ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে শ্রমিকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজ সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গার্মেন্টস মালিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা প্রতিহত করার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘গত কিছুদিন ধরে একটি পতিত স্বৈরাচারের পেছনে সমর্থিত কিছু পক্ষ দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে সরকার এ ব্যাপারে অত্যন্ত সজাগ রয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্র সফল হবে না।’

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় নিহত ৪০ বছর বয়সী মোটরসাইকেল চালক

তিনি আরও বলেন, শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে এবং সরকারের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে। এই প্রেক্ষিতে মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা নাম দিয়েছেন। শ্রমিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নাম দিতে কিছুদিন সময় নেওয়া হয়েছিল। গত পরশু রাতে তারা তাদের প্রতিনিধিদের নাম দিয়েছেন। শ্রমমন্ত্রী গতকাল সকালে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মজুরি বোর্ড গঠন করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পোশাক শ্রমিকদের জন্য গঠিত মজুরি বোর্ড গতকালই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। খুব শিগগিরই বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বল্পতম সময়ের মধ্যে মজুরি নির্ধারণ করে তা ঘোষণা করা হতে পারে।

মন্ত্রী কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং আইন-শৃঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ১২ জন আটক

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপির ক্রীড়া প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ বিকেলে, দায়িত্বে নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও এম নাজমুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


এনসিপির ক্রীড়া প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ বিকেলে, দায়িত্বে নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও এম নাজমুল ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ক্রীড়া সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’। আজ সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই সংগঠনের ঘোষণা প্রদান করা হবে।

এই সংগঠনে যোগদান করছেন ক্রিকেট সংগঠক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম এবং বিসিবির অর্থ বিভাগের সাবেক প্রধান এম নাজমুল ইসলাম।

আজ বিকেল ৪টায় রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (কেআইবি) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে নতুন এই প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। এনসিপির দলীয় সূত্র জানাচ্ছে, আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া এই সংগঠনে নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে আহ্বায়ক এবং এম নাজমুল ইসলামকে সদস্যসচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া হতে পারে।

ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

দেশজুড়ে প্রখ্যাত কোচ ও ক্রিকেট বিশ্লেষক হিসেবে নাজমুল আবেদীন ফাহিমের পরিচিতি থাকলেও এম নাজমুল ইসলামের নামটি বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বিসিবির এই সাবেক কর্মকর্তা ক্রিকেটারদের নিয়ে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে সংবাদে উঠে এসেছিলেন। তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ বলার পাশাপাশি ক্রিকেটারদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার কারণে ক্রিকেটারদের ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার বিষয়ে এম নাজমুল বলেছিলেন, ‘খেলতে গিয়ে ওরা যদি কিছুই না করতে পারে, তাহলে ওদের পেছনে যে আমরা এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, ওই টাকা ফেরত চাইছি নাকি!’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যে ওদের পেছনে এত খরচ করছি, ওরা কিছুই করতে পারছে না। আজ পর্যন্ত আমরা একটাও বৈশ্বিক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি? কোনো একটা জায়গায় কতটুকু কী করতে পারছি?’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিক নেতাদের দাবি: আন্দোলনে সহিংসতা-ভাঙচুরের জন্য ভাড়াটে লোক নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


শ্রমিক নেতাদের দাবি: আন্দোলনে সহিংসতা-ভাঙচুরের জন্য ভাড়াটে লোক নিয়োগ

শ্রমিক নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, টানা আন্দোলন, শ্রমিক অসন্তোষ ও সহিংসতা অব্যাহত থাকলে তৈরি পোশাকশিল্পের ক্রয়াদেশ অন্য দেশে চলে যেতে পারে। তাদের অভিযোগ, আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও সহিংসতা চালানোর জন্য ভাড়াটে লোক নিয়োগ করা হয়েছে। চলমান মজুরি আন্দোলনের অংশ হিসেবে গ্রেফতার হওয়া শ্রমিকদের মুক্তি, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আন্দোলন বন্ধের আশ্বাসও দিয়েছেন শ্রমিক প্রতিনিধিরা।

তৈরি পোশাকশিল্পে মজুরি বৈষম্য, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং চাকরির অনিশ্চয়তা নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং অন্যায্য ছাঁটাই বন্ধের দাবিতে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভারসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) গঠিত মজুরি বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধিদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নেতারা উল্লেখ করেন, আন্দোলনের নামে ভাঙচুর ও হামলার সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের দাবি, এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে।

শ্রমিক নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, টানা আন্দোলন ও সহিংসতা চলতে থাকলে বিদেশি ক্রেতারা ক্রয়াদেশ অন্য দেশে সরিয়ে নিতে পারেন। সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার জানান, মিরপুরে আন্দোলনের সঙ্গে হোপ মার্কেটের আন্দোলনরত ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা জড়িত। গাজীপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনও আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন।

চলমান মজুরি আন্দোলনের অংশ হিসেবে গ্রেফতার হওয়া শ্রমিক ও নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং অন্যান্য ব্যবস্থা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জানুয়ারির মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবি করা হয়েছে।

শ্রমিক নেতাদের গ্রেফতারের বিষয়ে ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার বলেন, গ্রেফতার নেতাদের যেন নির্যাতন করা না হয় এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের মুক্তি দেয়া হয়। তিনি জানান, সোমবার শ্রমিক আন্দোলন অনেকটাই কমেছে। মঙ্গলবার থেকে আন্দোলন প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আয়ারল্যান্ডের বইয়ের দোকানগুলো স্যালি রুনির উপন্যাসের চাহিদা মেটাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


আয়ারল্যান্ডের বইয়ের দোকানগুলো স্যালি রুনির উপন্যাসের চাহিদা মেটাচ্ছে

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : লেখক স্যালি রুনির প্রতি সমর্থন জানানো একটি ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠনের কারণে প্রকাশনা সংস্থা ফ্যাবার যুক্তরাজ্যে তার বই সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আয়ারল্যান্ডের বইয়ের দোকানগুলো রুনির উপন্যাস পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে এগিয়ে এসেছে।

এ খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

ফ্যাবার জানিয়েছে, রুনি তার বই বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ফিলিস্তিন অ্যাকশন নামক একটি সংগঠনের জন্য দান করার ঘোষণা দিয়েছেন। যুক্তরাজ্যে এই সংগঠনটি নিষিদ্ধ হওয়ায়, লেখকের কাছে ওই অর্থ পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে যুক্তরাজ্যে তার বই বিতরণ অব্যাহত রাখা যাচ্ছে না।

তবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের লন্ডনডেরিতে অবস্থিত লিটল অ্যাকর্নস বুকস্টোরের মালিক জেনি ডোহার্টি আয়ারল্যান্ডের প্রজাতন্ত্রের সরবরাহকারীদের কাছ থেকে রুনির বই সংগ্রহ করে বিক্রি অব্যাহত রেখেছেন।

ডোহার্টি, যিনি রুনির ‘নরমাল পিপল’, ‘ইন্টারমেজো’ এবং ‘বিউটিফুল ওয়ার্ল্ড, হোয়ার আর ইউ’ সহ বিভিন্ন উপন্যাসের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন, এএফপিকে বলেন, ‘বইগুলো বিক্রির ওপর আমাদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আমরা এখনো বইগুলো সংগ্রহ করতে পারছি।’

উত্তর আয়ারল্যান্ডের অংশ লন্ডনডেরি যুক্তরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য আয়ারল্যান্ডের সীমান্তসংলগ্ন। এই ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধা নিয়ে ডোহার্টি আয়ারল্যান্ডের পরিবেশকদের কাছ থেকে বই সংগ্রহ করে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের কাছে পাঠাতে সক্ষম হচ্ছেন।

ফ্যাবার অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে জানায়, ‘কোনো লেখকের বই বিক্রি করে সেই অর্থ তাকে দিতে না পারা প্রকাশকের জন্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য পরিস্থিতি।’

প্রকাশনা সংস্থাটি জানায়, রুনির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ব্রিটিশ সরকার সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইনের আওতায় ফিলিস্তিন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তবে রুনি যে আয়ারল্যান্ডে বসবাস করেন, সেখানে সংগঠনটি নিষিদ্ধ নয়।

যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর তালিকায় লেবাননের ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাসের নামও রয়েছে। ফলে দেশটিতে সংগঠনটির সদস্য হওয়া, সমর্থন দেওয়া কিংবা অর্থায়ন করা বেআইনি।

ফ্যাবার জানায়, তারা এখনো রুনির প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে এবং যুক্তরাজ্যের বাইরে তার বই বিক্রি অব্যাহত রাখবে। উল্লেখ্য, রুনির বই নিষিদ্ধ করা হয়নি। যুক্তরাজ্যের দোকানগুলোতে আগে থেকে থাকা বই বিক্রির ওপরও কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে ফ্যাবারের স্বাভাবিক যুক্তরাজ্যভিত্তিক সরবরাহব্যবস্থার মাধ্যমে নতুন করে বই সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

এই অবস্থায় ডোহার্টির দোকানে নতুন ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘এমন অনেক নতুন ক্রেতা এসেছেন, যারা আগে কখনো আমাদের দোকানে আসেননি।’ তার মতে, এ বিতর্কের কারণে আরও বেশি পাঠকের কাছে রুনির বই পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আগে বইগুলো দোকানের সাধারণ তাকেই বর্ণানুক্রমে সাজানো থাকত। এখন ক্রেতাদের নজরে পড়ার জন্য সামনের কাউন্টারে বিশেষভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে। এতে ক্রেতাদের সঙ্গে বই নিয়ে খোলামেলা ও ব্যক্তিগত আলোচনা হচ্ছে বলেও জানান ডোহার্টি।

বিকল্প সরবরাহকারীর খোঁজে ব্রিটেনের অন্যান্য বই বিক্রেতারাও তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ডোহার্টি বলেন, ‘আপনি চাইলে বইটি না-ও পড়তে পারেন। কিনতে না চাইলে সেটিও আপনার সিদ্ধান্ত।’

আয়ারল্যান্ডের অন্যান্য বইয়ের দোকানগুলোতেও রুনির উপন্যাসের চাহিদা বেড়েছে। ফ্যাবারের সিদ্ধান্তের পর গলওয়ের কেনিস বুকশপে তার বই বিক্রি আগের তুলনায় ১০ গুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ডোহার্টি বলেন, নাগরিক অধিকার আন্দোলন ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েক দশকব্যাপী সংঘাতের ইতিহাসে গড়ে ওঠা শহরটিতে এ বিতর্ক বিশেষভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

এ ঘটনা তাকে আয়ারল্যান্ডের সাহিত্য সেন্সরশিপের ইতিহাসের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে। অতীতে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিলেন এডনা ও’ব্রায়েন, স্যামুয়েল বেকেট ও জন ম্যাকগাহার্নের মতো বিখ্যাত লেখকরা।

তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে, আমরা সামনে এগোনোর পরিবর্তে আবার পেছনের দিকে ফিরে যাচ্ছি।’

তবে ডোহার্টির মতে, কোনো বইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ পাঠকদের মধ্যে সেটি পড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এর ফলে স্যালি রুনিসহ অন্যান্য আইরিশ লেখকের বইও নতুন পাঠকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘নিষিদ্ধ বইই বেশি বিক্রি হয়। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা বইটির প্রতি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের আগ্রহ তৈরি করে।’

এদিকে ফিলিস্তিন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন সংগঠনটির সহপ্রতিষ্ঠাতা হুদা আম্মোরি। এ বিষয়ে বুধবার ও বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্টে আপিলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিকভাবে স্যালি রুনির উপন্যাসের কয়েক মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। আধুনিক সম্পর্কের নানা দিক তুলে ধরার কারণে তার বইয়ের প্রতি বিশেষ পাঠকগোষ্ঠী তৈরি হয়েছে।

বিবিসিতে তার উপন্যাস ‘নরমাল পিপল’-এর টেলিভিশন রূপান্তর প্রচারের পর তিনি আরও ব্যাপক পরিচিতি পান।

লন্ডনের বার্ড বুকসের মালিক ভিকি শেনকিন কের বলেন, ‘তিনি বর্তমান সময়ের অনুভূতি ও বাস্তবতাকে যেভাবে তুলে ধরেন, তা সত্যিই অনন্য। মানুষ তার বই ও লেখাকে ভালোবাসে।’

ফ্যাবারের সিদ্ধান্তের পর তার দোকানেও রুনির বই বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়। দোকানে থাকা অবশিষ্ট বইগুলো কয়েক দিনের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়।

তবে বিদেশ থেকে আমদানি করে নতুন করে বইয়ের মজুত না করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রপ্তানি আয়ের প্রধান গন্তব্য হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে আয় হয়েছে ৩৩৫ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩০০ কোটি ডলার।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ১ হাজার ৭০৯ কোটি ডলার হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এসেছে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবৃদ্ধির হার সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা, ভোক্তাদের পরিবর্তিত চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তি প্রতিযোগিতার মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধি পণ্য রপ্তানিতে দেশের সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ বাসসকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এই প্রবৃদ্ধি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের পণ্যের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতারই প্রমাণ।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি গন্তব্য। এত বড় ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের রপ্তানি খাতের জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।’

হাসান আরিফ আরও বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা সময়মতো পণ্য সরবরাহ, গুণগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্সের শর্ত পূরণের মাধ্যমে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের সক্ষমতা এবং বিশেষ করে বড় ভোক্তাবাজারে দেশীয় পণ্যের ধারাবাহিক চাহিদার বিষয়টি তুলে ধরেছে।

বিকল্প বাজারে রপ্তানি বাড়ছে

প্রচলিত বড় বাজারে রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন ও বিকল্প বাজারেও বাংলাদেশের অবস্থান সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও অপ্রচলিত বাজারগুলোতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বড় বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে তুরস্কে। দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এ সময়ে তুরস্কে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ২৯ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৫ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার ডলার।

এ ছাড়া সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বাজারেও রপ্তানি আয় বেড়েছে যথাক্রমে ১৫ দশমিক ৫২ ও ১২ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ইউরোপের দেশ স্পেনেও দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

হাসান আরিফ বলেন, প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কয়েকটি উদীয়মান বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। এতে রপ্তানি বাজারের পরিধি বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি বড় বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে।

অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের মতে, রপ্তানি বাজারের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বাড়ানো বাংলাদেশের জন্য ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এতে কোনো একটি দেশের অর্থনৈতিক মন্দা, বাণিজ্যনীতির পরিবর্তন কিংবা পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব সামাল দেওয়া সহজ হবে।

যুক্তরাজ্য ও জার্মানিও বড় বাজার

যুক্তরাষ্ট্রের পর বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের বড় গন্তব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য ও জার্মানি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে যুক্তরাজ্যে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৭৪ কোটি ডলার। এ নিয়ে দেশটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজারের অবস্থান ধরে রেখেছে।

একই সময়ে জার্মানিতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৫৭ কোটি ডলার। দেশটি রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। এরপর রয়েছে স্পেন ও নেদারল্যান্ডস।

ইউরোপের এসব দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দেশের তৈরি পোশাকসহ প্রধান উৎপাদিত পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি— এ তিন দেশ থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ আসে। ফলে প্রচলিত বড় বাজারগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধরে রাখার পাশাপাশি নতুন বাজার অনুসন্ধানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অক্টোবরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৪.৩৯ শতাংশ

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের শুরুতে রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৭৫ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। আগের বছরের একই মাসে এ আয় ছিল ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দেশটিতে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ১০ শতাংশ।

অক্টোবরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩৯৯ কোটি ডলার। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় এ আয় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে এ বাজারের ধারাবাহিক অবদানকেই তুলে ধরছে।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান কয়েকটি প্রতিযোগী দেশের তুলনায় তুলনামূলক সুবিধাজনক। এ কারণে দেশটিতে বাংলাদেশের পণ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে এবং রপ্তানি আয়ও বাড়ছে।

তিনি বলেন, ‘শুল্কের ক্ষেত্রে কয়েকটি প্রতিযোগী দেশের তুলনায় আমরা অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।’

মাহমুদ হাসান খান আরও বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার কিংবা এর প্রয়োগ এড়ানোর সুযোগ খুঁজতে বিজিএমইএ যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক এড়ানোর বিষয়ে আমরা ইউএসটিআরের সঙ্গে আলোচনা ও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। ধারাবাহিক সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান পাওয়া যাবে বলে আমরা আশাবাদী।’

প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখাই লক্ষ্য

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে বাজার ও পণ্যের বহুমুখীকরণ, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, সময়মতো সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রপ্তানি খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও নীতিনির্ধারকেরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মতো বড় বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা ও ভোক্তাদের পছন্দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোও জরুরি।

ইপিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আরিফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রচলিত বড় বাজারগুলোতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এবং অপ্রচলিত বাজারে পণ্য সরবরাহ বাড়ার ফলে আগামী মাসগুলোতেও ইতিবাচক ধারা বজায় থাকবে বলে তারা আশাবাদী।

তার মতে, প্রচলিত ও নতুন—উভয় ধরনের বাজারে রপ্তানির এ প্রবৃদ্ধি দেশের রপ্তানি খাতের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ১ হাজার ৭০৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের পাশাপাশি তুরস্ক, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো নতুন ও বিকল্প বাজারে রপ্তানি বাড়ার প্রবণতা দেশের রপ্তানি ভিত্তিকে আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%