শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১৫ পি.এম
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি আলোচনা সভায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে বোঝাতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তার উদ্দেশ্য ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ শব্দটি ব্যবহার করা।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সেই আলোচনা সভায় প্রদত্ত বক্তব্যের বিষয়ে তিনি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেয়া আমার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চাই। সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তার এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম। সমাজে তারা অনেকেই অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব বাধা পেরিয়ে তাদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল আমার বক্তব্যের মূল কথা।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও লেখেন, ‘দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ ও তাদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও শিল্পা শেঠি কারওয়া চৌথ উদ্যাপনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই ধর্মীয় বিশেষ দিনে উপবাস রেখে স্বামীদের সঙ্গে ব্রত পালন করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সেই মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তারা নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিশেষ মুহূর্তের একাধিক ছবি প্রকাশ করেছেন। উভয়েই এদিন বউয়ের সাজে সজ্জিত ছিলেন।
প্রিয়াঙ্কা তার বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছেন,
"আমি কিছু বলার আগেই সে নিজে থেকেই বাড়ি ফিরে এলো। সে জানতো, আমার কাছে এর গুরুত্ব কতটা। কারওয়া চৌথের সময় যেন সে বাড়িতে থাকতে পারে, সেভাবেই সে তার সফরের পরিকল্পনা করেছিল। আমার মানুষটির মতো আর কেউ নেই। আপনাদের জীবনেও এমন ভালোবাসা আসুক। শুভ কারওয়া চৌথ।"
অন্যদিকে, শিল্পা শেঠি তার বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছেন,
"ভালোবাসাই পৃথিবীকে সচল রাখে তবে আমার পাশে তোমার উপস্থিতি, আমার সাথে তোমার উপবাস রাখা—এসবই আমার কাছে পুরো পৃথিবী।"
কারওয়া চৌথ হলো কার্তিক মাসের প্রথম পূর্ণিমার পর কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথি। এদিন, উত্তর ভারত, পশ্চিম ভারত এবং নেপালের বিবাহিত হিন্দু নারীরা স্বামীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য, মঙ্গল এবং সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনায় সূর্যোদয় থেকে শুরু করে চাঁদ ওঠা পর্যন্ত সম্পূর্ণ নির্জলা উপবাস করেন। অন্যান্য সাধারণ নারীদের মতো, স্বামীর মঙ্গলের জন্য এই ব্রত পালন করতে পিছিয়ে নেই বলিউডের সেলিব্রেটি অভিনেত্রীরাও।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, রেলওয়ের বহরে ধাপে ধাপে প্রায় ২০০টি নতুন কোচ যুক্ত হতে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই কোচগুলো ব্যবহার করে নতুন ট্রেন চালুর পাশাপাশি পুরনো কোচগুলো প্রতিস্থাপন করা হবে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। রেলওয়ের মহাপরিচালক জানান, দেশে আনা নতুন কোচগুলোর একটি অংশ ইতোমধ্যে বহরে যুক্ত হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন কোচ দিয়ে একটি নতুন ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আরও মোট ২০০টি নতুন কোচ দেশে আসবে। কোচগুলো আসার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদার ভিত্তিতে নতুন ট্রেন চালু করা এবং পুরনো কোচগুলো প্রতিস্থাপন করা হবে।
পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর সম্ভাবনা সম্পর্কে আফজাল হোসেন বলেন, ‘এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। কারণ দেশের সব রেললাইন এখনও ব্রডগেজে রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি। সব লাইন ব্রডগেজে রূপান্তর হওয়ার পরই কেবল এই রুটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। তাছাড়া এ ধরনের দীর্ঘ রুটে পর্যাপ্ত যাত্রী পাওয়া যাবে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকা পর্যন্ত রেল সংযোগের ব্যাপারে মহাপরিচালক বলেন, ‘বাংলাবান্ধার ওপারে ভারতের অংশে যদি রেললাইনের সংযোগ না থাকে, তবে শুধু আমাদের অংশে কাজ করে আঞ্চলিক যোগাযোগের সুফল মিলবে না। স্থলবন্দর থাকার কারণে আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা হয়তো পূরণ হবে, কিন্তু মূল উদ্দেশ্য অর্থাৎ আঞ্চলিক যোগাযোগ নিশ্চিত হবে না। এ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেই কেবল কাজ এগিয়ে নেয়া সম্ভব।’ বর্তমানে বিষয়টি বিবেচনাধীন ও স্থগিত রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
রেলওয়ের বর্তমান অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা তদারকির বিষয়ে তিনি আরও জানান, বিভিন্ন স্টেশনের মালামাল ওঠানামার (লোডিং ও আনলোডিং) সুবিধা এবং যাত্রীদের চাহিদা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে। যেসব স্থানে চাহিদা বেশি, সেখানে প্রয়োজনে রেললাইন সম্প্রসারণ, লুপ লাইন বাড়ানো কিংবা বেশি সংখ্যক কোচ যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।
পরিদর্শনের সময় পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার জাহিদ হাসান, স্টেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর হাতিরঝিল থানা এলাকার অন্তর্গত স্থান থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) চারটি ককটেলসহ দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমের কাছে এই তথ্য প্রদান করেন।
গ্রেফতারকৃত দুই যুবকের নাম হলো জাহিদুল ইসলাম অনিক (২১) এবং শিহাব হোসেন অমি (১৯)।
রমনা মডেল থানার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে রমনা মডেল থানাধীন রমনা শপিং কমপ্লেক্সের বিপরীত পাশে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এই ঘটনার পর রমনা মডেল থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়।
পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে হাতিরঝিল থানাধীন মগবাজার নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলির একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে অনিক ও শিহাবকে গ্রেফতার করা হয়। এই সময় তাদের হেফাজত থেকে তাজা চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
জননিরাপত্তার স্বার্থে উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে নিষ্ক্রিয় করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন তাদের সিলেট ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট-পিক সক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেছে। এটি বাংলাদেশের যেকোনো ডেটা সেন্টারে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ।
সম্প্রতি ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান জেডটিই-কে সঙ্গে নিয়ে গ্রামীণফোন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। ৪৫০টি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল এই প্রকল্পে স্থাপন করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি গ্রামীণফোনের পরিচালিত অবকাঠামোজুড়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নতুন চালু হওয়া এই সোলার প্ল্যান্ট থেকে বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতি বছর প্রায় ১৮৮ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন কমবে। গ্রামীণফোনের লক্ষ্য হলো ডেটা সেন্টারের পরিচালন কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তি কাজে লাগিয়ে পরিবেশগত প্রভাব কমানো এবং টেকসই অবকাঠামোর মাধ্যমে ডিজিটাল সংযোগ ও সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করা। এই পদক্ষেপটি কোম্পানির ২০১৯ সালের ভিত্তি বছরের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ কার্বন নির্গমন কমানোর লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান সিলেট ডেটা সেন্টারে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার আবুল কাসেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাক, চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান এবং জেডটিই বাংলাদেশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাও জুন্যং উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা চলমান থাকায় আমরা এমন একটি অবকাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি যা শুধু নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ-উপযোগীই হবে না, বরং পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধ থাকবে। ২০১৯ সালের ভিত্তি বছরের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রামীণফোনের কার্বন নির্গমন ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি আমরা। আমাদের ক্রমাগত পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং কার্যক্রমজুড়ে টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সিলেট ডেটা সেন্টারের সোলার প্ল্যান্টটি এই অগ্রযাত্রায় এক প্রায়োগিক পদক্ষেপ, যা কোটি কোটি গ্রাহকের সেবায় নিয়োজিত ডিজিটাল অবকাঠামোকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমরা কীভাবে পরিবেশগত প্রভাব কমাতে পারি তা তুলে ধরছে। আমরা টেকসই ও উদ্ভাবনী সল্যুশনে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখব যা আমাদের গ্রাহক, সমাজ ও পরিবেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করবে।’
জেডটিই বাংলাদেশের সিইও মাও জুন্যং বলেন, ‘কোনো ডেটা সেন্টারে বাংলাদেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর এই উদ্যোগে গ্রামীণফোনের পার্টনার হতে পেরে আমরা গর্বিত। এই প্রকল্পটি দেখায় কীভাবে উন্নত প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি একত্রিত হয়ে আরও জ্বালানিসাশ্রয়ী ও টেকসই ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারে। উচ্চ-দক্ষতাসম্পন্ন সোলার সল্যুশন যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা কার্বন নির্গমন কমাতে সাহায্য করছি যা গ্রামীণফোনের টেকসই লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, এই যৌথ উদ্যোগ শিল্পখাতে একটি উদাহরণ তৈরি করবে এবং বাংলাদেশের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখবে।’
এই উদ্যোগটি গ্রামীণফোনের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে টেকসই বিষয়টিকে একীভূত করার এবং পরিচালন ও পরিবেশ উভয়ক্ষেত্রে সুফল দেবে এমন সল্যুশনে বিনিয়োগের ধারাবাহিক প্রয়াসের প্রতিফলন। কোম্পানিটি নবায়নযোগ্য শক্তির বহুল ব্যবহার, জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং দায়িত্বশীল সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য একটি ডিজিটাল ভবিষ্যৎ তৈরিতে অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে যেখানে কার্বন নির্গমনের মাত্রা কম হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ