ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নবীজির জীবনের শেষ আমল হিসেবে মিসওয়াকের গুরুত্ব ও সওয়াব


নবীজির জীবনের শেষ আমল হিসেবে মিসওয়াকের গুরুত্ব ও সওয়াব

মিসওয়াক একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের শেষ আমল ছিল। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব হয়। পাশাপাশি, এটি দাঁত পরিষ্কার করতেও সহায়ক। প্রত্যেক ফরজ নামাজের পূর্বে মিসওয়াক করলে নামাজের সওয়াব ৭০ গুণ বৃদ্ধি পায়।

মিসওয়াকের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যদি আমি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে অবশ্যই প্রত্যেক নামাজের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।" (মিশকাত: ৩৪৬)

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, নবীজি বলেছেন, "যে নামাজ মিসওয়াক করে আদায় করা হয়, সে নামাজ মিসওয়াক বিহীন নামাজের তুলনায় ৭০ গুণ বেশি সওয়াবের।" (বায়হাকি, সুনানুল কুবরা: ১৫৯)

আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জের আলেম মাওলানা আসআদুর রহমান কাসেমীর ইন্তেকাল

হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "তোমরা মিসওয়াক করো। নিশ্চয়ই মিসওয়াক মুখ পরিষ্কারকারী এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ। যখনই জিবরাইল আমার কাছে আসেন, তখনই আমাকে মিসওয়াক করার জন্য বলেন। এমনকি আমি ভয় করি যে, আমার ও আমার উম্মতের উপর তা ফরজ করা হয় কি-না। আমার উম্মতের উপর কঠিন হয়ে যাওয়ার ভয় না করলে মিসওয়াক করা আমি উম্মতের উপর ফরজ করে দিতাম। আমি মিসওয়াক করতেই থাকি এমনকি আশঙ্কা করি যে, আমি হয়ত আমার মুখের সামনের দিক ক্ষয় করে ফেলব।" (ইবনু মাজাহ: ২৮৯)

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিসওয়াকের প্রতি এতটাই গুরুত্ব দিতেন এবং ভালোবাসতেন যে, মৃত্যুর সময়েও তিনি মিসওয়াক করা থেকে বিরত হননি। বরং, যখন তিনি মিসওয়াক করতে পারছিলেন না, তখন হজরত আয়েশা (রা.) নিজে থেকে মিসওয়াক চিবিয়ে নবীজির মুখে তুলে দিচ্ছিলেন।

হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, "নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে থাকা অবস্থায় আমার বুকে মাথা রেখে ইন্তেকাল করেন। তিনি অসুস্থ হলে আমাদের মধ্যে কেউ দোয়া পড়ে তাকে ঝাড়ফুঁক করতেন। আমি তাকে ঝাড়ফুঁক করছিলাম। এমন সময় আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর (রা.) এলো। তার হাতে মিসওয়াকের একটি তাজা ডাল ছিল। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেদিকে তাকালেন। আমি বুঝতে পারলাম, তিনি মিসওয়াকের প্রয়োজন বোধ করছেন। আমি সেটি নিয়ে চিবিয়ে প্রস্তুত করে তাকে দিলাম। তিনি সেটি দিয়ে সুন্দরভাবে মিসওয়াক করলেন, যে রকম তিনি (সুস্থ সময়ে) করে থাকেন। এর পর তিনি সেটি আমাকে দিলেন। এর পরই তার হাত ঢলে পড়ল। পার্থিব জীবনের শেষ দিনে এবং আখিরাতের প্রথম দিনে মহান আল্লাহ আমার থুতুকে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের থুতুর সঙ্গে মিলিয়ে দিলেন।" (বুখারি: ৪৪৫১)

মিসওয়াক করার নিয়ম

আরও পড়ুন: ইসলাম গ্রহণ করে মার্কিন তরুণী: ‘যা খুঁজছিলাম, সব পেয়ে গেছি’

মিসওয়াকের আকার হতে হবে নিজ হাতের আঙুলের মতো মোটা এবং এক বিঘত পরিমাণ লম্বা, তবে এটি জরুরি বা আবশ্যক নয়। এর ফলে মিসওয়াক ধরতে সুবিধা হয়। ডান হাতের কনিষ্ঠাঙ্গুলি নিচে রেখে মিসওয়াক ধরতে হবে। মধ্যমা ও তর্জনী থাকবে ওপরে, বৃদ্ধাঙ্গুলি নিচে। এতে মুখের ভেতর ভালোভাবে ঘুরিয়ে মিসওয়াক করা সম্ভব হয়। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এই পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন।

মিসওয়াক করার সুন্নতসম্মত পদ্ধতি হলো ডান হাতে মিসওয়াক নিয়ে ডান দিক থেকে মিসওয়াক শুরু করা। দাঁতে প্রস্থে ও জিহ্বায় লম্বালম্বি মিসওয়াক করা সুন্নত। (ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া: ১/৭; আল বিনায়াহ: ১/২০৪, আদ্দুররুল মুখতার: ১/১১৩)

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইবার হামলার ঝুঁকিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা অডিট করবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


সাইবার হামলার ঝুঁকিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা অডিট করবে সরকার

দেশের ব্যাংক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার, যখন প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপির ত্রুটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি জানায়, নিবন্ধিত শতাধিক প্রতিষ্ঠানে আইটি অডিট সম্পন্ন করার পর একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এই প্রতিবেদনটি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। নিরাপত্তার মান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর ফলে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা সম্ভব হবে।

বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে প্রথমবার ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর মাইগভ, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারি ও বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। দ্বিতীয় দফায়ও ত্রুটি শনাক্ত হলে সাইবার হামলার ঝুঁকিতে থাকা পাঁচ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সতর্ক করে বিজিডি ই-গভ সার্ট।

এই পরিস্থিতিতে তথ্য সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদাসীনতার চিত্র উঠে এসেছে বিজিডি ই-গভ সার্টের পর্যবেক্ষণে। বিজিডি ই-গভ সার্টের প্রকল্প পরিচালক নাজমুল হক খন্দকার জানান, পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক প্রতিষ্ঠানের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং মেইনটেন্যান্সের কোনো চুক্তিও নেই। ভেন্ডরকে বিষয়টি জানানো হলেও তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

অর্থনৈতিক খাতের সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরাও এই পর্যবেক্ষণের সঙ্গে একমত। তাদের মতে, সমস্যার পেছনে অবহেলা ছাড়াও পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাব রয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেন, মাঠপর্যায়ের সমীক্ষায় দেখা গেছে, অনেক প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তা সূচক ৫ শতাংশেরও নিচে রয়েছে। বাজেটও যথেষ্ট নয়। এমনকি ফ্রি ফায়ারওয়াল ও ফ্রি অ্যাপ্লিকেশন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে; এমন ব্যাংকের সংখ্যা ১০টির বেশি।

এমন অবস্থায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তা যাচাইয়ে অনলাইনভিত্তিক ‘ন্যাশনাল রেটিং সিস্টেম’ চালু করেছে। ইতোমধ্যে ব্যাংকসহ ১১০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এই ব্যবস্থায় নিবন্ধন করেছে।

এসব প্রতিষ্ঠানে আইটি অডিট সম্পন্ন করার পর আগামী তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নিরাপত্তার মান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘ট্রিপল এ’, ‘ট্রিপল বি’সহ মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হতে পারে।

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, রেটিং প্রকাশের সময় কোন খাত বা কোন উপাদানে দুর্বলতা রয়েছে, তা-ও জানানো হবে। এতে সাধারণ মানুষ প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তার মান সম্পর্কে জানতে পারবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো মানের সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার কিনতে এবং নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে উৎসাহিত হবে। এর ফলে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার তাগিদ দেয়ার পাশাপাশি জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির করা অডিট ও রেটিং দেয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান আমিনুল হাকিম বলেন, রেটিং ব্যবস্থায় কোনো ধরনের কারসাজি যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট কিংবা অর্থের বিনিময়ে ‘ট্রিপল’ র‍্যাংকিং পাওয়ার মতো ঘটনা যেন না ঘটে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রী: তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে বোঝাতে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহার করেছি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রী: তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে বোঝাতে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহার করেছি

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি আলোচনা সভায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে বোঝাতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তার উদ্দেশ্য ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ শব্দটি ব্যবহার করা।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সেই আলোচনা সভায় প্রদত্ত বক্তব্যের বিষয়ে তিনি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেয়া আমার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চাই। সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তার এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম। সমাজে তারা অনেকেই অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব বাধা পেরিয়ে তাদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল আমার বক্তব্যের মূল কথা।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও লেখেন, ‘দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ ও তাদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও শিল্পা শেঠির কারওয়া চৌথ উদ্‌যাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও শিল্পা শেঠির কারওয়া চৌথ উদ্‌যাপন

বলিউডের অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও শিল্পা শেঠি কারওয়া চৌথ উদ্‌যাপনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই ধর্মীয় বিশেষ দিনে উপবাস রেখে স্বামীদের সঙ্গে ব্রত পালন করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সেই মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তারা নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিশেষ মুহূর্তের একাধিক ছবি প্রকাশ করেছেন। উভয়েই এদিন বউয়ের সাজে সজ্জিত ছিলেন।

প্রিয়াঙ্কা তার বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছেন,

"আমি কিছু বলার আগেই সে নিজে থেকেই বাড়ি ফিরে এলো। সে জানতো, আমার কাছে এর গুরুত্ব কতটা। কারওয়া চৌথের সময় যেন সে বাড়িতে থাকতে পারে, সেভাবেই সে তার সফরের পরিকল্পনা করেছিল। আমার মানুষটির মতো আর কেউ নেই। আপনাদের জীবনেও এমন ভালোবাসা আসুক। শুভ কারওয়া চৌথ।"

অন্যদিকে, শিল্পা শেঠি তার বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছেন,

"ভালোবাসাই পৃথিবীকে সচল রাখে তবে আমার পাশে তোমার উপস্থিতি, আমার সাথে তোমার উপবাস রাখা—এসবই আমার কাছে পুরো পৃথিবী।"

কারওয়া চৌথ হলো কার্তিক মাসের প্রথম পূর্ণিমার পর কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথি। এদিন, উত্তর ভারত, পশ্চিম ভারত এবং নেপালের বিবাহিত হিন্দু নারীরা স্বামীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য, মঙ্গল এবং সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনায় সূর্যোদয় থেকে শুরু করে চাঁদ ওঠা পর্যন্ত সম্পূর্ণ নির্জলা উপবাস করেন। অন্যান্য সাধারণ নারীদের মতো, স্বামীর মঙ্গলের জন্য এই ব্রত পালন করতে পিছিয়ে নেই বলিউডের সেলিব্রেটি অভিনেত্রীরাও।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে যুক্ত হচ্ছে ২০০ নতুন কোচ: মহাপরিচালক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে যুক্ত হচ্ছে ২০০ নতুন কোচ: মহাপরিচালক

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, রেলওয়ের বহরে ধাপে ধাপে প্রায় ২০০টি নতুন কোচ যুক্ত হতে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই কোচগুলো ব্যবহার করে নতুন ট্রেন চালুর পাশাপাশি পুরনো কোচগুলো প্রতিস্থাপন করা হবে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। রেলওয়ের মহাপরিচালক জানান, দেশে আনা নতুন কোচগুলোর একটি অংশ ইতোমধ্যে বহরে যুক্ত হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন কোচ দিয়ে একটি নতুন ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আরও মোট ২০০টি নতুন কোচ দেশে আসবে। কোচগুলো আসার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদার ভিত্তিতে নতুন ট্রেন চালু করা এবং পুরনো কোচগুলো প্রতিস্থাপন করা হবে।

পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর সম্ভাবনা সম্পর্কে আফজাল হোসেন বলেন, ‘এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। কারণ দেশের সব রেললাইন এখনও ব্রডগেজে রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি। সব লাইন ব্রডগেজে রূপান্তর হওয়ার পরই কেবল এই রুটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। তাছাড়া এ ধরনের দীর্ঘ রুটে পর্যাপ্ত যাত্রী পাওয়া যাবে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকা পর্যন্ত রেল সংযোগের ব্যাপারে মহাপরিচালক বলেন, ‘বাংলাবান্ধার ওপারে ভারতের অংশে যদি রেললাইনের সংযোগ না থাকে, তবে শুধু আমাদের অংশে কাজ করে আঞ্চলিক যোগাযোগের সুফল মিলবে না। স্থলবন্দর থাকার কারণে আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা হয়তো পূরণ হবে, কিন্তু মূল উদ্দেশ্য অর্থাৎ আঞ্চলিক যোগাযোগ নিশ্চিত হবে না। এ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেই কেবল কাজ এগিয়ে নেয়া সম্ভব।’ বর্তমানে বিষয়টি বিবেচনাধীন ও স্থগিত রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

রেলওয়ের বর্তমান অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা তদারকির বিষয়ে তিনি আরও জানান, বিভিন্ন স্টেশনের মালামাল ওঠানামার (লোডিং ও আনলোডিং) সুবিধা এবং যাত্রীদের চাহিদা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে। যেসব স্থানে চাহিদা বেশি, সেখানে প্রয়োজনে রেললাইন সম্প্রসারণ, লুপ লাইন বাড়ানো কিংবা বেশি সংখ্যক কোচ যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।

পরিদর্শনের সময় পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার জাহিদ হাসান, স্টেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%