শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৯ পি.এম
বাংলাদেশ টেস্ট দলের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক মাথায় আঘাত পেয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ফিল্ডিং করার সময় এই চোটের কারণে তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ পাননি।
মুমিনুল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের ৭৮তম ওভারে চোট পান। মেহেদী হাসান মিরাজের বল খেলতে গিয়ে জশুয়া বিশপ ক্যাচ তুলে দেন। সেই সময় মুমিনুল, যিনি কাছেই ফিল্ডিং করছিলেন, বলটি ধরতে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ফিজিও এসে উপস্থিত হন। চোটের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মুমিনুল তখনই মাঠ ত্যাগ করেন।
মুমিনুলের কনকাশনের লক্ষণ দেখা দেওয়ায় তিনি এই টেস্ট থেকে বাদ পড়েন। তার পরিবর্তে কনকাশন সাবস্টিটিউট হিসেবে সুযোগ পান জাকের আলী অনিক। অনিক দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন, বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ৭৯ রান।
মুমিনুলের চোট নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৭৮তম ওভারে ফিল্ডিং করার সময় মাথায় আঘাত পান মুমিনুল হক। তার মধ্যে কনকাশনের লক্ষণ দেখা দেওয়ায় ম্যাচের বাকি অংশের জন্য তার পরিবর্তে কনকাশন সাবস্টিটিউট হিসেবে জাকের আলী অনিককে নেওয়া হয়েছে।’
এই চোট মুমিনুলকে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য অনিশ্চিত করে তুলেছে। বিসিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিলেট টেস্টে খেলার জন্য তাকে চিকিৎসকের কাছ থেকে শারীরিকভাবে ফিট হওয়ার ছাড়পত্র নিতে হবে। সিলেট টেস্ট শুরু হবে ৫ নভেম্বর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কুড়িল বিশ্বরোডের একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুড়িল বিশ্বরোডের ৯৫/ক নম্বর ভবনে, পূবালী ব্যাংকের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ‘হোটেল পূর্বাচল’-এ আবাসিক হোটেলের আড়ালে এসব কর্মকাণ্ড চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, হোটেলটির ব্যবস্থাপক রবিউলের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীদের এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর পাশাপাশি মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক হোটেলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি দেখা যাচ্ছে না। এতে হোটেলটিতে অবস্থানকারী সাধারণ অতিথি ও আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে হোটেল পূর্বাচলের ব্যবস্থাপক রবিউলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা থানায় মাসোয়ারা দিই। যা কিছু জানার থানার ওসির কাছে জানেন।”
তবে হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং হোটেলটিতে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, মাদকবিরোধী অভিযান এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।উল্লেখ্য বিষয় একাধিকবার ও সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন পত্রিকার নিউজ সত্ত্বেও কোন প্রকারে বন্ধ হয়নি এই দেহ ব্যবসা ও মাদক ব্যবসা। আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ম্যানেজার রবিউল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে গ্যাসের সঙ্গে তেলের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে পেট্রোবাংলা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে গ্যাসটিকে থার্মোজেনিক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গ্যাসের উৎস এবং মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময় গ্যাসের প্রবাহ অব্যাহত থাকলে তা বন্ধ করার জন্য রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে আপাতত পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা আগুন নেভানো কিংবা গ্যাস বের হওয়ার পথ বন্ধ না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তাঁদের মতে, জোর করে আগুন নেভানো বা গ্যাসের পথ বন্ধ করা হলে ভূগর্ভে গ্যাস জমে উচ্চচাপ তৈরি হতে পারে, যা বড় ধরনের বিস্ফোরণের সম্ভাবনা তৈরি করে।
শুক্রবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, "প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নির্গত গ্যাসটি থার্মোজেনিক বলে মনে হচ্ছে। এর সঙ্গে কিছুটা তেলের মিশ্রণ বা উচ্চ হাইড্রোকার্বনের উপস্থিতিও রয়েছে।" গ্যাসের উৎস ও পরিমাণ নিশ্চিত করতে ১৫ দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই সময়ে আগুনের শিখার উচ্চতা এবং গ্যাস নির্গমনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
মো. শোয়েব আরও বলেন, "যদি পর্যবেক্ষণের পর আগুনের শিখা একই রকম থাকে বা উচ্চতা বাড়ে, তাহলে গ্যাসের প্রবাহ বন্ধ করতে রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।" এই প্রক্রিয়ায় সাইড ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে। মূল কূপের পাশ দিয়ে বিকল্প কূপ খনন করে গ্যাসের প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে। তবে গ্যাসের প্রবাহ কমে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, "কোনোভাবেই জোর করে আগুন নেভানো যাবে না। গ্যাস বের হওয়ার পথও বন্ধ করা যাবে না। এতে ভূগর্ভে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
আশপাশের স্তর থেকেও বের হচ্ছে গ্যাস
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে আশপাশের কয়েকটি ভূতাত্ত্বিক স্তর থেকেও গ্যাস জ্বলতে দেখা গেছে বলে জানান পেট্রোবাংলার এই কর্মকর্তা। ভূগঠনের পরিবর্তনের কারণে এসব স্তর দিয়ে গ্যাস বের হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে বাপেক্স ওই এলাকায় ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) ভূকম্পন জরিপ পরিচালনা করবে। জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে ভূগর্ভে গ্যাসের মজুতের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক মজুত পাওয়া গেলে সেখানে নতুন কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শামসিয়া মুকতাদির বলেন, "এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাপেক্সের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সক্ষমতা রয়েছে। তবে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।"
২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা, তবু মানুষের ভিড়
গত ২৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইনানী ছোট খাল ব্রিজসংলগ্ন একটি বাড়িতে নলকূপ বসানোর কাজ চলছিল। মাটির প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে পাইপ প্রবেশ করানোর পর গ্যাস বের হতে শুরু করে। একপর্যায়ে গ্যাসে আগুন ধরে যায়। শুক্রবার পর্যন্ত টানা চার দিন ধরে আগুন জ্বলছিল।
ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে গ্যাসের উৎস ও প্রকৃতি জানতে বাপেক্সের কারিগরি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এদিকে জননিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থলের ২০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পান্না আক্তার স্বাক্ষরিত আদেশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
আদেশে ঘটনাস্থল ও আশপাশে আগুন জ্বালানো, ধূমপান, দিয়াশলাই বা লাইটার ব্যবহারসহ আগুনের স্ফুলিঙ্গ তৈরি হতে পারে এমন কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
এলাকায় মাইকিং করার পাশাপাশি কাঁটাতারের বেড়া ও লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। কিন্তু এরপরও প্রতিদিন ঘটনাস্থলে ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ। বিশেষ করে বিকেলের দিকে মানুষের সমাগম বাড়ছে। অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "বাপেক্সের পক্ষ থেকে আগে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমার কথা বলা হয়েছিল। তাঁদের আশা ছিল, এর মধ্যে আগুনের তীব্রতা কমবে। কিন্তু আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।"
আরেক বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, "আগুনের কারণে সড়কে চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। যানবাহন নিয়ে যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতে কষ্ট হচ্ছে।"
স্থানীয় শহিদুল আলম বলেন, "প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেকে কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রম করে ঘটনাস্থলের কাছে যাচ্ছেন। এভাবে মানুষের ভিড় চলতে থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"
গ্যাসের আগুনের কারণে একদিকে নিরাপত্তাঝুঁকি, অন্যদিকে স্থানীয়দের স্বাভাবিক চলাচলে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন স্থানীয়রা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অবৈধ কার্যক্রমে যুক্ত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মো. সাইফুল ইসলাম মিঠুকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জেলা সদরের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আইলপাড়া এলাকার নিজ ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া সাইফুল ইসলাম মিঠু ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিরপুর থানার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাইফুল ইসলাম মিঠু প্রায় এক মাস আগে সিদ্ধিরগঞ্জের আইলপাড়া এলাকায় আত্মগোপন করেন এবং সেখানে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার মো. নাজমুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম মিঠুর বিরুদ্ধে রাজধানীর মিরপুর ও শেরেবাংলা নগর থানায় ২৪ জুলাই আন্দোলনে হামলার মামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও কিছু মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। মিঠুর বিরুদ্ধে মোট কতগুলো মামলা রয়েছে, কোনো মামলায় ওয়ারেন্ট বা সাজাপ্রাপ্ত কি না, সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বর্তমানে তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে রাখা হয়েছে। আগামীকাল তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানিয়েছেন, গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম মিঠুর বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে হাসপাতালটি পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনের সময়, স্বাস্থ্য ডিজি হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা, পরিচ্ছন্নতা এবং রোগীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু একটি জনস্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ। এ রোগের বিস্তার রোধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে।
অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগ সফল করতে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক এবং সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নাজমুল হুদা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ