প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে হতাশ হওয়ার পরিবর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, যাতে তারা শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও যত্নবান হন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান আন্তরিক হলে আগামীতে পাসের হার স্বাভাবিক ও ভালো হবে। শনিবার ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর ফলাফল বিশ্লেষণ ও করণীয় বিষয়ে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি উল্লেখ করেন, এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়াকে ‘ফলবিপর্যয়’ হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে মূল্যায়ন ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে যে শৃঙ্খলা আনা হচ্ছে, ফলাফলে তার একটি সাময়িক প্রভাব দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দোষারোপ না করে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা এখন বুঝতে পেরেছে যে পাস করতে হলে তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে হবে।
এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীর মূল্যবান শিক্ষাজীবন রক্ষায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া ও পূর্ণাঙ্গ উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্তকে তিনি সাধুবাদ জানান।
ড. আমানুল্লাহ বিশ্বাস করেন, শিক্ষামন্ত্রীর এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে শিক্ষার্থীদের এক বছর নষ্ট হবে না এবং এতে পাসের হার অন্তত ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মনোবল জোগাতে কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকদের এবং অভিভাবকদের উচিত একসঙ্গে বসে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা।
শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো বিবেচনা করে ছুটির দিনে কিংবা নিয়মিত সময়ের বাইরে প্রয়োজনে বিনা সম্মানীতে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে তাদের তৈরি করতে হবে।
ড. আমানুল্লাহ মন্তব্য করেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্কার উদ্যোগ এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থায় টেকসই ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। তিনি বলেন, এই সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাসের হার সাময়িক কমলেও আগামী পরীক্ষাগুলোতে সার্বিক পাসের হার ও শিক্ষার মান বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন