০৩:৩০ পি.এম
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বিভিন্ন জটিলতার কারণে চেলা নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলন করা সম্ভব না হওয়ায় ৫০ হাজার শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কর্মহীনতার কারণে তাদের অবস্থা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের চেলা নদীর বালু মহাল চলতি বছরে প্রায় ২৭ কোটি টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। এই ইজারাকৃত বালু মহালকে কেন্দ্র করে ছাতক ও দোয়ারাবাজারের প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক তাদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।
বর্ষা মৌসুমের চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন অভিযোগের মধ্য দিয়ে কিছু সময়ের জন্য বালু উত্তোলনের কার্যক্রম চললেও, পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারণে এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর বালু মহালের সীমানা নির্ধারণ না করার ফলে গত কয়েক মাস ধরে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। এই কারণে শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।
আরও পড়ুন: মোংলায় পশুর নদীতে গোসল করতে গিয়ে যুবক সাবিত খান নিখোঁজ
স্থানীয় বাসিন্দা বাহার মিয়া, নুরুল গনি, মান্নান মিয়া সহ একাধিক শ্রমিক জানান, "ইজারাকৃত নদীতেও আমরা বালু উত্তোলন করতে পারছিনা। নদীর পাড়ের মানুষের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম হচ্ছে এই চেলা নদী। চেলা নদীতে বালু পাথর উত্তোলনের মাধ্যমেই আমাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। তবে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় আর বিজিবি'র বাঁধা মুখে বালু উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা এখন কি করব, কোথায় যাবো?"
অন্যদিকে, স্থানীয় বিজিবি'র সদস্যরা ভিন্ন বক্তব্য রাখছেন। তাদের দাবি, ভূমি প্রশাসন যেখানে ইজারাদারকে মহাল নির্ধারণ করে দিবে, সেখানে তাদের কোন বাঁধার কারণ নেই। তারা জানান, "আমরা সীমান্তে জননিরাপত্তার জন্য কাজ করছি।"
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ ফাতেমা জান্নাত বলেন, "সপ্তাহ হয়নি আমি দোয়ারাবাজারে এসেছি। এখনো সবকিছু দেখা হয়নি। বিষয়টা দেখব।"
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালট বাক্সে, অফিসে নয়
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন