ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিরপুরের স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম মিঠু নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার


মিরপুরের স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম মিঠু নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার

অবৈধ কার্যক্রমে যুক্ত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মো. সাইফুল ইসলাম মিঠুকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জেলা সদরের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আইলপাড়া এলাকার নিজ ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া সাইফুল ইসলাম মিঠু ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিরপুর থানার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন: শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন; সভাপতি আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক রাসেল সরকার

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাইফুল ইসলাম মিঠু প্রায় এক মাস আগে সিদ্ধিরগঞ্জের আইলপাড়া এলাকায় আত্মগোপন করেন এবং সেখানে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার মো. নাজমুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম মিঠুর বিরুদ্ধে রাজধানীর মিরপুর ও শেরেবাংলা নগর থানায় ২৪ জুলাই আন্দোলনে হামলার মামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও কিছু মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। মিঠুর বিরুদ্ধে মোট কতগুলো মামলা রয়েছে, কোনো মামলায় ওয়ারেন্ট বা সাজাপ্রাপ্ত কি না, সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বর্তমানে তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে রাখা হয়েছে। আগামীকাল তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানিয়েছেন, গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম মিঠুর বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজশাহী বোর্ডে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্বাস্থ্য ডিজির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ এম


ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্বাস্থ্য ডিজির

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।

তিনি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে হাসপাতালটি পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনের সময়, স্বাস্থ্য ডিজি হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা, পরিচ্ছন্নতা এবং রোগীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু একটি জনস্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ। এ রোগের বিস্তার রোধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে।

অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগ সফল করতে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক এবং সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নাজমুল হুদা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীর বাড়ি-দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ এম


সুনামগঞ্জে যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীর বাড়ি-দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষীকে কেন্দ্র করে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে ওই সাক্ষীর বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শাল্লা থানার ওসি মোহাম্মদ সোহেল জানান, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাতের দিকে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দৌলতপুরে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলা ও ভাঙচুরের আলামত সংগ্রহ করেছে। আমরা ভুক্তভোগীদের মামলা করার কথা বলেছি। তবে তারা আহতদের নিয়ে হাসপাতালে থাকায় আসতে বিলম্ব হচ্ছে।’

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দুলাল মিয়ার বাড়ি ও দোকানে মধ্যরাতে কিছু লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। উল্লেখ্য, দুলাল মিয়ার বাবা মামুদ আলী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ হন। এই পরিবারের মোট সাত স্বজন-আত্মীয় শহীদ হন।

২০১৬ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী হিসেবে দুলাল মিয়া দায়িত্ব পালন করেন। তদন্ত সংস্থার কাছে মোট ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ১৫০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

যুদ্ধাপরাধের মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর দৌলতপুর গ্রামের তোতা টেইলার্স, জলিল মিয়াসহ পাঁচজনকে মানবতাবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দীর্ঘদিন জেল খেটে তারা জামিনে মুক্তি পান।

তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩৪ জনকে হত্যা, পাঁচ নারীকে ধর্ষণ, ৩১ জনকে অপহরণ, ১৪ জনকে নির্যাতন এবং ৩০ বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুলাল মিয়ার মেয়ে উজ্জ্বলা আক্তার শুক্রবার বলেন, ‘আমার বাবা একাত্তরের মানবতাবিরোধী মামলার সাক্ষী। আতঙ্কের মধ্যেই তিনি মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের পর এই আতঙ্ক আরো বেড়েছে।’

তিনি আরও বলেন, তার স্বামী হেলাল মিয়া ও বাবা দুলাল মিয়া মিলে গ্রামে দোকানদারি করেন। এই দোকানে উৎপাতও বেড়েছে। মামলার অন্যান্য সাক্ষী যারা ছিলেন, তারা ৫ আগস্টের পর গ্রাম ছেড়ে চলে গেছেন। শুধু তার পরিবার রয়ে গেছে।

উজ্জ্বলা জানান, ‘২৩ অক্টোবর আমাদের দোকানে চুরি হয়। তখন শাল্লা থানাকে চুরির বিষয়টি অবগত করা হয়। ২৯ অক্টোবর পুলিশ গ্রামে আসে তদন্তে। তখন হামলাকারীরা পুলিশ কেন গ্রামে আসল, সেই জবাব আমাদের কাছে চায়। তারা পুলিশের সঙ্গেও তর্কে জড়ায়।’

তার অভিযোগ, ‘পুলিশ গ্রাম থেকে চলে যাওয়ার পর মধ্যরাতে যুদ্ধাপরাধের মামলার আসামি তোতা টেইলার্সের ভাতিজা জালাল মিয়ার নেতৃত্বে তোফাজ্জল মিয়া, যুদ্ধাপরাধের মামলার আসামি জলিল মিয়ার নাতি শাহিন মিয়া, হেকিম মড়ল, সুলতান, রাজ্জাক, তারেক, শামিম, নূর ইসলামসহ ১৫-২০ জন বাড়িতে ও দোকানে হামলা চালায়।’

উজ্জ্বলা অভিযোগ করেন, হামলার পর দোকান ও বসতঘরের মালামাল, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। হামলাকারীরা চারটি ফ্রিজ, ছয়টি গরু, দুই ভরি স্বর্ণ, নগদ চার লাখ টাকা নিয়ে যায়। বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘হামলাকারীরা আমাদের পরিবারের ফাতেমা বেগম, ফরিদা বেগম ও রোকেয়া বেগমকে মারধর করে ও যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে। পরে তাদেরকে দিরাই ও শাল্লা হাসপাতালে নেওয়া হয়।

‘হামলাকারীরা আমাকে ও আমার ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টাও করেছে। আমরা যুদ্ধাপরাধের মামলার সাক্ষী এবং বীরাঙ্গনা পরিবারের সদস্য। এ কারণে তারা আমাদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করতে চায়।’

দুলাল মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা বেগম বলেন, ‘আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ওপর অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আসছে। বৃহস্পতিবার রাতে হামলা করে সব লুট করে নিয়ে গেছে। এখন আমার স্বামীকে খুঁজে পাচ্ছি না। ৫ আগস্টের পর মামলার অন্য আসামিরা গ্রাম ছেড়ে ভয়ে চলে গেছেন।’

দুলাল মিয়ার মেয়ের জামাই ও উজ্জ্বলা আক্তারের স্বামী হেলাল মিয়া বলেন, ‘হামলার খবর পেয়ে আমি সুনামগঞ্জ থেকে দৌলতপুরে গিয়ে দেখি, আমার সব শেষ। দোকান ও বাড়ির সব মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। ঘটনার সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ ছিলেন না। হামলাকারীরা অস্ত্রশন্ত্র নিয়ে হামলা ও লুটপাট করে।’

শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোকতাদির আহমদ জানান, ‘দৌলতপুর গ্রামের তিন নারী ও এক শিশু আহত অবস্থায় এসে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’

এ ব্যাপারে জানতে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি জালাল মিয়ার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

শাল্লা থানার ওসি মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দিনের বেলায় পুলিশ ওই গ্রামে তদন্তে গেলেও হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশের উচ্চবাচ্য হয়। রাতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১ নভেম্বর সেন্টমার্টিন খুললেও পর্যটকরা যেতে পারছেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ এম


১ নভেম্বর সেন্টমার্টিন খুললেও পর্যটকরা যেতে পারছেন না

দীর্ঘ বিরতির পর আগামী রোববার (১ নভেম্বর) থেকে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য খুলছে। তবে, দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হবে না প্রথম দিন থেকেই। সরকারি অনুমোদন ও দাফতরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে ৪ বা ৫ নভেম্বর থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে। তবে ১ নভেম্বর থেকেই সেন্টমার্টিন ভ্রমণে আগ্রহী পর্যটকদের জন্য অনলাইন নিবন্ধন শুরু হবে।

জাহাজ মালিকদের সংগঠন স্কোয়াবের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সেন্টমার্টিন রুটে চলাচলের জন্য তিনটি জাহাজ অনুমোদন পেয়েছে। এছাড়াও, আরও সাতটি জাহাজ অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনটি অনুমোদিত জাহাজ চলাচলের জন্য প্রস্তুত থাকলেও, বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।

সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানিয়েছেন, ১২ অক্টোবর সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল ও পর্যটকের সংখ্যা নির্ধারণের বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ অক্টোবর পরিবেশ মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে ২৭ অক্টোবর তা সংশোধন করা হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না। এর ধারাবাহিকতায় ২৯ অক্টোবর তিনটি জাহাজ পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাহাজ চলাচলের জন্য নৌপরিবহন অধিদফতরের ভয়েজ লাইসেন্স, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এবং জেলা পরিষদের অনুমতি প্রয়োজন। এসব অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে জাহাজ চলাচল শুরু করা যাবে। বর্তমানে তিনটি জাহাজ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করে প্রস্তুত রয়েছে। অন্যদিকে, আরও সাতটি জাহাজ প্রস্তুত করার কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ৩ থেকে ৫ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) সাধারণ সম্পাদক আখতার নুরও একই ধরনের আশার কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ১ নভেম্বর থেকে জাহাজ চলাচলের অনুমোদন পাওয়ার কথা থাকলেও পরিবেশগত ছাড়পত্র পেতে দেরি হয়েছে। গতকাল সেই ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। এখন ভয়েজ লাইসেন্স ও রুট পারমিটসহ আরও কিছু অনুমোদন নিতে হবে। শুক্র ও শনিবার থাকায় এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগছে।

আখতার নুর জানান, আশা করা হচ্ছে, ৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া যাবে। এরপর ৩ থেকে ৫ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।

দৈনিক যেতে পারবেন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক।

এবার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে পর্যটকের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দৈনিক সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন। এ জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করছে, যা অনলাইন নিবন্ধন, কিউআর কোড ও ট্রাভেল পাসের সমন্বয়ে গঠিত।

সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী জানিয়েছেন, কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াতের ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জনের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সীমা কার্যকর করতে কিউআর কোড যুক্ত ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে। এর ফলে নির্ধারিত সংখ্যার বেশি পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন না।

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি এলাকা। দ্বীপটির প্রতিবেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যেই পর্যটকের সংখ্যা সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাহাজ পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের সরকারের অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র নিতে হবে। এরপর পর্যটকদের ট্রাভেল পাস দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে পর্যটন বোর্ড।

মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী আরও বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা বেড়েছে। তবে এটি শুধুমাত্র সাময়িক উদ্যোগ নয়, স্থায়ী সমাধানের দিকেও যেতে হবে। প্রতিটি স্থানে অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে হবে। এসব ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সরকারেরও দায়িত্ব রয়েছে। সরকার নিয়মিত এসব কার্যক্রম তদারক করবে।

আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের অনলাইন নিবন্ধন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে, জাহাজ চলাচলের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ও অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেন্টমার্টিনের সমুদ্রযাত্রা শুরু হচ্ছে না। ফলে দ্বীপ ভ্রমণের জন্য নিবন্ধন শুরু হলেও, জাহাজে ওঠার জন্য পর্যটকদের আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্তের জন্য এনসিপিকে সাদুবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ এম


জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্তের জন্য এনসিপিকে সাদুবাদ

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান এনসিপির জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তার ফেসবুক পেজে এ নিয়ে একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য এনসিপিকে সাধুবাদ জানাই।" এনসিপির ভাই ব্রাদারদের মধ্যে কেউ কেউ জানিয়েছেন, যদিও এখনই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই, তবে একপ্রকার পিসফুল ডিভোর্সের মতো শীঘ্রই জামায়াত জোট থেকে বের হয়ে আসবে এনসিপি। আজকের গণবিক্ষোভ কর্মসূচি এবং আসিফ মাহমুদের বক্তব্য শুনে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

গণবিক্ষোভ থেকে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের পক্ষে তেমন কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইতিবাচক দিক হলো, অনেক দিন পর এনসিপির আজকের গণবিক্ষোভে কয়েক হাজার লোকের সমাগম ঘটেছে। জামায়াতের সাথে জোট করার পর থেকে এনসিপির কর্মসূচিগুলোতে লোকের সংখ্যা খুব কম ছিল। দীর্ঘ সময় পর হাজারের উপরে লোকের উপস্থিতি এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির জন্য আশার সঞ্চার করেছে।

এভাবে যদি স্বতন্ত্র রাজনীতি পরিচালনা করা সম্ভব হয়, তাহলে আগামী এক বছরের মধ্যে এনসিপি একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। এবং আওয়ামী শূন্যতা পূরণে সক্ষম হবে।

এভাবে কাজ করতে থাকলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধীদল হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। এনসিপি বারবার এই স্বপ্নের কথা বলছে। কিন্তু জামায়াতের পকেটে থেকে প্রধান বিরোধীদল হওয়া সম্ভব নয়। এই উপলব্ধি এনসিপির অনেকের মধ্যে প্রবল হয়ে উঠেছে, যার ফলে আজকের এই স্বতন্ত্র কর্মসূচি।

তবে এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এনসিপির ৮ জন এমপি। তারা আগামীবারও জামায়াতের ভোটে এমপি হতে জোটের রাজনীতি ধরে রাখতে মরিয়া। তবে এনসিপির অধিকাংশ সদস্য স্বতন্ত্র রাজনীতির পক্ষে। দেখা যাক, প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হয়, নাকি জামায়াতের পকেট সংগঠন হিসেবে থেকে যায় এনসিপি। পরিশেষে, এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির প্রতি শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%