শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১৯ পি.এম
কুমিল্লায় দুই দিনের শচীন মেলা-২০২৬ শুরু হয়েছে, যা উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ ও সুরকার শচীন দেববর্মণের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর চর্থায় শিল্পীর পৈতৃক বাড়িতে এই মেলার উদ্বোধন করা হয়।
মেলা উপলক্ষে সংগীত ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের মধ্যে উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি হলেও শিল্পীর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ির একটি বড় অংশ সরকারি হাঁস-মুরগির খামারের দখলে থাকায় স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, বাড়িটি পুরোপুরি দখলমুক্ত করে সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কালচারাল কমপ্লেক্স গড়ে তোলা উচিত।
শচীন দেববর্মণের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি দুই দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রতিবছর শিল্পীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পৈতৃক বাড়িতে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে অংশ নিতে কুমিল্লা ও আশপাশের এলাকা থেকে সংগীত ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা আসেন।
শুধু সংগীতের জন্য নয়, ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে বাড়িটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এখানে একসময় শচীন দেববর্মণের সঙ্গে সংগীতের আসর জমাতেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ তৎকালীন সময়ের খ্যাতিমান সংগীতজ্ঞরা। সংগীতের নানা স্মৃতি ও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকা বাড়িটি এখনো যথাযথভাবে সংরক্ষিত না হওয়ায় স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীরা হতাশ।
জানা যায়, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর শচীন দেববর্মণের কুমিল্লার পৈতৃক বাড়ির একটি বড় অংশে সরকারি হাঁস-মুরগির খামার স্থাপন করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। এরপর দীর্ঘ সময় বাড়িটির উল্লেখযোগ্য অংশ খামারের দখলে থেকে যায়, ফলে শিল্পীর স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি অনেকটা আড়ালে পড়ে যায়।
পরে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বাড়িটি সংরক্ষণ ও দখলমুক্ত করার দাবি উঠতে থাকে। বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক সংগঠনের তৎপরতায় বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আসে। ২০১৩ সালে বাড়িটির একাংশ আংশিকভাবে বেদখলমুক্ত করা হয়। পরের বছর ২০১৪ সালে বাড়িটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয় তৎকালীন জেলা প্রশাসন।
সংস্কারকাজের মাধ্যমে বাড়িটির কিছু অংশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও পুরো বাড়ি এখনো সংরক্ষণের আওতায় আসেনি। জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন আয়োজনের সময় বাড়িটিতে মানুষের আনাগোনা বাড়লেও বছরের অন্য সময় এটি অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকে। ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালুর দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।
‘ঐতিহ্য কুমিল্লা’র সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল বলেন, ‘শচীন দেববর্মণ শুধু কুমিল্লার নন, তিনি উপমহাদেশের সংগীতাঙ্গনের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তার স্মৃতিবিজড়িত পৈতৃক বাড়িটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা জরুরি। বাড়িটির যে অংশ এখনো খামারের দখলে রয়েছে, তা দখলমুক্ত করে পুরো জায়গাকে একটি সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। এতে নতুন প্রজন্ম শচীন দেববর্মণ সম্পর্কে জানতে পারবে এবং সংগীত ও সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ তৈরি হবে।’
এ বিষয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন জানান, শিল্পীর পৈতৃক বাড়িটি সংরক্ষণ এবং সারা বছর সেখানে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে গেল ১০ জুলাই শচীন দেববর্মণের পৈতৃক বাড়িটি পরিদর্শন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। এসময় তিনি বাড়িটি ঘিরে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানান।
শচীন দেববর্মণ ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লা শহরের চর্থার এই পৈতৃক বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ত্রিপুরার রাজপরিবারের সন্তান ছিলেন। বাংলা ও হিন্দি সংগীতজগতে অসামান্য অবদান রাখা এই শিল্পী সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবে উপমহাদেশজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর ভারতের মুম্বাইয়ে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
শিল্পীর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এবারের শচীন মেলাও তার স্মৃতি ও সংগীতকর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি আয়োজন। তবে সংস্কৃতিপ্রেমীদের প্রত্যাশা, প্রতিবছর নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শচীন দেববর্মণের পৈতৃক বাড়িকে একটি স্থায়ী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ফলে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে শনিবার (৩১ অক্টোবর)। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি নওগাঁয় এবং বাকি দুজনের বাড়ি নাটোর জেলায় অবস্থিত।
গত ৯ আগস্ট রিয়াদের ওই সোফা কারখানায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ আগুনে ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী প্রাণ হারান। তাদের মধ্যে ৯ জনের মরদেহ ২৭ আগস্ট দেশে পাঠানো হয়েছিল। পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ার কারণে বাকি সাতজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এবার তাদের মরদেহ দেশে ফেরত আনা হচ্ছে।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে শনিবার সকাল ৮টা ৫ মিনিটে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী জানান, ১০ অক্টোবর থেকে রিয়াদ থেকে সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ থাকায় মরদেহগুলো সড়কপথে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকেই বিমানে করে মরদেহগুলো ঢাকায় আনা হচ্ছে।
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার পার নওগাঁ গ্রামের শাহিন; আত্রাই উপজেলার দুবাই গ্রামের হাসিবুল হাসান, মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ প্রামাণিক, মাধবপুর গ্রামের মাসিদুল সরদার এবং সাহানগর গ্রামের সাগর আলী।
নাটোরের লালপুর উপজেলার দীঘিরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ শামীম এবং খাজুরা গ্রামের শরিফ হোসেন। প্রিয়জনকে হারানোর বেদনার পর এখন স্বজনরা শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুণছেন।
নওগাঁ শহরের পার নওগাঁ তাজের মোড় এলাকার নিহত শাহিনের স্ত্রী পারভীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মানুষটাক তো হারায়েই ফেলছি। যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। এখন লাশটা অন্তত দেশে থাকলে ছাওয়াল-পোয়ালরা বাপের লাশটা দেখতে পাবে।’
মরদেহ বিমানবন্দর থেকে গ্রহণ করে নিজ নিজ গ্রামে নিয়ে দাফন সম্পন্ন করার সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন স্বজনরা।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুনিজ্জামান জানিয়েছেন, স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং মরদেহ দাফন সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, "নির্বাচনে টাকা কোনো সমস্যা নয়, আপনারা গণজোয়ার সৃষ্টি করুন।"
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে লংগদু পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে জামায়াতের ইউনিয়নভিত্তিক প্রার্থী ঘোষণা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "দেশের মানুষ এখন চাঁদাবাজ-টেন্ডারবাজ-সিন্ডিকেট-ঘুষখোর-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। তারা সৎ নেতৃত্ব চায়।"
শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণ জামায়াতের পক্ষেই থাকবে। "প্রার্থী নির্বাচন করে দিলাম। কাজ শুরু করে দিন। এখনও সময় আছে, জামায়াতের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করুন। দেখবেন জনগণও প্রার্থীদের টাকা দিবে।"
তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, "এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।"
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লংগদু উপজেলায় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সভায় ৭ ইউনিয়নের মধ্যে বগাচতর, গুলশাখালী, কালাপাকুজ্জা, মাইনীমুখ এই ৪ ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন যে, সরকার তৃণমূলের অসহায় ও দুস্থ মানুষের কাছে চিকিৎসা সহায়তা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
তিনি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ ভবনে ক্যানসার, কিডনি ও অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে ক্যানসার, কিডনি ও অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, যদি জটিল রোগে আক্রান্ত আরও কেউ চিকিৎসা সহায়তার বাইরে থাকেন, তাহলে তারা আবেদন করলে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার রয়েছে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এই কাজ অব্যাহত থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সহযোগিতার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নেও কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার তৃণমূলের মানুষের কাছে কীভাবে সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া যায়, সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
উন্নয়ন ও আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়ছে বলেও জানান তিনি। গত দুর্গাপূজাতেও প্রধানমন্ত্রী বেশি পরিমাণে অনুদান দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এসব সহায়তার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। সরকার জনগণের পাশে সব সময় আছে এবং থাকবে।
সহায়তা বিতরণ শেষে টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর 'পরিদর্শন কক্ষ' উদ্বোধন করা হয়, যা জনসাধারণের সেবা নিশ্চিত এবং সরকারি কার্যক্রমকে আরও সহজলভ্য করার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দাওয়াত খেতে যাওয়ার সময় দুই মোটরসাইকেলের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া, আহত মা-মেয়ে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং অপর মোটরসাইকেল চালক আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কেন্দুয়া-নেত্রকোনা সড়কের নওয়াপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর লাহুরি মোড়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহমুদুল হক শাহিন (৪০) তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কেন্দুয়া পৌর এলাকায় একটি অনুষ্ঠানের দাওয়াতে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্গাপুর লাহুরি এলাকায় ময়মনসিংহের নান্দাইল এলাকার একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে শাহিন ও তার সাত বছর বয়সি ছেলে রাজিন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তবে শাহিনের স্ত্রী ও শিশুকন্যাসহ অপর মোটরসাইকেলের চালক শফিক আহত হলে তাদেরকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক শফিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
নেত্রকোনা পুলিশের ডিএসবি প্রধান জাফর ইকবাল জানান, ঘটনাটি জানার পর কেন্দুয়া থানার এস আই নুরুল আমিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ