ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঢাকায় ৩২টি বাস রুট পুনর্বিন্যাস, ৬টির উদ্বোধন রোববার


ঢাকায় ৩২টি বাস রুট পুনর্বিন্যাস, ৬টির উদ্বোধন রোববার

রাজধানী ঢাকায় বাস চলাচলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, যানজট কমানো এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও যাত্রীবান্ধব করার লক্ষ্যে বর্তমানে কার্যরত ৯৮টি বাস রুটকে পুনর্বিন্যাস করে ৩২টি সমন্বিত রুটে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে রোববার (১ নভেম্বর) ৩২টি প্রস্তাবিত রুটের মধ্যে ছয়টি রুটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি রুটগুলোও এই ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমান সংকট ও পরিকল্পনার লক্ষ্য

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, দীর্ঘ সময় ধরে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় একই সড়কে একাধিক কোম্পানির বাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতা, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, অতিরিক্ত বাস চলাচল, নির্ধারিত স্টপেজ না মানা এবং যাত্রীদের ভোগান্তি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাধিক বাস কোম্পানি একই সড়কে যাত্রী সংগ্রহের প্রতিযোগিতায় নামায়, ফলে সড়কে বিশৃঙ্খলা ও যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় বায়ুদূষণের কারণে আজ বাতাস অস্বাস্থ্যকর, সতর্কতা জারি

অন্যদিকে, অনেক এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত বাসের অভাব রয়েছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য যাত্রী চাহিদা, সড়কের ধারণক্ষমতা এবং যানবাহন চলাচলের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রকল্পের আওতায় এ পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে।

পরিকল্পনার মধ্যে প্রতিটি নির্ধারিত রুটে একটি কোম্পানির মাধ্যমে বাস পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতা কমবে, বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

ডিটিসিএ-র বক্তব্য

আরও পড়ুন: রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডের আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান জানিয়েছেন, ‘রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে যে বিশৃঙ্খলা চলছিল, তা দূর করতেই বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকায় ৯৮টি সচল বাস রুট রয়েছে। এসব রুটকে পুনর্বিন্যাস করে ৩২টি সমন্বিত রুটে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, যাত্রীদের প্রকৃত চাহিদা, সড়কের ধারণক্ষমতা এবং যানবাহন চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণ করেই এ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। আমরা চাই, রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থা একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হোক।

উদ্যোগের পটভূমি ও সমন্বয়

ডিটিসিএ সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর বাস রুট পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ প্রথম ২০১১ সালে গ্রহণ করা হয়। সে সময় ঢাকা পরিবহন সমন্বয় বোর্ডের (ডিটিসিবি) মাধ্যমে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়নি। পরে ২০১৯ সাল থেকে ডিটিসিএ পূর্ববর্তী বিভিন্ন সমীক্ষা পর্যালোচনা করে একটি হালনাগাদ পরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ৪২টি রুটের প্রস্তাব করা হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকায় অস্বাস্থ্যকর বাতাস, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিশু, প্রবীণ ও হৃদরোগী

পরবর্তী সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে ৩২টি রুটের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

জরিপ ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ

২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সচল থাকা ৯৮টি বাস রুটের প্রতিটিতে ১৮টি ট্রিপের যাত্রীদের ওঠানামা পর্যবেক্ষণ করে বোর্ডিং-অ্যালাইটিং সার্ভে পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১০ হাজারের বেশি যাত্রীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩৫ হাজারের বেশি বাসযাত্রীর অরিজিন-ডেস্টিনেশন সার্ভে করা হয়েছে। অর্থাৎ যাত্রীরা কোথা থেকে যাত্রা শুরু করছেন এবং কোথায় যাচ্ছেন, সে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা মহানগরীর ৭২টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একনাগাড়ে ৭২ ঘণ্টা যানবাহন গণনা বা ট্রাফিক কাউন্ট করা হয়েছে। প্রায় ৪০০ কিলোমিটার বাস নেটওয়ার্কের বর্তমান অবস্থা নিরূপণে ড্রোন ব্যবহার করে ছবি সংগ্রহ, রাস্তার অবকাঠামোগত পর্যালোচনা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং প্রস্তুত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নিউমার্কেটে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান শুরু করবে ডিএসসিসি

এসব তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট মডেল তৈরি করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে যাত্রী চলাচলের প্রবণতা, রুটের প্রয়োজনীয়তা এবং পরিবহন নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

যাত্রী সুবিধা ও বিদ্যমান অবকাঠামো

ডিটিসিএর পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত ৩২টি রুটের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৩৭ থেকে ৩৮ লাখ যাত্রীর যাতায়াতের সুযোগ তৈরির হিসাব করা হয়েছে। এটি মোট পার্সন ট্রিপের প্রায় ৮ শতাংশ। প্রস্তাবিত রুটগুলোর গড়ে প্রায় ৭০ শতাংশ বিদ্যমান কোনো না কোনো বাস রুটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফলে বিদ্যমান বাস চলাচলের পথ ও পরিবহন অবকাঠামো ব্যবহার করেই নতুন ব্যবস্থাটি বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে বলে পরিকল্পনা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ঢাকার বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ধ্রুব আলম বলেন, ‘এই পরিকল্পনা কোনো অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্ত নয়। আমরা ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সচল ৯৮টি বাস রুটের ওপর বিভিন্ন ধরনের জরিপ পরিচালনা করেছি। ১০ হাজারের বেশি যাত্রীর বোর্ডিং-অ্যালাইটিং তথ্য এবং ৩৫ হাজারের বেশি যাত্রীর অরিজিন-ডেস্টিনেশন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া মহানগরীর ৭২টি স্থানে একটানা ৭২ ঘণ্টা যানবাহন গণনা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ৩০০ ফিটে রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

তিনি আরো বলেন, ‘প্রায় ৪০০ কিলোমিটার বাস নেটওয়ার্কের অবকাঠামোগত অবস্থাও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ৩২টি রুটের প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যেখানে যাত্রীর চাহিদা বেশি সেখানে পর্যাপ্ত বাস নিশ্চিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় রুটের পুনরাবৃত্তি কমিয়ে আনা।’

বিমানবন্দর, মিরপুর-১০, কুড়িল, গাবতলী, মহাখালী, ফার্মগেট, বাড্ডা ও যাত্রাবাড়ীকে কেন্দ্র করে একাধিক রুটের সংযোগ পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে চালু হতে যাওয়া ৬টি বাস রুট

১. গাজীপুরের শিববাড়ী চৌরাস্তা থেকে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী মন্দির (ভায়া আব্দুল্লাহপুর)

আরও পড়ুন: সঙ্গীতশিল্পী আসিফের গাড়িতে গুলি চালানো হয়েছে

২. মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে চুলকুটিয়া (ভায়া সাইন্সল্যাব)

৩. মোহাম্মদপুরের বসিলার ঘাটারচর থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত (ভায়া শাহবাগ ও মৎস্য ভবন)

৪. মোহাম্মদপুরের বসিলা থেকে নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত (ভায়া সাইন্সল্যাব ও জিগাতলা)

৫. মোহাম্মদপুরের ঘাটারচর থেকে আব্দুল্লাহপুরের ধউর ব্রিজ পর্যন্ত (ভায়া মিরপুর ১০)

৬. টঙ্গী কলেজ গেট থেকে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী মন্দির পর্যন্ত (ভায়া আব্দুল্লাহপুর)

রুট ও বাস পরিচালনার রূপরেখা

প্রস্তাবিত প্রধান রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে আজিমপুর, মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জ, ঘাটারচর থেকে ডেমরা ও কাঁচপুর এবং ঘাটারচর থেকে মিরপুর হয়ে আব্দুল্লাহপুরের ধউর পর্যন্ত। এসব রুটে ৭০ থেকে ২৫০টি পর্যন্ত নন-এসি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি টঙ্গী কলেজগেট থেকে আজিমপুর পর্যন্ত ২২ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার রুটে ২০টি এসি বাস চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া ফার্মগেট-পলাশী, মোহাম্মদপুরকেন্দ্রিক এবং উত্তরা এলাকায় তিনটি চক্রাকার (সার্কুলার) বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি রুটে ২০টি করে বাস পরিচালনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পরিকল্পনায় ঢাকা চাকা, রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ, ফোর স্টার বাস লাইন, পিএনপি সিটি সার্ভিসসহ কয়েকটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ রয়েছে। বাস রাখার জন্যও বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুরা ইখলাস: পবিত্র কুরআনের ফজিলতপূর্ণ সুরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


সুরা ইখলাস: পবিত্র কুরআনের ফজিলতপূর্ণ সুরা

সুরা ইখলাস পবিত্র কুরআনের একটি ফজিলতপূর্ণ সুরা। প্রতিটি মুসলমানের জন্য সুরা ইখলাস মুখস্থ থাকা আবশ্যক। এই সুরার পাঠের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। একবার এই সুরা পাঠের মাধ্যমে পূর্ণ কুরআন পাঠের এক-তৃতীয়াংশের সওয়াব অর্জন করা যায়।

এটি পবিত্র কুরআনের অন্যতম ছোট সুরা হিসেবে পরিচিত। মক্কায় এটি অবতীর্ণ হয়েছে। এর রুকু ১ এবং আয়াত ৪। এটি ১১২তম সুরা। এই সুরায় মহান আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা দেওয়ার পর, আল্লাহর সন্তানসন্ততি আছে বলে যে ভুল ধারণা করা হয়, তার প্রতিবাদ করা হয়েছে। আল্লাহ সব অভাবের অতীত এবং তাঁর কোনো তুলনা নেই। এই সুরায় আল্লাহর অস্তিত্ব ও সত্তার অনুপম ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

সুরা ইখলাস পাঠের অসামান্য ফজিলত

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সাহাবিকে একটি মুজাহিদ দলের প্রধান করে অভিযানে পাঠিয়েছিলেন। নামাজে তিনি যখন তার সাথীদের নিয়ে ইমামতি করতেন, তখন ইখলাস সুরাটি দিয়ে নামাজ শেষ করতেন। অভিযানে ফিরে এসে তারা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিষয়টি আলোচনা করেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকেই জিজ্ঞেস করো কেন সে এই কাজটি করেছে? তারা যখন তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি উত্তর দিলেন, "এ সুরাটিতে মহান আল্লাহর গুণাবলি রয়েছে। এ জন্য সুরাটি পড়তে আমি ভালোবাসি।" তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তাকে জানিয়ে দাও, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন।" (বুখারি: ৭৩৭৫)

বিখ্যাত সাহাবি হজরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "তোমাদের কেউ কি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পড়তে অপারগ হয়ে যাবে?" সাহাবিরা বললেন, "এক-তৃতীয়াংশ কীভাবে পড়বে?" নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সুরা ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’ কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।" (মুসলিম: ৮১৩)

সুরা ইখলাসের ফজিলত অসংখ্য। সুরা ইখলাস যিনি ভালোবাসবেন, তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন। হাদিসে উল্লেখ আছে, এক ব্যক্তি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, "আমি এই সুরাকে ভালোবাসি।" রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সুরা ইখলাসের প্রতি ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।" (মুসনাদে আহমদ: ৩/১৪১)

সুরা ইখলাস আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ

قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ  اَللّٰهُ الصَّمَدُ  لَمۡ یَلِدۡ  وَ لَمۡ یُوۡلَدۡ  وَ لَمۡ یَکُنۡ لَّهٗ کُفُوًا اَحَدٌ উচ্চারণ: কুল হুয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ। ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ।

অর্থ: বলুন, তিনি আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারও ওপর মুখাপেক্ষী নন বরং সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। তাঁর কোনো সন্তান নেই এবং তিনি কারও সন্তানও নন এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে এএসপি বাধ্যতামূলক অবসরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে এএসপি বাধ্যতামূলক অবসরে

কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মিজানুর রহমানকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন থেকে এই তথ্য প্রকাশ পায়।

অভিযোগের মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় ঘটে। পরে ওই নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণে তাদের স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে এসেছে বলে বিভাগীয় নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।

একজন পুলিশ কর্মকর্তার এমন কর্মকাণ্ড বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে বিভাগীয় তদন্তে উল্লেখ করা হয়। সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির ২৫ অক্টোবরের অনুমোদনের পর এই আদেশ জারি করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুর ক্যাডেট কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ-৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


রংপুর ক্যাডেট কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ-৫

রংপুর ক্যাডেট কলেজ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে। কলেজটির ৪৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছেন। শুধু পাসই নয়, প্রত্যেক পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, রংপুরের অন্যান্য শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরাও ভালো ফলাফল করেছে।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, দ্য মিলেনিয়াম স্টারস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২৮ জন পাস করেছেন। তাদের মধ্যে ৬১ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৯৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৪৯ জন পাস করেছেন। তাদের মধ্যে ৩১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৭১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৯৩ জন পাস করেছেন। ১২২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। রংপুর সরকারি কলেজের ১ হাজার ২৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ২০৭ জন পাস করেছেন। ৪২৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

অন্যদিকে, কারমাইকেল কলেজের ১ হাজার ৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৮২ জন পাস করেছেন। তাদের মধ্যে ১১৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪৫ জন পাস করেছেন। ২৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

এদিকে, বর্ডার গার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭৮ জন পাস করেছেন। তাদের মধ্যে তিনজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০০ জন পাস করেছেন। ৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। রংপুর সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের ৯৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৬১ জন পাস করেছেন। ৪৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

এ ছাড়া, রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আরসিসিআই পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩০৯ জন পাস করেছেন। তবে পাস করা কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি।

এবারও রংপুর ক্যাডেট কলেজ সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। শতভাগ পাসের পাশাপাশি শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলে ইহুদি-আরব জোট সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


ইসরাইলে ইহুদি-আরব জোট সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

ইসরাইলের পরিবর্তনকামী জনতা নতুন সরকার গঠনের জন্য ইহুদি ও আরব দলগুলোর সমন্বয়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

গত সপ্তাহের নির্বাচনে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়ার পরও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ‘স্ট্যান্ডিং টুগেদার’ নামের একটি সংগঠন।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, আজ শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায়) রাজধানী তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ার, জেরুজালেমের প্যারিস স্কয়ার, বিয়ারশেবা, হাইফা ও তাইবেতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে।

গত মঙ্গলবারের নির্বাচনে যুদ্ধবাজ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী জোট ৬৭টি আসন পেয়েছে, যার মধ্যে ৪৮টি ইহুদি জায়নবাদী দলগুলোর এবং ১৯টি আরব ফিলিস্তিনি দলগুলোর দখলে। ফলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গড়া নিয়ে ইহুদি নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে।

ইহুদি জায়নবাদী চারটি দল হলো গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার, নাফতালি বেনেটের বি'ইয়াহাদ, ইয়ার গোলানের দ্য ডেমোক্র্যাটস এবং আভিগদর লিবারম্যানের ইসরাইল বেইতেনু। অন্যদিকে আরব নেতৃত্বাধীন দুটি দল হলো ইউসুফ জাবারিনের জয়েন্ট লিস্ট এবং মনসুর আব্বাসের রা'আম।

বিক্ষোভের আয়োজকরা বলেন, ‘পরিবর্তনের পক্ষে থাকা জোটের নেতারা নির্বাচনে নিজেদের বিজয় স্বীকার করে ইহুদি-আরব অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সরকার গঠন করবেন, এটাই বিক্ষোভকারীদের দাবি।’

তারা আরও বলেন, ‘পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দেওয়া ইহুদি-আরব সংখ্যাগরিষ্ঠের প্রতিফলন পরবর্তী সরকারেও থাকতে হবে। এখন অংশীদারত্ব থেকে সরে আসার সময় নয়, বরং এটিকে এমন রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে, যা বাস্তবতা বদলে দিতে পারে। আরবদের ভোটের মূল্য ইহুদিদের ভোটের সমান। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আরব নাগরিকদেরও পূর্ণ অংশীদার হতে হবে।’

শুক্রবার রাতে বিরোধী নেতা ইয়ার গোলান আশাবাদ প্রকাশ করেন, আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সমর্থন নিয়ে পরিবর্তনের জোট সরকার গঠন করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টিকে নিয়ে কোনো জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনা তিনি নাকচ করে দেন।

গোলানের ভাষায়, বিরোধী দলগুলো সরকার গঠন করতে পারে এবং তাদের অবশ্যই তা করতে হবে। যদিও ১২০ আসনের নেসেটে জায়নবাদী বিরোধী দলগুলোর আসন মাত্র ৪৮টি। রা'আমকে সঙ্গে নিলে তাদের আসন দাঁড়াবে ৫৬টিতে। আর জয়েন্ট লিস্টের রয়েছে আরও ১১টি আসন।

গোলান জানান, বৃহস্পতিবার তিনি ইয়াশার নেতা গাদি আইজেনকোট, বি'ইয়াহাদের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ইয়ার লাপিদ এবং রা'আমের প্রধান মনসুর আব্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তার ভাষায়, তিনজনকেই সরকার গঠনের বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মনে হয়েছে।

তবে আভিগদর লিবারম্যান শুক্রবার আবারও স্পষ্ট করেন, পরবর্তী নেসেটে আরব নেতৃত্বাধীন দল দুটিকে নিয়ে কোনো জোট সরকারে অংশ নেবে না তার দল। ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘আমরা সন্ত্রাসবাদের সমর্থকদের সঙ্গে বসব না!’ এ সময় রা'আম ও জয়েন্ট লিস্টের কয়েকজন সংসদ সদস্যের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

লিবারম্যান এর আগে নেতানিয়াহুর সঙ্গেও কোনো সরকারে যোগ না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এদিকে নির্বাচনে আরব ভোটারদের ঐতিহাসিকভাবে বেশি অংশগ্রহণ দেশটির আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোকে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ফলে তাদের সমর্থন ছাড়া সরকার গঠন করতে না পারার বাস্তবতায় পড়েছে জায়নবাদী বিরোধী দলগুলো।

অন্যদিকে নির্বাচনে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে এলেও নেতানিয়াহুর সামনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের স্পষ্ট পথ নেই। তার বর্তমান কট্টর ডানপন্থি ও অতি-গোঁড়া ধর্মীয় মিত্রদের বাইরে নতুন সমর্থন না পেলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাওয়া কঠিন।

এমন পরিস্থিতিতে সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান মোশে ইয়ালনও আরব দল রা'আমকে নিয়ে সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার তিনি ইহুদি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোকে মনসুর আব্বাসকে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও দেন।

ইয়ালন উগ্র ডানপন্থি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোত্রিচের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে মনসুর আব্বাসের অবস্থানের তুলনা করেন।

বেন গভির সম্পর্কে তিনি বলেন, একসময় হেবরন এলাকায় ঘৃণা, উসকানি ও সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগে তিনি ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের নজরদারিতে ছিলেন। ইহুদি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থনসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আটটি পৃথক অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

অন্যদিকে স্মোত্রিচকে ২০০৫ সালে গাজা থেকে ইসরাইলের প্রত্যাহার পরিকল্পনার আগে আটক করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি একটি মহাসড়কে ৭০০ লিটার জ্বালানি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেছিলেন।

ইয়ালন বলেন, ‘মনসুর আব্বাস ইহুদি নন। কিন্তু আমি আশা করি, অধিকাংশ ইসরাইলি নাগরিকের মূল্যবোধ উগ্র ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী, বর্ণবাদী ও ফ্যাসিবাদী মনোভাবাপন্নদের চেয়ে তার মূল্যবোধের সঙ্গে বেশি মিলবে।’

নির্বাচনের পর ইসরাইলের রাজনীতিতে সরকার গঠন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তাতে আরব দলগুলোর সমর্থন এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে বিরোধী জোটের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য কাটিয়ে ইহুদি-আরব অংশীদারত্বের সরকার গঠন সম্ভব হবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

তথ্যসূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরাইল

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%