ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বান্দরবানে ঝিরি থেকে পাথর তোলা হচ্ছে, যাচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পে


বান্দরবানে ঝিরি থেকে পাথর তোলা হচ্ছে, যাচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পে

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম রেমাক্রী ও বড় মদক এলাকা প্রাকৃতিক পাথরের সৌন্দর্যের জন্য পর্যটকদের কাছে পরিচিত। দীর্ঘ সময় ধরে পাথরের রাজ্য হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলের ঝিরি থেকে অবাধে পাথর তোলার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের মতে, এইভাবে পাথর তোলার ফলে একদিকে পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে ঝিরির স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি করছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, গত দুই বছর ধরে প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় পাথর ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের একটি চক্র রেমাক্রী ও বড় মদক এলাকার প্রাকৃতিক পাথর তুলে তা সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের নামে সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি করছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় সংহতি দিবসে বিঘ্ন ঘটিয়ে ওসির বদলি ঠেকাতে ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগ নেত্রীদের মানববন্ধন

তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, ঝিরি থেকে পাথর তুলতে লামা এলাকার জকির নামের এক ব্যক্তি শ্রমিক নিয়োগ করেছেন। পাথর তোলার পর সেগুলো ভেঙে খোয়া তৈরি করা হচ্ছে এবং পরে বিভিন্ন নির্মাণকাজে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে জাকিরের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বড় মদক এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাথর তোলার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালালে বড় মদক ঝিরি থেকে পাথর তোলার সত্যতা উঠে আসে।

বড় মদক পাড়ার বাসিন্দা অংতুয়াই সিং মারমা, অনুমং মারমা, চিংহলা মং মারমা সহ স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, গত এক মাস ধরে লামা এলাকার পাথর ব্যবসায়ী জকির প্রায় ২০-৩০ জন শ্রমিক দিয়ে ঝিরি থেকে পাথর তুলছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই রোহিঙ্গা। তাদের দাবি, ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার পিচ পাথর তোলা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরো জানান, ঝিরি থেকে পাথর তুলে তা ক্রাশিং মেশিনের সাহায্যে ভাঙা হয়। পরে ওই ভাঙা পাথর বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও সড়ক নির্মাণের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বীরগঞ্জে ৬ চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর আটক

তারা বলছেন, অবৈধ পাথর তোলা বন্ধে গত কয়েক সপ্তাহে একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, কিন্তু শনিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা চলামং থোয়াই নু প্রু মারমার ভাষ্য, পাথর তোলায় বাধা দিতে গেলে ব্যবসায়ী জকির স্থানীয়দের হুমকি-ধমকি দেন। তার দাবি, উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানিয়েই তিনি এ কাজ করছেন।

তবে পাথর তোলার বৈধ অনুমতিপত্র কিংবা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দেখতে চাইলে জাকির তা দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। প্রশ্ন উঠেছে, দুর্গম এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব যাদের, তাদের সহযোগিতায় কীভাবে দিনের পর দিন পাথর তোলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে গভীর রাতে শ্রমিক পরিবহনের বাসে আগুন

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জকিরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা ধরেননি।

রেমাক্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুই সৈ থুই মারমা বলেছেন, পাথর তোলার বিষয়টি তার জানা নেই। তবে নদী বা ঝিরি থেকে পাথর না তুলতে স্থানীয়দের বলা হয়েছিল।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফয়সালকে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা ধরেননি। পরে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাতে সাড়া দেননি তিনি।

বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম হাসান বলেছেন, ‘পাথর তোলার বিষয়ে আগে কোনো অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: নড়াইলে নৌকাবাইচে বাজনার তালে ছুটছেন নারী মাঝিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দেশ গঠনের আহ্বান ঢাবি উপাচার্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দেশ গঠনের আহ্বান ঢাবি উপাচার্যের

ঢাকা, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন দেশ গঠনের লক্ষ্যে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আজ শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাবি’র ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

উপাচার্য উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিল। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের ব্যক্তিস্বার্থ পরিহার করে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শিক্ষা দেয়। এ দিবসের তাৎপর্য অনুধাবন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম মন্তব্য করেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তন এবং উৎপাদনমুখী রাজনীতির সূচনা হয়।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করে আধিপত্যবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অ্যালামনাইরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতার ভিত্তিকে শক্ত অবস্থানে নিয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতার ভিত্তিকে শক্ত অবস্থানে নিয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, "৭ নভেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তিকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল।"

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উল্লেখ করেন, "৭ নভেম্বর ঘটার অনেক কারণ ছিল। ১৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পরে দেশ একটি দোদুল্যমান অবস্থায় ছিল। পরে খন্দকার মোশতাককে কিছু জুনিয়র অফিসার দেশ পরিচালনা করতে দেয়। এ নিয়ে সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি দ্বন্দ্ব ছিল।"

তিনি আরও বলেন, সে সময় সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রাজনীতি চলছিল। আওয়ামীপন্থী, বামপন্থী ও একটি ছোট ইসলামপন্থী গ্রুপ ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন অন্যতম চৌকস। তিনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে "উই রিভোল্ট" বলে বিদ্রোহ করে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতির সমালোচনা করে টুকু বলেন, সে সময় দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছিল এবং আইনের শাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়েছিল। তার ভাষ্য, বাকশাল প্রতিষ্ঠা এবং কয়েকটি পত্রিকা ছাড়া অন্য সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের মতপ্রকাশের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, "তখনই কিন্তু বিস্ফোরণ ঘটে। যেমনটা ঘটেছিল শেখ হাসিনার আমলে, যার ফলে বিস্ফোরণটা হয়েছিল।"

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান প্রায় সাড়ে তিন বছর ক্ষমতায় ছিলেন এবং এ সময়ে তিনি দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা করতেন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান শুধু আর্থিক সুবিধা বা ভাতার মাধ্যমে হয় না; তাদের ভূমিকার যথাযথ স্বীকৃতি দিতে হয়।

৭ নভেম্বর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দিনটিকে সিপাহি হত্যা দিবস হিসেবে অভিহিত করলেও তার মতে, সেদিন সিপাহিরা বিদ্রোহ করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত না করলে বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।

জিয়াউর রহমান মানুষের কাছে একজন আদর্শ ছিলেন উল্লেখ করে টুকু বলেন, তিনি অত্যন্ত সাহসী ছিলেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ছোট একটি সেনাদল নিয়ে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে আসার মধ্য দিয়ে তাঁর সাহসিকতার প্রমাণ পাওয়া যায়।

জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরো বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম শাহীন, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহীদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান দুলালসহ অন্যরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু

ঢাকা, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে, হাম উপসর্গ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ১ হাজার ৪৯ জন বলে জানা গেছে।

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৮৮ জন। এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭০২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৬১ জন। আর, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৩৫৫ জন।

১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ১১ হাজার ৮৬৫ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ২৫৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মোট ১ হাজার ১৭৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে হাম উপসর্গে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, চলতি বছরে মোট ৪৫৮ জনের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, চলতি বছরে মোট ৪৫৮ জনের প্রাণহানি

ঢাকা, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে, সারাদেশে নতুন করে ১ হাজার ৬৭৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আজ শনিবার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১১ জন, খুলনা বিভাগে ১৯০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১১৫ জন, রংপুর বিভাগে ৬০ জন, বরিশাল বিভাগে ২১৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ২১ জন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৪৫৮ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৬৭৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত, দেশের মধ্যে মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছরে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ২৯৬ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে ৫ হাজার ৮২৬ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%