ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান


পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ খাগড়াছড়ি রিজিয়নে গমন করেন। এ সময় তিনি বাঘাইহাট জোনের সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের সময় সেনাবাহিনী প্রধান মোতায়েন থাকা সেনা সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি প্রতিকূল পরিবেশ ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাসদস্যদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশংসা করেন। তিনি সকলকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত কর্তব্য পালন অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

এ পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া; সেনাসদর এবং সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা সদস্যগণ।

আরও পড়ুন: জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬ পাচ্ছেন ১৪ জন: আমিনুল হক

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি ফজলে আর এম হাসানের মৃত্যুতে ডিসিসিআই’র শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি ফজলে আর এম হাসানের মৃত্যুতে ডিসিসিআই’র শোক

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮১ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সাবেক সভাপতি ফজলে আর এম হাসান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ফজলে আর এম হাসানের মৃত্যুতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ডিসিসিআই আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

২০০৪ সালে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফজলে আর এম হাসান এবং ১৯৯৬ সালে তিনি ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। তিনি নর্থ বেঙ্গল সাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এলাইড এন্টারপ্রাইজ, চলন্তিকা ট্রেডার্স, সার্ভে রিসার্চ এসোসিয়েট এবং হাসান এ্যাপার্টমেন্ট-এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি বাইসাইকেল প্রস্তুত ও রপ্তানি, গৃহ-নির্মাণ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও কনসালটেন্সি প্রভৃতি ব্যবসার সাথে যুক্ত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নর্থ বেঙ্গল সাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে বাইসাইকেল শিল্পের প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। আগামী ৩১ অক্টোবর বাদ জোহর গুলশান আজাদ মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে তাকে বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধ রাস্তা দখলে মালামাল জব্দের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


অবৈধ রাস্তা দখলে মালামাল জব্দের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে হকার বসানোর ক্ষেত্রে মালামাল জব্দ করা হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও গ্রেপ্তারও করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা ট্রেড সেন্টার পর্যন্ত দুই দফায় পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

প্রশাসক উল্লেখ করেন, ‘যতবারই অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করা হবে, ততবারই আমরা নগরবাসীর স্বার্থে অভিযান চালাব। আমরা একাধিকবার আলোচনা, অনুরোধ ও সতর্ক করার মতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এখন থেকে অবৈধভাবে দখল করে বসলে মালামাল জব্দ করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ও গ্রেপ্তার করা হবে।’

হকারদের পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, জনগণের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সংখ্যক হকারকে বসার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘ঢাকার নাগরিকরা কী চান এবং দেশের সাধারণ মানুষের দাবি কী—দয়া করে সে অনুযায়ী জনমত গড়ে তুলুন। এই ঢাকাকে আমাদের বাঁচাতে হবে; এর কোনো বিকল্প নেই।’

আজ সকাল ১১টা ও বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত দুই দফার অভিযানে মূল সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয় এবং মালামাল জব্দ করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা ট্রেড সেন্টার পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত পথচারীরা উচ্ছেদ অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য ডিএসসিসি প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন রিকশা চলতে পারবে না, নতুন নীতিমালা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন রিকশা চলতে পারবে না, নতুন নীতিমালা প্রকাশ

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকায় যাত্রী পরিবহনের শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলের জন্য নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এই নতুন নীতিমালার অধীনে লাইসেন্স ছাড়া ঢাকা শহরে রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এই নীতিমালাটি প্রকাশ করা হয়।

নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ই-রিকশার নিবন্ধনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কর্তৃপক্ষের কাছে তফসিল-২ এ উল্লেখিত ফিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করে তফসিল-১ এ বর্ণিত ফরম অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

যদি নিবন্ধনের জন্য প্রাপ্ত আবেদন ও দাখিলকৃত কাগজপত্র বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের আলোকে যাচাই-বাছাই করে সন্তোষজনক মনে হয়, তাহলে আবেদন প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে ই-রিকশার নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।

প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য কর্তৃপক্ষ একটি কিউআর কোডযুক্ত ইউনিক নিবন্ধন নম্বর ও তফসিল-৩ অনুযায়ী নম্বর প্লেট প্রদান করবে। কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বরটি ই-রিকশার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রদত্ত নিবন্ধনের মেয়াদ হবে তা প্রদানের তারিখ থেকে ৫ (পাঁচ) বছর। যদি কর্তৃপক্ষ উপ-বিধি (২) এর অধীনে প্রাপ্ত আবেদন যাচাই-বাছাই করে সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে আবেদনটি মঞ্জুর করা হবে না এবং আবেদনকারীকে ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে।

উপ-বিধি (৬) অনুযায়ী, কোনো আবেদন না-মঞ্জুর হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন। এই আপিলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একজন ব্যক্তি এক বা একাধিক সিটি কর্পোরেশন থেকে সর্বাধিক ৫ (পাঁচ) টি ই-রিকশার নিবন্ধন গ্রহণ করতে পারবেন। তবে, এক সিটি কর্পোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য কোনো সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না।

বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী তফসিল ৪ অনুযায়ী ফিটনেস সার্টিফিকেট ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না এবং নবায়নও করা যাবে না।

ফিটনেস প্রদানকারী ও স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের রেকর্ড সংরক্ষণ করবে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকাশিত নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, এস. আর. ও. নম্বর ৩৮৪-আইন/২০২৬। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬০ নং আইন) এর ধারা ১২০ এর অধীনে সরকার এই বিধিমালা প্রণয়ন করেছে।

এই বিধিমালা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬ নামে পরিচিত হবে। এটি দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

বর্তমানে রাস্তায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট আবশ্যকীয় ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাঠামোগত সংশোধন করে অনুমোদন প্রদান করা যাবে। উপ-বিধি (১১) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের স্বাক্ষরসহ ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে।

পর্যায়ক্রমে ই-রিকশাগুলোকে বিমার আওতায় আনা হবে। প্রতিটি ই-রিকশাকে বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হতে হবে।

প্রতিটি ই-রিকশার ইকোনোমিক লাইফটাইম হবে নিবন্ধনের তারিখ থেকে ১২ (বারো) বছর এবং ইকোনমিক লাইফটাইম শেষ হওয়ার পর নম্বর প্লেটসহ সংশ্লিষ্ট ই-রিকশার নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।

প্রতিটি ই-রিকশায় স্পিডোমিটার বা ওডোমিটার স্থাপন করতে হবে। ত্রুটিযুক্ত ও অবৈধ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। কোনো যান্ত্রিক বা নিরাপত্তা ত্রুটিযুক্ত এবং নিবন্ধনবিহীন অবৈধ ই-রিকশা সড়কে চালানো যাবে না।

ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ির সম্মুখভাগে দৃষ্টিগ্রাহ্য অংশে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলাচল অযোগ্য সাইনবোর্ড প্রদর্শন করে তা মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মেট্রোপলিটন এলাকার ট্রাফিক বিভাগ বা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যৌথভাবে অথবা পৃথকভাবে অবৈধ ই-রিকশা চলাচল বন্ধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

সড়ক ব্যবহার নিয়মাবলি :

(১) ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও প্রধান বাস চলাচলের সড়ক বা করিডোর এবং প্রশাসন কর্তৃক সময় সময় নিষেধাজ্ঞা আরোপিত সড়কে চলাচল করতে পারবে না।

ই-রিকশা ফুটপাতে চলাচল করতে পারবে না।

ই-রিকশাচালক সর্বদা সড়কের বাম লেন অনুসরণ করে চলাচল করবে।

ই-রিকশাচালক ড্রাইভিং করার সময় মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না।

ই-রিকশাচালক নিয়ম বহির্ভূতভাবে ওভারটেকিং এবং লেন পরিবর্তন করতে পারবেন না।

নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ই-রিকশায় চালক ব্যতীত আকারভেদে ২ (দুই) অথবা ৪ (চার) জনের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ব্যতীত অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা যাবে না।

ই-রিকশায় ৪০ (চল্লিশ) ডেসিবেলের অধিক তীব্রতাসম্পন্ন হর্ন ব্যবহার করা যাবে না।

স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় বা জনবহুল স্থানে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ (পনেরো) কিলোমিটার।

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও রুট পারমিট

(১) ই-রিকশা চলাচলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে রুট (চলাচলের সড়ক) নির্ধারণ করবে।

সিটি কর্পোরেশন এলাকায় রুট হবে জোনভিত্তিক এবং এক জোনের ই-রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না।

ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন এবং ট্রাফিক বিভাগ জোনভিত্তিক বিভক্তকরণসহ জোনভিত্তিক ই-রিকশার সংখ্যা, রুট (চলাচলের সড়ক) ও রং (ই-রিকশার জন্য নির্দিষ্ট রং) নির্ধারণ চূড়ান্ত করবে।

নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চালকের প্রশিক্ষণ। কর্তৃপক্ষ স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চালকদের জন্য ট্রাফিক আইন, সড়ক নিরাপত্তা, ব্যাটারি ও ই-রিকশা রক্ষণাবেক্ষণ এবং আনুষাঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে পারবে।

কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে, প্রতিটি ওয়ার্ডে বা উপযুক্ত স্থানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পার্কিং এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ও সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স প্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট গ্যারেজে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে পারবে এবং সংশ্লিষ্ট চার্জিং পয়েন্ট বা গ্যারেজসমূহে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।

কর্তৃপক্ষ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বা বেসরকারি খাতে বা অন্য কোনো উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন বা গ্যারেজ ও ব্যাটারি বিনিময় কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ ও উৎসাহিত করতে হবে এবং অনিয়ন্ত্রিত ও নিয়ম বহির্ভূত চার্জিং পরিহার করতে হবে।

পর্যায়ক্রমে বৈধভাবে রেজিস্টার্ড চার্জিং স্টেশনে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ করা যাবে এবং ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রীড সংযোগের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার সঙ্গে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

চার্জিং স্টেশন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ করলে বিদ্যমান সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় দণ্ড প্রদান করা হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা, তফসিলি ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি অনুমোদিত মানের ই-রিকশা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ই-রিকশা চালক ও মালিকগণকে ঋণ সহায়তা প্রদান করতে পারবে।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিধান অনুসরণ :

এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ই-রিকশা উৎপাদন, আমদানি, ব্যবহার এবং ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবস্থাপনার সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১ নং আইন), তদধীন প্রণীত বিধিমালা এবং সকল জারীকৃত নির্দেশনা অনুসরণীয় হবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরাতন বা অকার্যকর ব্যাটারি বা তার অংশবিশেষ উন্মুক্ত স্থান, মাটি, জলাশয় বা সাধারণ বর্জ্যে নিক্ষেপ বা পোড়াতে পারবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার মেলায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৮ পি.এম


ঢাকার মেলায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরছে

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ারে পাকিস্তানের বিভিন্ন পর্যটন ও ভ্রমণ প্রতিষ্ঠান তাদের দেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরছে। এই মেলা, যা আজ শুরু হয়েছে, আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে জোরদার করার জন্য দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও বিনিময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি উভয় দেশকে ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন।

মেলায় তিনি পাকিস্তান প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন এবং দর্শকদের দেশটির বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো ঘুরে দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

মেলায় অংশগ্রহণকারী পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলো দেশটির মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যময় খাবার এবং চিকিৎসা পর্যটনসেবার সুযোগ তুলে ধরছে।

এছাড়া, পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ দুই দেশের মধ্যে পর্যটন-সংশ্লিষ্ট বিনিময় বাড়াতে এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদারে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%