ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঢাকায় বায়ুদূষণের কারণে আজ বাতাস অস্বাস্থ্যকর, সতর্কতা জারি


ঢাকায় বায়ুদূষণের কারণে আজ বাতাস অস্বাস্থ্যকর, সতর্কতা জারি

নগরীর বাতাস দিন দিন বিষাক্ত হয়ে উঠছে। বায়ুদূষণের পরিস্থিতিতে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা চতুর্থ অবস্থানে উঠে এসেছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সকালবেলায় আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, মেগাসিটি ঢাকা বর্তমানে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে। শহরটির বায়ুমানের স্কোর ১৬৭, যা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়।

তালিকার শীর্ষে থাকা পাকিস্তানের লাহোর শহরের বায়ুমানের স্কোর ৪৪৮। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দ, যার স্কোর ১৯৭। তৃতীয় স্থানে পাকিস্তানের করাচি শহরের স্কোর ১৭৩, এবং পঞ্চম স্থানে থাকা ইরাকের রাজধানী বাগদাদের স্কোর ১৫৯।

আরও পড়ুন: শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সাংবাদিক, পুলিশ ও শ্রমিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন: শিমুল বিশ্বাস

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসের মান ভালো বলে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা মাঝারি বা সহনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। সূচক ১০১ থেকে ১৫০ হলে এটি সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ হলে এটি অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়।

এছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত স্কোর খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর বেশি হলে বাতাসের মান বিপজ্জনক বা দুর্যোগপূর্ণ পর্যায়ে ধরা হয়।

বায়ুদূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকেন শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা। এই অবস্থায় দূষিত বাতাসে দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান না করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলা এবং বাইরে গেলে উপযুক্ত মাস্ক ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৪ ঘণ্টায় ১,৮১০ মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক মুসলিম প্রার্থী, সিনেটে ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক মুসলিম প্রার্থী, সিনেটে ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে মুসলিম আমেরিকান প্রার্থীদের সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। মুসলিম নেটওয়ার্ক টিভির তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে অন্তত ৫১ জন মুসলিম প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন কংগ্রেসের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। বাকি ৩৯ জন অঙ্গরাজ্যের আইনসভা, কাউন্টি ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পদে লড়াই করছেন। অধিকাংশ প্রার্থী ডেমোক্র্যাট দলের সদস্য।

মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি নজর আকর্ষণ করছে। সেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী, চিকিৎসক এবং ডেট্রয়েটের সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবদুল এল-সায়েদ রিপাবলিকান দলের সাবেক কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচিত হলে এল-সায়েদ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার গৌরব অর্জন করবেন।

প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে পরিচিত মুসলিম রাজনীতিকরা যেমন ইলহান ওমর, রাশিদা তালিব এবং আন্দ্রে কারসন লড়ছেন। এছাড়া, প্রাইমারি নির্বাচনে জয়ী হয়ে মূল নির্বাচনে জায়গা করে নিয়েছেন বেশ কয়েকজন নতুন মুসলিম প্রার্থী।

তবে এবারের নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থীদের ধর্মীয় পরিচয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। মিশিগানের প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ‘জিহাদি’ বলে আক্রমণ করেছেন। ট্রাম্প এল-সায়েদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগও তুলেছেন। তবে এল-সায়েদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এদিকে কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (কেয়ার) ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টি অঙ্গরাজ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বাচিত মুসলিম কর্মকর্তা রয়েছেন অন্তত ২৫৫ জন। তাদের মধ্যে ১১০ জন নারী।

এবারের নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থীদের সাফল্য কতটা হয়, বিশেষ করে আবদুল এল-সায়েদ সিনেট নির্বাচনে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়তে পারেন কি না, সেদিকেই ভোটারদের নজর। তাঁদের সাফল্য যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২২ বছরেও নির্বাচন ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না আজমিরীগঞ্জের বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


২২ বছরেও নির্বাচন ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না আজমিরীগঞ্জের বাসিন্দারা

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ পৌরসভায় নাগরিক সেবার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যদিও প্রতিষ্ঠার ২২ বছর পেরিয়ে গেছে। পৌরসভাটির নিজস্ব প্রশাসনিক ভবন নেই এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিও নেই। দাফতরিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি পরিত্যক্ত গুদামঘর সংস্কার করে। ভবনটির ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির সময় ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে, ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করছেন। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষও দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন।

আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জ জেলার ভাটি অঞ্চলের একটি অবহেলিত জনপদ। হাওরবেষ্টিত এই এলাকায় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ২১ জানুয়ারি আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। পৌরসভার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পৌরসভা কার্যালয় পরিদর্শন করে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত একটি পুরনো গুদামঘর সংস্কার করে দাফতরিক কার্যক্রম চলছে। দীর্ঘদিনের ব্যবহারে ভবনটির বিভিন্ন অংশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে এবং দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, ফলে ভবনের কোনো অংশ ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অফিস করছেন এবং সাধারণ মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় পৌর এলাকার নাগরিক সমস্যা যথাযথভাবে তুলে ধরা এবং সেগুলোর সমাধান পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে গিয়ে তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সীমানা-সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে পৌরবাসীর নাগরিক অধিকার ও সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

একজন পৌরবাসী জানান, সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়ে নির্বাচন আয়োজন এবং পৌরবাসীর সেবা নিশ্চিত করতে।

এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, সীমানা-সংক্রান্ত মামলার কারণে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে পৌরসভার স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে পৌরসভার কার্যালয় ওয়াটার প্ল্যান্টের অফিসে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্থায়ী ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়া হবে।

দীর্ঘ ২২ বছরেও নির্বাচন না হওয়া এবং নিজস্ব প্রশাসনিক ভবন না থাকায় আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনি জটিলতা নিরসনের পাশাপাশি দ্রুত স্থায়ী ভবন নির্মাণ ও নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে পৌরসভার কার্যক্রমে গতি ফিরবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ থেকে ৭ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ থেকে ৭ নভেম্বর

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ এবং উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন আজ থেকে শুরু হচ্ছে।

রোববার (০১ নভেম্বর) থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ([https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd](https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd)) প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করে বোর্ডের ড্রপ ডাউন থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে।

এরপর, মোবাইল নম্বর দিয়ে পরবর্তী ধাপে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত বিষয় বা পত্রগুলো নির্বাচন করে ফি প্রদান করতে হবে।

প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য এবং দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। এই ফি বিকাশ, নগদ, ডিবিএল রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনলাইন ছাড়া ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

এদিকে, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এ বছরই পাস করার সুযোগ পাচ্ছেন। সরকার তাদের জন্য বিশেষ পুনঃপরীক্ষার আয়োজন করতে যাচ্ছে। ফলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বছরের পরীক্ষা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না।

কারা পাবে পুনঃপরীক্ষার সুযোগ?

এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এই বিশেষ সুযোগ পাবেন। তাদের শুধুমাত্র যেসব বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব বিষয়েই আবার পরীক্ষা দিতে হবে। অর্থাৎ, সব বিষয়ে নতুন করে পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, পুনঃপরীক্ষার তারিখ, ফরম পূরণ ও ফি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ৩ নভেম্বরের মধ্যে জানানো হবে।

এ বছর এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন।

কবে হবে পুনঃপরীক্ষা?

এই সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ আগামী ২ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির প্রকাশিত সময়সূচিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির সময়সূচি অনুযায়ী, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের কাজ ১ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এছাড়া পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ৩ নভেম্বর, চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যমান বিধিমালায় এ ধরনের পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনা পেলেই এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে বিশেষ এই পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রমের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ এমন সময়সূচি নির্ধারণ করতে চায়, যাতে শিক্ষার্থীরা পুনঃপরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হলে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।

পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ, ফরম পূরণের সময় ও ফি সম্পর্কে শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

যারা পুনঃপরীক্ষায়ও পাস করবে না, তাদের কী হবে?

শুধু পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দিয়েই বিষয়টি শেষ করতে চায় না সরকার। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশেষ পরীক্ষাতেও যারা উত্তীর্ণ হতে পারবেন না কিংবা যারা এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন না, তাদেরও শিক্ষার বাইরে রাখা হবে না।

তাদের কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার আওতায় এনে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ প্রকল্প ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ফল পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগও রয়েছে-

এদিকে, যারা মনে করছেন তাদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল হয়েছে কিংবা প্রত্যাশার তুলনায় কম নম্বর পেয়েছেন, তারাও ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল ইতিবাচক হলে পরবর্তী বছরে পরীক্ষা দেয়া নাও লাগতে পারে।

শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত করা যাবে। প্রতিটি পত্রের জন্য আবেদন ফি ১৫০ টাকা।

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে আবেদন করতে হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। এবার ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অর্থাৎ, প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ শিক্ষার্থী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেজাল পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


ভেজাল পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ

দেশের বাজার ভেজাল শিশুখাদ্যে সয়লাব হয়ে গেছে। জেলি, জুস ও আইস ললি তৈরিতে কৃত্রিম রং, ফ্লেভার এবং রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে। চকলেট-সন্দেশ তৈরিতে আরও ভয়াবহ উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে। পচা মিষ্টির সিরা ও নষ্ট দইয়ের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে শিশুদের জন্য এসব খাবার। সময় সংবাদে ক্যামেরায় ধরা পড়েছে শিশুখাদ্য তৈরির এমন ভয়ংকর চিত্র।

সময় সংবাদ যখন উপস্থিতি টের পায়, তখন অধিকাংশ কারখানার ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়। তবে কৌশলে রূপগঞ্জের একটি কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে সময় সংবাদ। প্রবেশের সময় কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা সরে গেছেন। পুরো কারখানায় ফলের কোনো অস্তিত্ব নেই। অথচ এখানে আম, লিচু, আনারসসহ বিভিন্ন ফলের জেলি, জুস ও আইস ললি তৈরি করা হয়।

ক্যামেরায় এসব খাবার তৈরিতে রাসায়নিক উপাদান ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের চিত্র ধরা পড়ে। কারখানার দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তি জানান, তারা আসল ফলের পরিবর্তে কৃত্রিমভাবে শিশুখাদ্য তৈরি করেন।

কারখানার ভেতরের আরেকটি কক্ষে গিয়ে দেখা যায় আরও ভয়াবহ চিত্র। সেখানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে পচা পণ্য ও ময়লা-আবর্জনা। সেখান থেকেই জেলি বের করছেন কয়েকজন। পরে এসব জেলি আবার প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে।

সাভারের আরেকটি কারখানায় শিশুদের চকলেট ও সন্দেশ তৈরি হচ্ছে। সেখানে অসংখ্য ড্রামে জমিয়ে রাখা হয়েছে পাঁচ থেকে ছয় দিন আগের পচা মিষ্টির সিরা। সেই সিরা দিয়েই তৈরি হচ্ছে শিশুদের জন্য সন্দেশ, যা কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

প্যাকেটের গায়ে দুধ, চিনি ও বিভিন্ন উপাদানের কথা উল্লেখ থাকলেও ড্রামগুলোতে রয়েছে শুধু মিষ্টির সিরা ও পচা দই। এর মধ্যে মরে পচে আছে মাছি ও বিভিন্ন পোকামাকড়। এসব উপাদান গরম করেই তৈরি করা হচ্ছে সন্দেশ ও চকলেট। কারখানার পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। চারদিকে দুর্গন্ধে টেকা দায়।

মিষ্টির সিরা ও ফ্লেভার ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানার এক কর্মচারী জানান, তারা মিষ্টির দোকান থেকে ফেলে দেয়া মিষ্টির সিরা সংগ্রহ করে আটা দিয়ে জ্বাল দেন। এতে মিষ্টির স্বাদ ও ফ্লেভার পাওয়া যায়।

এরপর কারখানার মালিক পরিচয়ে দুই জন ব্যক্তি সময় সংবাদের সামনে হাজির হন। তারা জানান, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নয়, বরং টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই এসব কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এমনকি টাকা দিয়ে সময় সংবাদকেও সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন তারা। তাদের একজন বলেন, ‘কিছু টাকা-পয়সা দেই। গরিব মানুষ, অনেক কষ্ট করি। ওই নিউজটা করে আমাদের ক্ষতি করবেন না।’

শুধু একটি বা দুটি কারখানা নয়, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, সাভার ও আশুলিয়ায় তৈরি হচ্ছে এমন ক্ষতিকর শিশুখাদ্য। এসব কারখানায় তৈরি পণ্যের গন্তব্য পুরান ঢাকার চকবাজার। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে এসব খাবার।

এ বিষয়ে মুদি দোকানিরা বলছেন, তারা বিক্রি বন্ধ করলেও অন্য দোকানে এসব পণ্য বিক্রি হবে। একজন দোকানি বলেন, ‘আমি যদি না বিক্রি করি, দেখা যাবে আমার পরিবর্তে আরেকটা দোকান বিক্রি করবে। বাংলাদেশে জন্মলগ্ন থেকেই এসব চলছে, এর কী হবে? এসব জিনিস বিক্রি করলেও আমি আমার বাচ্চাকে খাওয়াই না।’

দেশের শিশুখাদ্যের এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কী করছে, তা জানতে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয় সময় সংবাদ। তবে তাদের বক্তব্যে হতাশার চিত্র উঠে আসে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্যশিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ‘ভেজালবিরোধী বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি। তারপরও এসব কমছে না। এর মূল কারণ তাদের অসততা। সরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করি, তাদের পক্ষে এককভাবে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’

উৎপাদন থেকে শুরু করে বিক্রি-সবই চলছে প্রকাশ্যে। অথচ এসব বন্ধে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিশুদের জন্য তৈরি খাবারেই যখন বিষাক্ত ও পচা উপাদান ব্যবহার হচ্ছে, তখন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে-সেই প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%