ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আদালতে পাঠানো হয়েছে


বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আদালতে পাঠানো হয়েছে

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে তাদের সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন পূর্ব বাকাল গ্রামের মৃত সোলেমান সরদারের ছেলে ও বাকাল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. অলিউল রহমান, মধ্য শিহিপাশা গ্রামের হালিম খলিফার ছেলে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রবিউল খলিফা, এবং বাকাল গ্রামের হানিফ মৃধার ছেলে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রাব্বি মৃধা। এছাড়া, গৈলা ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ও পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামের রজব আলী সরদারের ছেলে কামরুল সরদার, উত্তর শিহিপাশা গ্রামের শাহে আলম সরদারের ছেলে ও গৈলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল সরদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও কালুপাড়া গ্রামের মৃত আশ্রাব সরদারের ছেলে সরোয়ার সরদার, এবং মুড়িহার গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাজিব সরদারও গ্রেপ্তার হয়েছেন।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার রাতে আগৈলঝাড়া-পয়সারহাট সড়কের বাকাল পয়সা এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এই ঘটনার পর রাতেই থানা-পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় শুক্রবার রাতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় সংহতি দিবসে বিঘ্ন ঘটিয়ে ওসির বদলি ঠেকাতে ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগ নেত্রীদের মানববন্ধন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা-ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


খুলনায় নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা-ভাঙচুর

"নুর আজিমকে চেনেন?" মাসখানেক আগে নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দায়িত্বে থাকা একজনের কাছে ফোন করে জানতে চাওয়া হয়েছিল। উত্তরে না বলায় ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, "তাহলে এসে চিনিয়ে দেবানি।" এই হুমকির এক মাস পর, আজ শনিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে ৮-৯ জন যুবক চায়নিজ কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে হামলা চালায়।

হামলার সময় তারা রিসেপশন কাউন্টার, এসি এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তারা রিসেপশনে থাকা এক নারীর মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেয়।

নগরীর খানজাহান আলী রোডে সুলতানা হামিদ আলী স্কুলের বিপরীতে অবস্থিত নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।

সম্প্রতি খুলনা নগরীতে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর এবং চাঁদাবাজির আতঙ্ক যেন কাটছেই না। একের পর এক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর রাতে নগরীর ব্যস্ততম বাবুখান রোড এলাকার সন্ধানী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। রাত আনুমানিক ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ৮ থেকে ১০ জন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত আকস্মিকভাবে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রবেশ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, হামলাকারীরা ক্লিনিকে ঢুকেই অতর্কিত ভাঙচুর শুরু করে। তারা চেম্বারের সামনের গ্লাস, বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং রিসেপশন কাউন্টারের থাই গ্লাস ও কাঁচের জিনিসপত্র চুরমার করে ফেলে। এ সময় প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণভয়ে অনেকে ছোটাছুটি শুরু করেন।

হামলাকারীরা ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্টাফদের ওপর চড়াও হয়। এ সময় রিপোর্ট প্রদানকারী কর্মী ইকবাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। হামলায় ক্লিনিকের অপর এক কর্মকর্তা সুরেশ রায়ও আহত হন। হামলাকারীরা যাওয়ার সময় বাইরে ফাঁকা গুলি ছুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করে এবং পায়ে হেঁটে বাবুখান রোডের দিকে পালিয়ে যায়।

তবে প্রতিষ্ঠানটির মালিক পক্ষ বলছে, তারা কোন অভিযোগ করবে না। তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অভিযোগ করলে আবারও হামলার আশংকাও তাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও ওই প্রতিষ্ঠানে বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মুঠোফোনে চাঁদা দাবি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, খুলনা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে এ ধরনের হামলার প্রবণতা উদ্বেগজনকহারে বেড়েছে। বিশেষ করে শামসুর রহমান রোড এবং বাবুখান রোড এলাকার বেশ কয়েকটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পরপর এমন নাশকতা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এর আগে গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় নগরীর শামসুর রহমান রোডের রংধনু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং আব্দুল্লাহ প্যাথলজিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। তারও আগে ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাবুখান রোডের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা হয়। একই প্রতিষ্ঠানের সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ সরণিতে অবস্থিত সন্ধানী মেডিকেয়ার হাসপাতালেও ভাঙচুর চালানো হয়।

এসব ঘটনায় মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। যদিও প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকপক্ষের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন বক্তব্য দেওয়া হয়নি। বরং কারো কারো কাছে জানতে চাইলে তারা ভয়ে-আতঙ্কে মুখতে নারাজ।

চাঁদাবাজির অভিযোগে নগরীর টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড মোড়ের ঐতিহ্যবাহী চয়নিকা ফার্মেসিও গত ২৯ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে। কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তাদের কেউ কেউ চেম্বার বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে গেছেন।

এদিকে, একের পর এক চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলনার স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং নগরীর স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অপরদিকে খুলনা মহানগরীতে অন্তত নয়টি বাহিনী বিভিন্ন নামে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারে জড়িত বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। যার একটি হলো ‘নুর আজিম’ এর নেতৃত্বাধীন নুর আজিম বাহিনী।

অভিযোগ রয়েছে, মাঝেমধ্যে এসব বাহিনীর সদস্যদের অস্ত্রসহ কিংবা অস্ত্র ছাড়াই গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের অনেকে দ্রুত জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব এডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার বলেন, খুলনার বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবার। এসব অপরাধ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নগরবাসীও এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চান।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তিকে মাসখানেক আগে ফোন করে দুর্বৃত্তরা নুর আজিমকে চেনেন কি না, জানতে চেয়েছিল। এরপর শনিবার তারা প্রতিষ্ঠানটিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, অভিযুক্তরা নুর আজিমের অনুসারী একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে রয়েছে, অভিযানও চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের একটি স্থাপনা থেকে লুট করা ৩৭ রাউন্ড আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিসহ মুহিত সোবহান (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারটি ঘটে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার সাভার মডেল থানার কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সিংগাসার এলাকা থেকে। ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মুহিত সোবহান সাভার মডেল থানার কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সিংগাসার এলাকার মর্তুজা আলীর ছেলে। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ডিবির পরিদর্শক সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই রাশেদ মিয়া ও সঙ্গীয় ফোর্স অংশ নেয়। অভিযানে মুহিত সোবহানকে আটক করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে ৩৭ রাউন্ড আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুহিত স্বীকার করেছেন যে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের একটি স্থাপনা থেকে গুলিগুলো লুট করে নিজের কাছে রেখেছিলেন। এ ঘটনায় মুহিত সোবহানের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় সাভার মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।

ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার যুবককে শনিবার দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, জাতির এক সংকটময় মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশকে একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা ঘটে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শহীদ জিয়াউর রহমান জাতির স্মৃতিতে চিরকাল অমর থাকবেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নরসিংদীর বেলাব উপজেলা পরিষদ চত্বরে অসচ্ছল ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং ঢেউটিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মজীবী নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণও করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দায়িত্বভার গ্রহণ না করলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অন্যের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তিনি কেবল স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি, বরং মহান মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়ে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে, দেশের সংকটময় মুহূর্তে দায়িত্ব গ্রহণ করে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

অনুষ্ঠানে ৯০ জন অসচ্ছল ও দুস্থ ব্যক্তির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মানবিক সহায়তা প্রদান করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এছাড়া, ৫৬ জনকে দুই বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণ সহায়তা হিসেবে প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, ২০০ জন কর্মজীবী নারীর মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেলাব উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাইলাতুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আহসান হাবীব বিপ্লব, এবং সদস্যসচিব এম এ কাদের জলিল প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ তিনজন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ তিনজন গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিদেশি পিস্তল ও দুটি মোবাইল ফোনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শান্তিনগর ক্যানেলপাড় এলাকায় অভিযান চলাকালীন তাদের আটক করা হয়। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের এক সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন টাঙ্গাইল সদর থানার আকুর ঠাকুরপাড়া এলাকার মৃত দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে, বর্তমানে সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদী বিল এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন ওরফে শীষনাগ জসিম (৪৫), পটুয়াখালী সদর থানার মরিচবুনিয়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে, বর্তমানে সিদ্ধিরগঞ্জের শান্তিনগর কামাল হোসেন হাজী বাড়ির বাসিন্দা মো. লিটন ওরফে পাইলট লিটন (৪৫), এবং ফতুল্লার উত্তর হাজীগঞ্জ পাঠানটুলি এলাকার মৃত মো. দুলাল হোসেনের ছেলে মো. শফিকুর রহমান ওরফে রনি (৩৫)। পালিয়ে যাওয়া অপর আসামির নাম বিল্লাল ড্রাইভার (৩৫)।

ডিবি পুলিশ জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জের শান্তিনগর ক্যানেলপাড় এলাকায় সোহেলের মুদি দোকানের সামনে কাঠের পুলের পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চারজন পালানোর চেষ্টা করে, তবে তাদের মধ্যে তিনজনকে আটক করা সম্ভব হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জসিম উদ্দিনের দেহ তল্লাশি করে তার প্যান্টের ডান পকেট থেকে একটি কালো রঙের বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। পিস্তলটির ব্যারেলে লেখা রয়েছে ‘7.65 MADE IN U.S.A’। এছাড়া, তার কাছ থেকে একটি রেডমি স্মার্টফোন এবং লিটনের কাছ থেকে একটি হুয়াওয়ে স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।

পুলিশের দাবি, জব্দকৃত মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ ও গ্যালারিতে অবৈধ অস্ত্রের ছবি এবং অস্ত্র কেনা-বেচাসংক্রান্ত বার্তা পাওয়া গেছে।

ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তিনজন পেশাদার অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে এর আগে একাধিক হত্যা, মাদক ও অস্ত্র মামলা রয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় জমি দখল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে জসিম মেহেরপুর সীমান্তের এক অস্ত্র চোরাকারবারির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় কেনাবেচা করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় মেহেরপুর থেকে অস্ত্র এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে শান্তিনগর ক্যানেলপাড় এলাকায় অবস্থানকালে তারা ডিবি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) হাসিনুজ্জামান কালের কণ্ঠকে জানান, এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা বের করার চেষ্টা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%