ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হবে ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়েছিল। একইভাবে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সকল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটবে।

আরও পড়ুন: সিলেট নগরীতে নিষিদ্ধ আ‘লীগের ঝটিকা মিছিল: ১২ জনকে গ্রেপ্তার করলো এসএমপি পুলিশ

তারেক রহমান আরও বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ছিল এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান দেশের ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথ নির্মাণ করতে হবে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা ধারণ করা প্রয়োজন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের অঙ্গীকার হোক—দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: হৃীলার গহীন পাহাড়ে টেকনাফে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর নিরাপত্তায় পুরুষ বডিগার্ড: ইসলাম কী নির্দেশনা দেয়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


নারীর নিরাপত্তায় পুরুষ বডিগার্ড: ইসলাম কী নির্দেশনা দেয়?

বর্তমান যুগে, অনেক নারী তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য পুরুষ বডিগার্ড বা নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করে থাকেন। যদিও জীবনের সুরক্ষা ও আত্মরক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার, ইসলামি শরিয়তে নিরাপত্তার ধরণ ও সীমানা সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে।

নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বডিগার্ড রাখা হলে, নারীর শরীর স্পর্শ করার বৈধতা সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা প্রতিটি মুসলিমের জন্য অত্যন্ত জরুরি। একজন অনাত্মীয় (গাইরে মাহরাম) পুরুষ বডিগার্ড হিসেবে নারীর পাশে থাকলেও, তিনি 'মাহরাম' বা রক্তের সম্পর্কের মধ্যে আসেন না। শরিয়তের দৃষ্টিতে, তিনি সাধারণ পরপুরুষের মতোই গণ্য হবেন। ফলে, বডিগার্ডের ক্ষেত্রে পর্দা, দৃষ্টি সংযত রাখা এবং দৈহিক দূরত্বের সাধারণ বিধানগুলো সমানভাবে প্রযোজ্য।

নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে নিযুক্ত পুরুষ বডিগার্ডের জন্য নারীর শরীর স্পর্শ করা সাধারণ অবস্থায় সম্পূর্ণ হারাম ও নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন যে, পরপুরুষের জন্য কোনো পরনারীর শরীর স্পর্শ করা মারাত্মক গুনাহের কাজ। তিনি নারীদের কাছ থেকে বাইআত বা শপথ নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তেও কোনো নারীর হাত স্পর্শ করেননি। তাই, কেবল ‘পাহারা দেওয়া’ বা ‘বডিগার্ড হিসেবে নিয়োজিত থাকা’র অজুহাতে শরীরের স্পর্শকে বৈধ মনে করার সুযোগ ইসলামে নেই।

তবে ইসলাম একটি বাস্তবসম্মত জীবনব্যবস্থা। যদি কখনো এমন চরম জরুরি পরিস্থিতি বা আক্রমণ ঘটে যেখানে নারীর প্রাণনাশের বা অপহৃত হওয়ার প্রত্যক্ষ আশঙ্কা তৈরি হয়, কেবল তখনই জীবন ও সম্ভ্রম রক্ষার্থে বডিগার্ড তাকে টেনে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করার উদ্দেশ্যে ন্যূনতম স্পর্শ করতে পারবেন। ইসলামি ফিকহের মূলনীতি অনুযায়ী, জরুরি অবস্থা নিষিদ্ধ বিষয়কে সাময়িকভাবে শিথিল করে (الضرورات تبيح المحظورات)। তবে, আক্রমণ বা প্রাণনাশের প্রত্যক্ষ ঝুঁকি ছাড়া সাধারণ সময়ে চলাফেরা, গাড়িতে ওঠানামা বা ভিড় ঠেলে পথ চলার সময় পুরুষ বডিগার্ডের শরীর স্পর্শ করা নাজায়েজ।

নারীদের দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও পর্দার বিধান দুটিই যেন একসাথে রক্ষা পায়, সেজন্য সবচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা হলো নারী বডিগার্ড নিয়োগ করা। এতে করে যেকোনো শারীরিক সহায়তা বা তল্লাশির প্রয়োজন হলে কোনো ধর্মীয় বিধান লঙ্ঘিত হবে না। আর যদি পুরুষ বডিগার্ড রাখতেই হয়, তবে তাকে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে যেন দৈহিক স্পর্শ ছাড়াই এবং পর্দার মার্জিত দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

একজন নারী নিজের জীবনের নিরাপত্তার জন্য পুরুষ বডিগার্ড রাখতে পারলেও, বডিগার্ডের জন্য তার শরীর স্পর্শ করা ইসলামি বিধান অনুযায়ী বৈধ নয়। নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার যেমন সত্য, ঠিক তেমনি ধর্মীয় সীমানা ও নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিয়ম মেনে ও স্পর্শ এড়ানো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একজন সচেতন মুসলিম নারীর প্রধান দায়িত্ব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ পি.এম


সরকার সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, সরকার সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সাধারণ রোগীদের বিভাগীয় এবং আঞ্চলিক পর্যায়েই মানসম্মত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ দিতে এবং তাদের রাজধানীতে আসার প্রয়োজনীয়তা কমাতে সরকার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ সোসাইটি অব রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংয়ের ‘৩২তম জাতীয় সম্মেলন ও সেকেন্ড আউটরিচ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছেন। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নে এই বাজেটের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে বিদ্যমান সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে স্বাস্থ্যসেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন এনে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সবার। রোগীদের দেশে সব ধরনের জটিল ও আধুনিক রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ দিতে এবং চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কাউকে বিদেশে যেতে না হয়, সে লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

এ সময় নবীন চিকিৎসকদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সুনির্দিষ্ট ক্যারিয়ার প্ল্যানিংয়ের ওপরও জোর দেন তিনি।

সম্মেলনে বক্তারা জানান, বাংলাদেশে মৃত্যুর শীর্ষ ১০টি কারণের মধ্যে লিভার সিরোসিস ৭ম অবস্থানে রয়েছে। দেশে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ হেপাটাইটিস বি এবং ৪ কোটি ৫০ লাখের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত।

রোগটি জটিল রূপ নিলে এক বছরের মধ্যে শতকরা ৪০ থেকে ৬০ ভাগ রোগীর মৃত্যু হয় উল্লেখ করে বক্তারা প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দেন। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় সিটি স্ক্যান ও সার্জারি পরিহার এবং অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রেডিয়েশন ঝুঁকি ভাতা চালুর আহ্বান জানান বক্তারা।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. সৈয়দ আওসাফ আলী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংয়ের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম (শাকিল)।

সম্মেলনে ভারত, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেল চালকদের জন্য বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা ও লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


মোটরসাইকেল চালকদের জন্য বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা ও লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সতর্ক করেছে যে, মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া রাস্তায় মোটরযান চালানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্সধারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা ও বিন্যাসে পরিবর্তন এনে সংশোধিত বিধিমালা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিআরটিএর ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিক্ষানবিশ লাইসেন্সধারীরা শুধুমাত্র বৈধ প্রশিক্ষকের সঙ্গে প্রশিক্ষণের সময় মোটরযান চালাতে পারবেন। এসময় গাড়ির দৃশ্যমান স্থানে লাল রঙের বড় ‘L’ চিহ্ন থাকতে হবে।

মোটরযান অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শিক্ষানবিশ চালক রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হলে সামনে ও পেছনে দৃশ্যমান স্থানে লাল রঙের বড় ‘L’ চিহ্ন লিখে অথবা বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ‘L’ শব্দটি Learner-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এই চিহ্ন দেখে অন্যান্য চালকরা বুঝতে পারবেন যে, গাড়িটি একজন নতুন চালক চালাচ্ছেন। ফলে তারা সতর্ক হয়ে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রেখে চলতে পারবেন।

এদিকে, মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট স্থাপন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিগত জটিলতা দূর করতে সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ সংশোধন করেছে সরকার।

সম্প্রতি সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব আল-আমীন মো. নূরুল ইসলামের স্বাক্ষরে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশোধিত বিধান অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ১২২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর ৩৬ নম্বর বিধির মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট-সংক্রান্ত বিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে।

সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের সামনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রচলিত বিন্যাসের পাশাপাশি এক লাইনে লেখার সুযোগ রাখা হয়েছে। মোটরসাইকেলের নকশা ও কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামনের নম্বরপ্লেটের আকার ও বিন্যাস নির্ধারণের ক্ষমতা বিআরটিএকে দেওয়া হয়েছে।

প্রয়োজনে নম্বরপ্লেটের অক্ষরের উচ্চতা, জেলা বা অঞ্চলের নাম নির্দেশকারী অক্ষরের আকার এবং যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের উচ্চতা নির্ধারণ করতে পারবে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া নম্বরপ্লেটের উল্লম্ব অংশে ফাঁকা জায়গা, দুটি সংখ্যার মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং দ্বিতীয় লাইনে সংখ্যাগুলোর মধ্যবর্তী হাইফেনের দৈর্ঘ্যও নির্ধারণ করতে পারবে।

একই লাইনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লেখার ক্ষেত্রে জেলা বা অঞ্চলের নাম এবং যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের পর নির্ধারিত দৈর্ঘ্যের হাইফেন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি নম্বরপ্লেটে বিপরীতমুখী রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ প্লেট ব্যবহারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে নম্বরপ্লেটের দৃশ্যমানতা ও যানবাহন শনাক্তকরণ সহজ হতে পারে।

প্রজ্ঞাপনে বিধিমালার ৩৬ নম্বর বিধির সংশ্লিষ্ট উপবিধিতে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি উপবিধি (১০) থেকে ‘মোটরসাইকেল এবং’ শব্দ দুটি বাদ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

বর্তমানে বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেলের সামনের অংশের নকশা ও কাঠামো এক রকম নয়। কিছু মোটরসাইকেলে প্রচলিত আকারের নম্বরপ্লেট স্থাপন করা কঠিন। এ কারণে মোটরসাইকেলের গঠন অনুযায়ী নম্বরপ্লেটের আকার ও বিন্যাস নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

সড়কে যানবাহন শনাক্তকরণ, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতেও সামনের নম্বরপ্লেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও মহাসড়কে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়ায় যানবাহন পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

সড়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অন্যান্য যানবাহনের পাশাপাশি মোটরসাইকেলকেও ক্যামেরার আওতায় আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুমার নামাজ শেষে কোমলমতি শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


জুমার নামাজ শেষে কোমলমতি শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুমার নামাজ শেষে কোমলমতি শিশুদের সঙ্গে কিছুটা সময় হাসি-আড্ডা ও আন্তরিকতায় কাটান। তিনি শিশুদের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কুশল বিনিময় করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহের বিষয়ে জানতে চান। ফুটবল, ক্রিকেট ও বাস্কেটবল নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করার পাশাপাশি তিনি শিশুদের ফুটবল উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জুমার নামাজ শেষে শিশুদের সঙ্গে এ কথোপকথন হয় তারেক রহমানের।

শিশুদের সঙ্গে আলাপচারিতার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, ‘তোমাদের ফুটবল আছে?’ শিশুরা জানায়, তাদের ফুটবল রয়েছে। কয়টি ফুটবল আছে জানতে চাইলে শিশুরা জানায়, চার-পাঁচটি ফুটবল রয়েছে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান, তার গাড়িতে কোনো ফুটবল আছে কি না। কর্মকর্তারা জানান, গাড়িতে ফুটবল নেই। তখন প্রধানমন্ত্রী শিশুদের উদ্দেশে বলেন, ‘নেক্সট জুম্মাবার ফুটবল দেবো, ইনশাআল্লাহ।’

শুধু ফুটবল নয়, প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে ক্রিকেট সম্পর্কেও জানতে চান। শিশুরা তাকে জানায়, সেখানে ক্রিকেট খেলার পিস নেই। এ সময় বাস্কেটবল সম্পর্কেও জানতে চান তিনি। শিশুরা জানায়, তাদের বাস্কেটবল রয়েছে।

শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফুটবল, বাস্কেটবল, টেবিল টেনিসসহ কী কী আনা যায়, তা তিনি দেখবেন।

আলাপচারিতার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে ভালো থাকার কথা বলেন। বিদায় নেওয়ার আগে তিনি শিশুদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেন এবং সালাম বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সহজ ও আন্তরিক কথোপকথনে উঠে আসে শিশুদের খেলাধুলার চাহিদা এবং আনন্দের বিষয়টি। ফুটবল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আগামী শুক্রবার আবারও শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%