ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অবৈধ রাস্তা দখলে মালামাল জব্দের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের


অবৈধ রাস্তা দখলে মালামাল জব্দের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে হকার বসানোর ক্ষেত্রে মালামাল জব্দ করা হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও গ্রেপ্তারও করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা ট্রেড সেন্টার পর্যন্ত দুই দফায় পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

প্রশাসক উল্লেখ করেন, ‘যতবারই অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করা হবে, ততবারই আমরা নগরবাসীর স্বার্থে অভিযান চালাব। আমরা একাধিকবার আলোচনা, অনুরোধ ও সতর্ক করার মতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এখন থেকে অবৈধভাবে দখল করে বসলে মালামাল জব্দ করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ও গ্রেপ্তার করা হবে।’

আরও পড়ুন: জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬ পাচ্ছেন ১৪ জন: আমিনুল হক

হকারদের পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, জনগণের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সংখ্যক হকারকে বসার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘ঢাকার নাগরিকরা কী চান এবং দেশের সাধারণ মানুষের দাবি কী—দয়া করে সে অনুযায়ী জনমত গড়ে তুলুন। এই ঢাকাকে আমাদের বাঁচাতে হবে; এর কোনো বিকল্প নেই।’

আজ সকাল ১১টা ও বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত দুই দফার অভিযানে মূল সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয় এবং মালামাল জব্দ করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা ট্রেড সেন্টার পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত পথচারীরা উচ্ছেদ অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য ডিএসসিসি প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর সরকার ঝুলে আছে, আরবরাই ‘কিংমেকার’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন রিকশা চলতে পারবে না, নতুন নীতিমালা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন রিকশা চলতে পারবে না, নতুন নীতিমালা প্রকাশ

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকায় যাত্রী পরিবহনের শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলের জন্য নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এই নতুন নীতিমালার অধীনে লাইসেন্স ছাড়া ঢাকা শহরে রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এই নীতিমালাটি প্রকাশ করা হয়।

নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ই-রিকশার নিবন্ধনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কর্তৃপক্ষের কাছে তফসিল-২ এ উল্লেখিত ফিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করে তফসিল-১ এ বর্ণিত ফরম অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

যদি নিবন্ধনের জন্য প্রাপ্ত আবেদন ও দাখিলকৃত কাগজপত্র বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের আলোকে যাচাই-বাছাই করে সন্তোষজনক মনে হয়, তাহলে আবেদন প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে ই-রিকশার নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।

প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য কর্তৃপক্ষ একটি কিউআর কোডযুক্ত ইউনিক নিবন্ধন নম্বর ও তফসিল-৩ অনুযায়ী নম্বর প্লেট প্রদান করবে। কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বরটি ই-রিকশার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রদত্ত নিবন্ধনের মেয়াদ হবে তা প্রদানের তারিখ থেকে ৫ (পাঁচ) বছর। যদি কর্তৃপক্ষ উপ-বিধি (২) এর অধীনে প্রাপ্ত আবেদন যাচাই-বাছাই করে সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে আবেদনটি মঞ্জুর করা হবে না এবং আবেদনকারীকে ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে।

উপ-বিধি (৬) অনুযায়ী, কোনো আবেদন না-মঞ্জুর হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন। এই আপিলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একজন ব্যক্তি এক বা একাধিক সিটি কর্পোরেশন থেকে সর্বাধিক ৫ (পাঁচ) টি ই-রিকশার নিবন্ধন গ্রহণ করতে পারবেন। তবে, এক সিটি কর্পোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য কোনো সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না।

বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী তফসিল ৪ অনুযায়ী ফিটনেস সার্টিফিকেট ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না এবং নবায়নও করা যাবে না।

ফিটনেস প্রদানকারী ও স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের রেকর্ড সংরক্ষণ করবে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকাশিত নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, এস. আর. ও. নম্বর ৩৮৪-আইন/২০২৬। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬০ নং আইন) এর ধারা ১২০ এর অধীনে সরকার এই বিধিমালা প্রণয়ন করেছে।

এই বিধিমালা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬ নামে পরিচিত হবে। এটি দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

বর্তমানে রাস্তায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট আবশ্যকীয় ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাঠামোগত সংশোধন করে অনুমোদন প্রদান করা যাবে। উপ-বিধি (১১) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের স্বাক্ষরসহ ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে।

পর্যায়ক্রমে ই-রিকশাগুলোকে বিমার আওতায় আনা হবে। প্রতিটি ই-রিকশাকে বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হতে হবে।

প্রতিটি ই-রিকশার ইকোনোমিক লাইফটাইম হবে নিবন্ধনের তারিখ থেকে ১২ (বারো) বছর এবং ইকোনমিক লাইফটাইম শেষ হওয়ার পর নম্বর প্লেটসহ সংশ্লিষ্ট ই-রিকশার নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।

প্রতিটি ই-রিকশায় স্পিডোমিটার বা ওডোমিটার স্থাপন করতে হবে। ত্রুটিযুক্ত ও অবৈধ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। কোনো যান্ত্রিক বা নিরাপত্তা ত্রুটিযুক্ত এবং নিবন্ধনবিহীন অবৈধ ই-রিকশা সড়কে চালানো যাবে না।

ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ির সম্মুখভাগে দৃষ্টিগ্রাহ্য অংশে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলাচল অযোগ্য সাইনবোর্ড প্রদর্শন করে তা মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মেট্রোপলিটন এলাকার ট্রাফিক বিভাগ বা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যৌথভাবে অথবা পৃথকভাবে অবৈধ ই-রিকশা চলাচল বন্ধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

সড়ক ব্যবহার নিয়মাবলি :

(১) ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও প্রধান বাস চলাচলের সড়ক বা করিডোর এবং প্রশাসন কর্তৃক সময় সময় নিষেধাজ্ঞা আরোপিত সড়কে চলাচল করতে পারবে না।

ই-রিকশা ফুটপাতে চলাচল করতে পারবে না।

ই-রিকশাচালক সর্বদা সড়কের বাম লেন অনুসরণ করে চলাচল করবে।

ই-রিকশাচালক ড্রাইভিং করার সময় মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না।

ই-রিকশাচালক নিয়ম বহির্ভূতভাবে ওভারটেকিং এবং লেন পরিবর্তন করতে পারবেন না।

নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ই-রিকশায় চালক ব্যতীত আকারভেদে ২ (দুই) অথবা ৪ (চার) জনের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ব্যতীত অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা যাবে না।

ই-রিকশায় ৪০ (চল্লিশ) ডেসিবেলের অধিক তীব্রতাসম্পন্ন হর্ন ব্যবহার করা যাবে না।

স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় বা জনবহুল স্থানে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ (পনেরো) কিলোমিটার।

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও রুট পারমিট

(১) ই-রিকশা চলাচলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে রুট (চলাচলের সড়ক) নির্ধারণ করবে।

সিটি কর্পোরেশন এলাকায় রুট হবে জোনভিত্তিক এবং এক জোনের ই-রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না।

ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন এবং ট্রাফিক বিভাগ জোনভিত্তিক বিভক্তকরণসহ জোনভিত্তিক ই-রিকশার সংখ্যা, রুট (চলাচলের সড়ক) ও রং (ই-রিকশার জন্য নির্দিষ্ট রং) নির্ধারণ চূড়ান্ত করবে।

নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চালকের প্রশিক্ষণ। কর্তৃপক্ষ স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চালকদের জন্য ট্রাফিক আইন, সড়ক নিরাপত্তা, ব্যাটারি ও ই-রিকশা রক্ষণাবেক্ষণ এবং আনুষাঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে পারবে।

কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে, প্রতিটি ওয়ার্ডে বা উপযুক্ত স্থানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পার্কিং এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ও সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স প্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট গ্যারেজে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে পারবে এবং সংশ্লিষ্ট চার্জিং পয়েন্ট বা গ্যারেজসমূহে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।

কর্তৃপক্ষ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বা বেসরকারি খাতে বা অন্য কোনো উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন বা গ্যারেজ ও ব্যাটারি বিনিময় কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ ও উৎসাহিত করতে হবে এবং অনিয়ন্ত্রিত ও নিয়ম বহির্ভূত চার্জিং পরিহার করতে হবে।

পর্যায়ক্রমে বৈধভাবে রেজিস্টার্ড চার্জিং স্টেশনে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ করা যাবে এবং ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রীড সংযোগের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার সঙ্গে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

চার্জিং স্টেশন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ করলে বিদ্যমান সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় দণ্ড প্রদান করা হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা, তফসিলি ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি অনুমোদিত মানের ই-রিকশা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ই-রিকশা চালক ও মালিকগণকে ঋণ সহায়তা প্রদান করতে পারবে।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিধান অনুসরণ :

এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ই-রিকশা উৎপাদন, আমদানি, ব্যবহার এবং ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবস্থাপনার সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১ নং আইন), তদধীন প্রণীত বিধিমালা এবং সকল জারীকৃত নির্দেশনা অনুসরণীয় হবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরাতন বা অকার্যকর ব্যাটারি বা তার অংশবিশেষ উন্মুক্ত স্থান, মাটি, জলাশয় বা সাধারণ বর্জ্যে নিক্ষেপ বা পোড়াতে পারবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার মেলায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৮ পি.এম


ঢাকার মেলায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরছে

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ারে পাকিস্তানের বিভিন্ন পর্যটন ও ভ্রমণ প্রতিষ্ঠান তাদের দেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরছে। এই মেলা, যা আজ শুরু হয়েছে, আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে জোরদার করার জন্য দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও বিনিময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি উভয় দেশকে ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন।

মেলায় তিনি পাকিস্তান প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন এবং দর্শকদের দেশটির বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো ঘুরে দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

মেলায় অংশগ্রহণকারী পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলো দেশটির মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যময় খাবার এবং চিকিৎসা পর্যটনসেবার সুযোগ তুলে ধরছে।

এছাড়া, পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ দুই দেশের মধ্যে পর্যটন-সংশ্লিষ্ট বিনিময় বাড়াতে এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদারে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ক্ষমতার নয়, নীতির চর্চা করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ক্ষমতার নয়, নীতির চর্চা করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার

হবিগঞ্জ, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মন্তব্য করেছেন যে, আইন শিক্ষার প্রসার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে আইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষ, সৎ, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আইনজীবী তৈরির মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

আজ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে হবিগঞ্জ ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মতিন খানের স্মরণসভা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতাও রয়েছে। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার সুরক্ষা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে আইনজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়েছেন, প্রাণ দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। বিভিন্ন মত ও পথের অনুসারী হতে পারি, কিন্তু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। জনগণ যাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা হলো ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। ক্ষমতার লোভে নয়, বরং ন্যায়বিচার, জনস্বার্থ ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ন্যায়বিচার, সাম্য, আইনের শাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।

ডেপুটি স্পিকার উল্লেখ করেন, মরহুম অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মতিন খান ছিলেন শিক্ষা বিস্তার ও আইন পেশার উন্নয়নে একজন দূরদর্শী, কর্মনিষ্ঠ ও নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিত্ব। বিশেষ করে হবিগঞ্জ অঞ্চলে আইন শিক্ষার প্রসার এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীদের আইন বিষয়ে শিক্ষিত হয়ে আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টিতে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আইন শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দক্ষ ও যোগ্য আইনজীবী তৈরিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য। হবিগঞ্জ ল’ কলেজ ভবিষ্যতেও সৎ, দক্ষ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আইনজীবী তৈরির মাধ্যমে দেশের বিচারব্যবস্থার উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্মরণসভায় অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

এছাড়া অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ ল’ কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাখাওয়াত হোসেন খান, আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের বইপড়া, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান সংস্কৃতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


শিশুদের বইপড়া, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান সংস্কৃতিমন্ত্রীর

রাজশাহী, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী গ্রাম ও শহরের সকল শিশুকে ছোটবেলা থেকেই বইপড়া, নিয়মিত খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বিকেলে নগরীর কালেক্টরেট মাঠে ৯ দিনব্যাপী রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম।

এছাড়াও সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও রাজশাহীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে বইপড়া, খেলাধুলা এবং সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, এর মাধ্যমেই আগামী দিনের মেধাবী ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব।

মন্ত্রী বলেন, একসময় পরীক্ষার খাতায় না লিখলেও শতকরা ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থার এমন দশার কারণে বর্তমানে তরুণদের হাতে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকলেও তাদের উপযুক্ত দক্ষতা ও জ্ঞানের চরম অভাব রয়েছে।

শিক্ষার মান ও তরুণদের বেকারত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘যথাযথ শিক্ষা ও দক্ষতার অভাবেই দেশে বেকারত্ব বাড়ছে। আর এই বেকারত্বের সুযোগ ও হতাশা কাজে লাগিয়েই দেশজুড়ে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটানো হয়েছে।’

শিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে জাতীয় বাজেটের প্রায় চারভাগের এক ভাগই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ এবং তাদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিশেষ পরিকল্পনাও সরকার হাতে নিয়েছে।

পরে মেলা প্রাঙ্গণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, রাজশাহীর কালেক্টরেট মাঠে শুরু হওয়া এই বিভাগীয় বইমেলা চলবে আগামী ৬ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণ সব বয়সীর দর্শনার্থী ও বইপ্রেমীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%