ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

দোয়ারাবাজারে বালুমহাল বন্ধ, ৫০ হাজার শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন


দোয়ারাবাজারে বালুমহাল বন্ধ, ৫০ হাজার শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বিভিন্ন জটিলতার কারণে চেলা নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলন করা সম্ভব না হওয়ায় ৫০ হাজার শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কর্মহীনতার কারণে তাদের অবস্থা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

সূত্র অনুযায়ী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের চেলা নদীর বালু মহাল চলতি বছরে প্রায় ২৭ কোটি টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। এই ইজারাকৃত বালু মহালকে কেন্দ্র করে ছাতক ও দোয়ারাবাজারের প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক তাদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।

বর্ষা মৌসুমের চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন অভিযোগের মধ্য দিয়ে কিছু সময়ের জন্য বালু উত্তোলনের কার্যক্রম চললেও, পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারণে এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর বালু মহালের সীমানা নির্ধারণ না করার ফলে গত কয়েক মাস ধরে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। এই কারণে শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

আরও পড়ুন: মোংলায় পশুর নদীতে গোসল করতে গিয়ে যুবক সাবিত খান নিখোঁজ

স্থানীয় বাসিন্দা বাহার মিয়া, নুরুল গনি, মান্নান মিয়া সহ একাধিক শ্রমিক জানান, "ইজারাকৃত নদীতেও আমরা বালু উত্তোলন করতে পারছিনা। নদীর পাড়ের মানুষের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম হচ্ছে এই চেলা নদী। চেলা নদীতে বালু পাথর উত্তোলনের মাধ্যমেই আমাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। তবে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় আর বিজিবি'র বাঁধা মুখে বালু উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা এখন কি করব, কোথায় যাবো?"

অন্যদিকে, স্থানীয় বিজিবি'র সদস্যরা ভিন্ন বক্তব্য রাখছেন। তাদের দাবি, ভূমি প্রশাসন যেখানে ইজারাদারকে মহাল নির্ধারণ করে দিবে, সেখানে তাদের কোন বাঁধার কারণ নেই। তারা জানান, "আমরা সীমান্তে জননিরাপত্তার জন্য কাজ করছি।"

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ ফাতেমা জান্নাত বলেন, "সপ্তাহ হয়নি আমি দোয়ারাবাজারে এসেছি। এখনো সবকিছু দেখা হয়নি। বিষয়টা দেখব।"

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালট বাক্সে, অফিসে নয়

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুরে ৩৯০০ কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ, ৩ গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


মাধবপুরে ৩৯০০ কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ, ৩ গ্রেফতার

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে পুলিশ একটি ট্রাক থেকে ৩ হাজার ৯০ কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ করেছে, যা চোরাচালানের মাধ্যমে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় ট্রাকের চালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে গেছেন আরও একজন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর উপজেলার শাহজীবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় ট্রাকটি এবং জিরাগুলো জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন যশোরের শার্শা উপজেলার মুজাহিদ (২৪), একই জেলার চৌগাছা উপজেলার যোবায়ের (১৮) এবং সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মারুফ আহমদ (১৯)। পুলিশ জানায়, পলাতক ব্যক্তির নাম শুভ্র দাশ (৪৫), যিনি সিলেটের কোতোয়ালি থানার উপশহর এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হরষপুর (তেলিয়াপাড়া) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) সুখেন্দ্র চন্দ্র সরকার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এলাকায় অভিযান চালাচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, সিলেট থেকে হলুদ রঙের একটি ট্রাকে করে ভারতীয় জিরা ঢাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

পুলিশ পরে মহাসড়কের শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে চেকপোস্ট স্থাপন করে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সন্দেহভাজন ট্রাকটি আটক করা হলে, ট্রাক থেকে চারজন পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও একজন পালিয়ে যায়।

আটক ব্যক্তিদের দেখানো মতে ট্রাক তল্লাশি করে ১০৩টি প্লাস্টিকের বস্তায় মোট ৩ হাজার ৯০ কেজি ভারতীয় জিরা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জিরার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া ঝিনাইদহ-ট-১১-১৫১১ নম্বরের হলুদ রঙের ট্রাকটিও জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা উদ্ধারকৃত জিরার বৈধ কোনো আমদানি বা ক্রয়সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। জিজ্ঞাসাবাদে তারা পলাতক শুভ্র দাশের নাম প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, শুভ্র দাশসহ তারা পরস্পর যোগসাজশে সীমান্ত এলাকা থেকে জিরা সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন ও পলাতক শুভ্র দাশকে আসামি করে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫-বি/২৫-ডি ধারায় মাধবপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলীকদমে পালিয়ে আসা ৭ রোহিঙ্গা আটক, পুলিশে সোপর্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


আলীকদমে পালিয়ে আসা ৭ রোহিঙ্গা আটক, পুলিশে সোপর্দ

বান্দরবানের আলীকদমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃক আটক করা হয়েছে সাতজন শরণার্থীকে, যারা কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এসেছিল। তাদেরকে পরবর্তীতে আলীকদম থানার পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) এর সূত্র অনুযায়ী, গত ৭ নভেম্বর রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে আলীকদম ব্যাটালিয়নের ২ নম্বর জিপি গেটের নিকটবর্তী এলাকায় সন্দেহজনকভাবে চলাচলরত অবস্থায় তাদের আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা নিজেদের পরিচয় দেন কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিবন্ধিত শরণার্থী হিসেবে। তারা জানান, প্রায় দুই মাস আগে দালালচক্রের সহায়তায় বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে পালিয়ে রামু উপজেলার গর্জনিয়া এলাকার ম্রোং পাড়ায় গিয়ে আত্মগোপন করেন। সেখানে তারা কাজের সন্ধানে ছিলেন।

আটক সাতজনের মধ্যে তিনজন ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া ক্যাম্পের, দুজন ১৭ নম্বর বালুখালী ক্যাম্পের, একজন ১৮ নম্বর বালুখালী ক্যাম্পের এবং একজন ৯ নম্বর বালুখালী ক্যাম্পের রয়েছেন।

বিজিবি জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অবৈধ চলাচল ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত টহল ও নজরদারির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। পরে, রোববার (৮ নভেম্বর) রাত ২টার দিকে আটককৃত সাতজনকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আলীকদম থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। ৫৭ বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেকে লাইফস্টাইলে তিন নতুন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


জেকে লাইফস্টাইলে তিন নতুন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নিয়োগ

জেকে লাইফস্টাইল নতুন তিনজন জ্যেষ্ঠ পেশাজীবীকে নিয়োগ দিয়েছে, যার উদ্দেশ্য ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন মো. আব্দুল জলিল খান, আসাদুজ্জামান নূর এবং মো. শাহা রিয়ার রহমান সাগীর।

প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুসারে, মো. আব্দুল জলিল খান গ্রুপ চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিচালন ব্যবস্থাপনায় তাঁর ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর আগে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশনস অ্যান্ড হসপিটালিটি) এবং ইউনাইটেড হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশনস) হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি প্রাভা হেলথ, স্কয়ার হাসপাতাল এবং আজগর আলী হাসপাতালেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

আসাদুজ্জামান নূর নিয়োগ পেয়েছেন আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং করপোরেট গভর্ন্যান্সের দায়িত্বে। এই খাতে তাঁর অভিজ্ঞতা ১৮ বছরেরও বেশি। তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ থেকে ফাইন্যান্সে বিবিএ এবং এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর আগে তিনি বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স, লায়লা গ্রুপ এবং সিনড্রেলা ফ্যাশনসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।

অন্যদিকে, প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বে নিয়োগ পেয়েছেন মো. শাহা রিয়ার রহমান সাগীর। প্রযুক্তি খাতে তাঁর ১২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ক্লাউড অবকাঠামো এবং ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনায় তাঁর দক্ষতা রয়েছে।

নতুন নিয়োগ সম্পর্কে জেকে লাইফস্টাইলের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির মন্তব্য করেছেন, "অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমন্বয় প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শৈশবের বন্ধু ওয়ার্নারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই ‘সত্য’ ফাঁস করেছেন খাজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


শৈশবের বন্ধু ওয়ার্নারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই ‘সত্য’ ফাঁস করেছেন খাজা

২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ঘটে যাওয়া ‘স্যান্ডপেপার কেলেঙ্কারি’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন উসমান খাজা। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। খাজার নতুন দাবি অনুযায়ী, বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি সম্পর্কে তিনি যে তথ্য প্রকাশ করেছেন, তার পেছনে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে তার শৈশবের বন্ধু ও দীর্ঘদিনের ওপেনিং পার্টনার ডেভিড ওয়ার্নারকে দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি। তিনি জানান, এর আগে দুবার তিনি প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চেয়েছিলেন। তবে প্রথমবার স্টিভ স্মিথ তাকে নিরস্ত করেছিলেন। পরে ২০২১ সালে বোলারদের দেওয়া যৌথ বিবৃতির পর তিনি আর কিছু বলার সুযোগ পাননি বলে মনে করেন।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) প্রকাশিত হতে যাওয়া নিজের আত্মজীবনী ‘সবর’ নিয়ে প্রকাশনার আগে নাইন নিউজপেপার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের পর এবং নিউজ কর্পের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বইটির আরও কিছু অংশ প্রকাশিত হওয়ার পর রোববার (৮ নভেম্বর) ইনস্টাগ্রামে দুটি ভিডিও পোস্ট করেন খাজা। সেখানে তিনি নিজের লেখার পক্ষে অবস্থান নেন এবং আবারও বলেন, ২০১৮ সালের ঘটনার দায় শুধু ওয়ার্নার, স্মিথ ও ক্যামেরন ব্যানক্রফটের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বরং এই দায় সবার মধ্যে ভাগ করে নেওয়া উচিত।

খাজা বলেন, ‘আমি কাউকে বিপদে ফেলিনি। বর্তমানে যারা দলে আছেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যারা ছিলেন, আমিসহ তাদের অন্য কেউই ভুক্তভোগী নই। এই তিনজন আমাদের সবার দোষ নিজেদের কাঁধে নিয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে তারাই ভুক্তভোগী। মানুষ তাদের প্রতারক বলেছে, দর্শকদের কাছ থেকে তীব্র সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে, প্রকাশ্যে অপমানিত হতে হয়েছে।’

খাজা আরও বলেন, ‘আমি আমার শৈশবের বন্ধু ডেভিড ওয়ার্নারকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে আমি সত্যটা বলব, যাতে সে নিজের গল্পটা বলতে পারে। এ ব্যাপারে আমি শতভাগ অনড়, কোনো অনুশোচনা নেই। অতীতেও ক্রিকেটারদের অধিকার আদায়ে আমি এসিএর (অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন) মাধ্যমে লড়াই করেছি এবং যেটাকে সঠিক মনে করেছি, তার পক্ষে দাঁড়িয়েছি। এবারও বিষয়টি তার ব্যতিক্রম নয়।’

‘এই তিনজন ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য। আমি কারও দিকে আঙুল তুলিনি। এত বছর ধরে আমি যে বিষয়টির সন্ধান করে আসছি, এখনো সেটিই খুঁজছি। আমরা যেন সবাই, আমিসহ, একটি দল হিসেবে সম্মিলিতভাবে দায় স্বীকার করতে পারি এবং শেষ পর্যন্ত বিষয়টি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে পারি। জানেন কী? আবারও এমন পরিস্থিতি হলে আমি এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না,’–খাজা যোগ করেন।

রোববার প্রকাশিত প্রথম ভিডিওর শুরুতে খাজা ব্যাখ্যা করেন, তার ‘এটা আমাদের সবার কাজ ছিল’ মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পুরো দলের দায়িত্বের কথা বুঝিয়েছেন। তবে তিনি এ কথাও যোগ করেন যে, সবাই বিষয়টি জানত, এ কথা তিনি অস্বীকার করবেন না।

তিনি বলেন, ‘আমি আমার বইয়ে কখনো অন্য কারও হয়ে কথা বলি না।’

খাজা জানান, ২০১৮ সালে কেপটাউন টেস্টের পর স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তিনি সংবাদমাধ্যমে এসে পুরো ঘটনা স্বীকার করতে চেয়েছিলেন।

খাজা বলেন, ‘স্মাজ (স্টিভ স্মিথ) তখন একজন প্রকৃত নেতা ও দায়িত্বশীল অধিনায়কের মতো আমাকে এ কাজ থেকে বিরত করেছিল। সে পুরো দায় নিজের কাঁধে নিতে চেয়েছিল। আমি তার সঙ্গে তর্কও করেছিলাম, কিন্তু সে কোনোভাবেই রাজি হয়নি। এটাই ছিল প্রথমবার, যখন আমি প্রকাশ্যে সবকিছু বলতে চেয়েছিলাম।’

খাজা আরও জানান, ২০২১ সালে দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যানক্রফট বলেছিলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় কী ঘটেছিল, তা থেকে বোলাররা বিষয়টি জানতেন, এটা ‘সহজেই অনুমেয়’। ওই সাক্ষাৎকারের পরও তিনি দলের সম্মিলিত দায় স্বীকারের বিষয়টি সামনে আনার আরেকটি চেষ্টা করেছিলেন।

কিন্তু বোলাররা যৌথ বিবৃতি দেওয়ার পর তার মনে হয়েছিল, প্রকাশ্যে কিছু বলা আর সম্ভব নয়।

নিউজ কর্পে প্রকাশিত বইয়ের একটি অংশে খাজা লিখেছেন, ‘সেদিন বিষয়টি আমাকে ভীষণ ক্ষুব্ধ করেছিল। তবে ডেভির (ডেভিড ওয়ার্নার) রাগের তুলনায় আমার রাগ কিছুই ছিল না। সেদিন রাতে আমি বেশ কয়েকটি উত্তপ্ত বার্তা পেয়েছিলাম। স্মাজ (স্মিথ) কী ভাবছিল, তা নিশ্চিত নই, তবে আমার ধারণা, সেও খুব একটা খুশি ছিল না।’

ইনস্টাগ্রামে তিনি আরও বলেন, ‘আমি তখন ওই খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিরোধে জড়াতে চাইনি। সত্যি বলতে, আমি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছিলাম না। তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে, খেলা চালিয়ে যাওয়ার ওই চার বছরে আমি কেন কিছু বলিনি? জানেন কী, আমি কখনোই এ বিষয়ে প্রথম মুখ খুলতে চাইনি। আমাকে ভীরু বলুন, যা খুশি বলুন। কিন্তু কীভাবে বিষয়টি সামনে আনব, তা বুঝতে পারছিলাম না। কারণ তখনো আমি দলের একজন খেলোয়াড় ছিলাম। যখন জানতাম, আমার কয়েকজন সতীর্থ এ বিষয়ে কথা বলতে চান না, তখন কীভাবে আমি বিষয়টি সামনে আনতাম?’

‘আমি সব সময় সচেতন ছিলাম যে, আমার প্রতিটি কাজ বা বক্তব্য দলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সব সময় দলের স্বার্থকে সবার আগে রেখেছি। কিন্তু এখন আর আমি সেই দলের অংশ নই। এখন আমার বক্তব্য আর তাদের প্রতিফলিত করে না। আমি এখন শুধু নিজের হয়ে কথা বলছি,’–খাজা যোগ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%