দাবি বলেও মন্তব্য করছেন কেউ কেউ।

তাদের প্রশ্ন, সত্যিই যদি মেঝে ফুঁড়ে কবর দুটি তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে এর কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ কোথায়? স্থানীয়দের ভাষ্য, সজীব আগে একটি হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।

স্থানীয় একজন সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, এগুলো আসলে কবর বলে মনে হচ্ছে না। নিচ থেকে এগুলো ওঠেনি। ঘরের মেঝের উপর মাটি বা কিছু দিয়ে এমন তৈরা করা হয়ে থাকতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ফজলুল হক বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের ঘটনার কোনো নজির বা ভিত্তি নেই। প্রশাসন তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। স্থানীয় মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারে, এমন আশঙ্কায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপম মজুমদার বলেন, সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২০ বছরের তরুণ নিহত, আহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


পঞ্চগড়ে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২০ বছরের তরুণ নিহত, আহত ৩

পঞ্চগড়ে দুই দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২০ বছর বয়সী ইয়ানুরের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও তিনজন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনাটি সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের ধরধরা পুল এলাকায় ঘটে।

নিহত ইয়ানুর পশ্চিম মুন্সীপাড়া এলাকার হাসেন আলীর পুত্র। আহতদের মধ্যে রয়েছেন বোদা উপজেলার সাতখামার এলাকার সাজ্জাদ হোসেন (২৩) ও জীবন ইসলাম (৩৫), এবং পশ্চিম মুন্সীপাড়া এলাকার সাব্বির হোসেন (১৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়ানুর এবং তার ফুফাতো ভাই সাব্বির মোটরসাইকেলে করে দেবীগঞ্জ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। অপরদিকে, জীবন ও সাজ্জাদ অন্য একটি মোটরসাইকেলে দেবীগঞ্জ থেকে বসুনিয়ার হাটের দিকে রওনা দেন। উভয় মোটরসাইকেল যখন ধরধরা পুল এলাকায় পৌঁছায়, তখন তাদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে চার আরোহী গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের অবস্থা খারাপ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের রংপুরে রেফার করেন। রংপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় ইয়ানুরের মৃত্যু ঘটে।

দুর্ঘটনার বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার সরকার বলেন, "সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে রংপুরে রেফার করা হয়েছিল। পথে ইয়ানুর নামে একজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় থানায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে সুন্দলপুর সাউথ-১ নামে নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পেয়েছে। এই কূপের গভীরতা প্রায় তিন হাজার ২৮৯ মিটার, যেখানে দুটি জোনে ৯৭ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাস মজুত রয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) রামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপে গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়, যেখানে অগ্নি প্রজ্বালনের মাধ্যমে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। কূপটি থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশজুড়ে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের প্রেক্ষাপটে, নোয়াখালীর সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপের শিখা জ্বলে ওঠা স্থানীয়দের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর। এটি জেলাটির ষষ্ঠ গ্যাসকূপ, এবং স্থানীয়রা মনে করছেন, এই অর্জন আবাসিক ও বাণিজ্যিক সংকট দূর করতে সহায়তা করবে, এবং তারপরে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।

বাপেক্সের সূত্র জানাচ্ছে, সরকারি ও বাপেক্সের যৌথ অর্থায়নে গত ৮ জুলাই খনন কাজ শুরু হয় রিগ ‘বিজয়-১০’ দিয়ে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন হাজার ৩০০ মিটার, কিন্তু প্রায় চার মাসের পরিশ্রমের পর তিন হাজার ২৮৯ মিটার গভীরতায় পৌঁছে নিশ্চিত হয় কাঙ্ক্ষিত প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান এই বিষয়ে বলেন, ‘আমরা আজকে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের রামপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর সাউথ ওয়ান-এ একটা গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া গেছে। নিঃসন্দেহে এটি অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। আমরা আশা করি, প্রাথমিকভাবে যে ধারণাটা পেয়েছি যে, প্রতিদিন প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এখান থেকে উত্তোলন করা যাবে। যেটা জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং এটা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

তিনি আরও জানান, ‘আগামী ১৫ দিন কূপটিতে চলবে ড্রিল স্টেম টেস্ট বা ডিএসটি পরীক্ষা। এর মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যাবে অন্য কোনো খনিজ উপাদান আছে কি না। জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা সুরক্ষায় সুন্দলপুর সাউথ-১ এখন দেশের অর্থনীতি ও নোয়াখালীর মানুষের জন্য এক নতুন আশীর্বাদ।’

নোয়াখালী জেলায় মোট ৬টি গ্যাসকূপ রয়েছে, যার মধ্যে সুন্দলপুর সাউথ-১ একটি নতুন মাইলফলক। বাপেক্স জানাচ্ছে, কূপটির মোট মজুদের পরিমাণ ৯৭ দশমিক ৬৯ বিসিএফ বা বিলিয়ন ঘনফুট। আগামী ২০ বছর ধরে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে এখান থেকে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য পাঁচ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%