ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

২২ বছরেও নির্বাচন ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না আজমিরীগঞ্জের বাসিন্দারা


২২ বছরেও নির্বাচন ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না আজমিরীগঞ্জের বাসিন্দারা

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ পৌরসভায় নাগরিক সেবার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যদিও প্রতিষ্ঠার ২২ বছর পেরিয়ে গেছে। পৌরসভাটির নিজস্ব প্রশাসনিক ভবন নেই এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিও নেই। দাফতরিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি পরিত্যক্ত গুদামঘর সংস্কার করে। ভবনটির ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির সময় ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে, ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করছেন। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষও দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন।

আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জ জেলার ভাটি অঞ্চলের একটি অবহেলিত জনপদ। হাওরবেষ্টিত এই এলাকায় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ২১ জানুয়ারি আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। পৌরসভার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পৌরসভা কার্যালয় পরিদর্শন করে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত একটি পুরনো গুদামঘর সংস্কার করে দাফতরিক কার্যক্রম চলছে। দীর্ঘদিনের ব্যবহারে ভবনটির বিভিন্ন অংশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে এবং দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, ফলে ভবনের কোনো অংশ ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অফিস করছেন এবং সাধারণ মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

আরও পড়ুন: পিএসসির নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক শামীমা সুলতানা

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় পৌর এলাকার নাগরিক সমস্যা যথাযথভাবে তুলে ধরা এবং সেগুলোর সমাধান পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে গিয়ে তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সীমানা-সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে পৌরবাসীর নাগরিক অধিকার ও সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

একজন পৌরবাসী জানান, সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়ে নির্বাচন আয়োজন এবং পৌরবাসীর সেবা নিশ্চিত করতে।

এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, সীমানা-সংক্রান্ত মামলার কারণে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে পৌরসভার স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে পৌরসভার কার্যালয় ওয়াটার প্ল্যান্টের অফিসে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্থায়ী ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়া হবে।

আরও পড়ুন: জ্বালানী সংকট মোকাবিলায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মাহদী আমিন

দীর্ঘ ২২ বছরেও নির্বাচন না হওয়া এবং নিজস্ব প্রশাসনিক ভবন না থাকায় আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনি জটিলতা নিরসনের পাশাপাশি দ্রুত স্থায়ী ভবন নির্মাণ ও নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে পৌরসভার কার্যক্রমে গতি ফিরবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ থেকে ৭ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ থেকে ৭ নভেম্বর

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ এবং উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন আজ থেকে শুরু হচ্ছে।

রোববার (০১ নভেম্বর) থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ([https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd](https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd)) প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করে বোর্ডের ড্রপ ডাউন থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে।

এরপর, মোবাইল নম্বর দিয়ে পরবর্তী ধাপে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত বিষয় বা পত্রগুলো নির্বাচন করে ফি প্রদান করতে হবে।

প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য এবং দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। এই ফি বিকাশ, নগদ, ডিবিএল রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনলাইন ছাড়া ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

এদিকে, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এ বছরই পাস করার সুযোগ পাচ্ছেন। সরকার তাদের জন্য বিশেষ পুনঃপরীক্ষার আয়োজন করতে যাচ্ছে। ফলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বছরের পরীক্ষা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না।

কারা পাবে পুনঃপরীক্ষার সুযোগ?

এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এই বিশেষ সুযোগ পাবেন। তাদের শুধুমাত্র যেসব বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব বিষয়েই আবার পরীক্ষা দিতে হবে। অর্থাৎ, সব বিষয়ে নতুন করে পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, পুনঃপরীক্ষার তারিখ, ফরম পূরণ ও ফি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ৩ নভেম্বরের মধ্যে জানানো হবে।

এ বছর এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন।

কবে হবে পুনঃপরীক্ষা?

এই সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ আগামী ২ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির প্রকাশিত সময়সূচিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির সময়সূচি অনুযায়ী, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের কাজ ১ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এছাড়া পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ৩ নভেম্বর, চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যমান বিধিমালায় এ ধরনের পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনা পেলেই এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে বিশেষ এই পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রমের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ এমন সময়সূচি নির্ধারণ করতে চায়, যাতে শিক্ষার্থীরা পুনঃপরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হলে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।

পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ, ফরম পূরণের সময় ও ফি সম্পর্কে শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

যারা পুনঃপরীক্ষায়ও পাস করবে না, তাদের কী হবে?

শুধু পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দিয়েই বিষয়টি শেষ করতে চায় না সরকার। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশেষ পরীক্ষাতেও যারা উত্তীর্ণ হতে পারবেন না কিংবা যারা এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন না, তাদেরও শিক্ষার বাইরে রাখা হবে না।

তাদের কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার আওতায় এনে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ প্রকল্প ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ফল পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগও রয়েছে-

এদিকে, যারা মনে করছেন তাদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল হয়েছে কিংবা প্রত্যাশার তুলনায় কম নম্বর পেয়েছেন, তারাও ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল ইতিবাচক হলে পরবর্তী বছরে পরীক্ষা দেয়া নাও লাগতে পারে।

শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত করা যাবে। প্রতিটি পত্রের জন্য আবেদন ফি ১৫০ টাকা।

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে আবেদন করতে হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। এবার ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অর্থাৎ, প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ শিক্ষার্থী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেজাল পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


ভেজাল পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ

দেশের বাজার ভেজাল শিশুখাদ্যে সয়লাব হয়ে গেছে। জেলি, জুস ও আইস ললি তৈরিতে কৃত্রিম রং, ফ্লেভার এবং রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে। চকলেট-সন্দেশ তৈরিতে আরও ভয়াবহ উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে। পচা মিষ্টির সিরা ও নষ্ট দইয়ের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে শিশুদের জন্য এসব খাবার। সময় সংবাদে ক্যামেরায় ধরা পড়েছে শিশুখাদ্য তৈরির এমন ভয়ংকর চিত্র।

সময় সংবাদ যখন উপস্থিতি টের পায়, তখন অধিকাংশ কারখানার ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়। তবে কৌশলে রূপগঞ্জের একটি কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে সময় সংবাদ। প্রবেশের সময় কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা সরে গেছেন। পুরো কারখানায় ফলের কোনো অস্তিত্ব নেই। অথচ এখানে আম, লিচু, আনারসসহ বিভিন্ন ফলের জেলি, জুস ও আইস ললি তৈরি করা হয়।

ক্যামেরায় এসব খাবার তৈরিতে রাসায়নিক উপাদান ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের চিত্র ধরা পড়ে। কারখানার দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তি জানান, তারা আসল ফলের পরিবর্তে কৃত্রিমভাবে শিশুখাদ্য তৈরি করেন।

কারখানার ভেতরের আরেকটি কক্ষে গিয়ে দেখা যায় আরও ভয়াবহ চিত্র। সেখানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে পচা পণ্য ও ময়লা-আবর্জনা। সেখান থেকেই জেলি বের করছেন কয়েকজন। পরে এসব জেলি আবার প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে।

সাভারের আরেকটি কারখানায় শিশুদের চকলেট ও সন্দেশ তৈরি হচ্ছে। সেখানে অসংখ্য ড্রামে জমিয়ে রাখা হয়েছে পাঁচ থেকে ছয় দিন আগের পচা মিষ্টির সিরা। সেই সিরা দিয়েই তৈরি হচ্ছে শিশুদের জন্য সন্দেশ, যা কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

প্যাকেটের গায়ে দুধ, চিনি ও বিভিন্ন উপাদানের কথা উল্লেখ থাকলেও ড্রামগুলোতে রয়েছে শুধু মিষ্টির সিরা ও পচা দই। এর মধ্যে মরে পচে আছে মাছি ও বিভিন্ন পোকামাকড়। এসব উপাদান গরম করেই তৈরি করা হচ্ছে সন্দেশ ও চকলেট। কারখানার পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। চারদিকে দুর্গন্ধে টেকা দায়।

মিষ্টির সিরা ও ফ্লেভার ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানার এক কর্মচারী জানান, তারা মিষ্টির দোকান থেকে ফেলে দেয়া মিষ্টির সিরা সংগ্রহ করে আটা দিয়ে জ্বাল দেন। এতে মিষ্টির স্বাদ ও ফ্লেভার পাওয়া যায়।

এরপর কারখানার মালিক পরিচয়ে দুই জন ব্যক্তি সময় সংবাদের সামনে হাজির হন। তারা জানান, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নয়, বরং টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই এসব কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এমনকি টাকা দিয়ে সময় সংবাদকেও সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন তারা। তাদের একজন বলেন, ‘কিছু টাকা-পয়সা দেই। গরিব মানুষ, অনেক কষ্ট করি। ওই নিউজটা করে আমাদের ক্ষতি করবেন না।’

শুধু একটি বা দুটি কারখানা নয়, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, সাভার ও আশুলিয়ায় তৈরি হচ্ছে এমন ক্ষতিকর শিশুখাদ্য। এসব কারখানায় তৈরি পণ্যের গন্তব্য পুরান ঢাকার চকবাজার। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে এসব খাবার।

এ বিষয়ে মুদি দোকানিরা বলছেন, তারা বিক্রি বন্ধ করলেও অন্য দোকানে এসব পণ্য বিক্রি হবে। একজন দোকানি বলেন, ‘আমি যদি না বিক্রি করি, দেখা যাবে আমার পরিবর্তে আরেকটা দোকান বিক্রি করবে। বাংলাদেশে জন্মলগ্ন থেকেই এসব চলছে, এর কী হবে? এসব জিনিস বিক্রি করলেও আমি আমার বাচ্চাকে খাওয়াই না।’

দেশের শিশুখাদ্যের এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কী করছে, তা জানতে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয় সময় সংবাদ। তবে তাদের বক্তব্যে হতাশার চিত্র উঠে আসে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্যশিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ‘ভেজালবিরোধী বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি। তারপরও এসব কমছে না। এর মূল কারণ তাদের অসততা। সরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করি, তাদের পক্ষে এককভাবে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’

উৎপাদন থেকে শুরু করে বিক্রি-সবই চলছে প্রকাশ্যে। অথচ এসব বন্ধে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিশুদের জন্য তৈরি খাবারেই যখন বিষাক্ত ও পচা উপাদান ব্যবহার হচ্ছে, তখন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে-সেই প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতারবাড়ীতে ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


মাতারবাড়ীতে ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সীমানার মধ্যে অব্যবহৃত জমিতে ৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে এবং প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নজমুল হক।

তিনি উল্লেখ করেন, মাতারবাড়ীর ২×৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আল্ট্রা সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সীমানার মধ্যে অব্যবহৃত ১৭১ একর জমিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার জন্য প্রস্তুত করা খসড়া ডিপিপি অনুযায়ী, প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ৬০৪ কোটি ৯৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৪২ কোটি ৮৭ লাখ ৬ হাজার টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫৩২ কোটি ৩৯ লাখ ১২ হাজার টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২৯ কোটি ৭১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা বলে জানান তিনি।

পরিকল্পনা কমিশনের একজন কর্মকর্তা প্রস্তাবিত প্রকল্পটিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সুবিধা কাঠামোর আওতায় প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করবে। এই কাঠামোর অধীনে ৩৫ কোটি ইউরো ঋণ এবং ৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো অনুদান সহায়তা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রকল্পটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াবে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাবে এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা মিলবে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ শুরুতে ছাই সংরক্ষণের জন্য প্রায় ৬৩০ একর জমি বরাদ্দ করেছিল। সেখানে মাত্র ১০৫ একর জমিতে ছাইয়ের পুকুর নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে বাকি ৫২৫ একর জমি অব্যবহৃত রয়েছে।

প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি ছাই সংরক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা ওই অব্যবহৃত জমির একটি অংশে স্থাপন করা হবে। এতে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না।

প্রকল্পের বিবরণে বলা হয়েছে, ছাইয়ের পুকুরের চারপাশে বিদ্যমান ১৪ মিটার উঁচু বাঁধ থাকায় নতুন করে সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণেরও প্রয়োজন হবে না। প্রকল্পের আওতায় সৌর ফটোভোলটাইক (পিভি) মডিউল, ইনভার্টার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে নিকটবর্তী মাতারবাড়ী ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করতে এক কিলোমিটার দীর্ঘ ১৩২ কেভি ওভারহেড সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।

এছাড়া মাতারবাড়ী ও চকরিয়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের মধ্যে ১৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় সার্কিটের ওভারহেড কন্ডাক্টর স্থাপন করা হবে। মাতারবাড়ীতে তিনটি এবং চকরিয়ায় একটিসহ মোট চারটি ১৩২ কেভি এয়ার ইনসুলেটেড সুইচগিয়ার (এআইএস) বে নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষের আশা, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান আমদানি করা সরঞ্জাম দ্রুত খালাস ও পরিবহনে সহায়ক হবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সম্পন্ন সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রাথমিকভাবে বিবেচিত ৫০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষমতা বাড়িয়ে ৭০ মেগাওয়াট করার সুপারিশ করা হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম প্রধান মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানান, প্রকল্পের খসড়া প্রস্তাব নিয়ে প্রাক-প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে। প্রকল্পটি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।

সব মানুষের জন্য সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও টেকসই এবং আধুনিক জ্বালানির সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৭ নম্বর লক্ষ্যের সঙ্গে প্রকল্পটি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩২ হাজার ৬৮৮ মেগাওয়াট। এর মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৯৩৪ দশমিক ৫৪ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।

তবে প্রকল্পটি চূড়ান্ত করার আগে আলোচনার জন্য কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে পরিকল্পনা কমিশন। এরমধ্যে রয়েছে একই ধরনের চলমান বা সম্পন্ন প্রকল্পের সঙ্গে তুলনা করে প্রধান সরঞ্জামের প্রস্তাবিত মূল্যের বিশ্লেষণ, প্রস্তাবিত অর্থায়ন কাঠামোর বিষয়ে অর্থ বিভাগের পূর্বানুমোদন গ্রহণ এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নের পরিমাণ বাড়ানো।

কমিশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি আর্থিকভাবে বাস্তবসম্মত বলে মনে হলেও সিপিজিসিবিএল মোট ব্যয়ের মাত্র ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ বা প্রায় ২৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা নিজস্ব অর্থায়নের প্রস্তাব করেছে।

পিইসি সভায় সৌর পিভি মডিউল ও ইনভার্টারের গুণগত মান এবং প্রচলিত বাজারদরও পর্যালোচনা করা হবে। এ ছাড়া যানবাহন, অফিস সরঞ্জাম ও আসবাবপত্রের জন্য ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের যৌক্তিকতা এবং মোটরসাইকেলের সংখ্যা ‘লট’ হিসেবে উল্লেখ না করে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা দেওয়ার বিষয়টিও পরীক্ষা করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন বাস্তবায়নকারী সংস্থার কাছে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা এবং বিদ্যমান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বিস্তারিত বিবরণ চেয়েছে। সংস্থা ও অবস্থানভিত্তিক তথ্যও দিতে বলা হয়েছে।

বিদেশি অর্থায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) নতুন ও অননুমোদিত প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, কোনাবাড়ীতে পুলিশের বক্সে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, কোনাবাড়ীতে পুলিশের বক্সে আগুন

গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে পোশাক শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বিক্ষোভ ও অবরোধে নেমেছেন, যার ফলে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিক্ষোভকারীরা কোনাবাড়ীতে একটি পুলিশ বক্সে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পাঁচ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে শ্রমিকরা বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু করেন। পরে কোনাবাড়ীতে পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

সকালে সফিপুর বাজার, চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ, মৌচাক ও তেলিচালা এলাকায় শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এই সময় তারা বেতন বাড়ানোর দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকেই শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান করছেন, যার ফলে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূইয়া জানিয়েছেন, পাঁচ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বিজিবি সদস্যের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া জানা যায়, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বেতন বাড়ানোর দাবিতে দুই সপ্তাহ ধরে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করে আসছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%