শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ এম
চার দিনের সফর শেষে জাপান থেকে দেশে ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৪৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, ২৯ অক্টোবর জাপানের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৭টা ৫৫ মিনিট) প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক
গত ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের উদ্দেশ্যে চার দিনের সফরে যান। সফরের সময় তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী জাপানের বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের গুরুত্ব
জাপান সফরের সময় বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।
দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে চার দিনের জাপান সফর শেষ করে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলি কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকে ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদের। ইতিহাস আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে পথনির্দেশ করে।
আজ ৩০ অক্টোবর (শুক্রবার), ২০২৬। বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসের এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে দেখে নেয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
ঘটনাবলি
১৩০ - সম্রাট হাড্রিয়ান নীল নদের তীরে তার সঙ্গী অ্যান্টিনাসের সম্মানে অ্যান্টিনোপলিস শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
৬৩৭ - আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধ: লৌহ সেতুর যুদ্ধের পর আন্তিয়খ রাশিদুন খিলাফতের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
৭৫৮ - আরব ও পারস্যের জলদস্যুরা কুয়াংচৌ লুণ্ঠন করে।
১১৩৭ - রিগনানোর যুদ্ধে অপুলিয়ার রানুলফ সিসিলির দ্বিতীয় রজারকে পরাজিত করেন।
১২৭০ - অষ্টম ক্রুসেড শেষ হয় - ফ্রান্সের রাজা নবম লুইয়ের ভাই আঞ্জুর প্রথম চার্লস এবং তিউনিসের হাফসীয় রাজবংশের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে।
১৩৪০ - রিকনকুইস্তা: রিও সালাদোর যুদ্ধে পর্তুগিজ ও কাস্তিলীয় বাহিনী মুসলিম আক্রমণ প্রতিহত করে।
১৬৫৭ - ইঙ্গ-স্পেনীয় যুদ্ধ: ওচো রিওসের যুদ্ধে স্পেনীয় বাহিনী জ্যামাইকা পুনর্দখলে ব্যর্থ হয়।
১৮০৬ - চতুর্থ জোটের যুদ্ধ: অনেক বড় বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছেন ভেবে ৫,৩০০ সৈন্যের অধিনায়ক প্রুশীয় জেনারেল ফন রোমবার্গ ৮০০ ফরাসি সৈন্যের কাছে স্টেটিন শহর আত্মসমর্পণ করেন।
১৮১৭ - সিমন বলিভার তৃতীয় ভেনেজুয়েলা প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি হন।
১৮৩১ - যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দাস বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে ন্যাট টার্নার গ্রেফতার হন।
১৮৩৬ - লুই নেপোলিয়ন ফ্রান্সে জুলাই রাজতন্ত্র উৎখাতের জন্য স্ট্রাসবুর্গ অভ্যুত্থানের ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালান।
১৮৫৮ - ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ডে আর্সেনিক ট্রাইঅক্সাইড মিশ্রিত মিষ্টি খেয়ে প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়।
১৮৬৩ - ডেনমার্কের যুবরাজ ভিলহেলম এথেন্সে পৌঁছে হেলেনদের রাজা প্রথম জর্জ হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৮৬৪ - অস্ট্রিয়ার সম্রাট এবং প্রুশিয়া ও ডেনমার্কের রাজা দ্বয়ের মধ্যে ঐতিহাসিক ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৮৮৮ - মাতাবেলেল্যান্ডে সেসিল রোডসের প্রতিনিধিদের রাড কনসেশন প্রদান করা হয়।
১৮৯১ - জাপানে প্রবল ভূমিকম্পে তিন হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
১৯০৫ - রুশ জার দ্বিতীয় নিকোলাস অক্টোবর ইশতেহার জারি করেন, যাতে জনগণকে নাগরিক স্বাধীনতা ও ডুমা গঠনের অধিকার দেয়া হয়।
১৯১৮ - হাঙ্গেরিতে বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
১৯১৮ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক আত্মসমর্পণ করে।
১৯১৮ - অস্ট্রিয়া বিপ্লব সংগঠিত হয়।
১৯১৮ - সেন্ট স্টিফেনের মুকুটের ভূমি, হাঙ্গেরি রাজ্য এবং ক্রোয়েশিয়া, স্লাভোনিয়া ও ডালমেশিয়ার ত্রৈধ রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন ক্রোয়েশীয় ও হাঙ্গেরীয় সংসদের সিদ্ধান্তে বিলুপ্ত হয়।
১৯২০ - ভারতের প্রথম শ্রমিক সংগঠন নিখিল ভারত ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২০ - সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২২ - ইতালিতে বেনিতো মুসোলিনি ফ্যাসিবাদী মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
১৯৩৮ - অরসন ওয়েলস এইচ. জি. ওয়েলসের দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস উপন্যাসের বেতার নাট্যরূপ প্রচার করেন, যা যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
১৯৪১ - রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট মিত্র দেশগুলোর জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের ল্যান্ড-লিজ সহায়তা অনুমোদন করেন।
১৯৪১ - হলোকাস্ট: পিধাইৎসি থেকে দেড় হাজার ইহুদিকে নাৎসিরা বেলজেক নির্মূল শিবিরে পাঠায়।
১৯৪২ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: জার্মান সাবমেরিন ইউ-৫৫৯ ডুবে যাওয়ার সময় কোড বই উদ্ধার করতে গিয়ে লেফটেন্যান্ট টনি ফ্যাসন ও নাবিক কলিন গ্রেজিয়ার মারা যান।
১৯৪৪ - হলোকাস্ট: আনা ও মার্গট ফ্রাঙ্ককে আউশভিৎস থেকে বার্গেন-বেলসেন বন্দিশিবিরে নির্বাসিত করা হয়।
১৯৪৫ - ভারত জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৪৭ - শুল্ক ও বাণিজ্য বিষয়ক সাধারণ চুক্তি (গ্যাট) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ভিত্তি।
১৯৪৮ - মাল্টার গোজো চ্যানেলে কালা উপকূলে যাত্রী বোঝাই লুৎসু মাছ ধরার নৌকা ডুবে ২৭ জনের মধ্যে ২৩ জনের মৃত্যু হয়।
১৯৫২ - ঢাকায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫৩ - রাষ্ট্রপতি আইজেনহাওয়ার সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পারমাণবিক প্রতিরোধ বজায় রাখা সংক্রান্ত গোপন নথি এনএসসি ১৬২/২ অনুমোদন করেন।
১৯৫৬ - হাঙ্গেরীয় বিপ্লব: ইমরে নগির সরকার বিপ্লবী শ্রমিক পরিষদগুলোকে স্বীকৃতি দেয় এবং বেলা কিরালির নেতৃত্বে সোভিয়েত-বিরোধী মিলিশিয়ারা হাঙ্গেরীয় শ্রমজীবী জনগণের দলের সদর দফতরে হামলা চালায়।
১৯৫৮ - স্যার অ্যাডমন্ড হিলারি দক্ষিণ মেরুতে পদার্পণ করেন।
১৯৫৯ - ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিল-অ্যালবেমার্ল বিমানবন্দরে অবতরণের সময় পিডমন্ট এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৩৪৯ বিধ্বস্ত হয়ে ২৭ জনের মধ্যে ২৬ জন নিহত হন।
১৯৬১ - সোভিয়েত ইউনিয়ন ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরক যন্ত্র জার বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
১৯৬৮ - পার্ক চুং-হির স্বৈরশাসন উৎখাত ও কোরিয়ার পুনরেকত্রীকরণের ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ১২০ জন উত্তর কোরীয় কমান্ডো দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ব উপকূলে অবতরণ করে।
১৯৭৩ - কেনিয়ায় হাতি শিকার ও হাতির দাঁতের ব্যবসা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
১৯৭৩ - তুরস্কে বসফরাস সেতুর নির্মাণ সম্পন্ন হয়, যা বসফরাসের উপর দিয়ে ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশকে দ্বিতীয়বারের মতো সংযুক্ত করে।
১৯৭৫ - স্পেনের যুবরাজ জুয়ান কার্লোস অসুস্থ স্বৈরশাসক জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর স্থলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হন।
১৯৭৫ - চেকোস্লোভাকিয়ার প্রাগে অবতরণের সময় ইনেক্স-অ্যাড্রিয়া এভিওপ্রোমেট ফ্লাইট ৪৫০ বিধ্বস্ত হয়ে ৪৫ জন নিহত হন।
১৯৮০ - ১৯৬৯ সালের ফুটবল যুদ্ধের কারণ হওয়া সীমান্ত বিরোধ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে নিষ্পত্তির জন্য এল সালভাদর ও হন্ডুরাস সম্মত হয়।
১৯৮২ - পর্তুগালে আট বছরের সামরিক শাসনের অবসান ঘটে।
১৯৮৩ - পূর্ব তুরস্কে ভূমিকম্পে ১২শ লোক মৃত্যুবরণ করে।
১৯৮৩ - সাত বছর সামরিক শাসনের পর আর্জেন্টিনায় প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮৫ - মহাকাশযান চ্যালেঞ্জার তার শেষ সফল মিশন এসটিএস-৬১-এ এর জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়।
১৯৯১ - মার্কিন ও সোভিয়েত প্রেসিডেন্টদ্বয়ের উপস্থিতিতে মাদ্রিদে ইসরাইলি আরব ও ফিলিস্তিনিদের শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।
১৯৯২ - পৃথিবী গোলাকার বলে গ্যালিলিও গ্যালিলির মতবাদ যে সত্য ছিল, তা রোমান ক্যাথলিক চার্চ স্বীকার করে নেয় ৩৬০ বছর পর।
১৯৯৫ - কুইবেকের নাগরিকরা দ্বিতীয় গণভোটে সামান্য ব্যবধানে (৫০.৫৮% বনাম ৪৯.৪২%) কানাডার প্রদেশ হিসেবে থাকার পক্ষে ভোট দেন।
২০০৫ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ড্রেসডেনের অগ্নিবোমা হামলায় ধ্বংস হওয়া ড্রেসডেন ফ্রাউয়েনকির্চে তেরো বছরের পুনর্নির্মাণ শেষে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
২০১১ - দেশের প্রথম নারী মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর বিজয় লাভ করেন।
২০১৩ - ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের (বর্তমান তেলেঙ্গানা) মহবুবনগর জেলায় বাসে আগুন লেগে ৪৫ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন।
২০১৪ - সুইডেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
২০১৪ - যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসের উইচিটা বিমানবন্দরে বিচক্র্যাফট সুপার কিং এয়ার বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪ জন নিহত হন।
২০১৫ - রোমানিয়ার রাজধানী বুখারেস্টের কোলেক্টিভ নাইটক্লাবে আগুনে ৬৪ জন নিহত ও ১৪৭ জনের বেশি আহত হন।
২০২০ - গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যবর্তী এজিয়ান সাগরে ৭.০ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রধানত ভবন ধসে অন্তত ১১৯ জন নিহত হন।
২০২২ - ভারতের গুজরাটের মোরবি শহরে পথচারী ঝুলন্ত সেতু ধসে অন্তত ১৩৫ জন নিহত হন।
২০২৩ - গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের সময় প্রথম বন্দি উদ্ধার অভিযানে ওরি মেগিদিশকে উদ্ধার করা হয়।
জন্ম
১৭৩৫ - জন অ্যাডামস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।
১৮৩৪ - স্যামুয়েল বোর্ন, ব্রিটিশ আলোকচিত্রশিল্পী।
১৮৫৩ - প্রমথনাথ মিত্র, ভারতে বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
১৮৭৩ - হ্যারি ফস্টার, ইংরেজ প্রথমশ্রেণির ক্রিকেটার।
১৮৮৭ - সুকুমার রায়, বাঙালি লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্য রচনাকার, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার।
১৮৯৫ - গারহার্ড ডোমাগ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রোগতত্ত্ববিদ ও জীবাণুবিদ।
১৮৯৫ - ডিকিনসন ডাব্লিউ রিচার্ডস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান চিকিৎসক ও শারীরবিজ্ঞানী।
১৮৯৬ - রুথ গর্ডন, মার্কিন অভিনেত্রী, চিত্রনাট্যকার ও নাট্যকার।
১৯০০ - রাগনার গ্রানিট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ীফিনিশ সুইডিশ শারীরবিজ্ঞানী।
১৯০১ - খান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন, বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক।
১৯০১ - সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি।
১৯০৮ - পিটার স্মিথ, ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯০৯ - হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা, ভারতের প্রসিদ্ধ নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯২৬ - রফিকউদ্দিন আহমদ, তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ।
১৯২৮ - ড্যানিয়েল নাটান্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান মাইক্রো জীববিজ্ঞানী।
১৯৩২ - বরুণ দে, বাঙালি ভারতীয় ইতিহাসবিদ।
১৯৩৩ - দারা দোতিওয়ালা, ভারতীয় ক্রিকেট আম্পায়ার।
১৯৩৯ - লেল্যান্ড এইচ হার্টওয়েল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জীববিজ্ঞানী।
১৯৪১ - টেওডর ডব্লিউ. হানসচ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।
১৯৪৬ - বদিউল আলম, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা ও বীর উত্তম।
১৯৪৭ - বিক্রম গোখলে, ভারতীয় চলচ্চিত্র, টেলিভিশন এবং মঞ্চ অভিনেতা।
১৯৪৮ - ঋতু নন্দা, ভারতীয় ব্যবসায়ী।
১৯৪৯ - প্রমোদ মহাজন, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।
১৯৫৮ - অভিজিৎ ভট্টাচার্য, বাঙালি ভারতীয় গায়ক।
১৯৫৮ - ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি ভারতীয় সাহিত্যিক।
১৯৬০ - দিয়েগো মারাদোনা, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার।
১৯৬২ - কোর্টনি ওয়ালশ, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।
১৯৬৩ - মাইক ভেলেটা, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৬৪ - হুমায়ূন কবীর ঢালী, বাংলাদেশি শিশুসাহিত্যিক।
১৯৬৫ - পল্লবী চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৬৬ - আবু মুসআব আল-যারকাউয়ি, জর্ডানীয় সন্ত্রাসবাদী।
১৯৭৪ - মাইক হেসন, নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের কোচ।
১৯৭৭ - দিমিত্রি মাসকারেনহাস, ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯৮৭ - জুনায়েদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
১৯৮৮ - জানেল প্যারিস, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।
১৯৯১ - শেন ডোরিচ, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।
১৯৯২- ক্যামিলা সিলভা, চিলির টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৯২ - ম্যাট পার্সেল, অস্ট্রেলিয়ান রাগবি লীগের খেলোয়াড়।
১৯৯৩ - অদিতি রাঠোর, ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী।
১৯৯৮ - অনন্যা পাণ্ডে, ভারতীয় বলিউড অভিনেত্রী।
মৃত্যু
১৫০১ - উজবেক কবি ও চিন্তানায়ক নাজিমুদ্দিন মির আলিশের নভোইয়।
১৬২৬ - ওয়লেব্ররড স্নেল, ডাচ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ।
১৭৭৫ - তুর্কি সুলতান তৃতীয় ওসমান।
১৮৮৩ - দয়ানন্দ সরস্বতী, ভারতীয় হিন্দু ধর্মগুরু, সমাজ সংস্কারক এবং আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা।
১৮৯৩ - জন অ্যাবট, কানাডিয়ান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রধানমন্ত্রী।
১৯১০ - অঁরি দ্যুনঁ, সুইস ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী।
১৯১৫ - জেরি হ্যাজলিট, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৩৬ - টেডি উইনিয়ার্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার ও ব্রিটিশ সেনাকর্মকর্তা।
১৯৬১ - লুইজি ইনাউডি, ইতালীয় অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও ইতালীয় প্রজাতন্ত্রের ২য় প্রেসিডেন্ট।
১৯৬৮ - কনরাড রিক্টার, মার্কিন ঔপন্যাসিক।
১৯৬৯ - ভিক রিচার্ডসন, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৭৪ - বেগম আখতার, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের স্বনামধন্য গায়িকা।
১৯৭৫ - গুস্টাফ লুটভিগ হের্ৎস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।
১৯৮৫ - ফজলে লোহানী, বাংলাদেশি সাংবাদিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব।
১৯৮৮ - তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী), প্রখ্যাত বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্ব।
১৯৯২ - জোয়ান মিচেল, আমেরিকান চিত্রশিল্পী।
২০০৬ - ক্লিফোর্ড গার্টস, মার্কিন নৃবিজ্ঞানী।
২০১০ - হ্যারি মুলিসচ, ডাচ লেখক, কবি ও নাট্যকার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানি পান করার অভ্যাস অনেকের মধ্যে প্রচলিত। কিছু মানুষ মনে করেন, এতে পেট পরিষ্কার থাকে, আবার অন্যরা বিশ্বাস করেন, গরম পানি শরীরের মেদ কমাতে সহায়ক। তবে খালি পেটে গরম পানি পান করলে শরীরে আসলে কী ঘটে? এর উপকারিতা কতটুকু এবং কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি?
বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে কুসুম গরম পানি পান করা শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে। তবে, শুধুমাত্র গরম পানি পান করলেই শরীরের সব সমস্যার সমাধান হবে, এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
১. শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে
রাতে দীর্ঘ সময় ঘুমানোর ফলে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পান করলে শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়তা হয়। পানি শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখা, রক্ত সঞ্চালন এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পানি গরম বা ঠান্ডা—এর চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে
যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা উপকারী। শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে মল শক্ত হয়ে যেতে পারে। নিয়মিত পানি পান, আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা মলত্যাগ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
সকালে কুসুম গরম পানি পান করলে কারও কারও মলত্যাগে স্বস্তি অনুভব হতে পারে। তবে, শুধুমাত্র গরম পানি পান করলেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
৩. হজমে স্বস্তি দিতে পারে
সকালে পানি পান করলে পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা হয়। কিছু মানুষের জন্য কুসুম গরম পানি পান করলে পেটের অস্বস্তি কম অনুভূত হতে পারে।
তবে গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় হজমশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়—এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। হজম ভালো রাখতে সুষম খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
৪. ওজন কমাতে কি সাহায্য করে?
অনেকের ধারণা, সকালে খালি পেটে গরম পানি পান করলে পেটের মেদ গলে যায়। বাস্তবে এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
তবে পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় থাকে। খাবারের আগে পানি পান করলে কিছু মানুষের সাময়িকভাবে পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে, যা অতিরিক্ত খাওয়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।
ওজন কমানোর জন্য প্রয়োজন সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালরি গ্রহণ।
৫. গলা ও নাকের অস্বস্তিতে সাময়িক আরাম দিতে পারে
সর্দি-কাশি বা গলাব্যথার সময় কুসুম গরম পানি পান করলে গলায় আরাম অনুভব হতে পারে। উষ্ণ তরল গলার শুষ্কতা কমাতে এবং সাময়িক স্বস্তি দিতে সহায়তা করে।
তবে গরম পানি ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সারিয়ে তোলে না। উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
৬. শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দাবি করা হয়, সকালে গরম পানি পান করলে শরীরের সব বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায়। কিন্তু এই দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণে যকৃৎ ও কিডনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত পানি পান কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে, কিন্তু গরম পানি আলাদাভাবে শরীরকে বিষমুক্ত করে—এমন প্রমাণ নেই।
কীভাবে পান করবেন?
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন।
পানি যেন অতিরিক্ত গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। খুব গরম পানি মুখ, জিহ্বা ও খাদ্যনালিতে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
শুধু সকালে নয়, সারা দিন শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন।
পানি পানের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাহিদ রানা সোনার ডিম পাড়া হাঁস। বাংলাদেশের পরবর্তী সুপারস্টার হিসেবে তার প্রতি বিসিবির আরও বেশি সতর্ক হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ।
বাংলাদেশের বোলিং ডিপার্টমেন্টে এক সময় স্পিন নির্ভরতা ছিল। মিরপুরের উইকেটেও তাদের সুবিধা অনুযায়ী তৈরি হত। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সেই চিত্র বদলেছে। বর্তমানে টাইগার পেসারদের দাপট নিয়ে আলোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে।
অভিষেকের পর থেকেই নাহিদ রানা মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন। তার প্রশংসায় বিভোর হয়ে রয়েছেন বিশ্বের কিংবদন্তিরা। ইয়ান বিশপ তাদের মধ্যে একজন। তিনি প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাহিদ রানার বিষয়ে পোস্ট করেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তার বোলিং দেখতে না পেয়ে তিনি হতাশ হয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ধারাভাষ্যকার হিসেবে আসা বিশপ নাহিদকে মিস করছেন। জিম্বাবুয়ে সিরিজে ইনজুরিতে পড়া নাহিদ এখনও ফিট হয়ে উঠতে পারেননি। এই কিংবদন্তির পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বিশপ বলেন, ‘নাহিদ বিশ্ব ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সুপারস্টারদের একজন। সে ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে। বিশ্বের প্রতিটি দলই একজন নাহিদ রানাকে খুঁজছে। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে তাকে বল করতে দেখার জন্য আমি মুখিয়ে ছিলাম, তাই সে না থাকায় কিছুটা হতাশ হয়েছি। তবে তার সুস্থতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ফাস্ট বোলিং খুবই কঠিন কাজ এবং অন্যদের তুলনায় বেশি ইনজুরিপ্রণ। তাই আমি বলব তাৎক্ষণিক সাফল্যের লোভে পড়ে ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে মেরে ফেলবেন না’।’
নাহিদ রানা সবার আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেও বিশপের মতে বাংলাদেশের পেস বিপ্লবের কারিগর হলেন তাসকিন আহমেদ। হাসান মাহমুদেও মুগ্ধ এই কিংবদন্তি। তিনি বলেন, ‘পেস বোলিংয়ের বিপ্লব নাহিদ রানাকে দিয়ে শুরু হয়নি। আমি ১০ বছর ধরে তাসকিনকে চিনি। এরপর এবাদত, শরিফুল ও হাসানের হাত ধরে এই আক্রমণ গড়ে উঠেছে। সব কন্ডিশনে জেতার মতো পেস ইউনিট তৈরির কৃতিত্ব বিসিবির। হাসান বিশ্বের অন্যতম সেরা লাইন বোলার। কেন্ট তাকে নিয়েছে, কারণ সে আগে থেকেই দুর্দান্ত। তাসকিন, হাসান ও নাহিদকে আবার একসঙ্গে বোলিং করতে দেখার অপেক্ষায় আছি।’
ওয়ানডেতে বাজে সময় কাটালেও শান্তর অধীনে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দারুণ ছন্দ রয়েছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলে তারা চার নম্বরে অবস্থান করছে। তৈরি হয়েছে ফাইনাল খেলার সম্ভাবনাও। টাইগারদের কাছ থেকে বড় একটি চমক দেখতে চান বিশপ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আজ মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন চলছে। কেপটাউন টেস্টের খেলা বর্তমানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ক্রিকেট
মিরপুর টেস্ট: ৩য় দিন
বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সকাল ৯–৩০ মি., টি স্পোর্টস
হংকং সিক্সেস
বাংলাদেশ–স্কটল্যান্ড
সকাল ৭–৪০ মি., সনি স্পোর্টস ২
বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা
বেলা ১১–২০ মি., সনি স্পোর্টস ২
৪র্থ টি–টোয়েন্টি
নিউজিল্যান্ড–ভারত
বেলা ১টা, সনি স্পোর্টস ১
কেপটাউন টেস্ট: ৪র্থ দিন
দক্ষিণ আফ্রিকা–অস্ট্রেলিয়া
বেলা ২–৩০ মি., ট্যাপম্যাড
হকি
এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া
বেলা ৩টা, স্টার স্পোর্টস ২
দক্ষিণ কোরিয়া–চীন
বিকেল ৫–১৫ মি., স্টার স্পোর্টস ২
ভারত–জাপান
সন্ধ্যা ৭–৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ২
ফুটবল
ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান
লে আভর–পিএসজি
রাত ১২টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২
লা লিগা
ভিয়ারিয়াল–এসপানিওল
রাত ২টা, টি স্পোর্টস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ