প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
শ্রমিক নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, টানা আন্দোলন, শ্রমিক অসন্তোষ ও সহিংসতা অব্যাহত থাকলে তৈরি পোশাকশিল্পের ক্রয়াদেশ অন্য দেশে চলে যেতে পারে। তাদের অভিযোগ, আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও সহিংসতা চালানোর জন্য ভাড়াটে লোক নিয়োগ করা হয়েছে। চলমান মজুরি আন্দোলনের অংশ হিসেবে গ্রেফতার হওয়া শ্রমিকদের মুক্তি, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আন্দোলন বন্ধের আশ্বাসও দিয়েছেন শ্রমিক প্রতিনিধিরা।
তৈরি পোশাকশিল্পে মজুরি বৈষম্য, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং চাকরির অনিশ্চয়তা নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং অন্যায্য ছাঁটাই বন্ধের দাবিতে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভারসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) গঠিত মজুরি বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধিদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নেতারা উল্লেখ করেন, আন্দোলনের নামে ভাঙচুর ও হামলার সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের দাবি, এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে।
শ্রমিক নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, টানা আন্দোলন ও সহিংসতা চলতে থাকলে বিদেশি ক্রেতারা ক্রয়াদেশ অন্য দেশে সরিয়ে নিতে পারেন। সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার জানান, মিরপুরে আন্দোলনের সঙ্গে হোপ মার্কেটের আন্দোলনরত ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা জড়িত। গাজীপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনও আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন।
চলমান মজুরি আন্দোলনের অংশ হিসেবে গ্রেফতার হওয়া শ্রমিক ও নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং অন্যান্য ব্যবস্থা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জানুয়ারির মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবি করা হয়েছে।
শ্রমিক নেতাদের গ্রেফতারের বিষয়ে ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার বলেন, গ্রেফতার নেতাদের যেন নির্যাতন করা না হয় এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের মুক্তি দেয়া হয়। তিনি জানান, সোমবার শ্রমিক আন্দোলন অনেকটাই কমেছে। মঙ্গলবার থেকে আন্দোলন প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন