ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

হতাশ হওয়ার কিছু নেই, শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নবান হলেই ফলাফল ভালো হবে: এনইউ ভিসি


হতাশ হওয়ার কিছু নেই, শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নবান হলেই ফলাফল ভালো হবে: এনইউ ভিসি

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে হতাশ হওয়ার পরিবর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, যাতে তারা শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও যত্নবান হন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান আন্তরিক হলে আগামীতে পাসের হার স্বাভাবিক ও ভালো হবে। শনিবার ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর ফলাফল বিশ্লেষণ ও করণীয় বিষয়ে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি উল্লেখ করেন, এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়াকে ‘ফলবিপর্যয়’ হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে মূল্যায়ন ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে যে শৃঙ্খলা আনা হচ্ছে, ফলাফলে তার একটি সাময়িক প্রভাব দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বরিশালে শীর্ষে পিরোজপুর, পাসের হার ৫১.৫৫%

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দোষারোপ না করে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা এখন বুঝতে পেরেছে যে পাস করতে হলে তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে হবে।

এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীর মূল্যবান শিক্ষাজীবন রক্ষায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া ও পূর্ণাঙ্গ উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্তকে তিনি সাধুবাদ জানান।

ড. আমানুল্লাহ বিশ্বাস করেন, শিক্ষামন্ত্রীর এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে শিক্ষার্থীদের এক বছর নষ্ট হবে না এবং এতে পাসের হার অন্তত ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মনোবল জোগাতে কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকদের এবং অভিভাবকদের উচিত একসঙ্গে বসে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা।

আরও পড়ুন: কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭১% শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা থেকে বঞ্চিত

শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো বিবেচনা করে ছুটির দিনে কিংবা নিয়মিত সময়ের বাইরে প্রয়োজনে বিনা সম্মানীতে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে তাদের তৈরি করতে হবে।

ড. আমানুল্লাহ মন্তব্য করেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্কার উদ্যোগ এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থায় টেকসই ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। তিনি বলেন, এই সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাসের হার সাময়িক কমলেও আগামী পরীক্ষাগুলোতে সার্বিক পাসের হার ও শিক্ষার মান বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধানে বিজিবিকে নিয়ে পুরোনো অপপ্রচার শনাক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধানে বিজিবিকে নিয়ে পুরোনো অপপ্রচার শনাক্ত

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট বিজিবিকে নিয়ে অপপ্রচার শনাক্ত করেছে, যা সীমান্তে আরাকান আর্মিকে অনুপ্রবেশে বাধা দেওয়ার পুরোনো ভিডিও প্রচারের মাধ্যমে হয়েছে।

বাংলাফ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, বিজিবিকে নিয়ে এই অপপ্রচারটি পুরোনো ভিডিওর মাধ্যমে করা হয়েছে, যেখানে সীমান্তে আরাকান আর্মিকে অনুপ্রবেশে বাধা দেওয়ার দৃশ্য রয়েছে।

বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধান টিম জানায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে, যার ক্যাপশনে বলা হয়েছে, 'হঠাৎ বিজিবির সামনে ইউপিডিএফ! অবৈধ অস্ত্রসহ সন্ত্রাসীদের নাগালে পেয়েও তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি!'

যাচাই করে বাংলাফ্যাক্ট দেখতে পায়, ভিডিওটি বিজিবির সামনে ইউপিডিএফের অস্ত্র হাতে উপস্থিতির ঘটনা নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে আরাকান আর্মির একটি দল বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে শূন্যরেখা অতিক্রম করে। বিষয়টি জানার পর বিজিবির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে বিজিবি সদস্যরা প্রথমে মৌখিকভাবে তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ না করার জন্য সতর্ক করেন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দলটিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালের মান্তা সম্প্রদায় পেলো শেষ ঠিকানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


বরিশালের মান্তা সম্প্রদায় পেলো শেষ ঠিকানা

বরিশাল, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : দেশের দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে নৌকায় বসবাসকারী একটি জনগোষ্ঠী হলো মান্তা সম্প্রদায়। এ মান্তা সম্প্রদায়ের নদীই তাদের ঘর, আর নৌকা তাদের ঠিকানা। জীবিকার তাগিদে যারা কাটে ভাসমান জীবন—মৃত্যুর পর স্বজনদের শেষ বিদায় জানাতে তাদের পড়তে হতো চরম অনিশ্চয়তায়।

স্থায়ী কবরস্থান না থাকার কারণে প্রিয়জন হারানোর শোকের সঙ্গে যুক্ত হতো দাফনের জায়গা খুঁজে বের করার অসহনীয় দুশ্চিন্তা ও দুর্ভোগ। বরিশালের নদীনির্ভর মান্তা সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ লাঘবে এবার এগিয়ে এসেছে উপজেলা প্রশাসন। তাদের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে একটি স্থায়ী কবরস্থান।

নদীর বুকে জীবন, মৃত্যুর পরও ছিল না নিশ্চয়তা:

বরিশাল সদর উপজেলার লাহারহাট, চরবাড়িয়া ও আশপাশের নদ-নদীতে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বসবাস করে আসছে মান্তা সম্প্রদায়। নৌকাকে কেন্দ্র করেই তাদের জীবন-জীবিকা। নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা এ জনগণের অনেকেরই স্থায়ী বসতভিটা নেই। প্রতিকূল প্রকৃতি, আর্থিক সংকট ও নানা সামাজিক সীমাবদ্ধতার সঙ্গে লড়াই করেই কাটে তাদের প্রতিদিনের জীবন।

কিন্তু জীবনের সংকটের পাশাপাশি মৃত্যুর পর দাফনের জায়গা না পাওয়ার কষ্ট ছিল আরও নির্মম। স্বজন হারানোর মুহূর্তে যেখানে শেষ বিদায় জানানোর কথা, সেখানে উপযুক্ত কবরস্থানের অভাবে তাদের পড়তে হতো অনিশ্চয়তায়। কখনো কখনো পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাত যে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার মতো দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতিও তৈরি হতো।

মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে একটি স্থায়ী কবরস্থানের অভাব এবং শুধু জমির সংকট ছিল না; এটি ছিল মানবিক মর্যাদা, ধর্মীয় রীতি পালন ও স্বজনদের শেষ বিদায় জানানোর মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্ন।

এক একর জমিতে আশার নতুন ঠিকানা:

মান্তা সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের এ সংকট নিরসনে বরিশাল সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় কবরস্থান স্থাপনের কাজ চলছে। উপজেলার সিংহেরকাঠী আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন খাসজমিতে প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এ কবরস্থানটি।

উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে নদীতে বসবাসকারী মান্তা সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের স্বজনদের দাফনের জন্য পাবেন একটি নির্দিষ্ট স্থান। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে মৃত্যুর পর প্রিয়জনকে সম্মানজনকভাবে সমাহিত করার সুযোগ তৈরি হবে তাদের জন্য।

শুধু মান্তা সম্প্রদায় নয়, কবরস্থানটি ছিন্নমূল যেকোনো মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে নদীনির্ভর প্রান্তিক জনগণের পাশাপাশি সমাজের অসহায় ও ভূমিহীন মানুষের জন্যও এটি হয়ে উঠতে পারে গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল।

বরিশালের মান্তা সম্প্রদায়ের সরদার জসিম সর্দার ও জাকির হোসেন বাসসকে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে নদীতে নৌকায় বসবাস করছি। আমাদের নিজেদের স্থায়ী কোনো বসতভিটা নেই। পরিবারের কেউ মারা গেলে তাকে কোথায় দাফন করব, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়তে হতো। অনেক সময় দাফনের জন্য অন্যের জমির ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। স্থায়ী কবরস্থান না থাকায় আমাদের এ কষ্ট দীর্ঘদিনের।

তারা বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদের জন্য কবরস্থানের ব্যবস্থা করায় আমরা আনন্দিত। এটি চালু হলে মৃত্যুর পর অন্তত স্বজনদের সম্মানের সঙ্গে দাফন করতে পারব। আমরা চাই, দ্রুত কবরস্থানটির নির্মাণকাজ শেষ করে এটি ব্যবহারের উপযোগী করা হোক।’

দ্রুত উদ্বোধনের আশা প্রশাসনের:

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানা বাসসকে বলেন, কবরস্থানটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, মান্তা সম্প্রদায়ের পাশাপাশি ছিন্নমূল যেকোনো মানুষও কবরস্থানটি ব্যবহার করতে পারবেন। পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে উপজেলাবাসীর সার্বিক সহযোগিতাও কাম্য।

প্রশাসনের এ উদ্যোগকে মান্তা সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানের পথে অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে কবরস্থানটি পুরোপুরি চালু হলে এর প্রকৃত সুফল পাবেন সেই মানুষগুলো, যাদের জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে নদীর বুকে, আর মৃত্যুর পর স্বজনদের শেষ আশ্রয়টুকু নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা।

শেষ বিদায়ে মিলবে একটুকরো মাটি:

মান্তা সম্প্রদায়ের জীবন নদীর সঙ্গে বাঁধা। নদীই তাদের জীবিকা, নদীই তাদের বসবাসের পরিসর। কিন্তু নদীর বুকে ভাসমান এ জীবনেও মৃত্যুর পর স্বজনদের জন্য একটি নির্দিষ্ট কবরস্থানের নিশ্চয়তা থাকা জরুরি।

সিংহেরকাঠীতে প্রায় এক একর জমিতে নির্মাণাধীন কবরস্থানটি চালু হলে সেই নিশ্চয়তার পথ খুলবে। দীর্ঘদিনের দাফন সংকট থেকে স্বস্তি পাবেন নদীনির্ভর প্রান্তিক জনগণের এ মানুষজন। প্রিয়জন হারানোর শোকের মুহূর্তে অন্তত দাফনের জায়গা খুঁজে বের করার অসহায়তা পোহাতে হবে না তাদের।

নদীতে যাদের জীবন কাটে, মৃত্যুর পর তাদের স্বজনদের শেষ ঠিকানা হবে একটুকরো মাটি—বরিশাল সদর উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে তেমনই এক মানবিক প্রত্যাশার নাম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার দাবি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


জাপানি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার দাবি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : ফ্যাক্টচেক টিম রিউমার স্ক্যানার দ্বারা শনাক্ত করা হয়েছে যে, জাপানি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার দাবি সম্পূর্ণ ভুয়া।

রিউমার স্ক্যানার জানিয়েছে, মূলত জাপানি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকেই প্রথম এই ভুয়া দাবিটি ছড়াতে শুরু করে, যেখানে বলা হয়েছে জাপানে ১ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার বিষয়টি।

বাংলাদেশে চলমান গুজব, ভুয়া খবর এবং অপতথ্য প্রতিরোধের পাশাপাশি জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে রিউমার স্ক্যানার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফখরের সেঞ্চুরি ও মিনহাসের ঝড়ে শ্রীলংকাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


ফখরের সেঞ্চুরি ও মিনহাসের ঝড়ে শ্রীলংকাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : ওপেনার ফখর জামানের সেঞ্চুরি এবং আরাফাত মিনহাসের ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরির মাধ্যমে স্বাগতিক পাকিস্তান ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা অর্জন করেছে।

গত রাতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তান ৩ উইকেটে শ্রীলংকাকে পরাজিত করে। এটি ছিল পাকিস্তানের জন্য দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের ঘটনা। এর আগে তারা নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত তিনটি ওয়ানডে ফাইনালে পরাজিত হয়েছিল।

শ্রীলংকা প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ৩২৫ রান সংগ্রহ করে। পাকিস্তান ৩২৬ রান তাড়া করতে নেমে ৪৮.৩ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৩১ রান তুলে শিরোপা অর্জন করে।

ওয়ানডে ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তান সর্বোচ্চ রান তাড়া করে ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে ভারতের ২৪ বছর পুরনো রেকর্ড সমতুল্য করে। ২০০২ সালে লর্ডসে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের ফাইনালে ইংল্যান্ডের দেওয়া ৩২৬ রানের টার্গেট স্পর্শ করে ভারত ২ উইকেটে জয় লাভ করেছিল।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং শুরু করে শ্রীলংকা। তারা ৮৭ রানের সূচনা করে। ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দো ৩৮ রান করেন। অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস তিন নম্বরে নেমে ৮ রানে আউট হন।

দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর কামিন্দু মেন্ডিস ও পাবান রত্নানায়েকে জুটি বাঁধেন। তারা ১১৯ বলে ১৪৬ রানের জুটি গড়ে শ্রীলংকাকে বড় সংগ্রহের ভিত্তি প্রদান করেন। এই জুটিতে কামিন্দু ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন।

কামিন্দু ১৩১ রানে আউট হন। তার ইনিংসে ১২৮ বলের মধ্যে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা ছিল। রত্নানায়েকে ৭৭ রানে আউট হন, তার ইনিংসে ৬৫ বলের মধ্যে ৮টি চার ছিল। শেষ দিকে সাহান আরাচ্চিগের ১৫ রানের সুবাদে শ্রীলংকা ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩২৫ রানের সংগ্রহ পায়।

পাকিস্তানের চার বোলার ২টি করে উইকেট নেন।

পাকিস্তান জবাবে পেসার দিলশান মাধুশঙ্কার তোপে শুরুতে ১৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। মাজ সাদাকাত ৫ রান ও বাবর আজম খালি হাতে ফিরে যান।

তৃতীয় উইকেটে ফখর ও সাদ বেগ শ্রীলংকার বোলারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাদের ১৪০ বলের ১৪৯ রানের জুটিতে পাকিস্তান লড়াইয়ে ফিরে আসে। জুটিতে ৭৫ বলে ৭৪ রান তুলে বেগ ফিরে যান, তবে ৮৪ বলে ফখর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি তুলে নেন।

৩৪তম ওভারে দলের ২২০ রানে চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ফখর ফিরে গেলে পাকিস্তানের জয়ের জন্য ৯৮ বলে ১০৬ রান প্রয়োজন ছিল। ৩৭তম ওভারে সালমান আঘা ১৭ রানে বিদায় নিলে ক্রিজে আসেন মিনহাস।

মিনহাস শুরুতে ১৫ বলে ১৩ রান তুললেও, ৪৩তম ওভর থেকে ঝড় শুরু করেন। তিনি ২৮ বলে ওয়ানডেতে দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৪৮তম ওভারে মিনহাস আউট হলে দলের বাকি ২ রান তুলে জয় নিশ্চিত করেন হাসান নাওয়াজ ও অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। হাসান ৩৭ ও আফ্রিদি ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। মাধুশঙ্কা ৩ উইকেট নেন।

ফাইনালে ম্যাচ সেরা হন ফখর এবং টুর্নামেন্ট সেরা হন মিনহাস।

লিগ পর্ব থেকে বিদায় নেয় টুর্নামেন্টের অন্য দল ইংল্যান্ড।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%