বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২৩ পি.এম
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ ‘ফুলব্রাইট’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মাস্টার্স এবং পিএইচডি বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এ উদ্দেশ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে।
আজ ইউজিসি থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত সমঝোতার আওতায় দু’দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা, শিক্ষক ও গবেষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
এই বিষয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য ইউজিসি এবং ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে কমিশন ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি বিভাগের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। আমাদের শিক্ষক ও গবেষকরা যাতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজের সুযোগ পান এবং বিদেশি শিক্ষাবিদরাও যাতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অবদান রাখতে পারেন, সেজন্য দ্বিমুখী অ্যাকাডেমিক বিনিময় জোরদার করা জরুরি।’
ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও জানান, কমিশন শিগগিরই ‘ইউজিসি-ফুলব্রাইট’ নামে একটি বিশেষ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা করছে। এর আওতায় দেশের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক খাতগুলোতে গবেষণার জন্য বিশেষ পিএইচডি বৃত্তি চালু করা হবে।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলর স্কট হার্টম্যান ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রামসহ বিশ্বজুড়ে এ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ফুলব্রাইট কর্মসূচি শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জে. উইলিয়াম ফুলব্রাইটের উদ্যোগে ১৯৪৬ সালে এ কর্মসূচি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
সভায় ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রায়হানা সুলতানাসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোগ দেওয়ার অভিযোগে তিন ফরাসি নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে একটি আদালত ইরাকের।
গত বছরে সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত হওয়া ফরাসি নাগরিকদের মধ্যে এই তিনজনের সাজা সর্বশেষ।
আজ বৃহস্পতিবার বাগদাদের কারখ এলাকার ফৌজদারি আদালত চার্লি সান, কামাল বেন এমবারেক ও আমির আমিন দালি আমারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
ইরাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ ২০ বছর।
বাগদাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।
এএফপি’র একজন সংবাদদাতা জানান, ‘সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটে যোগদান এবং সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।’
চার্লি সানের বোন ক্যারোল সানকে উত্তর-পূর্ব সিরিয়া থেকে ফ্রান্সে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে কিশোর বয়সে ভাইয়ের সঙ্গে তিনিও জিহাদি গোষ্ঠীটিতে যোগ দিয়েছিলেন।
একই ধরনের অভিযোগে গত মঙ্গলবার আরও ছয় ফরাসি নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আরেকজনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এখন পর্যন্ত সাজাপ্রাপ্ত ১০ জনই গত বছর সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত ৪৭ জন ফরাসি নাগরিকের একটি দলের সদস্য।
ওই দলে আদ্রিয়েন গিহালও রয়েছেন, যিনি ২০১৬ সালে ফ্রান্সের নিস শহরে আইএসের হামলার দায় স্বীকার করেছিলেন।
ইসলামিক স্টেটের সদস্যসহ সন্দেহভাজন জিহাদিদের ভিড়ে ইরাকের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি রয়েছে। সম্প্রতি প্রতিবেশী সিরিয়া থেকে স্থানান্তরিত হওয়া আরও কয়েক হাজার বন্দিকে এসব কারাগারে রাখা হয়েছে।
আসামিদের কয়েকজনের ফরাসি আইনজীবী সতর্ক করে বলেছেন, তাঁদের মক্কেলদের ন্যায়বিচারের যথাযথ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং অন্যায্য বিচারে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার শনাক্ত করেছে।
বাংলাফ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমান ব্রুনো রদ্রিগেজকে তার আসনে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন। কিউবার প্রতিনিধি ট্রাম্প প্রশাসনের নিযুক্ত দূতকে মিথ্যাবাদি হিসেবে উল্লেখ করেন, খলিলুর রহমানকে নয়।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধ নিয়ে বার্ষিক বিতর্কের সময় কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ পারিলা এবং তার প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা ওয়াল্টজকে চ্যালেঞ্জ জানাতে উঠে আসেন। এটি মূলত সেই ঘটনার একটি দৃশ্য।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো উল্লেখ করছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি ও সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ হলো প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশের ইতিহাসচর্চায় বিশেষ করে ১৪ খণ্ডে বাংলা ও ইংরেজিতে বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়া প্রকাশের প্রধান সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও গবেষক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামকে ‘ড. হারুন-অর-রশিদ ট্রাস্ট ফান্ড স্বর্ণপদক ২০২৬’ প্রদান করেছে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসিটি।
আজ এশিয়াটিক সোসাইটির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামের হাতে স্বর্ণপদক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ।
‘ড. হারুন-অর-রশিদ ট্রাস্ট ফান্ডের’ সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
সোসাইটির সম্পাদক ও ট্রাস্ট ফান্ডের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আশা ইসলাম নাঈম অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এবং অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামের ওপর সম্মাননাপত্র পাঠ করেন।
এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সাজাহান মিয়া, ট্রাস্ট ফান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ড. হারুন-অর-রশিদ এবং অধ্যাপক ডালিয়া আহমেদও অনুষ্ঠানে সুধীজনের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন।
অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, "এশিয়াটিক সোসাইটিতে আমার ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামকে সম্মানিত করা। আজ আমার এ স্বপ্নটি পূরণ হলো। আজকের অনুষ্ঠানটি জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতেও দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে এশিয়াটিক সোসাইটির মাধ্যমে গুণীজনদের সম্মানিত করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।"
প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ মন্তব্য করেন, "অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম একজন কৃতী শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় এবং গবেষক হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।"
তিনি আরও বলেন, "অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম সবার শ্রদ্ধার পাত্র এবং অনেক আগেই তার এ ধরনের সম্মাননা রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে পাওয়া উচিত ছিল। গুণীজনকে সম্মানিত না করলে জ্ঞাননিনর্ভর সমাজ ও দেশ সৃষ্টি হবে কীভাবে? এশিয়াটিক সোসাইটি তাকে সম্মানিত করে অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ করেছে।" অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামকে স্বর্ণপদক পাওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সদস্য, শিক্ষাবিদ, গবেষকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ খাগড়াছড়ি রিজিয়নে গমন করেন। এ সময় তিনি বাঘাইহাট জোনের সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় সেনাবাহিনী প্রধান মোতায়েন থাকা সেনা সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি প্রতিকূল পরিবেশ ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাসদস্যদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশংসা করেন। তিনি সকলকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত কর্তব্য পালন অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া; সেনাসদর এবং সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা সদস্যগণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ